পোস্টগুলি

নভেম্বর ২২, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তিবুরা : চাঙমা লেঘার পইদ্যানে পরাক পরাক কয়েকখান কধা- সুনানু কুসুম কান্তি চাঙমা, ভারত

আকহধা     তিবুরাত চাঙমাগউনর লোকসংখ্যা প্রায় এক লাখর ইন্ধি-উন্ধি। ১৯-চো জনজাতি মধ্যে চাঙমাউন লোকসংখ্যাধি দি নম্বর আ গদা তিবুরাত চাঙমাঘান তিন নম্বর দাঙর ভাষা। তিবুরার লোকসংখ্যার ৩% আ আদিবাসঅ লোকসংখ্যার ১২.৫% চাঙমা। বেচভাক চাঙমা তিবুরার দেরগাঙ, মনুগাঙ, ফেনীগাঙর কুরে কারে আদামানিত বজত্তি গত্থন। মোটামুটি রাজা কৃঞ্চ মানিক্যর আমলত্থুন ধরি (১৭ শ শতক) গুমেদত আ ১৮ শতকর শেজত্থুন ধরি দেরগাঙত চাঙমাগুনোর বজত্তির বিজগী মাজারা তোগেই পা’ যায়। পড়া-শুনোধি তিবুরার চাঙমাউন সারেপারা আক্কোলেয়ো উবর কাবর পেশা  বা সরকারী চাগরীত তারা এভ’ লেমপোচ্যে। গদা তিবুরাত বানা ১৫ জন চাঙমা টিসিএস/টিপিএস, চের জন বানা কলেজর মাস্টর, হন’ আইএএস অফিসার নেই, এক জন বানা উকিল - ইয়েনিয়ে গমেদালে চাঙমাগুনোর উনোঘান ফগদাঙ গরে। রাজনীতিদিধ’ তারা আর’ বেচ লেমপোচ্যা। চের পাচ্যান এডিসি/বিধানসভা সিদোত চাঙমাঘুনোর জয়-পরাজয় ঠিক গরিভার ক্ষমতা থেলেয়ো তারা কন’ দিন এক্কানত্থুন বেচ কেন্দ্রত  - সিয়ে এডিসি ওহ্ক বা বিধানসভা, কন’ দিন জু ন’ পা’ন। তিবুরার চাঙমাগুনোর নিজস্ব কন’ রাজনৈতিক দল নেই বা এমন কন’ দলো নেই যিবে চাঙমা কজমা নেতাগুনো...

"চাঙমা সাহিত্য বাহ্" ও আমি: সুনানু প্রজ্ঞা আলো তালুকদার

ছবি
  ভাষা একটি জাতির পরিচিতিও বটে! তাই প্রত্যেক জাতির নিজ নিজ ভাষাকে আমি খুবই সম্মান করি। আমাদেরও আছে নিজস্ব ভাষা, চাঙমা(চাকমা) ভাষা! কিন্ত ছোটবেলা থেকেই চাঙমা ভাষাটাকে যত না চর্চা করেছি তার চেয়ে বেশি চর্চা করেছি বাংলা ভাষাকে! রাষ্ট্রভাষা হিসেবে হযতো বাংলা ভাষাটা শেখা অত্যন্ত জরুরি কিন্তু তার পাশাপাশিও নিজের ভাষাটা চর্চা করার সুযোগ যদি থাকতো তাহলে সেটা হতো আমাদের দেশের সেরা কাজের মধ্যে একটি। কিন্তু অনগ্রসর পাহাড়ি উপত্যকায় বাস করা এ জনগোষ্ঠী কতটুকু সে সুযোগ পেয়েছি! একদিকে সরকারের সহযোগিতার অভাব অন্যদিকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিলুপ্তপ্রায় ভাষার চর্চা শুরু করাটাও ছিলো একটি প্রধান অন্তরায়। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা থাকলেও আমরা হয়তো শিখতে কিংবা চর্চা করতে পারতাম না! তার কারণ হিসেবে বলতে পারি বর্তমান অবস্থা। মায়ের ভাষায় লেখা বই অন্তত কিছুটা হলেও প্রাথমিক স্কুলগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু সেগুলো শেখানোর জন্য শিক্ষক কই!! না আছে শেখানোর মন মানসিকতা! বাংলা ভাষাটা শিখেছি ব্যবহার করছি এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো বলা যায়। কিন্তু যেখানে বাঙ্গালির উপস্থিতিই নেই, যেখানে কোনদিন বাঙালির প্রয়োজনই নেই এমন...

শাক্য বংশ জনম: সুনানু ইনজেব চাঙমা

ছবি
  বিজগত লেঘা আঘে, এত্থে সূর্য বংশউনর পূর্বপুরুষউনর উত্তর মঙ্গোলীয়ত্তুন মধ্য এশিয়া দি গরি হিমালয়’ মোন গোরাত রের্য্য থিদ’ গরন। আ পরেদি সিত্তুন হিমালয় - তিব্বত পদে বেই ভারদত সমান।  এ সূর্য্যবংশর এক্কো রাজা ইক্ষাকুর চেরবো পুঅ আ পাচ্চো ঝি আঘে। তারার সাদাঙা মা কু পাগে অযোধ্যা  নাঙে প্রদেঝ’ ইধু বন বাসত পাদা অইয়ে। সিধু তারা কপিল নাঙে এক্কো ঋষির আশ্রয় লন। রাজার পুঅ/ঝিউনর পাজা গম লাগি ঋষি তারারে তা সমারে থেবার হুম দিল। সিত্তুন ধরি এ জাগা নাঙান “কপিলা বস্তু” নাঙে নাঙ বজে। নগর থিদ’ গরানা পর রাজ কুমরদাঘির জধন গরিবার থিক অহ্’য়। মাত্তর, কারে বানেবাক লগর সমারি? অন্য কিত্যাত্তুন মোক ললে তারার বংশ মিজিল্যা অভাক আ তারার ক্ষত্রিয় ধর্ম অপমান অভ’ ভাবিনেই ভেই-বোনে লোই-লি অভার থিক গরন। তারার বেগ’ দাঙর বোন্নুরে মা সান ভাবন।  এ খবরান তারা বাপ রাজা খবর পেলে রের্য্যত পণ্ডিক আ ধর্মগুরুউনরে দাগি সল্লা চেল- এ “শক্য” বা ধর্ম সুধোম আঘে নিনা? ভেই-বোনে লো-লি অভার। তারা বেগে ধিঙিরি দিলাক, তারা যে দিন মাধানত (পরিস্থিতি) আঘন এ  “শক্য” (ধর্ম সুধোমত পরে) ধগে তারা লো-লি অই পারন।  সিত্তুন ধরি শক্য ...

দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান: নানান কিয়োঙত ভান্তেদাঘিরে চাঙমা লেঘা চার্ট দান

ছবি
চাঙমা সাহিত্য পত্রিকা(এওজি, দিঘীনালা): চীবর অহ্’লে ভান্তেদাঘি উরন্দে কাপর। যে দিনত চীবর দান গরিবাক সেদিন বেন্যাত্তুন ধরি তা কেল্যা বেন্যা সং সুদ তুলনা, থেয়ানা, বাজানা, বুনানা, কাপানা, সেলানা, রং গরানা, ধনা আ শুগনা এধক্যে আগাথ্যা কামানি গরানা। এ বাদেয়্য আর’ কিঝু আগাথ্যা রিদিসুধোম পালানা সমারে এ চীবর দানান থুম অহ্’য়। সিত্যাই চীবর দানর আগে কঠিন র’বো বাজেই দিন্যাই কঠিন চীবর দান নাঙ দিয়্যা অহ্’য়। ইরুক নানান কোম্পানি বানেয়্যা আ সেলেয়্যা চীবর ভান্তেদাঘিরে দান গরন।   কঠিন চীবর দান অবার আগেদি ভান্দেদাঘি শবাশালত আ নানান জাগাত্তুন কাপড় তোগে উরন –পরন। মাত্তর সিয়ানি বেচ আজর অহ্’না বুদ্ধ হুম দেনায় গম চীবর উরি-পিনন। ইক্যে ভান্তেদাঘি ধর্মসুধোমে নানাঙ ফাংশান গরি যা যা কিয়োঙত তিনমাঝ্যা বর্ষাবাস থুম গরন, তারার দায়ক-দায়িকাদাঘি এ কঠিন চীবর দান গরন। তিন মাঝ্যা বর্ষাবাস থুম অহ্’লে ধর্মসুধোমে দোলে দোলে প্রবরণা পূর্ণিমা পালান। আ এ প্রবারণা পূর্ণিমা তা কেল্যা দিনত্তুন ধরি কাদি পূর্ণিমা সং এ এক মাস কাঠিন চীবর দান গরিবার সুধোম থায়। বুদ্ধ ধর্ম মতে, পিত্তিমীত যেধক্কানি দান আঘে সে দান সেরে কঠ...

নির্বাচনী ইশতেহার ও আদিবাসী: মঙ্গল কুমার চাকমা

ছবি
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনী ইশতেহার ও আদিবাসী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো একে একে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নির্বাচনী ইশতেহার অনেকাংশে একটা কাগুজে দলিল হলেও জাতীয় নির্বাচনকালে এর গুরুত্বকে খাটো করে দেখার উপায় নেই। বলাবাহুল্য, নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন দল বা বিরোধী দল অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রতিপালনে আশানুরূপ আগ্রহ দেখায় না। তবুও জাতীয় নির্বাচন এলে আপামর দেশবাসীর সঙ্গে আদিবাসীরাও রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতি গভীরভাবে দৃষ্টিপাত করে থাকে। ক্ষমতাসীন দলের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়, 'লক্ষ্য ও পরিকল্পনা'র মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ নেই। পার্বত্য চুক্তির ২১ বছরের মাথায় চুক্তি স্বাক্ষরকারী একটি দলের ইশতেহারে চুক্তি বাস্তবায়নের ইস্যুটি না থাকার বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবতা হচ্ছে তাই। এর মধ্য দিয়ে 'এ সরকার আর চুক্তি বাস্তবায়ন করবে না' বলে সন্তু লারমার যে আশঙ্কা- তা অনেকটা প্রমাণিত হতে বস...