মাচাং মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা: গিরি-কন্যা খাগড়াছড়ির এক আলোকবর্তিকা - ইনজেব চাঙমা
সবুজ অরণ্যে ঘেরা, মেঘের চাদরে মোড়া খাগড়াছড়ি। যেখানে পাহাড়েরা ফিসফিসিয়ে গল্প বলে, ঝর্ণার জল সুর তোলে। সেই মায়াবী ভূমির কোলে, ১৯৭৪ সালের ২৬শে মে, এক নবজাতকের কান্না পাহাড়ি বাতাসে মিশে গিয়েছিল। কে জানত, সেই কান্নাই একদিন পাহাড়ের ভাষার কান্না হয়ে বাজবে, আবার সেই কণ্ঠই হবে পাহাড়ের জয়গান? পিতা মাচাং বরেন্দ্র লাল ত্রিপুরার সুবোধ আর মাতা সবিতা রাণী ত্রিপুরার কোমল স্নেহের ছায় তাঁর শৈশব। চেঙের ধুলো-মাটি গায়ে মেখে, খাগড়াছড়ির পাঠশালার চৌকাঠে তাঁর প্রথম বর্ণপরিচয়। কিন্তু এই বর্ণমালা তাঁর তৃষ্ণা মেটাতে পারেনি। বিদ্যার অদম্য পিপাসা তাঁকে টেনে নিয়ে গেল চট্টগ্রামের সবুজ চত্বরে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে ইতিহাসের পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে তিনি এক গভীর সত্য আবিষ্কার করলেন, যে জাতি তার শিকড়কে ভোলে, তার কোনো ভবিষ্যৎ নেই। ২০০০ সালে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি ফিরে এলেন। তবে চাকরির মোহে নয়, ফিরে এলেন ঋণ শোধ করতে, মাটির ঋণ, মায়ের ভাষার ঋণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের চকচকে স্বপ্নকে পেছনে ফেলে তিনি জড়িয়ে পরেন, ‘জাবারাং কল্যাণ সমিতি’। জাবারাং মানে কি কেবল একটি এনজিও? না। জাবারাং হলো পাহাড়ি শি...