পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অপহরণে শিকার সুজিৎ চাকমা

ছবি
  আজ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং রাঙ্গামাটি জেলার লংগুদু উপজেলা বাজারের সাপ্তাহিক হাট বার। প্রতি সপ্তাহের ন্যায় মানুষ স্হল ও জলপথে বাজারে করার জন্য আছে,ঠিক মি: সুজিৎ চাকমা(২৯) ও এসেছিল বাজারে, । পিতা:- মঙ্গল মোহন চাকমা। সাং:- ভাইবোন ছড়া, গোলাছড়ি। ৭ নং লংগুদু ইউ পির ৫নং ওয়ার্ডের স্হায়ী বাসিন্দা কে বাজার ঘাট থেকে সকাল আনুমানিক সাড়ে আট ঘটিকার সময়ে, সেনাসৃষ্ট নব্য মুখোশ বাহিনীর সর্দার কনক চাকমা কতৃক অপহরন করে নিয়ে যায়। অপহরনের পর কোথায় এবং কি কারনে আটক রাখা হয়েছে তা বিস্তারিত জানা যায়নি।

মাত্র ২৩ দিন ব্যবধানে আবারও দলবেধে ধর্ষণের শিকার আদিবাসী নারী (৩৬)

ছবি
 গত ৩১ আগস্ট ২০২০ ইং সোমবার খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে চার বাঙালি সেটেলার যুবক কর্তৃক রাতভর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এক মারমা কিশোরী (১৪) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাত্র ২৩ দিন ব্যবধানে আবারও নিজ বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হন খাগড়াছড়ি বলপিয়্যা আদামের এক প্রতিবন্ধি আদিবাসী নারী (৩৬)।  আজ ২৪/০৯/২০২০ ইং রোজ বৃহষ্পতিবার খাগড়াছড়ি সদরস্হ "বলপিয়ে আদাম" গ্রামে নিজ বাড়ীতে সেতলার বাঙালী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হওয়া ভিক্টিমের (৩৬) সাথে সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলে জানা গেল, অদ্য রাত ২.২৬ মিনিটে ৯ জন সেতলার বাঙালী বাড়ীর মেইন গেইটের উপরের দিকে বেয়ে উঠে ঘরের দরজা ভেঙে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে ঘটনা ঘটান এবং চলে যাবার সময় নগদ ৮,০০০ টাকা ও কয়েক ভরি সোনা গহনা লুট করে নিয়ে যান। সেতলার বাঙালীদের হাতে ছিল দা, ছুঁড়ি ও পোড়াবাড়ি। ভিক্টিমের আরও বয়ানমতে, দুষ্কৃতিকারী সেতলারদের কারোর নাম জানা না থাকলেও কিন্তু তাদের সকলের চেহারা পরিচিত এবং তাদের প্রত্যেকের বাড়ী হলো খাগড়াছড়ি সদরস্হ গঞ্জপাড়ার বাঙাল হাটি মৌজা গ্রামে। তাদের ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়। এ দিকে সাধারণ জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ...

“ঘিলে ফুল” ছড়া বইটি কেন পড়ব? - ইনজেব চাঙমা

ছবি
“ঘিলে ফুল” সুনানু রনজিত চাঙমা (ব্যাংকার), চাঙমা সাহিত্য বাহ্ পাবলিশার্স হতে প্রথম প্রকাশিত বই (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ইং) Reading is to the mind what exercise is to the body ” – Joseph Addison এই কথাটি বলে গিয়েছেন ৩০০ বছর পূর্বে । আর বর্তমান মডার্ন সায়েন্স গবেষণার দ্বারা এই কথাটির সত্যতা প্রমাণ করেছে । ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ ও আনন্দিত রাখতে পারি । একটি ভালো বই মানুষের মনশ্চক্ষু যেমন খুলে দেয় তেমনি জ্ঞান ও বুদ্ধিকে প্রসারিত ও বিকশিত করে মনের ভিতরে আলো জ্বালাতে সাহায্য করে । বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ । যার সাথে পার্থিব কোনো সম্পদের তুলনা হতে পারে না । একদিন হয়তো পার্থিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে , কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনও নিঃশেষ হবে না , তা চিরকাল হৃদয়ে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে ।  যাক, এখন আছি ঘিলেফুল ছড়া বইটি কেন পড়ব। আপনারা শুনে থাকবেন “ঘিলেফুল” দেবংশী মানে সাধারণ চোখে দেখা যায় না। জনশ্রুতি আছে ঘিলেফুল দেখলে নাকি সেই ব্যক্তি অবশ্যই সুনাম অর্জিত হয়।  এমনই চিন্তা চেতনা নি...