“আমাদের সংগ্রাম অদম্য, আমাদের লক্ষ্য অবিচল” - ইনজেব চাঙমা
পাহাড় কেবল মাটি-পাথরের স্তূপ নয়; এটি একটি সভ্যতা, একটি সংস্কৃতি, একটি জাতিসত্তার পরিচয়। যুগ যুগ ধরে চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বঞ্চনা, ভূমি বেদখল ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার। “যতই ভয় দেখাও, দমিয়ে রাখা যাবে না; পাহাড় জাগছে তার অধিকারের দাবিতে!”—রাণী ইয়ান ইয়ানের এই উচ্চারণ সেই জাগরণেরই প্রতিধ্বনি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষ যখন অধিকার আদায়ে রুখে দাঁড়ায়, তখন তা আর নিছক দাবি থাকে না, হয়ে ওঠে অস্তিত্বের সংগ্রাম। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস গৌরবের, আবার বেদনারও। তাদের নিজস্ব সামাজিক কাঠামো, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও শাসনরীতি ছিল শতাব্দীপ্রাচীন। কিন্তু উপনিবেশিক আমল থেকে শুরু করে আধুনিক রাষ্ট্রকাঠামোতে ধীরে ধীরে তাদের ঐতিহ্যবাহী ভূমি অধিকার খর্ব হয়েছে। উন্নয়নের নামে উচ্ছেদ, বন ও পর্যটন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ, এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের অভাব পাহাড়ি জীবনকে ক্রমশ কোণঠাসা করেছে। রাণী ইয়ান ইয়ান স্পষ্ট করে বলেছেন—এই শোষণের বিরুদ্ধে পাহাড় আজ জেগেছে, কারণ অধিকার হারানোর জন্য নয়, আদায়ের জন্য তারা লড়তে শিখেছে। রাণী ইয়ান ইয়ানের ঘোষণায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর চারটি মৌলিক দাবি উঠে এসেছে। এগুলো কোনো করুণা ...