হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(১)
টেকনাকত্তুন সীতাকুন্ড, উত্তরে ফেনীগাঙ,
মাতামুড়ি শঙ্খ আ কাঁইচা বড়গাঙ,
আলিকদম, রাজারবিল,
শুক বিলাস, রাজানগর,
জুম্ম জাদর চরণিখলা সারা চাটিগাঙ
মোগল যুগত দ্যন তারে জুমবঙ্গ নাঙ।
ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীয়ে কুচক্রান্ত গরি,
সুবে বাংলার নবাবত্তুন রেজ্য নিল’কাড়ি।
চাটিগাঙঅ পেই গেল’
ইংরাজ শাসক এঈ গেল’
কেদের মেদের লাগি গেল’ জুমবঙ্গ রাজা লৈ,
কোম্পানীর কধা ধগে চলদে রাজি ন’ অৈ।
কোম্পানী লৈ জানবক্স খাঁর যুদ্ধ বাঝি গেল’
সেনাপতি রুনু খাঁ কোম্পানীর হ্দে দিল’।
বার বার হ্দি গেল’
জুম্ম লগে ন’ পারিল’
কোম্পানীয়ে বুদ্ধি গরি বাজার বণ গরিল’
জুমবঙ্গ মানুষষুনে বড় বেকায়দাত পড়িল’।
প্রজাউনর দুঃগ দেঈ রাজার মন কানিল’
কলকাতাত যেই বড় লাট লৈ সন্ধি গরিল’। (১৭৮৭)
হ্াত্যারানি গজেই দিবে,
নিয়ম মুজিব কর দিবে,
ত’ধগে তুই থেবে গৈ- কিচ্ছু ন’অব’
কোম্পানীয়ে ত’ উউরে হ্াচ ন’ তুলিব’।
ইংরাজে কধা কয় কধা ন’ রাঘায়
একশ বছর ন’ পুরাদে প্রমান পা যায়।
জুম্মউনে জুম খান
রান্যা ভুইয়ানি ফেলেই যান,
গুরি ফিরি সে জাগানিত আর’ জুম খান
এ ধক্যা গরি আবাদ গজ্যন সারা চাটিগাঙ।
জুম্ম উনর রান্যা ভুই বাঙালে লুভ গরন,
সেই ভুইয়ানি পেবাত্যায় ইংরাজ’রে ধরন।
এই ভাবে চক্র গরি
বাঙালুনর কধা ধরি,
হিল চাটিগাঙ জেলা গরি ১৮৬০ সনত
জুম্ম উনরে দিল ভরেই মোন মুড়’ দেশত।
চিটাগাঙ হিলট্রেকস নুঅ জেলা হ্ল’
মোন মুড়’ টংকর লৈ সীমানা গরি দিল’
কলগ ভুই সঙ জাগানি
চাটিগাঙত্তুন টানি আনি,
শত বছর’ আবাদি ভুই বাঙাল’ইদু গেল’
জুম্ম উনরে জোর গরিন্যায় পাহ্াড়ত ঠেলি দিল’।
সরকারর হুগুম নামা পালন গত্ত যেই
হাজার হাজার জুম্মগিরি উদিলাগ পেই,
আদাম পাড়া ভাঙি গেল’
কুল, বিল শূন্য হ্ল’
চাটিগাঙ ছাড়া হ্ল’ চাঙমা জাদল্লায়,
যেগুন থেলাগ গেলাগ সিগুন বাঙাললৈ মিলেই।
ইংরাজর কূটনীতি আ বাঙাল’ কুশল,
জুম্ম জাদত পড়ি গেল সংসার’ওল ঝোল।
রাজারে কয়, “তুইঅ যেবে
ন’অলে তুই বাঙাল হ্বে।”
রাজা সদর ফেলে এঈন্যায় রাঙামাত্যাত এল’
জুম্ম জাদর অধিনতা এ-ঈ শুরু হ্্ল’।
***
**
*
ছরাগাঙ মোন মুড়’ অঝার কলগ ভুই,
লাগদিঘলী দুয্যা তুবল নিত্য দেয় ধুই।
বেলান উদে রাঙা গরি
পুগ’ মোন পহ্্র গরি,
বেল্যা হলে পছিমন্দি দুর্য্যাত ডুবে গৈ,
এ্যনে দোল জাগা আর কুদু পেবঙ গৈ?
বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষ যে জাগাত মজ্যন,
কম হ্্্লেঅ চেরশ’ বচর বসত্তি গজ্যন।
দখিনত্তুন উত্তুরেন্দি
যিন্দি চাস উন্দি ইন্দি
চের কিত্যা রয়্যে পড়ি চাঙমা কিত্তিনিশান।
টেকনাক ইক্ষে টেকনাফ হ্য়্যে চাঙমা দিয়্যা নাঙ।
ইদু এইন্যায় জুম্মউনে বাঙাললৈ মিশিয়্যন,
ধর্ম কর্মর সুদমছিরি অনেক কিছু নিয়্যন।
আরবী ফারসী নানা শব্দ
জুম্ম ভাষাত হয়্যে রপ্ত,
নাঙ সমারে খাঁ উপাধি যোগ গরি দ্যন,
বি শব্দ লৈ মিলা উনে বিবি বনি যিয়ন।
চাঙমা উনর গোজা সৃষ্টি ইদু শুরু হ্য়্যে,
যে যে জাগাত বসতি গজ্যে সে জাগার নাঙ পিয়্যে।
বাকখালীত বগা গোজা,
থৈন ছড়িত তৈন্যা গোজা,
লামা গাঙত লার্মা গোজা নাঙ পেঈ যিয়্যে;
এ জাগানি ইতিহাস অৈ সিধু পড়ি রয়্যে।
জুম্ম জাদর কত স্মৃতি, সুগ দুগ, আনন্দ বেদনা,
নানা জাগাত ছড়ি ছিদি রই যিয়্যে অজস্র ঘটনা;
চিকন ছড়ার জুম, রান্যামোন’ ঘরত,
দর্যা পাড়র নাকসা ফুল’গাছত,
পরন্তি বেলর ভরন্দি আদমর গুমগুমনি, কবি কল্পনাত
গেঙকুলি গীদত উঠ্যে ফুদি “চাটিগাঙ ছাড়া পালাত”।
হ্ারানি রাজার ভাঙনি রেজ্যর সে দুগ’ গান,
আদাম’ ভিদিরে ঘরত বইন্যায় ক্যেঅ ন’শুনন।
অমঙ্গল যদি হয়
মনদ থায় সে ভয়,
আদাম’ ধ্বারে যেই ন্যায় তারা চাটিগাঙ ছাড়া শুনন দৈ,
পূরনি জাগা ঈদোদ তুলি মনে মনে কানন দৈ।
ছরা গাঙ মোন মুড়’ অঝার কলগ ভুই
লাগ দিঘলী দুর্য্যা তুবল নিত্য দেয় ধুই।
বেলান উদে রাঙা গরি
পুগ’ মোন ফর গরি
বেল্যা হলে পছিমেন্দি দুর্যাত ডুবে গৈ
এ্যনে দোল দেশ আর কুদু পেবঙ গৈ?
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(২)
হিলট্রেকসর সদর দপ্তর চন্দ্রঘনাত এল’
১৮৬৯ সনত রাঙামাত্যা সরেল’।
রাজার’ খামার বাড়ি
বাধ্য হ্ন্যে পেল’ছড়ি,
কাছারি অফিস বানের’ ইয়দ, অধিগ্রহন গরি;
বড়গাঙ পার অৈ পেল’ চাঙমা রাজবাড়ি।
উত্তরেন্দি চাঙমা দগিনেন্দি বোমাঙ
জুম্ম রাজা দ্বিবা এলাগ হিল চাটিগাঙ।
লে উইননে চক্রগরি
চাঙমা রেজ্য ভাগ গরি
আর’ এক্য রাজা বানায়- মঙ রাজানাঙ;
তিন সার্কেলে ভাগ গরিল’ হিল চাটিগাঙ।
চাঙমা রানী কালিন্দিএ বেজার অৈ গেল‘
লে উইন সাবর উউরে তে নালিশ জুড়ি দিল’।
হাইকোর্টর এই রায়
সরকারর পক্ষে যায়
রানী কালিন্দির আবেদন সরকারে ন’ শুনিল’
তিন সার্কেল নাঙ তে গেজেটত তুলি দিল’। (১৮৮১)
জেলা শাসক লেউহন নে ভারী ধূর্ত এল’
চাঙমা জাত’ ঐক্যআন তে ভাঙি দিদ’ চেল’।
তালুকে তালকে কোল বাঝে দি,
এতে ও তারে লেলি দি
রাহ্আরত্তুন কুকি আনি চাঙমা কাবা খাবেয়্যে।
এক্য দিনে বেইশ আদাম কুকিয়ে কাবি যিয়্যে।
সেক্কে দিনত কুকি (মিজো)উন ভারী দুর্দান্ত এলাগ,
ইন্দি উন্দি নানা জাগাত লুটপাত গরিদাগ।
ঘরবাড়ি জ্বালি দ্যন,
টেঙা পয়সা কাড়ি লন
মিলা মরদ মানুষ পেলে ধরি নেযেদাগ,
সিউনরে দাস বানেন্যায় কাম করজ গরিদাগ।
হিলট্রেকস, হিল তিবিরা, নোখালী আ কাছাড়,
এ জাগানি কুকিউনে (বারেবার) গজ্যন ছারখার।
বন্ধগত্তে কুকি ডর
ইংরাজে হল’ তৎপর,
হিলট্রেকস আর কাছাড়’ দি দ্বিমুখ্যা অভিযান,
১৮৯১য়ত শেষ হ্ল’ লুসাই ঊীঢ়বফরঃরড়হ.
নুঅ জেলা গরা হ্ল’ হিলচাটিগাঙ,
সরকারর হ্াদত নি গেল গৈ ব্বেগ প্রশাসন।
রাঙামাত্যা হ্ল’ সদর
জেলা হেড্্ কোয়ার্টার,
এ বাদেঅ গল্ল’ তিনান মহকুমা শহর,
রাঙামাত্যা, বান্দরবান আ রামগড়।
থানা বানেল’ এগার’আন এগার জাগাত
পুলিশ দারগা রাঘেই দিল’ দুষ্ট ডঙানাত।
তালুক প্রথা তুলি দিল’
মৌজা সিষ্টেম চালু গল্য (১৮৯০)
পত্তি মৌজাত একজন গরি হেড্ম্যান নিয়োগ হ্ব’,
হেড্ম্যান হ্দে রাজাত্তুন সম্মতি লাগিব’।
মৌজার যদ’ আচার বিচার শান্তিয়ে রাগানা,
রাজা কিম্বা সরকার লৈ যোগাযোগ গরানা,
মৌজা তৌজি ঠিগ গরিব’,
খাজনা টেঙা তুলি দিব;
সে টেঙাগুন ঠিগ সময়ে দিব সরকার’রে;
এ কামল্লায় হেড্্ম্যান কমিশন ভোগ গরে।
আদাম থেব’ কয়েকখান পত্তি মৌজাত,
কার্বারী থেব’ একজন আদাম শাসনত।
কুজ্য ঝগড়া মিটেব’
আদাম শান্তি রাঘেব’
জুম তৌজি তৈরি গরি হেডম্যানরে দিব’,
কার্বারীত্তুন জুম খাজানা দ্যা ন’পড়িব’।
পুরনি কালর রাজার শাসন শেষ অৈ গেল’,
আধুনিক যুগ ব্যবস্থাত জুম্মউনে এল’।
জুম খাজানা ঠিগ গরিল’,
ভুই খাজানা রেইট বসিল’,
গোটা জেলা জরিপ গরি বাউণ্ডারী ঠিগ হল’,
মৌজা, থানা, মহকুমার সীমানা বসিল’।
নুঅ জেলা, যেক্ষে হ্্য়্যে হিল চাটিগাঙ,
৬৭৯৬ বর্গমেল এল’ তার পরিমান।
লুসাই যুদ্ধর পরে
নুঅ সীমানা ঠিগ গরে,
হিলট্রেকসর কিছু অংশ লুসাই হিলত ভরেল’
দগিনেত্তুন আরেক অংশ চাটিগাং (কক্সবাজার) রে দিল’।
৫১৩৮ বর্গমেল হ্ল’ ক্ষয় যেইন্যায়,
তুঅ তার বিপদত্তান কাদি ন’ যায়;
দেশ বিভাগ অৈ গেল’
আজলঙর যুদ্ধ হ্ল’
‘জলেযা’ নাঙ জাগাআন ভারতে লৈ যায়,
৫০৯৩ বর্গমেল ইক্ষিনে এই দাঁড়ায়।
ভারতর বন আইন অনুসরন গরি,
হিলট্রেকসর নানা জাগা রিজার্ভ বনে ভরি
জুম্মউনর জুম খানা,
নানা জাগা ঘুরি বেড়ানা,
অনেক কিছু স্বাধীনতার প্রতিবন্ধক হ্ল’।
১৪০০ বর্গমেল জাগা রিজার্ভ বন বানেল’।
হিলট্রেকস ফ্রন্টিয়ার পুলিশ রেগুলেশন (১৮৮১)
এ জেলাত এল’ এক্কান আলাদা শাসন।
বানা এই জেলাত্তুন
পাহাড়িয়া লোকত্তুন
রিক্রুট গরি গড়া হ্্দ’ আর্মড পুলিশ দল।
শান্তি রক্ষায় সারা জেলাত তারা দিদাগ টহল।
১৯০০ সনর হিলট্রেকস রেগুলেশন
হিলট্রেকসরে আনি দিল’ আলাদা আসন।
এ আইনর সংশোধনী
প্রেসিডেন্সিত্তুন টানি আনি
ঊীপষঁড়ষধঃ অৎবধ বলি ঘোষনা জানায়,
হিলট্রেকসে বেঙ্গলত্তুন আলাদা শাসন পায়।
এই আইনে এ জেলার ভূমিসত্ব পাহাড়ির অয়,
৩৪নং ধারায় ইয়ানর গড়ি দিয্যে নির্ণয়।
যদি কন’ অপাহাড়ি
পাহাড়ির স্বার্থ হরি
অপরাধ গরে, ৫১ ধারার বলে জেলা প্রশাসন
গরি পারে ২৪ ঘন্টায় জেলাত্তুন বিতাড়ন।
অপাহাড়ি হিলট্রেকসত যদি এদ’ চায়,
জেলা প্রশাসনত্তুন তে পাস লৈ পায়।
বেপার বানিজ্য গরিব’,
বাজার এলাকাত থা পড়িব’
অন্য জাগাত ঘর তুলিনেয় বসতি গরি ন’পারিব’
৫২ ধারার এ বিধান মানি চলা পড়িব’।
এ আইনদোয় হিল্ট্রেকসর জুম্ম জাতিউন
জুদ’ গরি রই পিয়ন বেঙ্গল প্রদেশত্তুন।
জুম খিয়ন, ভুই ভাঙ্যন,
ইন্দি উন্দি পরঙ অৈয়ন;
ভাদ কাপড়র অভাব তেমন কন’দিন ন’ ভুগন,
এক জনত্তুন থেলে সিউন ভাগ গরি খিয়ন।
মাছ কাঙারা চরাবরার কন’ অভাব নেই
ঝার বেড়েলে গুই দূর আনি ন’ পুড়েই।
পহ্ল্লানে শিকারত যেব’
গুললেদরে সমারে নিব’,
শিকার পেলে আদাম্যাউনে হ্বো ভাগ পেদাগ,
ব্বার’ মানুষ থেলেয়্য মিলানি ভাগ দিদাগ।
আগাভ ভুইঅ বলা মাদিত জুম গরিদাগ,
আড়ি জুমত শতধান ফলেই পারিদাগ
তোন পাদে জুম ভরা
আলু মরিচ সব পুরা,
ঘস্যা সুদয় গোটা জুমান বাজার বঈ যেদ’,
জুম্ম জাদর সে দিনুন আর কুদু এদ’!
উত্তুরেন্দি ফেনী, দগিনেন্দি মাতামুড়ি গাঙ,
মধ্যে আগে শঙ্খ আ কাঁইছা বড়গাং,
এ চেরান গাঙ
ফাড়ি চাটিগাঙ
পুগেত্তুন এঈ পছিমেন্দি দর্য্যাত পচ্ছ্যে গৈ,
শতাশতি ছড়া ছড়ির পানি বঈ যার গৈ।
এ গাঙানীর নাল’পধে ছড়াছড়ি ধরি,
চাটিগাঙ লৈ হিলট্রেকস উজন লামন গরি।
বাজারানি গাঙ পাড়দ
খাল’নাল’ পধদ,
নঅদ ভরেন্যায় মালমাত্তা বেয়ারীউনে আনিদাগ,
উজেই উজেই বাজারে বাজারে মাল বেজিদাগ।
সুদ’,ঘস্যা, তোন পাদ, গাছ, বাশ, শন,
যেবার সময় বেয়ারীউনে কিনি লৈ যান।
হিলট্রেকসর হাট বাজার,
টেঙা পয়সার কায় কারবার,
ব্যবসা বাণিজ্য ব্বেগ বাঙালেই গরিদাগ;
জুম্মউনে ইয়ানি কিচ্ছু মন ন’ দিদাগ।
হিলট্রেকস জেলা বানেই ইংরাজ শাসনত,
মোন মুড়া কবি দিন্যায় বানেই দিল’ পধ।
সদরত্তুন মহকুমাত,
মহকুমাত্তুন থানাত,
মোন গাঙ খোয়াঙ ফাড়ি রাস্তা বান হ্ল’,
ছড়া গাঙ পারল্লায় পুল বানি দিল’।
তিন চের মেল ফারি ফারি কুলিবাসা থেদ’,
কুলিউনে পত্তানিরে নিত্য সাফ রাগিদ’।
জুর কাবিদাগ, পধ বানিদাগ,
পধ’ পাঝারা ধোঅ রাগিদাগ,
অনজুর এ পত্তানি তিনতিল্যা রাগে দাগ
সে আমলদ ইয়ানিরে কুমনি কোম্পানি) পধ কদাগ।
থানা সদরত দারগা পুলিশ শান্তি রক্ষাল্লায়,
সে সমারে ডাক্তার খানা স্বাস্থ্য সেবাল্লায়,
রোগী যদি যান
মাগানা দারু পান।
আর হামাক্কায় ডাকঘর এক্কান চিদি আনাল্লায়;
একদিন পরপর ডাক হরকরা ঝুনঝুনি বাঝেই যায়।
জেলা সদর অফিস যেক্ষে চন্দ্রঘনাত এল’,
এই জেলার পয়লা স্কুল সিধু বঈ গেল’।
রাঙামাত্যাত অফিস এঈ গেলে
আরঅ এক্কান ইদু স্কুল খুলে,
১৮৯১ সনত ইয়ানরে হাইস্কুল বানায়,
পত্তম এন্ট্রান্স পাশ ভুবন মোহন রায়।
চাকমা ভুবন মোহন রায় রাজা হনার পর
পনর’ বিশ ঘর বাঙাল আন্যে হিলট্রেকস ভিতর।
বাঙালুনে চাষ গরিবাগ
জুম্মউনে শিগি নিবাগ,
সিত্তুন ঘরি জুম্মউনে ভুই ভাঙা ধয্যন।
পুরনবস্তি (আদিবাসী) বাঙাল বিলি ইউনে নাঙ পিয়ন।
কৃষ্ণ কিশোর চাঙমা যেক্ষে ইনিসপেক্টর হ্ল’,
তার যত্নে এ জেলাত শিক্ষা বাড়ি গেল’
নানা জাগা ঘুরি ঘুরি
জাগায় জাগায় স্কুল গড়ি,
শিক্ষা ক্ষত্রে জুম্মউনর তার অবদান
এ জেলার মানস্যে তারে পুড়ি ন’ ফেলান।
নিম্ন প্রাইমারী, উচ্চ প্রাইমারী, মধ্য ইংরাজি স্কুল,
রাঙামাত্যাত এক্কান গরি উচ্চ ইংরাজি স্কুল।
চের বাউত্যা স্কুল এল’
যা আদামত তে শিগিল’
অন্য জাগাত যেন্যায় আর উচ্চ শিক্ষা ন’ গরন;
ইংরাজ আমলত ইদু গ্রাজুয়েট মাত্র দেড় ডজন।
জুম্ম জাত জীবন যাত্রা সমাজ বন্ধন,
সে সমারে রয়্যে কিছু সামন্ত শাসন;
জুম কৃষি অর্থনীতি
সমাজরে শিক্ষা প্রতি
আকর্ষন গরিনায় টানি নি ন’ যায়,
সে কারণে জুম্মউনে শিক্ষান্দি পিছপড়ি থায়।
চাঙমা, মারমা, চাক, তিবিরা, বম, খিয়ঙ,
পাঙখো, লুসেই, তঞ্চঙ্যা, খুমি আ মুরঙ;
এ কয়েক্ক জাদ আঘন
বেগে তারা জুম গরন,
বেক্কুনে মিলি মিশি আঘি হিল চাটিগাঙ।
জুম্ম বিলি এক্কান নাঙে পরিচয় হ্বঙ।
হিলট্রেকসর তিন সার্কেল, তিন্ন রাজা আঘন,
মঙ, চাঙমা, বোমাঙ রাজা বৌদ্ধ ধর্ম মানন।
তিবিরাউনে হিন্দু ধর্ম,
এক দাঘিয়ে বৌদ্ধধর্ম,
আ এক দাঘি গাছ, পাত্তর, প্রকৃতির পূজন।
জুম্ম জাত্তুঅ এক সমারে যা ধর্ম লৈ আঘন।
ইংরাজষুনে এজার লগে তারা ধর্মআন’ আনন,
পত্তম তারা চন্দ্রঘোনাত খৃষ্টান মিশন খুলন।
মিশনর ফাদার (পাদ্রী) আঘন,
যিশু খৃষ্টর কধা শুনান,
এ জেলার মানুষযুনরে খৃষ্টান বানার চেষ্টা গরন।
টেঙা পয়সা সুবিধাল্লায় ক্যেঅ ক্যেঅ খৃষ্টান হ্ন।
লুসাই যুদ্ধ জয় গরিন্যায় খৃষ্টান মিশন যায়,
দলে দলে লুসাইউনরে খৃষ্টান বানায়।
লুসাই ভাষা শিঘিন্যায়
ইংরাজি অক্ষরে লিগিন্যায়
মিশনারী ফাদারউনে লুসাই-বাইবেল লিগিলাগ,
দেগতে দেগতে সারা লুসাই হিল (মিজোরাম) খৃষ্টান অৈ গেলাগ।
হিলট্রেকসর লুসাই, পাঙখো, বম, মুরঙ, খিয়ঙ,
কয়েক্য জাদ তারা লগে খৃষ্টান অৈ যিয়ন।
ইংরাজি অক্ষর লৈ লিগি
নিজ’ ভাষা লৈ পড়া শিগি,
ইক্ষে তারা যদে পদে শিক্ষাজ্ঞান পিয়্যন,
যার যার সংস্কৃতি লৈ জাগি উদি যিয়্যন।
চাঙমা আ মারমাউনর নিজ’ হরফ আঘন,
পুরনি দিনত এ হরফলৈ কাম গরি যিয়ন।
ইংরাজ শাসনত এঈ সে হরফর চর্চা নেই,
বাংলা লৈ লিগি লিগি সিগুন ভুলি যের গৈ,
নিজ’ হরফ থেলেঅ মুই বাংলা লেগালৈ লেগঙ গৈ।
চন্দ্রঘোনাত পয়লা যেক্ষে স্কুল খুলি দিয়্যে,
চাঙমা আ মারমা ভাষালৈ পড়া শিগেদ’ চিয়্যে।
নেতাউনে কন’জনে মন ন দিয়্যন,
আস্তে গরি জুম্ম ভাষা বন্ধ গরি দ্যন।
এ পরেন্দি মিলার সাবে চাঙমা ভাষা চালু গত্ত চেল’,
রাজঘরত মিটিংগরি মুরুব্বিউনে প্রতিবাদ জানেল’।
খৃষ্টান মিশনত ভারি কাবিল মানুষ এলাগ,
চাঙমা লেগালৈ খৃষ্ট সমাচার বার গরি দিলাগ।
খুব সামান্য কিছু জন
খৃষ্ট ধর্মত দীক্ষা নিয়্যন,
সমাজার অন্য জন দোই কন’ তফাত নেই
বিয়া শাদি মিলন সিলন কিচ্ছু বাধা নেই।
পুরনিত্তুন ধরি চাঙমা উনে বৌদ্ধ ধর্ম পালেদাগ
শাক্যবংশ বিলি তারা নিজরে মনে গত্তাগ
হাজার বছর ধরি
নানা জাগা দেশ ঘুরি,
বৌদ্ধ ধর্মর সারআন ভুলি ছলঙ ধরি রৈয়ন,
বৌদ্ধ ধর্মর মূলতত্ব তারা ভুলি যিয়্যন।
বুদ্ধ পরিনির্বাণর সাতশত বছর পরে,
ভারতবর্ষর ভিক্ষুউন দ্বিভাগ অৈ পড়ে।
হীনযান মআযান
ভাগ হ্ল’ ধর্মআন,
হীনযান পালি পিটক মূল বুদ্ধ কধালৈ,
মআযানে বদলে নিলাগ সংস্কৃত ভাষালৈ।
মআযানী বৌদ্ধ ধর্ম নানা ভাগ হ্্য়
তন্ত্রযান, বজ্রযান, সহজযান নানা পরিচয়।
নানা দেবেদা আন্যন
পূজা মন্তর বানেয়্যন,
বুদ্ধত্তুন বোধিসত্ত্বরে বেজ ডাঙর বানেয়্যন,
এ ধক্যা গরি বুদ্ধরে তারা মিলেই ফেলেয়্যন।
চাঙমা উনত্তুন লুরি বিলি পুরোহিত এলাগ,
মরা মৃত্যু সাদ্দিন্যাত পূন্য কর্ম গরি দিদাগ।
শিব (সীবলী) পূজা গরিদাগ,
আগরতারা পড়িদাগ
ভাদদ্যানাঙে জাতি (জ্ঞাতি) পূজা তারা গরি দিদাগ,
আগর তারার মন্ত্র (সুত্র) পড়ি ইয়ানি সিরেদাগ।
ইয়ানি বাদেঅ চাঙমাউনে তন্ত্রমন্ত্র গরিদাগ
হাস, কুড়’ ছাগল, মোষ বলি দি দিদাগ।
থানমানা পূজা গরিদাগ,
হ্ােইয়া পূজা পাদিদাগ,
কালি ছাগল, গঙাছাগল, ভুদ’ শূকর দিদাগ।
দ্বপল্যা ঘরর শূকর দিন্যায় আড়াল্যা পীড়া গম গরিদাগ।
নুঅ ভাদ খাদে খামাক্কায় কুড়’ শূকর লাগিব’,
পত্তি বিষুতবার এলে মালক্ষিমারে ভাদ দিব’।
বিয়া জুড় চুগুরাঙত,
মাধা ধোআ বুড় পারাত
কুড়’ শূকর কাবিন্যায় দেবেদা পূজা গরিদাগ,
ইয়ানি গত্তে অঝাউনে আগপাদা ফেলিদাগ।
পূজা আচ্চা খানাপিনা সমাজর নানা কামত,
খামাক্কায় থা পড়িব’ সিয়ান হ্লদে- মদ।
ধর্ম নিয়মত যিয়ানি নেই
সে কামানি গরি থেই,
বৌদ্ধ জাদত এ কামানি যদি গরি থায়
কনসূত্রে নিজরে তে বৌদ্ধ বিলি খলায়?
চাঙমা রানী কালিন্দি দেবী ভারী জ্ঞানী এল’,
সমাজর এ অবনতি তা মনান কানেল’।
ত্রিপিটক জ্ঞানধারী
আরাকান’ মঅজ্ঞানী
সারমেধ মআস্থবির ভান্তেরে বাজবাড়ি আনিল’,
চাটিগাঙ’, ভিক্ষুউনরে পরিশুদ্ধ গরিল’,।
বৌদ্ধ ধর্মর মূল মর্ম মানস্যে বুঝাল্লায়,
বাংলাান্দি অনুবাদ গরি ধর্ম বই ছাপায়।
ধর্ম বই ছাবিয়্যে
মাগানা বিলি গরিয়্যে
বৌদ্ধ ধর্মর পত্তম বই “বৌদ্ধ রঞ্জিকা” প্রকাশ গরিন্যায়,
রানী কালিন্দি এ দেশত অমর অৈ থায়।
উনিশ শতক শেষ হ্ল, বিশ শতক এঈ গেল’,
হিলট্রেকসত বৌদ্ধ ধর্ম আস্তেগরি জাগিল’।
হিটট্রেকসর সীমানা
সরকারর রিজার্ভবন বানানা
জুম্ম উনর ঘুরি বেড়ানা আস্তে গরি কমিল’,
ভুই ভাঙিনায় এক্কান জাগাদ থিতি হোআ ধরিল’।
স্থিতিশীল অর্থনীতি যেক্ষে গড়ি উদিল’,
জুম্ম উনর মন’ মধ্যে নুঅ চেতনা জাগিল’।
ধর্মল্লায় ক্যঙ লাগে,
শিক্ষাল্লায় স্কুল লাগে
আস্তে আস্তে ইয়ানি তারা পূরন গরা ধরিলাগ,
পুরনি দিনর ভাব ধারাত্তুন আধুনিকত এলাগ।
উনিশ শতক’ শেষ পর্যন্ত চাঙমা সমাজদ
লুরীউনেই একচেটিয়া ধর্ম কর্ম কামত।
বিশ শতক শুরু হ্ল’
চাঙমা ভিক্ষু দেগা গেল,
এর মধ্যে একজন হ্ল’ প্রিয়রত্ন নাঙ,
স্বদ্ধর্মর উন্নতিল্লায় গরি যিয়্যে কাম।
যিয়দ যিয়ে সিয়দ তে বহু শিষ্য গড়িদ’,
গরিব গন্যা পুঅউনরে তে লেগা পড়া শিগেদ’।
রাজগুরু যেক্ষে হ্ল’
গোটা সার্কেল ঘুরি বেড়েল’,
জাগায় জাগায় কিয়ঙ বসেন্যায় ধর্ম বাড়েই দিয়্যে,
শিষ্য প্রশিষ্য মিলি বিরাট ভিক্ষু সংঘ বানেয়্যে।
তার এক্য শিষ্য’ এল বিমলানন্দ নাঙ,
ভারী নাঙ ফলেই যিয়্যে হিল চাটিগাঙ।
সদ্ধর্মর হিতল্লায়
দায়ককোয় মিলিনায়
“পার্বত্য চট্টল ভিক্ষু সমিতি” গঠন গরা হয়,
চের দশক’ ভিদিরে উন্নতির এই পরিচয়।
১৯৪৭ সনত ইংরাজে ভারত ছাড়ি গেল’,
সে সমারে হিলট্রেকসঅ ইংরাজ মুক্ত হল’।
* * *
* *
*
১৮৬০ সালত্তুন ধরি ১৯৪৭ সাল,
৮৭ বছর মাত্র ইংরাজর শাসন কাল।
সে আগেন্দি রাজউনে
ইংরাজরে খাজনা দিইনে
স্বাধীন ভাবে শাসন গজ্যন জুম্ম রেজ্য আন,
ইংরাজর কন ধারনা প্রজাউনে ন’পান।
আমা জুম্ম রাজাউনে “নরপতি”ই এলাগ,
এ কারণে প্রজাউনে “কত্তা” বিলি ডাগিদাগ।
ত তলেন্দি তালুকদার,
এলেকার (গোজা, দল) সর্দার,
মানুষষুনর নানু (মালিক) তে, “নানু” দাগিদাগ,
আদিম কৌম’ সমাজর এ শ্রেণী বিভাগ।
জুম কৃষি অর্থনীতি জীবন সংস্কৃতি
জুম্ম উনর গরি ন’ উদে কন’ বড় পূজি।
একজনত্তুন যদি থায়
বেক্কুনে ভাগগরি খায়,
জুমল্লায় ঘুরি ঘুরি বেরাজ্যা অৈ বেড়েয়্যন,
সামন্ত সমাজ’ জালদ বেড়েন্যায় রৈয়ন।
কত’ কত্তা এস্যন যিয়ন কত’ নানু বদল্যন,
জুম্মউন’ মাধাত্তুন পঝা বাড়েঙ ন’ ঝরন।
বেগার দ্যন, সালামি দ্যন,
কাম করজ গরি দ্যন,
সেক্ষে দিনর জুম্মউনে শিক্ষা দীক্ষা ন’ চিনন,
পিত্তিমিত কি ঘটি যার সে খবর ন’ জানন।
নানা বাউত্যা নিয়ম নীতি সমাজর শাসন,
জুম্ম উনর চের কিত্যা অদৃশ্য বাধন-
গম ঘর দোর তুলি ন’ পেদাগ,
সনা রূপা পিনি ন’ পেদাগ
ছাদি, জুতা এল মানা ব্যবহার গরিবার,
সাধারন জুম্মউনর নেই কন’ অধিকার।
হিলট্রেকস জেলা গরি শাসন লৈ ইংরাজে এল’
আস্তে আস্তে পুরনি নিয়ম ভাঙি পড়ি গেল’।
তালুকগিরি উদি গেল’
সে জাগাত হেড্ম্যান এল’,
হেড্ম্যান কার্বারী হ্্বার অধিকার সাধারনে পেই গেল’,
সামন্তর আভিজাত্য আস্তে গরি ভাঙি পড়িল’।
জাগায় জাগায় স্কুল বঈ যিয়্যে,
কমবেশী বেক্কুনে শিক্ষার সুযোগ পিয়্যে।
পধঘাট সুবিধা হ্্য়্যে,
যোগাযোগ বাড়ি যিয়্যে,
দেশ মুলুক বেড়ানর সুযোগ পেই যিয়ন দৈ,
চোখ খুলিনেয় জুম্ম জাত্তুঅ ধীরে ধীরে জাগের লৈ।
আগ’দিনত রাজাউনে সাধারন দৈ ন’ মিজিদাগ,
প্রজাঘরত রাজাউনে কন’দিন ন’ উদিদাগ।
দৈবাত যদি উদি পায়
ফারাদশা এঈ যায়, (রাজাফি/মাঙফি)
প্রজাবুয়াত্তুন খামাক্কায় গরি মাধা ধোআ পড়িব’,
নয়ত: রাজায় তারে দেবন বানেই জাতদ তুলি পেব’।
সে সময়ত লেউইন সাবে জুম্ম ঘরত যেই,
ভালমন্দ খবর নিদ’ কুদুম’ধগ গরি নেই।
নানা শল্লাবুদ্ধি দিদ’
আগাম দুনিয়ার খবর কদ’,
“এক টেঙালৈ এক টুক্যাধান ন’ পেব”, কধা ইয়ান কয়্যে,
ঠিগই, একশ বছর যাদে ন’যাদে তা কধান অয়্যে।
সাত সমুদ্র তে নদীর ও পারত্তুন এল’,
বৃটিশ ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানী ভারত জয় গরিল’।
বানা ভারত নয়
সারা বিশ্বময়,
নানা রেজ্য নানা দেশত উপনিবেশ গড়ি,
বৃটিশ সাম্রাজ্য রল দুশ’ বছর ধরি।
হিলট্রেকস অল্প দিনর বৃটিশ শাসন,
জুম্ম জাদত আনি দিয়্যে নানা পরিবর্তন।
পুরনি দিনর ক্ষয় যিযা বান
ঝরি যিয়ে অৈ ছত্রছান,
পাত্তর চাপা ঘাসসানি আগাশর রঙ দেগিল’,
জুম্ম জাত্তুঅ এ সময়ত আধুনিকদ খুচ দিল’।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৩)
সতর শ’ সাতান্ন সনত পলাশীর আম বাগানত
যুদ্ধত জয় লাভ গরি,
বাংলা বিহার উড়িষ্যার পেঈ গেল অধিকার
ইষ্ট ইণ্ডিয়া ইংরাজ কোম্পানি।
ভারতর রাজাউনে একজন দোই আরেকজনে
ন’ গরিদাগ দেই পারাপারি’।
এ সুযোগে কোম্পানিএ তারা লগে যোগ দিনে
এক্কান এক্কান রেজ্য নের কাড়ি।
কোম্পানিয়ে ব্যবসা গরের উন্দি রেজ্য জয়ও গরের
আস্তে গরি ভারত্তান গিলিল’,
যে রেজ্যআন গরেজয় সে রাজার ধন কাড়ি লয়
ব্বেগ ধনানি বিলাত চালান দিল’।
ষ্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কার বিজ্ঞানর জয় জগার
ইংলণ্ডর সাড়া পড়ি গেল’,
লুটপাতর যত ধন ভারতত্তুন লৈ যিয়ন
পুঁিজ গরি শিল্প বিপ্লব হ্্ল’।
মিল কারখানা বানেলাগ রেল লাইন বসেলাগ
উৎপাদন শুরু অৈ গেল’,
জয় গজ্যা দেশ শানিরে ছলে বলে কৌশলে
বাজার বানেই নিল’।
পুরনি কালত্তুন ধরি ভারতর শিল্প কারিকরি
ভারি গরি এল’ নাম ডাগ,
এ দেশর মাল পত্তর পিত্তিমির বেগ দেশর
পেবাল্লায় আউজ গরিদাগ।
রেশমী, পশমী, সূতি, মসলিন, জামদানী,
দোল দোল নানা কাপড়,
দেশর আ বিদেশর রাজা মআরাজাউনর
ইযানির বিরাট কদর।
এ দেশর লোক শিল্প দোল দোল কারুকর্ম
আইন গরি বন্ধ গরি দিল’,
বিলাতর কারখানার তৈরি গরা মাল সামার
ইদু আনি বাজার ভরেই দিল’।
হিন্দু আ মুসলমান দ্বি ধর্মর মানুষজন
চিরদিন ভৈইঅ ধগ এল’,
তারারে বিভেদ গরি উরারফব ধহফ জঁষব ধরি
ভারত’রে শাসন গরিল’।
একশত বছর পরে বিদেশী ইংরাজ’রে
ভারত’ত্তুন ধাবেই দিবেল্লায়,
এ দেশর সৈন্য উনে কলকাতাত্তুন দিল্লি হৈনে
যুদ্ধ চালেই যায়।
অসহায় ইংরাজচুন শিখ, গুর্খা বাহ্্রেত্তুন
সৈন্য আনি আত্মরক্ষা গরে।
মোগলর শেষ রাজা বাহাদুর শাহর সাজা
রেঙ্গুনত নির্বাসন গরে,
ভারতর এ জাগরন ফিরি পেবার স্বশাসন
ইংরাজে গঁঃরহু কয় তারে।
ভারতর প্রশাসন সে সমারে উন্নয়ন
সুপারিশ গরাল্লায়,
১৮৮০ সনত বোম্বাইয়ত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
গঠন গরা হ্্য়।
কংগ্রেসত হিন্দু বেচ, মুসলমান কম,
ইংরাজে বুদ্ধি শিগেই দিল’,
সে কারণে মুসলমানুনে ঢাকাত ১৯০৫ সনে
মুসলিম লীগ গড়িল’।
ইংরাজর ভেদনীতি ক্কোই ন’ ফুরিয়া দূর্নীতি
বাংলা প্রদশে ভাগ গরিল’,
পড়ি গেল হৈ চৈ বাংলা ভাগ মানদঙ নৈ
আন্দোলন উদিল’।
বেল ন’ ডুবিয়া রেজ্য বৃটিশ সাম্রাজ্য
গত্ত পরিদর্শন,
সম্রাট পঞ্চম র্জজ এল’ নুঅ দিল্লিত দরবার বল’
বাংলা বিভাগ হ্্ল নিবারণ।
মআ যুদ্ধ এঈ গেল’ ভারতেঅ যোগ দিল’
মিত্রপক্ষ যুদ্ধত জয় হল’,
সাহায্য গরিনেয়্য যুদ্ধত জয় হ্্্ইন্যয়্য
ভারতে কিচ্ছু ন’ পেল’।
মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী ইংরাজর যদ’ দুরভিসন্ধি
ভাঙিচুরি ব্বেগ বুঝেই দিল’,
ভারতর জন গন অৈ গেলাগ সচেতন
অন্যায়র প্রতিবাদ গরিল’।
বিলাতি কাপড় ন’ পিনিবঙ বিলাতি জিনিষ বাদ দিবঙ,
নিজ’ দেশত গরিবঙ উৎপাদন,
চরকাত সুতা কাটিবঙ দেশী তাঁতত বুনিবঙ
সে কাপড় উড়িবঙ পিনিবঙ।
আমা দেশর তিন কিত্যা ঘিরি আগে সাগর দগ্যা
সিত্তুন আমি নুন বানেই খেবঙ।
ইংরাজর কালা আইন আমি ন’ মানিবঙ।
অন্যায় ন’ মানি আইন ভাঙানা দেশশানরে কোচপানা
গান্ধি সত্যাগ্রহ কয়্যে,
সত্যাগৃহ দত্ত যেই হ্্্াজার হ্্্াজার মানসরে
ইংরাজে জেলত ভরে দিয়্যে।
কংগ্রেস’ পতাকা তলে নানা সময় নানা কালে
যেদক্কানি আন্দোলন হয়্যে,
ইংরাজর শাসনত্তুন স্বাধীকার পেবল্লায়
ইয়ানিরে স্বদেশী আন্দোলন কয়্যে।
স্বদেশী গত্তে যেইনে মিলামরদ বেক্কুনে
হ্াজার হ্্াজার জেল খাদি পিয়ন,
যুদ্ধগত্তে ইংরাজ লৈ গুলি খেই, ফাঁসিত য়েই,
শহীদ অৈ যিয়ন।
স্বদেশী আন্দোলন গোটা ভারতর আলোড়ন
তুলি দিল স্বরাজ পেবল্লায়,
“ছঁরবঃ ওহফরধ” ভারত ছাড়, মহাত্মা গান্ধীর স্লোগান
ঘড়হ ঈড়-ড়ঢ়বৎধঃরড়হ-র ডাক দিল।
ইউরোপত যুদ্ধ বাজিল’ দেগদে দেগদে ছড়ি পড়িল’
গোটা পিত্তিমিয়ান,
ইটালি, জার্মানি, জাপান বনাম ইঙ্গ মার্কিন-চীন-রাশান
দ্বিতীয় মআযুদ্ধ কয় ইয়ান।
কংগ্রেসর ঘড়হ-ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ সেদ্যায় তার যুদ্ধবর্জন
ইংরাজর সাহায্য ন গড়িল’,
ইংরাজ সরকারে কংগ্রেস নেতাউনরে
জেলত ভরেই দিল।
মুসলিম লীগ’ নেতাউনে যুদ্ধত সাহায্য দি-নে
ইংরাজর সহযোগী হ্ল’,
ভারত’ কমুনিষ্ট দল সোভিয়েত’ পক্ষ হল’
যুদ্ধত নামি গেল’।
পুগে যুদ্ধ, পছিমে যুদ্ধ সারাপিত্তিমির মআযুদ্ধ;
“অংরধ ঋড়ৎ অংরধহ” কল’,
দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার ইউরোপিয়ান অধিকার
দেশশানিরে জাপানে কাড়ি লল’।
ইঙ্গ-ফ্রান্স-পর্তুগীজ-ডাচ হ্ারেই গেলাগ উপনিবেশ
চিড়িদ ভিরদি ধেই পলেই গেলাগ,
নেতাজী সুভাষ বোস গড়ি আজাদ হিন্দ ফৌজ
ভারত’ দুয়ারদ এই “জয়হিন্দ” ডাক দিলাগ।
জল, থল, আগাজদ, পিত্তিমির বেগ দেশদ,
ছ’ বছর সঙ যুদ্ধ চলিল’,
নাগা সাগি হিবোসিমাত আনবিক বোমা আগাত
গরি আমেরিকা; যুদ্ধ থামি গেল’।
মআযুদ্ধ থামি গেল’ কত’পানি কুদু গেল
সংসার ওল ঝোল হ্ল’,
ভারতর স্বাধীকার আন্দোলন আরবার
চেদি জাগি উদিল’।
ভারতর নৌ সেনা দিল’ বিদ্রোহ ঘোষণা
সরকারে হিমশিম খায়,
অবশেষে বিলাতর পার্লামেন্ট সভা ভিতর
ভারত স্বাধীন বিল পাশ অৈ যায়।
মুসলীম লীগর নেতা মোহাম্মদ আলি জিন্না
দ্বিজাতি তত্ত্ব নিগিলেল’,
মুসলিম জাতল্লায় আলাদা থেবাল্লায়
পৃথক রাষ্ট্র দাবী গরিল’।
ইসলামী এ রাষ্ট্রআন নাম হ্ব’ তার পাকিস্তান
ফারগ অৈ থেবঙ,
ন’মানিলে এ দাবীয়ান লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান
আদায় গড়িবঙ।
জিন্না সাবর দ্বিজাতি তত্ত্ব ঘটেই দিল’ মআ অনর্থ
হ্্াজার হ্াজার মানুষ মরিলাগ,
প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’ ডাক মুসলীম লীগ দিল’ হাঁক
হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা বাজেলাগ।
বেগ’ শেষে ঠিগ হ্্ল’ ভারত্তান ভাগ হ্্ব’
ভারত পাকিস্তান,
মুসলীম লীগ নেতাউনে এ কধান শুনি পেইনে
খুশি অৈ যান।
উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু, বেলুচিস্তান, প্রদেশশানি মুসলমান প্রধান
ইয়ানি পাকিস্তানত থেব,’
পাঞ্জাব আ বাংলা প্রদেশ হিন্দু মুসলিম উনিশ বিশ
এ দ্বিয়ান ভাগ গরা হ্ব’।
সীমানা ভাগ গরাল্লায় বাউণ্ডারী কমিশন অৈ যায়
প্রদেশশানি ভাগ গরি দিল’,
পূর্ব পশ্চিম পাকিস্তান পূগে মধ্যে ভারত্তান
দ্বিয়ান রাষ্ট্র পিত্তিমিত দেগা দিল’।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৪)
১৯৪৭ সালর ১৪ই আগষ্ট পাকিস্তান হ্্ল’,
বড়লাট মাউন্টব্যাটন যেই উদ্বোধন গরিল’।
তারপর ১৫ তারিখ ভারতর স্বাধীনতা দিন
জুম্মউনে উড়েই দিলাগ তিন রঙা রঙিন
ধর্মচক্র মধ্যে আঁকা ভারতর জাতীয় পতাকা।
হিলট্রেকসর জুম্মউনর কার’মনত রেখা
পাত ন’গরিল জুম্ম প্রধান এ জেলাবুঅ
ভারতদ ন’পড়িন্যায় আর কুদু যেব’?
রাজনীতির কূটচাল কি অদে কি হ্্য়,
বাউণ্ডারী কমিশনে ১৭ তারিখ ঘোষনাত কয়-
“পাকিস্তানত যোগ হল’ হিল চাটিগাং”,
জুম্ম উনর মাধাত পল্ল মস্ত বড় ধ্যেঙ।
ভারত’ বাওতাআন উড়িয়া বাদে র’ল’,
২১তারিখ বেলুচরেজিমেন্ট এঈ সিয়ান লামে দিল’।
হিলট্রেকস পাকিস্তানত পজ্যে, উদিল হৈচৈ,
জুম্ম নেতাউনে কলাগ ইয়ান মানদঙ নই।
যে জেলাত শতকরা দ্বিজন’ মুসলমান নেই,
সে জেলান কিঙুরি পাকিস্তানত দিলাগ ভরেই?
এ অবিচার কন’জনে আমি ন’সুয়েবঙ,
প্রতিকার পেবাল্লায় আন্দোলন গরিবঙ।
হিলট্রেকসর বড় নেতা কামিনী দেবান,
তার গড়া জন সমিতি জুম্ম প্রতিষ্টান।
সম্পাদক স্নেহ কুমার মিটিঙ ডাগিল’,
কালিবাড়ি মাঠত বঈ বড় সভা হ্্ল’।
সে মিটিঙত ঠিগ হ্্ল’ পাকিস্তান ন’ মানিবঙ,
যদক্ষন না মুক্তিপেই আন্দোলন চালেবঙ।
হিলট্রেকসর পত্তি ভেলি জাগায় জাগায়,
সমিতিএ পাঠেই দিল সংগঠন গরাল্লায়।
রাঙামাত্যা হাইস্কুলর জুম্ম ছাত্রউন,
ছিদি পল্লাগ চের কিত্যা হিল চাটিগাঙ।
প্রতিনিধি দল গেল দিল্লিত কয়েকবার,
ঘর সামলাদে ব্যস্ত সেক্ষে ভারত সরকার।
পাকিস্তানত্তুন কাড়ি লল’ জুনাগড়, মানভাদার,
কাশ্মির আর হায়দ্রাবাদ, গল্ল অধিকার।
“যা ভাগ লৈ তে খুশী থাগ’- গান্ধি বুঝেই কল’,
হিলট্রেকসরল্লায় ভারতে তেমন মন ন’ দিল’।
পাকিস্তান’ বড়লাট জিন্নাসাবে চাটিগাং এল’,
চাঙমা রাজা নলিনাক্ষ রায় তা ল্লৈ দেগা গল্ল।
রাজা লৈ জিন্না সাবে বৈঠক গরিল’,
হিলট্রেকস ম্যানুয়েল রাঘেব’ জিন্নায় খাম খেল’।
আন্দোল বন্ধ হল’ পাকিস্তান রৈ গেল’,
সমিতির নেতাউনরে সরকারে বানিল’।
জন সমিতির কাজ কর্ম ইধহ গরি দিল’
জুম্মউনে সরকার ইদু প্রো-ইণ্ডিয়ান হ্্ল’।
একদাগি জুম্ম নেতা পাকিস্তান ছাড়ি,
মোগ পুঅলৈ এক্কুই বারে ভারত দিলাগ পাড়ি।
দেশ ভাগ অৈ গেল’ ভারত পাকিস্তান
পূর্ব পশ্চিম পাকিস্তান আ মধ্যে ভারত্তান।
দ্বিজাতি তত্ত্ব লৈ দেশ যদিবা ভাগ অয়
ভারত’দ’ বহু মুসলিম আ পাকিস্তান’দ হিন্দু রয়।
দ্বি দেশ’ মানুসসুনে অনেকে দেশ বদল গজ্যন,
দেশ বদল গত্ত যেই নানা দুর্গতি ভুগ্যন।
হিন্দু মুসলমানর’ দাঙ্গা আগুন’ ধগ জ্বালিয়্যন,
দেশ পার হ্দে গাড়ি থিকা মানুষ কাবা খেয়্যন।
দেশ ভাগ’ দুর্গতি কধা বর্ণনা গরা ন’ যায়,
সারা দেশ’ মানবতা কানি কানি গুমড়ায়।
সরকারে হিলট্রেকস ম্যানুয়েল বর খেলাপ গরি,
কয়েক হাজার মুসলমান আনি দিল’ ভরি
রাঙামাত্যা, লংগদু, নান্যাচড়, লামা, নাক্ষ্যংছড়ি।
প্রতিবাদ গরানায়- দিল বন্ধ গরি
বাঙাল আনানা। ইগুনরে ফেরত ন’নিল’।
যে যিয়দ পারে সিয়দ পুনর্বাসন দিল’
হিলট্রেকস ফ্রন্টিয়ার পুলিশ রেগুলেশন বন্ধ গরি দিল’,
বেঙ্গল পুলিশ (ইষ্ট পাকিস্তান) লগে সিগুন মিশেল’।
হিলট্রেকসর পুলিশশুন অন্য জেলাত নিল’,
অন্য জেলার পুলিশ আনি হিলট্রেকস ভরেল।
হিলট্রেকসর গাছবাশ যদ’ বন’ সম্পদ
ভিত্তিগরি বঈ গেল চন্দ্র ঘোনাত
এশিয়ার ব্বেগ ডাঙর কাগজর কল,
১৯৫০ সনত- কর্ণফুলি পেপার মিল।
এ মিলর উৎপাদন দিনে নব্বই টন,
শতাশতি মানুষ ইয়দ কাম গরদন।
আমা জেলাত আমা জাগত কারখানা হ্লেয়্য
জুম্ম জাত’ মানুষ ইয়দ অনুপাতে নেইয়্য।
১৯৫৬ সনত পাকিস্তান সংবিধান রচিল’,
হিলট্রেকসর ঊীপষঁফবফ অৎবধ বিলি স্বীকার গরিল’।
হিলট্রেকস ম্যানুয়েল বিধি যদিবা রাঘায়,
সরকারে সে বিধিয়ানি দোলে ন’পালায়।
কলকারখানা বসেন্যায় মানুষ লাগদন,
নানা জাত্যা মানুষ এইন্যায় হিলট্রেকস ভরদন।
হিলট্রেকসর জনগনর মতামত ন’নিল’,
কর্ণফুলি প্রজেক্টর কাম আরম্ভ গরিল’।
বড়গাঙ কর্ণফুলীত গোধা বানি দিব’
এ গোধা পানিত্তুন তে বিদ্যুত তুলিব’।
বিদ্যুতে আলো দিব দেশ ফর হ্ব’,
কল কারখানা বসেন্যায় শিল্প বাড়ি যেব’।
পয়লা বানিবার এল’ রঙরাঙখুল’ মোনত,
সিত্তুন সোরেই নিল গৈ কাপ্তেই জাগানত।
কদ্দুর পানি উদি যেব’ জরিপ গরিল’,
১২০ ফুট’ মাধাত খাম কুবি দিল’।
মাপত পয্যা জাগা ভিদর যদ’ ঘরবাড়ি,
বাগান’ গাছ আঘন, নিল’হিজাব গরি।
মার্কিং গজ্যা জাগা ভিতর যত গাছ গাছারা আঘন,
কন্ট্রাকদারে সে গাচ্ছুন কাবি ফেলেই দেদেন।
ইয়ানি দেইন্যায় এক দাগিয়ে হাজি হাজি কন,
সরকারে কি ভুল গালেত্তে। হ্য়নি কনদিন
বড় গাঙরে বানি পারদে? মা গঙির ধার
কার’ বাবর সাধ্য নেই, বানি রাগেবার।
সরকারে দের ক্ষতিপূরন ঘর, বাগান, ভুইল্লায়,
মানুষষুনে খুশি হ্্য়্যন টেঙা পেবাল্লায়।
এ টেঙাঙুন মাঙানা টেঙা শুঝা ন’পড়িব’
তার বাবে দিক্ষে বড় গাঙরে বানি রাঘিব?
নাঙধরি ডাগি ডাগি টেঙা দি দেদন,
কন’ হিসাব ন’গরিন্যায় টিপ দি টেঙা লদন।
টেঙা দিয়্যা মানুষষুণে টেঙা ঘুবে রাঘাদন,
সে কধানি কিয়্য জনে খবর’ন জানন।
টেঙা পিয়ন খুশি অৈয়্যন রাঙামাত্যা বাজার বেড়াদন,
যিয়ান নয় সিয়ান কিনদন, টেঙা ফুঙ ফঙে গত্তন।
ইয়ান খাদন, উয়ান খাদন, মন পুরেই আউশ পুরাদন,
সামনেন্দি কি দিন এঝের সিয়ান ন’ভাবদন।
১৯৬০ সনত বড়গাঙ গোধা শেষ হ্ল’,
আস্তে আস্তে গরি নিত্য পানি উধা ধল্ল
এজ্যা একহাত কিল্যা এক হাত নিত্য পানি বাড়ের,
মানুষষুনর মানদ এবার চিত কামাড়ে ধরের।
সরকারে ঘোষনা দের জাগা ছাড়ি য গৈ,
তা ন’হ্লে ইদু থেলে ডুবি যেবা গৈ।
মানুষষুনর হুস এই গেল, লড়া দেই পড়িব’,
ইদু থেলে খামাক্কায় পানি খা পড়িব’।
কুদু যেবঙ, কুদু থেবঙ, পঝা বারেঙ ভরাদন,
ন’দ তুলিন্যায় ক্যঅ ক্যঅ উজানি যা ধয্যন।
চেঙি গেলাগ, মিয়নি গেলাগ, ছড়াছড়ি থুম গরিলাগ,
ফেনি গাঙ’ পারদ যেইন্যায় দেশ সীমানা শেষ গরিলাগ।
ক্যেঅ গেলাগ কাচলং রিভার্জ পুনর্বাসন,
ক্যেঅ গেলাগ সার্কেল ছাড়ি বান্দরবান সাব ডিবিসন।
ক্যেঅ ন’ন্দি, ক্যেঅ তোর্বো, পঝা বারেঙ পিছেন্দি,
ছিরি ছিদি পড়ি গেলাগ চের কিত্যান্দি।
বড়গাঙ গধা পানি যখন বন্ধ হ্্ল’,
কয়েকদিন’ মধ্যে গোটা খোয়াঙ ভরি গেল’।
রেইঙখ্যঙ, সুবলং, চেঙি, কাচলং, ঠেগা, হরিনা ডুবিল’,
বড়গাঙ’ ডেবা পানি লুসাই হিল (মিজোরাম) সঙ গেল’।
৫৪ হাজার একর ধান জমি পানিত ডুবি গেল’,
সরকারে ১৮শত একর জাগা কাচলঙত্তুন দিল।
লাখ মানুষ উদি পিয়ন নিজ’ জাগাত্তুন,
পুনর্বাসনর কন পরিকল্পনা নেই সরকারত্তুন।
যে যিয়দ পারে যেই মাধা গুজিল’,
এধক্যা নির্লিপ্ত ভাবে সরকারে দায় ছাড়িল’।
আদাম গেরাম ছাড়া পজ্যে নেই কন’ জন,
ফেলেই যিয়্যা কুকুরুনে রুঙ কারি কানদন
শিয়াল ডগত্তন দিন দিবজ্যা ঝাগ গরিন্যায়,
রেইদ সম্ভাগদ তদেগ’ঝাগ উড়িন্যায় যায়।
আন্ধার রেইদত ক্কয় কূত্তন ঝিগুগ কুগ কুগ,
ভিরাজ পেইক্কো উড়ের কানি সিঁজুগ চুঁগ চুঁগ।
চাটিগাঙ ছাড়ার একশ বছর পার অৈ গেল,
ভাঙালা রেজ্যর সে দশা আন আর’ ফিরি এল’।
জুম্ম জাদর এ করুন অবস্থাআন দেঈ
পেইগ পশুঅ কানি উত্তন থেগেই থেগেই।
অমঙ্গল’ লক্ষন দেঈ বুড়াবুড়িয়ে কয়-
দেশ ভাঙালার কি অবস্থা ভবিষ্যতে হ্্য়!
১৯৬২ সনে পাকিস্তানে নুঅ সংবিধান হ্্য়,
সিয়ান’দ’ হিলট্রেকসরে ”উপজাতি অঞ্চল” দ্যন পরিচয়।
সংবিধান’ নিয়মনীতি তোয়াক্কা ন’গরি,
হিলট্রেকসর জনগনর মতামত ন’ ধরি
“বিশেষ অঞ্চল” হিলট্রেকসর বিধিয়ান রদ গরি দিন’, (১৯৬৩)
বারেত্তুন বাঙাল আনি ফেনীকুল ভরেল।
পাকিস্তানর স্বৈরাচারী মিলিটারী শাসন,
যেক্ষে যিয়ান মনে গরে সেক্ষে সিয়ান গরন।
নিয়মতান্ত্রিক কন’ নীতি ইদু ন’ চলিব’,
কেজান গরি এ দেশত টিগি থে পারিব?
নিরাপত্তার অভাব বোধ অসহায় ভাব জাগিল’,
জুম্ম উনর মনর মধ্যে ভয় জাগি গেল’।
জাগা জমি ডুবি গেল’ ববার জাগা নেই,
হিলট্রেকস বিধি নিল, কেজান গরি থেই?
ও, বাপ ভেই সগল, ন’পারিবঙ এ দেশত আর থেই,
যেই যেই যেই, ভারতদ চলি যেই।
দলে দলে আদামে আদামে ইষ্ট কুটুমে বঈ
শল্লা গরন যুক্তি বদন দেশ ছাড়ানা লৈ।
যেদ’ চেলে যে ন’পারে, খেদ’ চেলে থেই ন’পারে,
কেজান গরি যেবঙ ছাড়ি? মেইয়া ভরা এ দেশশান’ রে?
জ্ঞাতি গুত্তি ইস্ট কুটুম বেক্কুন থেবাড় পড়ি,
কেজান গরি যেবঙ চলি ইগুনরে ছাড়ি?
বাপ কানে, পুঅয় কানে, মা সমারে ঝিএ কানে,
ফারগ হ্্লে দেগা দেগি ন’হ্্বঙ আ এ জীবনে।
কানাকানি শেষ হল’, যেবার দিন এঈ গেল’,
পঝা কাল্লোং বুগিনেয় একে একে রওনা দিল।
এজ্যা এক দাগি কিল্যা এক দাগি রওনা দ্যা ধজ্যন,
মআ প্রস্থান’ এ যাত্রা ক্যেঅ কোই ন’ পারন
কুঅদ কদ্দূরদ কয়দিনে তাবার হাদানা থুম হব’,
কনদেশদ কন রেজ্যদ তারার শান্তির আশ্রয় মিলিব’?
উত্তুরেন্দি ভারত গেলাগ, দগিনে বার্মা দেশ,
আধা লাখ জুম্ম গেলাগ ছাড়ি নিজ দেশ।
জুম্ম জাদর দেশ ছাড়ানা এই বিপর্যয়-
১৯৬৪ সনত, “বড় পরঙ” নাঙ দ্যা হ্্য়।
এঝ’ এজে চোগ পানি উদিলে মনদ বড় পরঙ’ কধা,
গুত্তি গুদির ভেই বরাদর ফারগ হ্নার মন কানিয়া বেথা,
বাপে গেলাগ পুঅরে ছাড়ি,
ভেইয়ে গেলাগ ভেইয়রে ছাড়ি,
নে গে মোগে ফারগ অলাগ বিশ্বাস’ ন’হ্্বার,
ইত্তুন অধিক বাড়বাড়ি কি অই পারে আর ?
হাজার হাজার জুম্ম যেই ভারতদ আশ্রয় নিল’,
তারা দুগআল’ কধা সরকাররে জানেল’।
পাকিস্তান’ সংখ্যালঘু নির্যাতন’ খবর,
ভারতে প্রচার গল্য জাতিসংঘ ভিতর।
বৌদ্ধ জাতি নির্যাতন বন্ধ গরাল্লায়,
শ্রীলঙ্কা আ বার্মা সরকার প্রতিবাদ জানায়।
পাকিস্তান সরকার টনক নড়ি গেল’
জুম্ম জাদর পরঙ বন্ধর উদ্যোগ নি পেল’।
মুসলিম জাতি এক ধর্ম অৈ থেলেঅ দ্বি পাকিস্তান,
দ্বি অংশর মানুষষুনর ভারী ব্যবধান।
খানাদানায় কধাবার্তায় ছিরি সুদামে মিল নেই,
সিত্তুন পশ্চিমাউনে বাঙালুনরে কম পারন দেঈ।
বাঙালা প্রদেশর একঅংশ লৈ পূর্ব পাকিস্তান,
চেরান প্রদেশ মিলি হ্্য়্যে পশ্চিম পাকিস্তান।
পূর্ব পাকিস্তান’ একভাষা বেক্কুন এক জাতি,
পশ্চিম পাকিস্তানত বহুভাষা আঘন বহু জাতি।
পশ্চিমত্তুন মানুষ বেচ পূর্ব পাকিস্তান,
জাগা কিন্তু দশগুন অঝার পশ্চিম পাকিস্তান।
মুসলিম লীগ পাকিস্তান সরকার গঠন গরিল’,
রাষ্ট্র ভাষা লৈ পয়লা গন্ডগোল উদিল’।
পার্লামেন্টর কন’যুক্তি গ্রহন ন’গরিনায়,
উর্দূই হ্ব রাষ্ট্র ভাষা এই ঘোষণা দেয়।
সরকারর এ ঘোষণা মানি নি ন’ পারন,
পূর্ব পাকিস্তান’ ছাত্রউনে গরলাগ আন্দোলন।
ভাষা আন্দোলনত অনেক ছাত্র পরানদি গেলাগ,
বাংলারে অ রাষ্ট্র ভাষা মর্যাদাদ থিতি গরি দিলাগ।
মুসলিম লীগর এ অনাচার দেঈ ন’পারিন্যায়
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন গরা হয়।
তারপরেঅ সম্প্রদায়র ভেদ দূর করাল্লায়
“মুসলীম” শব্দ বাদ দিন্যায় আওয়ামী লীগ হ্্য়।
১৯৫৬ সনর সংবিধান রচনার পর
সাধারন নির্বাচন অৈ গেল পাকিস্তান’ ভিতর।
এ নির্বাচনত মুসলীম লীগ অনেক আসন হারেল’,
জাতীয় রাজনীতিত আওয়ামী লীগ দেগা দিল।
হিলট্রেকসর মানুষষুনে সেবারই পয়লা ভোট দ্যন,
কামিনী দেবান আ বীরেন্দ্র রোয়াজারে গখঅ বানেয়্যন।
জিন্না আ লিয়াকত আলী খাঁ মরি যানার পর,
যোগ্য নেতার অভাব এল’ পাকিস্তান’ ভিতর।
দলাদলি, মারামারি নানা অনিয়ম,
এজ্যা একজন কেল্যা একজন মন্ত্রী দেগা দ্যন।
দুর্বল দল আ অযোগ্য নেতার হ্াদত পড়িনায়,
পাকিস্তানর গনতন্ত্র আছাড় খেই যায়।
আয়ুব খান সেনাপ্রধান, ক্ষমতা কাড়ি লল’,
পার্লামেন্ট বাতিল গরি মার্শাল ল’ দিল।
পাকিস্তান’ সেনা শাসন জায়েস গরাল্লায়,
আয়ুব খানে মৌলিক গনতন্ত্র প্রচলন গরায়।
ইউনিয়ন কাউন্সিলত যদ’ সদস্য থেব’
তার অর্ধেক সদস্য সরকারে মনোনয়ন দিব’।
ইউনত্তুন ভোটে একজন চেয়ারম্যান হব’,
ইউনিয়ন কাউন্সিল এভাবেই গরিব’।
কাউন্সিল’ সদস্যউনরে মূল ভিত্তি গরি,
মৌলিক গনতন্ত্রর কাঠামো উঠ্যে গড়ি।
এই মেম্বার উনেই দেশর ভোটার হ্¦বাগ,
প্রদেশর জাতীয়র ভোট দি পেবাগ।
দেশর আ অন্য অগনিত জনগন
বাদ দিনায়, ইগুনদোয় গনতন্ত্র প্রহসন।
হিলট্রেকস’দ’ ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠন করা হয়, (১৯৬০)
স্থানীয় সরকার লৈ জুম্ম উনর নুঅ পরিচয়।
১৯৬২ সনর সংবিধানত দ্বিয়ান প্রদেশ হ্ল’,
জাতীয় সংসদ’ সদস্য সংখ্যা সঙ সঙ রাঘেল’।
সে বছর নির্বাচনত প্রাদেশিক আইন সভায়
হিলট্রেকসর গখঅ অয়্যে রাজ ত্রিদিব রায়।
পত্তমত্তুন ধরি পশ্চিমাউনে বাঙালুনরে ন’ বেনন,
সরকারর ব্বেগ ক্ষমতানি তারা হাদদ রাঘন।
বানিজ্য ব্যবসায় অর্থনীতির যদ কারবার,
বাঙালুনত্তুন পশ্চিমাউনর বেজ অধিকার।
সোনালী আশ উৎপাদন হ্য় পূর্ব পাকিস্তান,
সে টেঙা লৈ গজ্যন বানা পছিমর উন্নয়ন।
জনসংখ্যা বেচ হ্্লেয়্য পূর্ব পাকিস্তান,
উন্নয়ন খাতে তারা কম টেঙা পান।
পূর্ব পাকিস্তান বাঙালুনে ইয়ানি লৈ খুশি ন’হন,
সঙ সঙ অধিকারল্লায় তারা আন্দোলন গরন।
বাঙালুনর আন্দোলনে সামরিক প্রশাসন,
ধরি ধরি নেতা উনরে জেলত ভরেই দ্যন।
পূর্ব পাকিস্তান’ আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবর রহমান,
পাকিস্তান সরকার ইদু ছয় দফা দাবী জানান
এ ধক্যা গরি পাল্টাপাল্টি দমন আন্দোলন
পাকিস্তানত এঈ গেল সত্তরর নির্বাচন। (১৯৭০)
সংসদদ এক্কান মাত্র আসন এল’ হিলট্রেকসল্লায়,
চাঙমা রাজা ত্রিদিব রায় সে আসনান পায়।
প্রাদেশিক পরিষদত দ্বিয়ান আসন এল’,
মানবেন্দ্র লার্মা আর অঙ শোয়ে প্রু জিদিল’।
পূর্ব পাকিস্তানত মুসলীম লীগে ভরাডুবি খেল’,
দ্বিয়ান বাদে বেগ আসনানি আওয়ামী লীগে পেল’।
জয়জগার পড়ি গেল’ পূর্ব পাকিস্তানত,
সরকার গড়ার ক্ষমতা এবার আওয়ামী লীগ’ হ্াদত।
পশ্চিমেন্দিঅ মুসলীম লীগ আসন কম পিয়্যে,
জুলফিকার আলী ভুট্টোর দল পিপিপি.এ জয় হ্য়্যে।
আওয়ামী লীগে ভোটত জিনি পছিমাউনে ঠেগা খেলাগ,
নানা টাল বাহানা গরি দিন কাটে দ্যা ধরিলাগ।
অবশেষে ইয়াহিয়া খাঁ করিল’ ঘোষণ,
৩ রা মার্চত ঢাকাত বব’ সংসদ অধিবেশন।
ভুট্টো যেইন্যায় ইয়াহিয়ারে কুবুদ্ধি শিগেল’,
সংসদ অধিবেশন দিন বন্ধ গরি দিল’।
এ খবর লৈ জ্বলি গেল পূর্ব পাকিস্তান,
কেন্দ্র সরকার লৈ দিল’ অসহযোগ আহ্বান।
মার্চ মাসর সাত তারিখ রেসকোর্স ময়দানত
বজ্রকণ্ঠে কই যিয়ে শেখ মুজিব তার ঘোষনাত-
“এবাররর সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম”
সারা বাংলা উদিল জাগি, “জয় বাংলা” এই স্লোগান।
পছিমা নেতাউন লৈ ইয়াহিয়া ঢাকাত এল’,
আওয়ামী লীগ, নেতাউনদোয় আলোচনাত বল’।
লাগ দিঘল্যা আলোচনা জড়া ন’ বদের
ইন্দি তারা মুড়ে মুড়ে পছিমত্তুন হ্াত্যার আনের।
২৫ তারিখ ইয়াহিয়া সদলবলে ঢাকা ছাড়িল’,
যেবার সময় সেনাউনরে বাঙাল দোঙার হুকুম দিল।
সে তারিখত রেইদ সম্ভাগত ভারী হ্াত্যার লৈ
পাকিস্তানী সৈন্যউনে ঝাপে পয্যন দৈ
রাজার বাগ, পিলখানা, জগন্নাথ হল, বিশ্ববিদ্যালয়
গনহত্যা চালেই গেলাগ ঢাকা শহরময়।
ধনমিন্ডর বঙ্গবন্ধুর নিজ’বাসাত যেই,
আটক গরি নিলাগ তারে ঘরত্তুন ধরিনেয়।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৫)
ব্রিটিশ চলি যানার পর পাকিস্তান হল’,
হিলট্রেকসরে চব্বিশ বছর শাসন গরিল’।
চন্দ্র ঘোনাত বসে দিল কাগজ’ কারখানা,
হিলট্রেকসর এই পয়লা কলর আগমনা।
এ কারখানাত জুম্ম উনরে কাম ন’ শিগেল’,
কন’ জুম্মরে ডাগি পুনর্বাসন ন’ দিল’।
বড়গাঙ বান দিনায় মানুষষুন ডুবেল’,
সে প্রজেক্ট’দ কন’ জুম্ম পুনর্বাসন ন’পেল’।
জল বিদ্যুত যিয়ানি তুলে ঢাকাত নি যায়,
হিল ট্রেকসর জুম্ম উনরে আন্ধারত রাগায়।
বড়গাঙ’ খোআঙ ভরি গেল’ পানি মস্ত ঢেবা হ্ল’,
হিল চাটিগাঙর নুঅ জনম হ্্ল’, পরিবেশ পাল্টি গেল।
পধ ঘাট বেগ ডুবি যিয়্যে গৈ ন’ন্দি বানা আসা যানা,
ইঞ্জিন’ ন’ চালু অৈ যিয়্যে ন’পরে আর দাঁড় টানা।
টাল পানি হ্্য়্যে মাছ ছাড়ি দিয়্যে মাছ ধরা জালা টানা,
নুঅ এক পেশা হিলট্রেকসত এল’ নুঅ গরি বাচানা।
পুরনি দিনর জুম চাষ, জাগা ফিরি দ’ আ ন’ পেবঙ,
যে জাগানি আঘে সিয়ানি লৈ আমি বাচার চেষ্টা গরিবঙ।
পানিয়্যে ন’পেয়্যা মোন মুড় ভিটা যিয়ানি আঘে পড়ি,
বাগান বাগিচায় নানাখেতি খলায় সিয়ানি দিবঙ ভরি।
ইসকুল বানেবঙ লেগাপড়া শিগেবঙ জ্ঞান বিজ্ঞান শিগিবাগ,
এ জুম্ম জাত্তুঅ পিচ্ছে পড়ি আ ন’থেব’ মাধাতুলি থিয়েবাগ।
জুম্ম জাদর মআ আঘাত বড়পরঙ ধকল গেল’,
পানিয়্যে ডুব্যা নুঅ পরঙি যে যিয়দ পারে বঈ গেল’।
জুম্মউনে জানি গেলাগ পুরনি নিয়মে আ ন’ চলিব’,
সংসারান দ বাচত’ চেলে শিক্ষা জ্ঞান থা পড়িব’।
জাগায় জাগায় স্কুল হল’ শিক্ষা বাড়ি গেল’
হিলট্রেকসত নানা জাগাত হাইস্কুল বসিল’।
শিক্ষার এই অগ্রগতি ধারা রাখাল্লায়,
জেলা সদর রাঙামাত্যাত কলেজ বঈ যায়।
রাঙামাত্যাত কলেজ বঈন্যায় শিক্ষা সুযোগ হ্্ল’,
জুম্মউনর সেই ধারা অব্যাহত রল’।
পাকিস্তানর পয়লা ভাগর ছাত্র রাজনীতি,
এ দেশর ইতিহাসর এক উজ্জ্বল স্মৃতি।
রাস্ট্র ভাষা বাংলাল্লায় যে ছাত্রউন পরান দ্যন,
শহীদ সেই ছাত্রউনে অমর অৈ রই যিয়ন।
মার ভাষা লৈ কধা কনার অধিকার আদায়,
আমা জুম্ম ছাত্রউনরে প্রেরনা জোগায়।
উচ্চ শিক্ষু জুম্ম ছাত্র যারা প্রবাসত রয়্যন
সিধু তারা গড়ি তুল্যন হিল ষ্টুডেন্টস এসোসিয়েসন।
ছাত্রউনর দাবীদাবা সরকাররে জানে দাগ
হিলট্রেকসর বৈষম্য নীতির প্রতিবাদ গরিদাগ।
কাপ্টেই বাঁধর ক্ষতিপূরণ আ পুনর্বাসন-
অব্যবস্থার বিষয় নিনায় গজ্যন আন্দোলন।
এই আন্দোলন গত্ত যেই মানবেন্দ্র লার্মারে,
জেলত ভরেই রাঘি দিয়্যে পাকিস্তান সরকারে।
এই যুগত ছাত্র যারা এসোসিয়েসন গজ্যন,
হিলট্রেকসত রাজনীতিত সিউনেই এস্যন।
মাতৃভাষা চর্চাগরার তাগিদ মনে গরিল’
বাবু নোয়ারাম-এ “চাঙমা পত্তম পাঠ” লিগিল।
স্কুল কলেজ ভার্সিটির জুম্ম ছাত্রউন,
আবাদা গরি জাগি উদিলাগ বড় গুমত্তুন।
চাঙমা মারমা তিবিরা ভাষায় কবিতা লিগিলাগ,
নিজ’ ভাষায় গীদ জরেন্যায় সুর দিনায় গেলাগ।
আমা জাদ’ নাচচানিরে ধরিই তুলিলাগ।
বড়গাঙ ঢেবাত বুয়ার লাগি ঢেউ তুলিল’,
জুম্ম জাদি’ মন’ আগাজত নুঅ বেল উদিল’।
চাঙমা রাজা পুঅছাউনে বাঙাল মিলা লয়্যন
বাঙালী কৃষ্টি সিরি সুদাম রাজঘরদ ভরেয়্যন।
বাঙালী মিলার উড়ন পিনন চাঙমা সমাজদ এল’,
চাঙমা মিলার পিনন খাদি বাদ দিবার অক্ত হ্ল”।
আরতি দেবী বউ অৈন্যায় রাজঘরদ এল’
রানী অৈন্যায় পিনন খাদি প্রচলন গরিল’
নিজ’ জাদ’ পোষাকরে তে গুরুত্ব দেনায়
পিনন কাদির প্রচলন সমাজত বাড়ি যায়।
পাকিস্তান’ আমলদ ইদু স্কুল ড্রেস ন’ লাগিদ’
যার যে পোষাক আগে সিয়ানি লৈ যেদ’।
প্রাইমারী শেষ গরি যারা উপর ক্লাশদ পড়িদাগ,
চাঙমা ছাত্রীউনে ব্বেগে পিনন পিনি স্কুল যে দাগ।
খাদিয়ান ওড়না বানেই পিনন পিনি যেক্ষে স্কুল যেদ’,
ইয়ানই স্কুল ড্রেস বিলি মনে গরা অদ’।
ধর্ম কর্ম পূজা উৎসব মন্দির ক্যঙ,
পিনন খাদি পিনি যানা জাতীয় সুদাম।
দ্বি যুগর পাকিস্তান শাসন’ আমলদ,
ধর্ম চর্চা বাড়ি যিয়্যে জুম্ম মহলদ।
জুম্ম ভিক্ষু অগ্রবংশ ধর্ম শিক্ষাল্লায়
উনিশশ আটচল্লিশ সনত বার্মা দেশত যায়।
ধর্ম শিক্ষার ব্বেগ’ ডাঙর শিক্ষা শেষ গরে,
ত্রিপিটক বিশারদ উপাধি তে লাভ গরে।
ষষ্ঠ বৌদ্ধ সঙ্গায়ন ব্রহ্মদেশদ অৈয়্যে,
সঙ্গীতি কারক অৈ তেঅ যোগ দিয়্যে।
দেশদ ফিরি এঈন্যায় তে রাজগুরু অৈয়্যে,
সারা জীবন সমাজল্লায় কাম গরি যিয়্যে।
বড়গাঙ গোধা অৈন্যায় যেক্ষে দেশ ডুবি যিয়্যে,
মায়নি বোয়ালখালি এঈ আশ্রম বানিয়্যে।
মুক্তিযুদ্ধ পরে যেক্ষে দেশ ছত্রছান
রাঙামাত্যা রাঙাপান্যাত “মোনঘর” স্থাপন;
মানেই দরদী কর্মবীর জ্ঞানশ্রী থেরোর অবদান,
হিলট্রেকসর জুম্মউনে চিরদিন গরিবাগ স্মরন।
রানী কালিন্দির ধর্মসংস্কার- থেরবাদ গ্রহন,
জুম্ম জাদত মধ্যে এল’ ধর্ম জাগরন।
মআযানী তান্ত্রিক বৌদ্ধ লুরি পুরোহিত-
লুক দিলাগ সমাজত্তুন নেই কন’ কিদ।
বৌদ্ধ ধর্মর মূল লক্ষ্য নির্বাণ সাধনা
ধর্ম সন্ধানী উনরে দেয় অদম্য প্রেরনা।
রথীন্দ্র নামে এক্য চাঙমা শ্রমণ
ধনপাদার বড়ঝারদ গরি গেল কঠোর সাধন।
বড় গাঙ’ গোধায় যেক্ষে মানুষ লড়ি পাদন,
শ্রমণরে তারা সেক্ষে দিঘীনালা আনন
দিঘীনালা বন ভিতর বিহার বানি দিলাগ,
সিধু তারে উপসম্পদা দি ভিক্ষু বানেলাগ।
সাধনাত আনন্দ পায়- “সাধনানন্দ ভিক্ষু” নাঙ হ্্য়,
বনত থায়- “বনভান্তে” সাধারন পরিচয়।
আর্যপুরুষ বনভান্তে তৃষ্ণাক্ষয় গরি
মার্গ লাগী অরহত’ ব্বেগে মনে গরি।
বনভান্তে বন বিহার এ দ্বিয়ান নাঙ
ছড়ি পজ্যে চের কিত্যা বৌদ্ধ জগত্তান।
চন্দ্রঘোনার পেপার মিল আ কাপ্টেই বাঁধ
খুলি যিয়্যে হিলট্রেকসর বান্যা কপাট।
পূব পশ্চিম পাকিস্তানর নানা মানুষ এত্তন,
কিয়ে কামল্লায়, কিয়্যে ব্যবসাল্লায়, কিয়্যে ঘুরি যাদন।
পুরনি পধ ডুবি যিয়্যে নুঅ পধ কাবিল’
রাঙামাত্যা চাটিগাঙ’ পধ অঝার গরিল’।
চাটিগাঙ গৈ রাঙামাত্যা বাস সার্ভিস হল’,
জেলার অন্য পত্তানিঅ উন্নতি গরিল’।
রামগড় সাবডিবিসন খাগড়াছড়ি আনিল’
সে সমারে দ্বিয়ান তিনান থানা বাড়ে দিল’।
পাকিস্তানর আমলত জুম্মউনে সচেতন হয়্যন,
লেগাপড়া শিক্ষাদীক্ষায় মনযোগ দিয়্যন।
এ আগেন্দি শিক্ষিতউনে চাকুরী ন’ গরিদাগ,
এবারে কিন্তু মানুষষুনে চাকুরিন্দি ঝুগিলাগ।
চিকন, মাঝ্যেঙ, বড় চাকুরী ঝাগঠিগা গত্তন,
মধ্য বিত্ত শ্রেণী এক্য সমাজত উত্তন।
শিক্ষা দীক্ষার সুযোগ পাদন তারার পুঅ ছাউনে,
হিল আদাম লৈ ফারগ অদন তারা দিনে দিনে।
জুম্ম সমাজ বদলেই যার টের ন’পিয়্যা গরি,
যাত্রা আমার শুরু হ্য়্যে আধুনিক’ পধধরি।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৬)
চিটাগাঙ হিলট্রেকস, হিল চাটিগাঙ
দেশী ভাষায় যারে কঈ পার্বত্য চট্টগ্রাম,
তুই মর জন্মভূমি; তরে কোচপাঙ।
মোনমুড় ছড়াছড়ি খোআঙ রুখ্যাঙ
এেইল তারুম’ ছাবাঢাক্যা ঠাণ্ডা এ দেশশান
মর প্রিয় জন্মভূমি। ত’ বুগত জন্ম লৈ
পয়লা নিশাচ টানি দেগিলুঙ সংসার,
ত’ মাদিদ খুচ দিন্যায় আগাজ দেগি লুঙ,
চিনি নিলুঙ আগাজর বেল, তারা, চান।
তর ছড়া ছড়ির পানি লৈ ভুই জুম’ ভাদ খেই
বাচি থেই উড়ি বাড়ি গেলুঙ মুই।
জন্মভূমি মা তুই, তরে মুই কোচপাঙ,
কোচপাঙ এই জাগানরে- হিল চাটিগাঙ,
সেলাঙ জানাঙ মা তরে, হ্াজার সেলাঙ।
ন’দ’ জানঙ সে কমলে কদ’যুগ আগে
পিত্তিমির গর্ভ বেদনাত ঠেলি উদি গেলে তুই
দর্যা মুর’ত্তুন। তারপর আর’ কদ’ যুগপরে
গাছ বাশ এেইল তারুমে, পাত্তর মোন গেল ভরি
ফুলে, ফলে; ছড়াছড়ি নাল বৈ গেল’ স্বোয়াদ পানিয়্যে।
পেই্্গ পশু এঈ গেলাগ, এলাগ পত্তাপাত্তি,
মৌ পুগে ব্বা বানেলাগ গাছে গাছে ডেলায়।
গুই, দূড়, সাপ, মাছ, কাঙারায় ছড়া ভরি থায়।
লক্ষ যুগ আগে পশু নর বিবর্ত্তন যুগে
কনদিন কি ইদু এস্যে পিকিঙ মানব?
তর মোন মুড়’ রুখ্যাঙত শিগার গরি দর্যা পাড়ি দি
ইক্ষে নিজেরে যাভা মানব বিলি পরিচয় দের নি কি?
যুগ যুগ যুগ যায়, ইতিহাস থামি ন’ থায়,
আদিম বান্দর মানুষ পুরো মানুষ অৈ যায়।
চের ঠেঙত্তুন দ্বিঠেঙ, হ্াদ দ্বিয়ানে কাম গরে,
মাধার মগজ বাড়ি যানায় বুদ্ধি খাটেই পারে।
বুদ্ধি খাটেই কাম গরিনায় মানুষ মানুষ হ্লাপ,
হাজার হাজার বছর ধরি সভ্যতা গরিলাগ।
পাচ সাত কি আট হাজার বছর আগে
মানুষ বাড়ানায় খাদ্য ন’ থানায় মধ্য এশিয়াত্তুন
দখিন মুখ্যা রওনা দিলাগ ঝাগ ঝাগ মানুষ।
বড় বড় মোন, বড় বড় গাঙ, চীন, তিববত দেশ
আরঅ দগিনে শ্যাম, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম,
এসব দেশত বসতি গরিলাগ জাদে মঙ্গোলিয়ান।
আরঅ একদল তিব্বত অৈ ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দি
পূর্ব ভারত, বার্মা (মিয়ানমার), মালয় দিলাগ বসতি।
হাজার বছর ধরি- নানা দল, নানা জাত,
মানেইয়র স্রোতধারা এত্তন, যাদন।
তুই আঘচ অলড় গরি মআকালর সাক্ষী অৈ।
তরে কিয়্যে জিরানি খলা বানেয়্য,
কিয়্যে কোচ পেন্যায় বসত্তি গজ্যন রেজ্য বানেই।
উত্তরেত্তুন এস্যন, দক্ষিনেত্তুন এস্যন,
গজন্য যুদ্ধ, রেজ্য কাড়াকাড়ি।
ইতিহাসর কন যুগর রিয়াঙ রাজার ঘর,
পাটিকারার পূঅর দিঘি, রম্য ভূমির চৈত্য,
স্মরণ কালর প্রত্নতত্ব অৈ আঘে এঝ’।
কুদু গেল’ সেই রেজ্য, ভরন্দি জনপদর মানুষ?
হিল চাটিগাঙ,
মা, ইয়ান তর নুঅ নাঙ।
ইংরাজর দিয়্যা এ নাঙান দৈ তুই এজ্যা জুম্ম ল্যান্ড।
হাজার বছরর বেড়ান্যা যাযাবর রক্ত লৈ
জুম্ম জাত্তুঅ পছিমত্তুন পুগে, পূগেত্তুন দখিনে,
দক্ষিনত্তুন আর’ উত্তরে এঈ ইয়দ থিত’ হ্লঙ।
সংসারান আর অঝার নেই; দেশশানিরে ঘিরা দেদন।
ত’বুগত আশ্রয় লৈন্যায়, ত’বুগতই জীবন মরন।
জন্মভূমি মা তুই, তরে মুই কোচ পাঙ,
কোচপাঙ জম্মুজাদরে। সে কারণে বেলা অবসানে
তরে লৈ লেগা বস্যঙ বেদনার কাব্য একখান।
মন্দ গরি যশ: প্রার্থী, ন’দ’ জানঙ
পুরেব’ কি ন’ পুরেব’ মনর বাসনা।
জুম্ম জাদর মআ বিপর্যয়ত ১৯৮৬ সনত
শরনার্থী অৈ যিয়ঙ ত্রিপুরা রেজ্যত।
মা, তর দুগ কধা লৈ লিখ্যাঙ “হিলট্রেকসর দুঃখ”
নাঙে বাংলা লৈ একখান গীত কবিতা।
ত্রিপুরার জুম্মউন সিধু প্রকাশ গজ্যন,
সেই বইবুঅ লৈ শিবির ইদু কদক গীদ গিয়ন।
দেশদ ফিরি এঝানার পরে, ম’ ঝিউনে বই বুঅরে
নুঅ ছাবা ছাবেয়্যন। সিয়দ লেগা এক্কান অনুরোধ-
পরবর্তী দেশ কধা আরঅ যেন লেগঙ।
আশী পুরেই যেই আধা বছর পার অৈ ন্যায়
আবাদ গরি বইবার কধা মনদ পড়ি গেল’।
নিঃশেষ ইন্দ্রিয়, ডুবনি বেল’ ফহ্্রত ব্বাগ থুম হ্বনি?
মা, তরে মুই কোচ পাঙ। আর্শীবাদ গর
তরে কোচপানা বলে যেন জুম্ম ভাষ লৈ
লিগি পারঙ ত’ দুগ’ কধা।
মুই জানঙ কাব্য, মআকাব্যর যুগ শেষ হ্য়্যে।
সময় লৈ বিলাসিতা গরানার দিন আর নেই।
একুশ শতকর উগ্র আধুনিক ডিজিটাল প্রযক্তি যুগত
মুই একজন বিশ শতকর জন্ম নিয়্যা
উনিশ শতকর ভাবধারা লৈ গড়ি উঠ্যা মানুষ।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৭)
একাত্তর’র ২৫ মার্চ রেই্দ। পাক সৈন্যউনে ভারী হাত্ত্যার লৈ
ঝাবেই পল্লাগ রাজার বাগ পুলিশ হেড্্্কোয়ারর্টার,
পিলখানার রাইফেল সদর দপ্তর।
বর্বর হত্যাকান্ড চালেলাগ জগন্নাথ হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,
নরক বানেলাগ গোটা ঢাকা শহরান।
সমারে সমারে বিভাগীয় শহ্্রানিদ’ শুরু হল’ নির্মম গণহত্যা।
মরা মানস্যর কুর বদেলাগ।
সারা দেশত পড়ি গেল’ প্রতিরোধ সংগ্রাম’ ডাক।
বাঙালী আর্মি, পুলিশ, রাইফেল বাহিনী,
ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবি,
ব্বেগে মিলি গড়ি তুলিলাগ মুক্তি বাহিনী।
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গড়ি উদিল’ মুজিব নগর;
যুদ্ধ পরিচালনার ভার নিল’ মুজিবনগর’ সরকার।
পাকিস্তানি সৈন্যউনর নির্মম তান্ডব-
সারা দেশত জ্বালাও, পোড়াও, হত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন।
পাকিস্তান’ ঘোর সমর্থক গোড়াবাদী জামত ই ইসলাম
রাজাকর, আলবদর বাহিনী বানেই খান সেনাউর ডেনহ্াদ।
মুক্তি বাহিনী ধরেই দেনা, খবর দেনা, আর্মিউনরে মিলা যোগেই দেনা
তারার কাম; সে লগে আদাম পাড়া লুট গরি আগুন বাঝেই
জ্বালেই দেনা। দেশের বুদ্ধিজীবিউন ধরি নি নি মারেই ফেল্যনদৈ
এই রাজাকর আলবদরউনে।
জামত ই ইসলামর শান্তি কমিটি আর্মি ছাবাত্তলে
রেঙে উৎসবে লুটপাট গজ্যন হিন্দুউনর ঘর দোর,
আওয়ামী লীগ আ মুক্তিবাহিনীরউনর স্বয় সম্পত্তি।
পরান বাচেবার তাগিদে লাখ লাখ মানস্যর
ভারতদ আশ্রয় গ্রহণ। দুর্গত মানবতার
আশ্রয় কেন্দ্র শরনার্থী শিবির।
ভারতর মানবিক সাহায্য কোটি মানুষের খাদ্য আশ্রয় দান।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যুদ্ধ স্বপক্ষে
বিশ্ব জনমত গড়ি তোলার ইন্দিরা গান্ধির কূট নৈতিক তৎপরতা।
চাকুরীঅলা, পুলিশ, রাইফেল বাহিনীর জুম্ম সদস্য উনে
মুক্তি যুদ্ধত শরিক হ্লাগ,
কলেজ ভার্সিটির ছাত্রউনেঅ যোগ দিলাগ।
পল্যা ধমগত কিছু সংখ্যক জুম্ম যোগ দিলেয়্য
শুরু হ্ল’ অপরাজনীতির কুট্যাগরি।
চিটাগাঙ হিলট্রেকস এল’ ঊীপষঁফধফব-বৎবধ
নেই ইদু কন’ দিন রাজনীতির দল,
সত্তরর নির্বাচনত সারাদেশত আওয়ামী লীগের জয়,
হিলট্রেকসত আওয়ামী লীগে কন’ পাত্তা ন’পায়,
সে কারণে জুম্ম উনরে তারা ন’ গরন বিশ্বাস।
মুক্তি যুদ্ধ গত্ত যেই ভারদত বন্দি গজ্যন
রাজার খু‘ত্ত’ আওয়ামী লীগার কে কে রায় রে।
নিরাশ অৈ ফিরি এস্যন দৈ বহু জুম্ম পুঅ।
জুম্ম মুক্তি বাহিনীউনে রক্তদি যুদ্ধ গরি গেলেঅ
এঝ ’ এক দাগি মুক্তি যোদ্ধা স্বীকৃতি সনদ ন’পান। *
( * রোয়াংছড়ি উপজেলার ৩৪৫ নং মায়াপতং মৌজার কানাজু পাড়া বাসিন্দা কান্ত ত্রিপুরা পিতা পূর্ণচন্দ্র ত্রিপুরা; শৈমং মারমা সুদ্ধ কানাজু পাড়া যুদ্ধত্ত যুদ্ধ গজ্যন। যুদ্ধত্ত শৈমং মারমা শহীদ হয়্যে। এ যুদ্ধত্ত ৩০ জন মুক্তি বাহিনী শহীদ অৈয়ন। কান্ত ত্রিপুরা এঝ মুক্তিযোদ্ধা সনদ ন’ পায়।)
টালাটালি পাক সৈন্য এঈ চাটিগাঙ নিল’কাড়ি।
হুড় পড়ি গেল রাঙামাত্যাত
জেলা প্রশাসক দল বল লৈ ধাবা দিল খাগাড়াছড়ি মুখ্যা।
চাঙমা রাজারে কন’খবর ন’দিলাগ।
রাঙামত্যা বাঙালুন অসহায়!
নেতাউনে এঈন্যা ধরিলাগ চাঙমা রাজারে,
তুই বাদে আমারে বাচেয়্যা নেই ক্যেঅ।
চাঙমা রাজা ত্রিদিব রায় নিজ উদ্যোগে
চাটিগাঙ যেই হ্াদ মিলায় গৈ আর্মিউন দোয়।
বাচি গেলাগ রাঙামাত্যা বাঙালউনে। হিলট্রেকসর
কন’বাঙালরে কিচ্ছু ন’গরন পাক সেনাউনে।
এই বাঙালুনেই পাকিস্তানী আর্মি লৈ যোগবদি
জুম্মউনর উউরে গজ্যন মাতবরি।
উর্দূভাষা জানা অনেক বাঙাল পাক আর্মির চর বনি
জুম্মউন’ ইদু গজ্যন তারার স্বার্থ হাসিল।
ইউনেই মুক্তি বাহিনী এঈন্যায়, জুম্ম বিরুদ্ধে
লাগে দিন্যায় জুম্ম উনরে কাবা খাবেয়্যন।
আ তারা অৈ যিয়্যন ন্দৈ নিজেরাই মুক্তি বাহিনী!
কি কূট কুশলী বাঙালর বিচিত্র লোক চরিত্র!
মেজর জিয়া চিটাগাঙত্তুন হ্দিযেই তে অ
মহালছড়ি অৈ খাগড়াছড়ি, সিত্তুন বামগড় পাড়ি দিয়্যে।
পধর চাঙমা, মারমা, তিবিরা বেক্কুনে এই মুক্তি যোদ্ধাউনরে
সহযোগিতা গরি ভারত পার গরি দিয়্যন।
এর পরেই পাক আর্মি উনর নির্যাতন এঈ পড়িল’
সিউন উউরে যারা মুক্তিরে গজ্যন সহযোগিতা।
সব্য মাঝন, গৌরাঙ্গ দেবান, চিত্ত কার্বরীরে
মহালছড়ি ডাগি নি মারেই ফেলি গুম গজ্যন।
পাগালা পাঠান্যা যিন্দি যিয়্যে
অত্যাচার’র ডাঙা আগুন আঙি যিয়্যে।
মা বাব’ সেরেত্তুন গাভুর মিল পুঅ তুলি নি
মানস্য সেরে তে গরি যিয়্যে হ্মোন’ কাম!
পাকিস্তান’ জন্মলগ্নে বিরোধিতা কারণে
হিলট্রেকসর জুম্মউন চৎড়ওহফরধহ এই ভাব
মুক্তিযুদ্ধ কালে অয়্যে প্রকট ভাবে প্রকাশ।
পাকআর্মিউনে হিলট্রেকসর জুম্মউনরে
মানুষ বিলি গনাত ন ভরান।
সিভিল আর্মস ফোর্স নাম দিন্যায় জোরগরি
গাভুজ্যা পুঅউনরে বানেয়্যন সি.এ.এফ।
সাধারণ মানুষষুনরে বানেয়ান তারার কুলি।
রাজা ত্রিদিব রায় আর্মিলৈ হ্াদ মিলেই
রাঙামাত্যাত বাঙাল বাচেইদি বাংলাদেশত তে পাকিস্তানী।
বোমাঙ রাজা নিরপেক্ষ। মঙ রাজা ঘর দোর ছাড়ি
মুক্তিযুদ্ধত যুদ্ধ চালেই যিয়্যে।
এম. এন. লার্মা নিষ্ক্রিয়।
পুব পছিমর পূজির লাড়েইর তে নীরব দর্শক।
তার মতাদর্শ লৈ মিল নেই এই যুদ্ধ।
অন্য গ.খ.অ. অঙ শোয়ে প্রু মন্ত্রি অৈ
সরকার’রে দিয়্যে পূর্ণ সহযোগিতা।
সারা বাংলাদেশত রক্তস্রোত বৈ গেল’ নয় মাস সঙ
ত্রিশ লাখ মানুষ পরান দিলাগ এই যুদ্ধত।
রাইফেল পুলিশ বাহিনীর জুম্ম বীর উনর লগে লগে
সাধারণ জুম্মরক্তয়্য রৈ যিয়্যে সেলগে।
দেশ মাতৃকার স্বাধীনতা যুদ্ধও জুম্ম অবদান
অস্বীকার গরিবার নয়। *
(* বাংলাদেশ রাইফেল বাহিনীর সদস্য হেম রঞ্জন চাঙমা, রমনী রঞ্জন যুদ্ধত্ত শহীদ অৈয়্যন।)
পাক বিমান বোমা ফেলিল ভারত’ মাদিত,
সুযোগ পেই গেল ভারতে; গরিল’ যুদ্ধ ঘোষণা।
মিত্র বাহিনী যোগ দিলাগ মুক্তি বাহিনী লগে।
দেগদে দেগদে যুদ্ধর গতি গেলগৈ পাল্টে।
জল, থল, আকাশ পধে চেরকিত্যাত্তুন আক্রমন,
পাকিস্তান সৈন্যউন অসহায় অৈ পড়িলাগ।
১৬ই ডিসেম্বর ভারত বাংলাযুক্ত বাহিনী ইদু
পাক সৈন্যউনে গরিলাগ সারেন্ডার।
৫ ডিসেম্বর পানছড়ি এলেকান্দি ঢুকিলাগ
মুক্তি বাহিনী একদল। এ দেশর বীর মুক্তি যোদ্ধা!
ঝাবেই পড়িলাগ নীরিহ জুম্ম উনর উউরে!
আদাম থিগা জ্বলি গেল ঘর, নির্বিচারে কাবদন মানুষ!
হা ভগবান! ইয়ান কি দেগির!
যারারে আউশ গরি বাজ্যেই আঘি, দেশ মুক্তিল্লায়
কুদু যেবঙ, কুদু পালেবঙ।
পানছড়িত্তুন খাগড়াছড়ি চৌদ্দ মেইল পধ,
পানছড়ি, শান্তিপুর, কুকিছড়া, গাছবান,
পেরাছড়া, বাঙাল কাটি যেদক্কানি আদাম
একচেটিয়া জ্বালেই দি, গণহত্যা চালেই যেই,
মিলা ধরি বেইজ্জত গরি বীর দর্পে মুক্তি বাহিনী
এঈ পল্লাগ খাগড়াছড়ি সদর শহর।
জুম্মউনর সম্মানিত বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি,
উচ্চ পদর সরকারী কর্মকর্তাউনরে
ধরি, বানি গরিলাগ নির্যাতন, অপমান।
একুশ ডিসেম্বর দিঘিনালাত এঈ
জ্বালেই দিলাগ শান্তি লক্ষীপুর আদাম।
পুড়ি দিলাগ গোলা ঘর, ধান খলা.
এগার জন মানস্যর পরান নিলাগ কাড়ি;
সে সমারে রুগ্যা গজ্যন আর’বহুত জন।
স্বাধীন বাংলার উৎসব গরিলাগ
জুম্ম রক্ত লৈ হোলি খেলি!
পূগেন্দি লুসাই হিলত্তুন’ এস্যন মিত্রবাহিনী
বরকল, বান্দরবান অৈ। মাউন্টেন ডিবিসন
তিব্বতী সেনাউনলৈ যুদ্ধ হ্ল মিজো পাঠান লগে।
পাকিস্তানী সেনা মিজো পাঠান ধোই পেলেই গেলাগ।
রাঙামত্যা মুক্ত হ্ল’ নির্বিবাদে।
রক্ত পাতহীন রাঙামাত্যা দখল মিত্র বাহিনীর।
রাজা ত্রিদিব রায় পাকিস্তান গেলেয়্য
রাজ বাড়ীর পূর্ণ নিরাপত্তা দ্যন মিত্র বাহিনী।
হিলট্রেকসর দগিন অংশ বান্দরবান সাবডিবিসন,
মুক্ত বাংলার আনন্দ দিনুনত ও সিধুঅ চলে জুম্ম নির্যাতন।
মাধা মুড়েই জুতামালা পিনে দিন্যায় বান্দরবান শহর ঘুরেয়্যন
বোমাঙ রাজা পুঅ এম.এস.প্ররে।
৯জানুয়ারী ৭২, বান্দরবান জন সভাত
অভদ্র ভাষা লৈ অপমান গজ্যন বোমাঙ রাজারে।
বাঙাল অৈ ন’পাল্লে বার্মাত যেবাত্যায় কয়্যন
মারমা সম্প্রদায় উনরে, সে সভাত !
বহু মারমা আরাকান পার অৈয়ন সে ডরে।
জুম্ম জাতর অভিশাপ, শতবছর পরে পরে
এ দুর্যোগ এঝে ঘুরি ঘুরি।
উনিশ শতকত কুকিকাবা, বিশ শতকত বাঙাল’ কাবা
জুম্ম জাতর কপাল’ লিখন।
১৯৭২। রাজাকার তগানা নাঙে আরম্ভ হ্ল’ জুম্ম নির্যাতন।
নীরিহ মানষরে নির্যাতন গরি টেঙা আদায়,
মিথ্যা মামলা সাজেই দি হয়রানি, লুটপাত,
গোটা হিলট্রেকস ব্যাপি পুলিশ, বি.ডি.আর’র হামলা।
রাঙামাত্যা, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি কন জাগা বাদ ন’যায়
পুলিশ আর বি.ডি.আর অর অত্যাচারত্তুন।
সাধারন মানুষ বাদেঅ তারা হামলাত্তুন রেহাই ন’পান
স্কুল’ মাষ্টর ক্যঙ মন্দির’র বৌদ্ধ ভিক্ষুউন’।
অক্টোবর’ মাঝামাঝি বি.ডি.আর কয়েক দলে ভাগ অৈ
লৌ গাঙ আর পুজগাঙ’র চৌদ্ধ আদাম নির্যাতন গরি
ধান, চোল, টেঙা পয়সা লুটপাত চালেই
আদাম বিগা ঘর জ্বালি দিয়্যন। ক্যঙ লুটি
ত্রিশ হাজার টেঙা লৈ যিয়্যনদৈ সানন্দ বৌদ্ধ বিহারত্তুন।
সারা হিলট্রেকসত চলি যিয়্যে অরাজকর রাজত্ব।
১৯৬৩ সনদ হিলট্রেকসর ” বিশেষ অঞ্চল বিধি” রদ গরানায়
বাঙাল বসতি গড়ি উঠ্যে রামগড়র ফেনী কুলদ।
স্বাধীনতার পরে পরে বাঙাল এঝানা পেল’ বাড়ি।
জাগায় জাগায় বঈ যাদন বাঙাল
ছলে বলে কৌশলে নিয়্যা ধজ্যন জুম্মউনর ভুই।
জাল দলিল বানেন্যায় দখলদ ন্যা ধল্লাগ
বাপ’ আমলদ বন্দোবস্তী গজ্যা আবাদী ভুই।
চক্রান্ত গরি জ্বালেই দিলাগ খাগড়াছড়ি অফিস।
জুম্মউনর ভুইঅর আমলনামা নিশ্চিন্ন অৈ গেল।
পাকিস্তান’জেল খানাত্তুন লন্ডন ঘুরি দিল্লি অৈ
শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকাদ লুঙ্যেগি ১০ জানুয়ারী ১৯৭২।
মুক্ত বাংলার মানস্যে বরণ গরি নিলাগ হাজার বছর’র
শ্রেষ্ঠ বাঙালী শেখ মুজিবুর রহমান রে।
দেশ পরিচালনার স্থায়ী দায়িত্ব দেয়্যা হ্ল’ বঙ্গবন্ধুরে।
হিলট্রেকসর বিষয় লৈ পয়লা আলোচনা বঙ্গবন্ধু সমারে
প্রতিনিধি দলর নেতৃত্বে চারু বিকাশ চাঙমা, ২৯ জানুয়ারী ৭২।
আলোচনাতে হিলট্রেকসর জুম্ম কৃষ্টি, ঐতিহ্য
সংরক্ষণ গরিবার স্বীকার গজ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।
এরপর পনর ফেব্রুয়ারী আর এক দল লৈ
বঙ্গবন্ধু সমারে দেগা গল্ল মানবেন্দ্র নারায়ণ লার্মা।
চেরান দাবী সংবিধানত অর্ন্তভুক্ত গরানার আবেদন গরি।
(১) আইন পরিষদ সম্বলিত স্বায়ত্ব শাসন প্রদান,
(২) ১৯০০ সনর হিলট্রেকস বিধি সংরক্ষণ গরানা,
(৩) উপজাতীয় রাজাউনর দপ্তর রাগেই দেনা,
(৪) হিলট্রেকস বিষয়ে শাসন প্রান্তিক কন পরিবর্তন ন’আনানা।
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন’ সময় লার্মাঅ এল’
গন পরিষদ’র একজন সদস্য।
লার্মার দাবী উন প্রত্যাখ্যান গরা হ্ল’,
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি হিলট্রেকসর
কন’কধা ন’ধরন তুলি খচরা সংবিধানত।
অনেকর মতে বাহাত্তর’র সংবিধান প্রণয়ন ন’হ্্য়
বিধিগত ভাবে। পাকিস্তান আমলদ জাতীয় আ
প্রাদেশিক পরিষদর সদস্যউন ন’ এলাগ বেক্কুনে মুক্তিযোদ্ধা।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবির
মিলিত সার্বজনীন বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধ,
স্বাধীনতার পরেন্দি ভিন্ন মাত্রা রূপ নিযিয়ে গৈ।
সে জাগাত বানা আওয়ামী লীগর সদস্যউন লৈ
বানেয়্যন খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি।
বাম রাজনীতি বিদউনর দাবী এল’
নির্বাচনর পরেই গরানা সংবিধান রচনা।
একক দল আ বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ ব্যক্তিত্বর কারণে
সংবিধান অৈ যিয়্যে পাকিস্তান’সংবিধান’ছাবা,
আ আওয়ামী লীগ গঠনতন্ত্র ধাচে;
কেন্দ্রীভূত রৈ যিয়্যে গৈ ক্ষমতার চাবিকাঠি।
খসড়া সংবিধান সংসদ’দ আলোচনা সময়দ
এম.এন.লার্মা আ সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত প্রস্তাব দ্যন
জনমত যাচাই গরনাল্লায়। মানবেন্দ্র নারায়ন লার্মা
সংবিধান সমালোচনা গত্তযেই নানা ত্রুটি দেগেই
কয়্যে, “শাসন তন্ত্রদ পত্তি ধারায় প্রমান গরে
যে অধিকার জনগনরে একহ্াদে দিয়্যে
অন্য হাদেন্দি সে অধিকার নিয়্যে গৈ কাড়ি।”
সংবিধানদ জাতিসত্বা স্বীকৃতি দাবী গরি কৈয়্যে-
“সংবিধানদ আমা জাতিসত্বার উল্লেখ নেই।
মুই সেই নির্যাতিত জাতিসত্বার একজন।
আমি চেঈ বাংলাদেশর জনগন’ লগে মিলিমিশি
বাচিদঙ। আমা দাবী আঞ্চলিক স্বায়ত্ব শাসন।
ইয়ান ইয়াহিয়া আয়ুব খাঁ আমলত্তুন ধরি
আমার দাবী। তারা আমা দাবী ন’মানন।
স্বাধীন বাংলা দেশত সংবিধান রচনা গত্তে
মনদ রাখা পড়িব’ এমন সংবিধান তৈরি গরা দরকার
যে সংবিধান ভবিষ্যত জনগণে গ্রহণ গরিবাগ।”
১৯৭৩ সনত রাঙামাত্যাত নির্বাচনী জন সভাদ
শেখ মুজিবুর রহমানে ভাষণত কল’,
“বাংলাদেশত জাতি উপজাতি আর ভেদ নেই
আমি বেক্কুন এক জাতি, বাঙালী জাতি।”
কধাআন জুম্ম উনর ন’ হ্্য় মনোপুত,
এক ঝাগ জুম্ম উদি গেলাগ গৈ সভাত্তুন।
বঙ্গ বন্ধু জুম্মবন্ধু অৈ ন’ পাল্ল একধান দৈ।
৭৩ সনর নির্বাচনদ’ পাত্তা ন’পেল আওয়ামী লীগ,
সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হ্লাগ এম.এন. লার্মা
আ চাথোয়াই রোয়াজা, হিলট্রেকসর দ্বিয়ান আসনত্তুন।
বাঙালী জাতীয়তা মানি নি ন’পারন জুম্মউনে।
১৯৭৪ সনর ২৩ জানুয়ারী। স্বাধীন বাংলাদেশর
পত্তম নির্বাচিত সর কার’র সংসদ অধিবেশন।
“বাংলাদেশ এক ভাষা একই সংস্কৃতির জাতীয় রাষ্ট্র,-
বাংলাদেশর অধিবাসী মাত্রেই বাঙালী জাতি।”
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটে প্রস্তাব পাশ অৈ সংবিধানত
গরিলাগ সংযোজন। হিলট্রেকসর প্রতিনিধি
এম. এন. লারমা গরিল’ ইয়ানর তীব্র প্রতিবাদ।
“মুই এদেশর অধিবাসী। বাংলাদেশর নাগরিক হিসাবে
মুই একজন বাংলাদেশী। মর এক্কান আলাদা সত্বা আঘে,
মুই সিয়দ চাঙমা, বাঙাল নয়। আমাধক্যা বাংলাদেশত
মারমা, তিবিরা, গারো, হাজং, সাঁতাল আর ’নানা
জাতি সত্বা আঘন, তারাঅ বাঙাল নয়।
এ প্রস্তাব আমি মানি নি ন’পারি কন’দিন।”
সংবিধানত দস্তখত ন’দি ডধষশ ড়ঁঃ গরি যিয়্যে গৈ।
সংসদ’দ গ্রহণ করা হ্ল’ বাংলাদেশ সংবিধান,
গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা আ বাঙালী জাতীয়তাবাদ
এ চেরান মূলনীতির উপরে যার ভিত্তি।
গেল’ শতকর ষাটদশকর গড়ি উঠ্যা ছাত্র রাজনীতি
শিক্ষিত জুম্মউনরে টানি নি যিয়্যে বাম রাজনীতির প্রগতি শীল ধারা।
জাতীয়তা বাদী বুর্জোয়া রাজনীতিত্তুন শোষণ মুক্ত
সমাজ গড়ার সবন দিখ্যন জুম্ম ছাত্র নেতা উনে।
পাকিস্তান আমলত্তুন ধরি অন্যায়র প্রতিবাদে
জুম্ম ছাত্রউন এলাগ নিত্য সোচ্ছার।
স্বাধীন বাংলা দেশর অন্যায়র প্রতিবাদেঅ
পাহাড়ী ছাত্র সমাজ নিত্য রৈয়্যন মুখর।
১৯৭০ সনত লার্মা গড়েয়্যে রাঙামাত্যা কম্যুউনিষ্ট পার্টি।
আরাকান কম্মউনিষ্ট পার্টি লৈ এল’ দোল যোগাযোগ।
ছয় দফা দাবী আদায়র নির্বাচন ডামাঢোলদ
এ পার্টিবুঅ প্রচার প্রসার হ্বার সুযোগ ন’ পায়;
মুক্তি যুদ্ধ এঈ যানায় পরিবেশ যায় গৈ পাল্টেই।
বাংলাদেশ মুক্ত হ্নার লগে লগে জুম্ম উনর উউরে
বাঙাল মুক্তি বাহিনী উনর নির্মম বর্বরতা,
বাহাত্তর সনত সারা হিলট্রেকসর অরাজকতা,
সরকারী বাহিনীর দমন মূলক নির্যাতন, লুণ্ঠন, ধর্ষণ
ইয়ানির কন’ প্রতিকারহীন তিক্ত অভিজ্ঞতা, জুম্ম মানস
বিষিয়ে যিয়্যে গৈ দেশ স্বাধীন হ্নার সমারে সমারে।
হিলট্রেকসর জুম্ম উনল্লায় চেরান দাবী গরা হ্য়্যে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান’ ইদু যেই।
খসড়া সংবিধান রচনার পর
হিলট্রেকসর কন’ উল্লেখ ন’ দেগিনায়
হতাশ অৈ গেল’ গৈ মানবেন্দ্র নারায়ণ লার্মা।
রাজ নৈতিক অধিকার আদায় গরানাল্লায়
জুম্ম বুদ্ধি জীবিউনর মতামত লৈ প্রতিষ্ঠা হ্ল’
“পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতি”।
উনিশশ বাহাত্তর জুন মাসত, রাঙামাত্যাত।
জন্ম হ্ল’ এক্য আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল।
হিলট্রেকসর সেক্ষে দুর্যোগ। চের’কিত্যা চুরি ডাকিতি,
রাজাকার তগানার নাঙে সরকারী বাহিনী উনর নির্যাতন
সহ্যর সীমা ছাড়ি যার গৈ। জন সংহতি সমিতি
উদ্যোগ নিল’ এই অরাজক অনাচার’র প্রতিকারল্লায়।
স্বাধীনতার পর সরকার’র ঘোষণা হল’- রাজাকার যারা
সারেন্ডার গরি হ্ত্যার গোঝেই দিলে ক্ষমাগরা হব’, সরকারীভাবে।
হিলট্রেকসত জামাতি ইসলামর কন সংগঠন নেই,
রাজাকার, মুজাহিদ, আলবদর ইদু ন’ উদন গড়ি।
পাক আর্মির তত্বাবধানে ইদু গজ্যন সিবিল আর্মস যৌজ।
একদল সি.এ.এফ সারেন্ডার গজ্যন লংগদু ইদু,
হাত্যারানি গোঝেই দি তারা আর ন’ এঝন ফিরি।
এ কারণে আর কন’ সি.এ.এফ ন’গরণ সারেন্ডার।
জন সংহতি সমিতির উদ্যোগে এগত্তর গরাহ্ল’
লুগে পলেই থাউইয়া গাভুয্যা সি.এ.এফ সদস্য উনরে,
মুক্তি যুদ্ধত্তুন ফেরত এস্যা রাইফেল আ পুলিশ বাহিনীর
সদস্য উন’ থুবেলাগ রাজনীতির ব্রিফিং দিন্যায়।
লুগেই থৈয়া হ্াত্যারানি থোগেই থাগেই নিগিলেলাগ।
এ ধক্যা গরি গড়ি উদিল সমিতির আর্মড ক্যাডার।
এই আর্মড ক্যাডারউনল্লোই বিশেষ রাজনৈতিক ট্রেনিংদি
জে.এস.এস.এ আরম্ভ গরি দিল অন্যায়র প্রতিকার,শুদ্ধি অভিযান।
চুর ডাগেত্তুন দোঙে লাগ, আদাম পাড়া শান্ত হ্ল’,
কজরা মন’ মানুষষুনরে উপযুক্ত শাস্তি দিল।
মদ ভাঙে খানা কমেই দিলাগ, সমাজর অনাচার বন্ধ গরিলাগ,
পুলিশ বি.ডি.আর’র অন্যায় হামালদ তারা রুখেই দাড়েলাগ,
হিল চাটিগাঙ গোটা জেলাবুয়দ শান্তি আনি দিলাগ;
সে কারণে তারা ইদু শান্তিবাহিনী নাঙ খলে লাগ।
শান্তি বাহিনীর শুদ্ধি অভিযান জুম্মউনে অৈয়ন সচেতন,
বিশ শতক শেষ পর্যন্ত সামাজিক দুর্নীতি বেজ ন’গরন।
জানবক্স খাঁ ইংরাজ ইদু হাত্যার গোজে দেনায়ে
জুম্মউনে অৈ যিয়ন দৈ যুদ্ধ ন’গরিয়া জাত।
নিরাপত্তা দি ন’পারনে কুকি কাবা খিয়ন একশ’বছর পরে।
দশ পিরি পার গরিলঙ হ্াত্যার নেই গরি,
আর’একশ’ বছর এত্তে বাঙাল’কাবা খেলঙ,
হ্াত্যার’র যে কি প্রয়োজন এবার বুঝি পারিলঙ।
শান্তি বাহিনী সংগঠন জুম্ম জাতর এক্কান মেইল ফলক।
নিরাপত্তাহীন অসহায় জিঙহানীর বাচিবার দড় সবথ,
মোনে মোনে খোয়াঙে খোয়াঙে গুজুরি উদিল’ হিলট্রেকসত।
যেই বাঙালী জাতি অন্যায়র বিরুদ্ধে লড়েই গরি
বাংলাদেশরে এজ্যা গজ্যন স্বাধীন-
সেই স্বাধীন বাংলাদেশর সংসদ’দ জুম্ম জাতর
জাতিসত্বা সংরক্ষণর ন্যায্য দাবী বৃহত্তর জাত্যভিমান দৈ
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটে নাকচ গরি দ্যন সাংসদত্তুন।
সাংবিধানিক ভাবে জাতিসত্বা স্বীকৃতি পেবাল্লায়
বাংলাদেশ সরকার’রে অনুরোধ গরিবার আবেদন জানেই
জে.এস.এস.নেতাউনে ভারতর প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীরে
এক্কান স্মারক লিপি দিয়্যন দৈ। প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী
বাংলাদেশর ঘরোয়া ব্যাপারে হ্াদ দি ন’ পারিব’ বিলি
তার অক্ষমতা জানেই বিদায় দিয়্যে।
কূটনীতি ভাবে কাম ন’ হ্নে জে.এস.এস নেতাউনে মনে গল্লাগ-
আমাদ্যায় ক্যেঅ ন’গরিবাগ কমে। নিজর কাম
নিজত্তুনই গরা পড়িব, দরকার হ্লে হ্াত্যার নিন্যায় হ্লেয়্য।
আমা ঢাগত, লুসাই হিল’লুসাই(মিজে) উনে স্বাধিকারল্লায়
হ্াত্যার লৈ আন্দোলন গত্তন ছয় দশকত্তুন ধরি।
এ পর্যন্ত দেগি এজির তারা অগ্রগতি।
চুয়াত্তরত্তুন ধরি শান্তিবাহিনীর শক্তি বাড়েবার
কামে লামি গেল পার্বত্য চট্টল জন সংহতি সমিতি।
হাত্যার তগা সুরু গরি দিলাগ।
যে হাত্যারানি ফেলে যিয়্যন মিজো পাঠান উনে
পানিত ডুবি তোগেই তাগেই পেই গেলাগ কিছু।
বার্মা কম্যুউনিষ্ট বিদ্রোহীউনে দোয় গরিলাগ যোগাযোগ।
জুম্ম গাভুজ্যা পুঅছাবাউনরে নি আদামে আদামে
গড়ি উদিল মিলিশিয়া বাহিনী।
রাজনৈতিক ভাবে গঠন গরা হ্ল’ গ্রাম পঞ্চায়েত
সামরিক ভাবে হিলট্রেকসরে ভাগ গজ্যন ছবুঅ সেক্টরে,
সে বাদেঅ এল’ বিশেষ সেক্টর। এক্কান সুব ন’ পেয়্যা
খুব গোপন জাগাদ এল’ শান্তি বাহিনীর হেড্কোয়ার্টার
যার প্রতীকি নাঙ দ্যন “বাত্তি”।
পত্তি সেক্টর কমেন্দি চেরান জোনে ভাগ,
আ জোনানি ভাগ এল’কয়েক্কান সাব জোনে।
গেরিলা যুদ্ধর এই ঘাটিয়ানি এল’লোকচক্ষুর আড়ালদ
বড় ঝারর মোন মুড়’ খোয়াঙ’ ভিদিরে।
নিত্য পরিবর্তন শীল ঠিকানা ইয়ত্তুন উয়দ, উয়ত্তুন সিয়দ।
জে.এস.এস’র আঞ্চলিক কর্মীউনে আদামে আদামে
প্রশিক্ষণ দি জনগণরে গজ্যন সচেতন।
সংগঠন অৈ যিয়্যে দড়মড়।
আদামে আদামে গণ লাইন মাধ্যমে
খবর লুঙিদ গৈ শান্তি বাহিনী ইদু ঠিগ সময়ে।
নিজ’খেবার ভাত্তুন দিন্যায় সহযোগিতা দ্যন ব্বেগ জুম্মউনে
ধজ্যা বাজেট বরখেলাপ ন’গরন কনজনে।
শান্তি বাহিনীর অফিসার আ রাজনৈতিক কর্মী যিউন
ব্বেগ ভাগে হ্লাক্কে কলেজ ভার্সিটি পড়িয়্যা ছাত্র।
প্রগতি শীল রাজনীতি লৈ তারার এল’কমবেশী পরিচয়।
জে.এস.এস’র মূল নেতাউন এলাগ উগ্র কম্যুউনিষ্ট।
গেরিলা যুদ্ধর আদিগুরু দীর্ঘ সংগ্রামী নীতির প্রবক্তা
মআ চীনর সর্বহারা মআ নায়ক কমরেড মাও সেতুঙর
এ গেমি ভক্ত। পার্টি কর্মিউনর পকেটত দেগা যেত’
রাঙা নোট বই- মাওর মূল্যবান উদ্ধৃতি।
শান্তি বাহিনীর বিচার আদলত, তারার নিরপেক্ষ রায়
বাঙালুনেঅ এলাগ প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
বিশেষ গরি ব্যবসায়ীউনে শান্তি বাহিনী উউরে গত্তাগ
বেজ গরি বিশ্বাস। প্রয়োজনীয় মাল পত্তর
বাঙাল ব্যবসায়ী উনেই দিয়্যন তারারে যোগেই।
সর্বহারা রাজনীতি দর্শনে বিশ্বাসী শান্তি বাহিনীউনে
বা রেত্তুন ইস্যা বাঙাল পরানে ন’মারন।
“তারাঅ আমাধক্যা দুখ্যা দোলে বুঝেই কলে
ফিরি যেবাক্কোই নিজ’জাগাত”- এ কধানদোয়
বাঙাল ন’ মারন পত্তমেন্দি। হামলাকারী
পুলিশ বি.ডি.আর ই ডোঙিয়্যন তারা।
যুদ্ধর ধ্বংস কুড় লৈ বাংলাদেশ স্বাধীন হ্ল’।
সারা দেশ চের’কিত্যান্দি ভয়ঙ্কর ধ্বংসর নিশান,
চাষবাস ন’চলে, কল কারখানা বন্ধ,
ব্যবসা বাণিজ্য ধ্বসি পড়ি যিয়্যে গৈ।
লোভ, লালসা আ ডাগেতির চেরকিত্যা অরাজক রাজত্ব।
পাকিস্তান’ বেইশ পরিবারর সীমাবদ্ধ ধনানি
পিজুম চোগে রিনি চেদাগ বাঙালী পেটি বুর্জোয়াউনে,
এবার এঈ যিয়ে গৈ তারার ধন কুড়নর পালা।
যুদ্ধ চলেদে সময় যে চোল পা যেদ টেঙাত আড়েই কেজি
সেই চোল অৈ গেল গৈ কেজির দাম তিন টেঙা!
দ্বি আনা দরর নুন’ কেজি হ্ল’পঞ্চাশ টেঙা,
দেড়শত টেঙা দরে মরিচ পা ন’যায় বাজারত।
লোভী, বিবেকহীন বাঙাল ব্যবসায়ীউন পছিমত্তুন মুক্ত অৈ ন্যায়
এবার আউছ পুরেন্যায় কোটি পতি বনি গেলাগ।
সে লগে লগে দালাল, ফড়িয়া, ঠিগাদার, আমলা
ইউনেয়্য অবৈধ উপায়ে টেঙা কামেলাগ দ্বি হ্াদে।
পছিমাউনর ফেলেযিয়্যা কল কারখানা সরকারে
জাতীয় করণ গজ্য। সিয়ানিঅ পরিচালকউনে
লুটি পতি খেই ফেলে লাগ।
যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলার দুখ্যা মানুষষুনর সাহায্যল্লায়
পিত্তিমির নানা দেশত্তুন ত্রাণ সামগ্রী পাঠেয়্যন।
কোটি কোটি টেঙার মাল সামার সরকার দলর
মানুষষুনর পেদত। এই অনাচার দেইন্যায়
বঙ্গবন্ধু কঈ পিয়্যে- “সাত কোটি কম্বলত্তুন ম’কম্বলান কুদু”?
বাংলাদেশর এই অবস্থা দেঈ আমেরিকায় ঠাত্তা গরিকয়-
“বাংলাদেশান তলা নেই য়্যা লেই।”
বাংলাদেশ সংবিধানর এক্কান মূলনীতি- সমাজতন্ত্র।
যিদু ন’ থেবাগ ধনী গরীব, বেক্কুনর অৈ থেব সমান অধিকার।
দেশর ব্বেগ সম্পদ হ্ব’ জাতির, পরিচালিত হ্ব’ সরকারীভাবে।
খাদ্য, বাস্তু, শিক্ষা, চিকিৎসার অভয় আদর্শ, সমাজতন্ত্র দেশ।
ট.ঝ.ঝ.জ.জ. ইউনাইটেড সোভিয়েট সোসিয়ালিষ্ট রিপাবলিক অব রাশিয়া
উপনিবেশিক শোষণ নিপীড়িত মানুষষুনর সবনর দেশ।
এফ্রো এশিয়া ল্যাটিন আমেরিকার নিপীড়িত মানুষষুনর
বেক্কুনর চোখ সে সময় এল’ সোভিয়েট রাশিয়ান্দি।
ধনতন্ত্র আ সমাজতন্ত্রর বিশ্ব পরাশক্তি
আমেরিকা আ সোভিয়েট রাশিয়ার সেক্ষে দড়ি টানাটানি।
পাকিস্তানরে যুদ্ধত হ্দেইদি বাংলাদেশ স্বাধীন হ্নান
মানেই নি ন’ পারে পাকিস্তানে কন দিন।
বাংলাদেশরে অচল গরিবার পরিকল্পনা লৈ
নিয়োগ দিল তার গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইনটিলিমেন্স
আমেরিকার জনগণে মুক্তিযুদ্ধরে সমর্থন গরলে অ
আমেরিকা সরকার এল ঘোর বিরোধী।
তে পাকিস্তান’ বন্ধু।
বাংলাদেশরে পাঠেইদ্যা খাদ্যা জাহাজ ছানি আধা পধত্তুন
ফেরত লৈ যেয়্যে গৈ আমেরিকায়।
দুর্ভিক্ষ লগেই দিল বাংলাদেশত।
সি.আই.এ.অ এল বাংলাদেশর নাশকতা ভূমিকাত তৎপর।
বাংলাদেশর পত্তম নির্বাচিত সরকার’র
হিলট্রেকসল্লায় প্রীতি উপহার-তিনান কেন্টনম্যান্ট।
১৯৭৩ অক্টোবরত অর্ডার হ্ল’ ক্যান্টনম্যান্ট গরানা,
জাগা অথি গ্রহণ গল্ল দিঘিনালা, রূমা আলিকদম।
জুম্মজাতর দু:গ সুগর আগাম চাম্বা!
পশ্চিমাউনর ফেলে যিয়্যা কলকারখানা,
হিন্দু উনর ফেলে যিয়্যা স্বয় সম্পত্তি, পাকিস্তানে যিয়নি কদ’-
শত্রু সম্পত্তি, সিয়ানি ইক্ষে অর্পিত সম্পত্তি নাঙ দিন্যায়
রাজনৈতিক দলউন ব্যান গরিদি মাত্র ঐক্য রাজনৈতিক দল
সৃষ্টি গজ্যে “বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ।”
সে সমারে বন্ধ গরি দিল অনেকখানি সংবাদ প্রকাশনা।
বিরোধীউনে ইয়ানিরে একনায়কতন্ত্র বিলি আখ্যা দিয়্যন।
বাংলাদেশর উদিয়মান ধনীউনে সমাজতন্ত্র কামনা ন’গরন,
পাকিস্তান’ অনুগত একদাগি বাঙাল বাংলাদেশ কোচ ন’পান,
বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাউনে ষড়যন্ত্রর জালবুনদন এ দেশত।
প্রাণ নাশর সম্ভাবনার কধা বঙ্গবন্ধুরে জানেই দি
হুঁশিয়ারী দিয়্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা জ.অ.ড *
আত্মবিশ্বাসে ভরপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
ইয়ানিরে মোটেই গুরুত্ব ন’দিল’।
এক দলীয় বাকশলে শাসন কায়েম গরাল্লায়
ব্বেগ রাজনৈতিক দলর মানুষষুনরে বাকশলে সদস্য হ্বার
আহবান জানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
এম.এন.লার্মা পয়লান্দি বাকশলর সদস্য ন’ হ্লেয়্য।
শেষেন্দি অবস্থা বুঝি বাকশাল সদস্য অৈ যিয়ে গৈ।
হিলট্রেকসর তিনান মহকুমারে জেলার মর্যদাদি
তিনজন ডিষ্ট্রিক্ট গভর্নর নিয়োগ দিয়্যে-
মঙ রাজা খাগাড়াছড়ি, বোমাঙ রাজা বান্দরবান,
আ রাঙামাত্যার ডি.সি অয়্যে রাঙামাত্যার গভর্নর।
সে সমারে তিন জন জেলা সেক্রেটারী জুম্মত্তুন।
বঙ্গবন্ধু প্রখর ব্যক্তিত্ব ভিন্ন মতাবম্বী দলত্তুন
প্রতিবাদ ন’উদিলেঅ বিদেশী গোয়েন্দা খপ্পরত
পড়ি যিয়্যন একদাগি মুক্তিযুদ্ধর বিরোধী মানুষ।
একদল উচ্ছৃঙ্খল সেনা ভিড়েন্যায় পরিকল্পিতভাবে
স্ব পরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানরে
নৃশংস হত্যা গজ্যন ৭৫ অর ১৫ আগষ্ট পত্যামলদ।
(* জ.অ.ড. জবপবধৎপয ধহফ অহধষুংরং ডরহম)
কি অদ্ভুত এই বাঙাল জাত!
হ্াজার বছরর শ্রেষ্ঠ বাঙালী;
যে পিত্তিমি বুগদ আনি দিয়্যে এক্কান বাংলাদেশ,
কৃতজ্ঞতায় যারে নাঙ দ্যন বঙ্গবন্ধু-
সেই বাপরে, সেই বন্ধুরে কিঙুরি হ্াদ তুলিলাগ
এক্কানাঅ ক্যা তার বিবেকে ন’গল্ল দংশন!
শেখ মুজিব’ মৃত্যুর লগে লগে ঘটি গেল
রাজনীতির পট পরিবর্তন। সে বছরত সেপ্টেম্বরত
এম.এন.লার্মা গরি গেল’ আত্মগোপন।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৮)
পছাত্তর’র পনর আগষ্ট সেনা অভ্যুত্থান হ্ল’
স পরিবারে বঙ্গবন্ধুর পরাণ কাড়ি নিল’;
বাংলাদেশর রাজনীতির হল’ পরিবর্তন।
তা পরেন্দি পর পর আর’ দ্বি বার
সে বছর’র তিন আ সাতই নভেম্বর,
অৈ গেল’ অভ্যুত্থান আ পাল্টা অভ্যুত্থান।
ক্ষমতা দ এঈ গেল’ জিয়াউর রহমান,
বাংলাদেশত অৈ গেল’ সামরিক শাসন,
ঠিগ যেন আগর পাকিস্তান।
সংবিধান বদল গরি শুদ্ধ গরিল’
“বিসমিল্লাহির রহমান রহিম” সিয়দ ভরেই দিল,
মূলভিত্তি হ্ল’ ইক্ষে প্যান ইসলাম।
ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ বাদ পড়ি গেল
সে বদলে মুসলিম বাংলা মুজুঙে দেগাদিল,
জুম্মউনর দুগ্গান দিন দিন বাড়িল।
পাকিস্তানত্তুন ধরি বাংলাদেশ সঙ
জুম্ম বিরোধী চক্রান্ত নয় বেচকম
জিয়া সরকারেঅ চালু রাঘিল।
ষাটষট্টি জনর বিরাট দল লগে গরিনি ঢাকও যেইন্যায়
জিয়াউর রহমান দৈ দেগা গরিল স্বায়ত্ব শাসন চেঈন্যায়
চাঙমা শ্রী চারু বিকাশ;
নেগেটিভ কিচ্ছু ন’ কলেঅ জেনারেল জিয়াউর রহমান
হিলট্রেকসর সামরিক, আধা সামরিক, পুলিশ স্থাপনা বাড়েন্যায়
সরকার’র মনোভাব গাজ্য প্রকাশ।
বার’ আনত্তুন সাতাশশান থানা বাড়েই দিল,
জাগায় জাগায় আনসার আর বি.ডি.আর ক্যাম্প বানেল,
নৌ ঘাটি বসেল কাপ্টেইগোধাত।
সেনা বাহিনীর ব্রিগেড, জোন, সাব জোন, ক্যাম্প বানেই
গোটা হিলট্রেকসান দিল’ ভরেই
তা শাসন’ আমলত।
শেখ মুজিবর রহমানর হ্ত্যা অনার পর
রাজনীতির চাল বদলি গেল’ উপমআ দেশর,
ভারতর টনক লড়িল।
যে জ.স.সরে ফিরেই দিয়্যে দিল্লি সরকারে
জ.অ.ড. ইক্ষে ডাগি নেযায় সেই জ.স.সরে,
হাত্যার যাচি দিল’।
হাত্যার নয় বানা
সে সমারে আধুনিক যুদ্ধ বিদ্যা শিগানা
সুযোগ গরি দিল’।
শান্তি বাহিনীর লিডার এলাগ যিউন
গ্রুপ বাই গ্রুপ যেঈ দেরাদূন
ট্রেনিং নিন্যায় এল’।
তিয়াত্তরত্তুন ধরি পচাত্তর সঙ
হিলট্রেকসর নানা জাগাত শান্তি বাহিনী সংগঠন,
পরিপূন্ন হ্য়্যে।
ছিয়াত্তর সনত্তুন ধরি
বন্দুক’নল উদিল’ গুজুরি
শান্তি বাহিনী এ এ্যাক সনদ যিয়্যে।
থানা লুটি হ্াত্যার কাড়ি নিন্যায়,
কারেন্ট’ খাম্বা, পুল উড়েই দিনায়,
সরকার’রে ক্ষতি গরি দিদাগ।
থাউইয়া মানুষ, সরকার’র বড় আমলা,
নিদাগ ধরি গরি হামলা
মুক্তি পন আদায় গরিদাগ।
চিগন চাগন এ্যাক সনত্তুন ডাঙর এ্যাকসন,
সুবিধা পেলে গরি যেদাগ ক্যাম্প আক্রমণ,
শান্তি বাহিনী যোদ্ধাউনে।
খাব দি থেইন্যায় পধ’ পাঝারাদ গাছ’ আন্দলে থেই
টহল দিয়্যা আর্মিউনরে মারিদাগ ঝাবেই
সাহস বাড়ে দিনে দিনে।
সরকারেঅ ক্যাম্প বানে আর্মি আনে বাড়ায় লোকজন,
চলাচলর রাস্তাঘাট গরের উন্নয়ন,
বাস, ট্রাক, লরি চলে।
ছরা গাঙ নাল থুম গরি, মোন মুড় বন ফুড়ি ফুড়ি,
গোটা হিল ট্রেকস সার্ভে গরিলাগ ম্যাপ ধরি
সেনা বাহিনীয়ে দলে দলে।
অজানা অচেনা হিলট্রেকসর মোনমুড়’ টক্কর,
ব্বেগ জানা অৈ গেল গৈ আর্মি উনর ভিতর
জিয়াউর রহমান’ আমলদ।
যুদ্ধর ডর ভয় অভিজ্ঞতা লৈ দুর হ্্য়,
নিত্য নিত্য সাহস বাড়ি আত্ম বিশ্বাস এঈ যায়
শান্তি বাহিনীউনর মনদ।
বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেল হত্যা, অভ্যুত্থান পাল্টা অভ্যুত্থান,
হ্াজার মুক্তি যোদ্ধার রক্ত লৈ হ্াত রাঙেই জিয়াউর রহমান
ক্ষমতার মসনদ’ত এল’;
মআ মআ খুনি উনরে বাচেবাল্লায়
ইনডিমিনিটি আইন গরে বিচার ন’হ্বাল্লায়,
বিদেশত পুনর্বাসন দিল’।
সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান কূটবুদ্ধি গরি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন গরি,
ইলেকসন ঘোষণা গরিল।
রাজনীতি দল খুলি দিল জামাতে অ এঈ গেল’
নির্বাচনদ বি.এন.পি.রে জিতেই দি
নিজে প্রেসিডেন্ট হ্ল’।
মিলিটারী উর্দি ধারী সামরিক প্রশাসক জিয়াউর রহমান,
পত্তমত্তুন ধরি গত্ত চিয়ে হ্াত্যার লৈ সমাধান
দেগা গেল ভুল পরিনতি
ছিয়াত্তরত্তুন ধরি একাশি সঙ যুদ্ধে যুদ্ধে গেল
পত্ত মত্তুন ধরি একাশি জিয়াউর’ আমলান যুদ্ধেযুদ্ধে গেল’
শান্তি বাহিনী ন’দঙিল’ বরং তারা ঘুরি দাড়েল,’
দুঅ পক্ষর বিরাট ক্ষয়ক্ষতি।
ট্রেনিং পিয়্যা সরকার’র বড় বড় কর্মকর্তা মেজর র্যাক্ক সঙ,
হিলট্রেকসর যুদ্ধত এঈ ন্যায় তারার মরণ,
সরকার’র মস্ত ক্ষতি হ্য়্যে।
অমকদ’ যুদ্ধ কাবিল, সাহসী আলফা কোম্পানী দল
আটরক ছড়াযুদ্ধত তারা অৈ গেলাগ শরল
আর্মিউনর ডর লাগি যিয়্যে।
শান্তি বাহিনীউনর’ ক্ষতি বড় কম ন’হ্্য়,
তারাত্তুন’ অৈ যাদন যুদ্ধত লোকক্ষয়,
ধরা পত্তন সরকার’র হ্াদত।
ফিল্ড কম্যান্ডান জে.বি.লার্মা ধরা পড়িল,’
দগিনর বড় কর্মী চাবাই মগ তেঅ ধরা খেল,’
ভরেই দিলাগ জেলত।
হিলট্রেকসর সমস্যাআন অর্থনৈতিক ইয়ান মরে গরি
জিয়ায় “পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড” দিল গড়ি
উনিশ শ’ ছিয়াত্তর সনত।
হিলট্রেকসন নাঙ দিনায় উন্নয়ন বোর্ড যদিবা গড়া হ্্য়,
সে টেঙা লৈ জুম্ম মারা কামই বানা হ্্য়;
প্রমাণ হ্্য় সরকার’ কামত।
তার পরেন্দি জিয়াউরে ট্রাইভেল কনভেনসন গরিল’
শান্তি বাহিনী আনিবাল্লায় দ্বি হ্াদে টেঙা উড়েল’;
শান্তি বাহিনী ন’এঝন ফিরি।
আমা স্বাধীকার ন’পানা সঙ টেঙা লৈ আমি বেচা ন’যেবঙ
সরকার’ লেজুর ট্রাইভেল কনভেনসন, আমারে এত হীন মূল্যায়ন!
বন্দুক’নল উদিল’ গুজুরি।
ট্রাইভেল কনভেনসন ফেল মারিল, জিয়াউর’র ভাবনা বাড়িল,’
কি গরিব’ কি গরিব’ মাধাত হ্াদ দি চিন্তা গরিল,’
ইউরেকা, ইউরেকা!
মুই কি বোকা, এধগ দিন ক্যা এ বুদ্ধিয়ান ন’উদিল মনদ?
হিলট্রেকসত বাঙাল ভরেই বেচ গরিনায় আনা যায় দখলদ;
উজুবুদ্ধি ফকফকা।
যেই বুদ্ধি সেই কাজ মিটিং জাগিল উনিশ শ উনাশী সনদ,
আশি হাজার পরিবার ঠিগ গরিলাগ দিবাক ভরেই হিলট্রেকসত
সরকারে দিব পুনর্বাসন।
জমি পেব’পাচ একর, আর পেব’ টেঙা, সে সমারে ছ’ মাস সঙ খানা মাগানা,
রাধা রাত্যা বাঙালুন সারা দেশত্তুন, উদিশ গরি দিলাগ হাদানা
চাটিগাঙ’ হাজি ক্যাম্পত হ্ব’ সিলেকসন।
গোটা হিলট্রেকস ইন্দি উন্দি বাঙাল বসেই দিল’
হিল উন্নয়ন বোর্ড’ টেঙা বাঙালত্যায় ঢালিল’।
শান্তি বাহিনী এ ভুল গরন,
বাঙাল ন’ মারন, বেসামরিক মানুষ, আমাধক্যা দুগ্যা গরীবজন,
ইউন দোয় কন’ অসুবিধা হব ইয়ান মনে ন’ গরন।
বরং হ্াজি হ্াজি কন-
খাজা ভিদিরে সোমাদক্কি, চের কিত্যাদি যেক্ষে বানা পড়িবাগ
বোমা ইক্কুঅ ফাদে দিলে বেক্কুনে ধেই যেবাগ।
এধক তারার অবমূল্যায়ন!
পয়লান্দি যদি বাঙাল মারি, গাড়ি মারি, লঞ্চ ডুবেই দিদাগ,
এধক্যা গরি লাখলাখ বাঙাল এত্তে সাহস ন’ গরিদাগ।
ন’ হ্্দ’ এ পরিণাম,
সেটলারউন ন’ এ দাগ, জমাজমি ন’ হ্্ারেদাগ, জাগাত্তুন উদি ন’ পেদাগ,
আদাম পাড়া ন’ জ্বলিদ’, ধন দৌলত ন’ হরিদ’, দেশ ছাড়ি ন’ পেদাগ,
জুম্ম উনে এ বেদনা পুড়ি ন পেলেবাগ।
ট্রেনিং দিয়্যা সরকার’র আর্মি দলবল, গম হ্াত্যার লৈ
এধক চেষ্টা গরিনায়অ শান্তি বাহিনীরে দঙেই পাল্লঙ কৈ?
লাগ দীখল্যা যুদ্ধ চালেই, সরকার’র ক্ষতি গরেই, বল পড়ি যেইন্যায়,
চট্টগ্রাম ডিবিসন সেনাপ্রধান আবুল মঞ্জুর জিয়াউর’রে কয়,
হেস্তনেস্ত এক্কান হুগুম গর।
হয় মরে হুগুম দে যিঙুরি পারঙ শান্তি বাহিনী দঙাঙ,
নয় তারারে ডাগি আনি ক্ষমতা দিন্যায় গর সমাধান,
ইয়া ন’ বাড়া কধা নেই আর মর।
১৯৮০ সনত জিয়ায় “উপদ্রুত এলেকা বিল” সংসদ’দ পাশ গত্ত চায়,
বিরোধী দলর প্রবল বাধাত মানবতা বিরোধী বিল পাশ অৈ ন’ পায়।
হিলট্রেকসত জুম্ম দঙাল্লায়
অলিখিত হুগুম হ্্য়, আর্মি শাসনত হিলট্রেসান জুড়ি
উপদ্রুত এলেকা হিসেবে আর্মিউনে যেবাগ ঞৎবধঃসবহঃ গরি।
শালার জুম্ম কুন্দি যায়!
হায়, হায়, হিলট্রেকসত নেই সাংবাদিক, নেই কন’ সংবাদ মাধ্যম,
যিউন আঘন সিউন সরকার’র বশংবদ, সরকার’র কধাধগে লেগন।
হিলট্রেকসর খবর ক্যেঅ ন’ পায়।
সেনা সংখ্যা বাড়ায়, বাড়ায় দমন নীতি সে সমারে বাড়ে দেয় বাঙাল বসতি
চলের অত্যাচার, চেরকিত্যা জুম্মউনর বানা হাহাকার, নিত্যক্ষয় ক্ষতি।
শান্তি বাহিনী নাঙ দিনায়,
ধরি নেযায় হাজাত খানাত যায়, শাস্তি পায় ভীষণ,
খালাস পেলে সে মানুষস্য জনম ঠিগা পঙ্গু জীবন।
নিত্য ভয় কুন্দি স্পাই আঘন,
শান্তি বাহিনী ঘরবুঅ উনে নিত্য ভয় ভয় থান, আর্মিরে যদি দেগেদ্যন,
স্যেক্যুরিটি ইনফর্মার, আই.বি.আর পুলিশ অফিসার, নিত্য লবিয়ত পান,
মোটা অঙ্কর টেঙা মাগন।
জেবত টেঙা ভরেবাগ, হ্াজিহ্াজি কবাগ, পুঅবুরে এবার লিগিনেই আন,
জি.ও.সি.রে ধরিনেই নিজে তদ্বির গরিনেই, ধরি দ্যঙ চাকুরিআন।
গ্লসত ঢালি লব’
বদলত্তুন পানীয়আন শেষ গরিনায়, ধুম’ ছাড়িব’ ফাইভফিভটিফাইভ টানি,
শান্তি বাহিনী ঘরবুঅউনে সুয়্যে পিয়ন নিত্য এ পেরেশানি।
কে এনে গা বাচেব’।
খরচ গরিব’ টেঙা পয়সা, বদা পায়্যা হ্াসধগ, নিত্য টেঙা দেনা;
আর্মি হ্াদদ ন’ পরাল্লায় থানা পুলিশ, সেকুরিটি নিত্য পূজানা।
তুঅ ধরা পড়ি যান,
ধরা পড়ন আর্মিয়ে লৈ যান, শাস্তি দিনায় গাদদ ভরান দৈ,
ঘর দোর ভাঙি দি, ছত্রসান গরি জাগা জমি জব্দ গরন দৈ।
এক দাগিয়ে ঘর ছাড়ি পালান।
ঘরবুঅ সুদ্ধ ধেঈ যান, রেইদ আন্দারত, কন’ ঝার কন বন,
শুরু হ্ল’ দুগ ভরা ঘর হারা, পলেই থিয়্যা অজ্ঞাত জীবন।
ঘর দোর রল’ পড়ি।
ভাঙিচুরি আর্মিউনে, দিলাগ ভাগগরি, কিয়্যে নিলাগ কিয়্যে ন’ নিলাগ,
ভুই জমি জব্দ হ্ল’, গরু ছাগল নিই গেল’, আর্মি এ কাবি খেলাগ,
শত্রু সম্পত্তি মনে গরি।
আর্মিউনে টহল দ্যন, ইন্দি যান উন্দি যান, নিত্য ঘুরি বেড়ান,
তারা মনদ সন্দেহ হ্লে শান্তি বাহিনী নাঙ দিন্যায় ক্যাম্পত ধরি নেযান
শুরু হ্ব’ নির্যাতন।
ভরেই থন মাদি তলদ, আন্ধার হাজাদ ঘরদ, চোগ বার্নি দিন্যায়,
দিবাগ বাড়ি ঠগ ঠগ, দড় বাড়ি লৈ গাছত টাঙি থৈন্যায়।
ইলেকট্রিক’ শক দ্যন
সুচ ভরেই দ্যন নগেন্দি, গরম পানি নাগেন্দি, বুট জুতালৈ উড়ন,
মরিচ বাট্যা গুলি দ্যন, পানি মাগিলে মুদি দ্যন, অমানবিক নির্যাতন।
পত্তি ক্যাম্পে ক্যান্টনমেন্টে।
ধরি নিইনে জুম্মউনরে, এধক্যা গরি ইচ্ছামত নির্যাতন চালেয়্যন,
আইন বিচার কিছু নেই মাস বছর ধরিনেয় গাদ’ ভিদিরে বাঘেয়্যন।
নিরাপরাঘ অনেকজন
সুয়্যে ন’ পারি নির্যাতন, আর্মি হাদত মরি যিয়্যন, ফিরি আ ন’ এঝন,
মাস যায় বছর যায় ঘর বুঅউনে বাস্যেই থায়, কন’ খবর ন’ পাদন।
সরকার’র বাঙাল আনানা,
আরেক যন্ত্রণা, জুম্মউনর জনম ঠিগা খোলা মেলা সুগে থাক্যা জিঙকানি আন,
চেরকিত্যা বাঙাল বৈন্যায়, কাদা কাট্যা গরিনায়, এক্কুই বারে হ্ল’ ছত্রসান।
জাগা জমি কাড়ি লনা,
গরি প্রতারণা, আজু আমল’ জমিআন খাস বানে দি বাঙাল্যারে দিব’,
ফাষ্ট ক্লাস্যা ধান জমিয়ান, সার্ভেয়ারে মাপিনায়, মুড়’ উউরে তুলিব’।
কন’ জুম্ম যদি
সেটলার বিরোধী মামলা গত্ত যায়, ঢুলি ঢুলি থায়, ন’ দিবাক রায়,
টেঙা পয়সা হারা হ্ব,’ ফগির অৈ বল পড়িব,’ মামলা মিলেব গায়গায়।
বাশ কাবদন, গাছ কাবদন,
মানা গল্লে তেড়েই এত্তন, বাগান’ ফল খেই দেদন, জবর দখল চালাদন,
বাংলাদেশশান গোটা তারার, পাগানাধান ভুইত্তুন জোর গরিন্যায় কাবি নে যাদন।
অনাচার’র এই সময়,
খাগাড়াছড়ি জন সভায় ঐক্য জেনারেলে কয়, “তোমারে আমার দরকার নেই
তুমি যিদু যেদা সাদ মাধা ব্যাথা নেই, আমি বানা এ মাদিয়ান চেই।”
সরকার’র এ মনোভাব,
হ্্র প্রকাশ সেটলারউনর কামে করজে, কিঙুরি জমি দখল গরিবাক,
ছলে, বলে, কৌশলে কিঙুরি ভুইয়ানি তারা হ্াদত নি ফেলেবাগ।
জুম্মউনে ফাদত পড়ন,
টেঙা পয়সা ধার গরণ, সেটলার বাঙালত্তুন, কনচিন্তা ন’ গরি,
একবছর যায়, দ্বি বছর যায়, তিন বছর’ মাধাত জুম্ময়ার ঘরান বাঙাল্যা নিব কাড়ি।
কার সাজি বাঙালর,
কারবার কি ধরণর! মরা পুঅবুঅ ফেলে এব’ জুম্মোয়ার বাগানত,
খুন’ মামলা সাজেদি, মুরব্বি লগেনি, কেইস দিব’ গৈ থানাত।
জুম্মোয়ার আকাশ ভাঙি মাধাত পড়িব’,
কি গরিব’ কিগরিব’, বাঙাল্যার মুরব্বিউন ধরিব, বুদ্ধিশিগেই দিবাগ,
দারোগ্যারে টেঙা খাবেব’, বাঙাল্যারে দ্বি কানি ভুই দিব, কম্প্রোমাইজ গরিবাগ।
অমুসলিম জুম্মউনরে
মুসলিম করে, সওযার পেবাল্লায়, মোল্লাউনে তলে তলে নিত্য কাম চালায়,
ক্যিঅ জনে ভুলদ পড়ি, টেঙা পেবাল্লায়, দীনই ইসলাম কবুল গরি
মুসলিম অৈ যায়।
মিলা গোজেই দ্যন,
মিলা পাগলদ পড়ি যেইন্যায় সিবা লবাল্লায় মুসলমান হ্ন,
জুম্ম মিলা ফু সলান, বৌ নিদাগ চান, ভুলদ পড়ি মিলাউনে মুসলমান লন।
এ ধক্যাগরি জুম্মউনে মুসলমান হ্ন।
চলের আগ্রাসন, বাঙালুনে মানুষ আর ভুইয়া নিরে দখল গরি নেযাদন,
তুঅ ঈল ন’ হ্্র, যাদি মাদি দখলল্লায়, লামি গেল সেনা প্রশাসন।
কলম পত্তি ইউনিয়ন,
৮০ সনর ২৫ মার্চ হাটবার, কম্যান্ডারে ঢুল পিদিদিল, মানুষ এবাল্লায়
পুঅ পাড়া ক্যঙ ঘরত, বেক্কুনে মিলি ক্যঙ ঘর মেরামত গরাল্লায়।
খবর শুনি এঈ গেলাগ
ঝাগে ঝাগে, জুম্ম মানুষজন, ক্যঙ’ উদনদ থুবেলাগ,
কম্যান্ডারে হুগুম দিল, এল.এম. জি.নল গুজুরিল, বেক্কুন পড়ি গেলাগ।
কি হ্ল’ কি হ্ল’, আদামদ ভয় পড়িল’,
দেগাগেল দলে দলে সেটলার বাঙাল এঈ ঘর লুটদন, আগুন বাঝেই দেদন,
মানুষ পেলে কাবদন, মিলা পেলে ধরদন, আর্মি উনে বন্দুক ধরি আঘন।
কুন্দি যেবঙ, কুন্দি পালেবঙ,
দিশ কবুল হ্াবেন্যায়, মানুষ ধেই যাদন, বানা পরানান হ্াদদ গরি,
জাগা, জমি, ঘরবাড়ি, বিত্ত বেসাত ব্বেগ রল’ গৈ পড়ি।
জ্বলি পুড়ি ছেই অৈ গেল’,
ভস গেল কুড়ি আদাম’ ঘর, ঠাগুর মাজ্যন, লুটি নয়আন ক্যঙ,
দ্বিশ’ চৌদ্দ মরিযিয়্যন, কতজন রুগ্য অৈয়্যন, কত মিলায় ইজ্জত হ্ারেয়্যন।
গণহত্যার খবর ছড়ি গেল,
প্রতিবাদ উদিল বিরোধী দলত্তুন, উপেন্দ্র লাল চাঙমা আ রাশেদ খান মেনন
হিলট্রেকস এঈ ঘুরি ঘারি চেঈ গেলাগ কলমপতি ইউনিয়ন।
বর্বরতার একশেষ,
মুসলিম লীগর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এ গণহত্যারে
পাকিস্তানর সে তারিখর বাঙাল হত্যা তুলনা গরি, তীব্র নিন্দা গরে।
“হিটলারী নির্যাতন,
ইহুদী নিধন, তাত্তুন অধিক কলঙ্ক কাম জিয়া সরকারে গরে।”
বিবেক বলা বাঙালুনঅ মন চিত্ত কানি প্রতিবাদ গরে।
সরকার’রে কয়,
আর নয় জুম্ম নির্যাতন, বন্ধগরি সেনা শাসন, বাঙাল নিবাসন,
হিলট্রেকসরে স্বশাসন দি, ফিরেই দ্য জুম্মউনর স্বাভাবিক জীবন।
এই দাবী তুলি ধরে।
কিন্তু হায়, সরকারে ন’ শুনিল কধা, সারা জেলা যুড়ি বাড়ায় নির্যাতন,
ঘরভাঙি দ্যন মেরুং মৌজাত আর্মি সেটলারে, পরান লৈ মানুষ ধেঈ যাদন।
একাশির ছাব্বিশে জুন,
শতাশতি জুম্ম হ্্য় খুন, মাটিরাঙা বেলছড়ি, গেল পুড়ি বনরাই বাড়ি,
তিনদিন সঙ জুম্ম মারি বাঙাল’ উৎসব, পরান লৈ জুম্মউনে ভারত দিলাগ পাড়ি
সে বছরর আরঅ সেপ্টেম্বর,
আর্মি বাঙাল মিলি দাঙ্গা শুরু গরি দিলাগ ফেনীকুল জুড়ি
লুটিলাগ, ঘরত আগুণ দিলাগ, পরান ন্যন কাড়ি, বাচিবাল্লায় যানা দেশ ছাড়ি।
শরনার্থী নাঙ লিগিনায়,
শিবিরত আশ্রয় পায়, কাদাকাদ্যা ঘিঞ্জি শিবির, হ্াজার মানুষ থান,
অসুখ বিসুখ নিত্য থায়, আমাশা, ম্যালেরিয়া, কলেরা, মানুষ মরি যান।
গাভুর, বুড়’, গুর’,
নিত্য মরণ, হ্াবায় ন’ মিলে, খেঙেদা হ্্য়্যন, অপুষ্টিত ভুগদন,
ফেলে এস্যা ঘর দোর, বিত্ত বেসাত, জাগাজমি, নিত্য মনদ তুলন।
ভারতে অনুরোধ গরে-
বাংলাদেশ সরকার’রে ত’ মানুষষুন নে যা গৈ ফিরেই,
বাংলাদেশ সরকারে কয়, কৈ, ম’ মানুষ দ’ শরনার্থীত নেই।
এ ভি দিরে ভারত সরকারে,
প্রচার গরে বাংলাদেশর নির্যাতন আ গণহত্যার কধা,
নানা দেশর সাংবাদিক এঈ দেঈ গেলাগ জুম্মউনর শিবির’ দুর্দশা।
বিশ্ব বিবেক জাগি গেল’,
বাংলাদেশর চাপ পড়িল, বাংলাদেশ সরকারে বাধ্য অৈ পেল’
কুড়ি হাজার জুম্ম শরনার্থী ভারতত্তুন ফেরত আনিল’।
শরনার্থী দেশত ফিরি এলাগ,
ন’ পেলাগ আর ঘর দোর, ফিরি ন’ পেলাগ ভুই, নেই পুনর্বাসন,
হাজার হাজার জুম্ম গিরি, নিজ দেশত বেরাজ্যা অৈ, ঘুরি বেড়াদন।
জিয়াউর রহমান,
গড়ি সেনা অভ্যুত্থান, রক্ত লৈ হাদ রাঙেই গাদি বুর পাড়ি, পেই যিয়্যে ক্ষমতান।
উনিশ’ শ একাশিত চাটিগাঙ এঈ তে অ হ্ারেই গেল তা পরানান।
হ্ল’ সেনা অভ্যুত্থান,
চাটিগাঙ’ সেনা প্রধান জেনারেল মঞ্জুর জিয়াউর’রে মারিল’
কি চক্রান্ত সেনা কার সাজি, তার পরেন্দি মঞ্জুর’রে অ বাচেই ন’ রাগেল’।
জিয়াউর’র আমলান,
হিল চাটিগাঙ সেনা প্রয়োজনে পধ ঘাটর অৈয়্যে উন্নয়ন,
ন’ পধর গুরুত্ব কমি গেল। গাড়ি লৈ মালপত্র আনান নিয়্যন।
জুম্ম ডঙানাল্লায়
সেনা ক্যাম্প, ক্যান্টনমেন্ট বাড়ায়, ব্রিগেড বানায়, সেনা ডিবিসন বানায়,
‘উপদ্রুত এলেকাবিল’ পাশ ন’ হ্লেয়্য হিলট্রেকসত চালায়।
জুম্ম জাত’ জধা ভাঙানাল্লায়
বান্দরবান নুঅ জেলা বানেই একাশি সনত হিলট্রেকস ভাগ গরি দিয়্যে,
তিবিরা, মারমা, তঞ্চঙ্যা উনরে আলাদা থেবার কান মন্ত্র দিয়্যে।
***********************************
পচাত্তর’র অক্টোবর এম.এন লার্মা আন্ডার গ্রাউন্ড যায়
সে কারণে জে.এস.এস.অর অফিস বন্ধ হয়।
হিল ষ্টুডেন্ট এসোসিয়েশন’ নেতা যিউন এলাগ
জে.এস.এস.’ লগে লগে তারাঅ ভিদিরে সোমেলাগ।
হিল ষ্টুডেন্ট এসোসিয়েশন বন্ধ অৈ যায়,
হিলট্রেকসত বাজনীতি দল আ ন’ থায়।
জিয়াউরে বি.এন.পি. বানেই নির্বাচন গরিল’,
সেক্ষে ইদু “ট্রাইভাল পিপলস পার্টি” নাঙে পার্টি এক্কুঅ জন্মিল’।
এ পার্টি এ বড় বেশী সুবিধা গরি ন’ পারে
জ.স.দ টিকিট লৈ উপেন্দ্র লাল চাঙমা জয় গরে।
পয়লান্দি বিনীর্ত্য রায় হিলট্রেকসর উপদেষ্টা এল,’
তার পরেন্দি সুবিমল দেবানরে উপদেষ্টা বানেল।
উপদেষ্টা বানেলে কি হ্ব’, তারা পরামর্শ ন’ ধরণ,
সুবিমল দেবান’ মুঞ্জুঙেন্দি লাখ বাঙাল ভরেয়্যন।
পাকিস্তান শেষ ভাগেন্দি বনভান্তে তিন টিলা গেল’,
বিশাখা নিয়মে কঠিন চীবর দান পত্তম সিধু দেগেল’।
চব্বিশ ঘন্টায় সুতাকাটি চীবর বানেই কঠিন চীবর দান
হ্াজার হ্াজার মানস্যে দেঈন্যায় আহ্মক অৈ যান।
এই মআ দান কর্ম ঠিগ ভাবে সিরেন্যায়,
চাঙমা উন যে শাক্য বৌদ্ধ প্রমাণ অৈ যায়।
তিন টিল্যা কঠিন চীবর দান দেগিনায়,
রাঙামাত্যা জুম্মউনত্তুন মনে কর ভান্তেরে নিন্যায়
তারায়্য সে ধক্যা গরি পূণ্যকর্ম গরিবাগ;
ভান্তেরে ফাঙ গরি তারা রাঙামাত্যাত নিলাগ।
রাঙামাত্যা জেলা সদর লাখ মানুষ থুবেয়্যন,
মআ ধুম ধাম গরি কঠিন চীবর দান দ্যন।
ভান্তেরে উদিস গরি রানী আরতি জাগা দান গরিল’,
থায়ী গরি সিধু থেবার বেক্কুনে ফাঙ গরিল’।
বনভান্তের প্রিয় শিষ্য নন্দপাল নাঙ
রাজ বন বিহার নির্মানত গজ্যে তত্বাবধান।
মআ সমারোহে রাঙামাত্যাত আনি লাগ ভান্তেরে,
সিত্তুন ধরি বনভান্তে রাঙামাত্যা অবস্থান গরে।
রাঙামাত্যা রাজবন বিহার গড়ি উদিল
দেশ বিদেশর বৌদ্ধউনর পূণ্যতীর্থ অৈ গেল।
“পার্বত্য চট্টল বৌদ্ধঅনাথ আশ্রম” বোয়ালখালতি হ্য়্যে
“মোনঘর” তার শাখা রাঙামাত্যাত বাড়িয়্যে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা যেক্ষে ভাঙি গেল’
“বোয়ালখালী অনাথ আশ্রম” নুঅ নাঙ নিল।
ভদন্ত জ্ঞানশ্রীথের চাটিগাঙ চলি যানার পর
এ দ্বিয়ান আশ্রম’ ভার পল্ল তার শিয্যউন’ উপর।
বিমল তিস্স, প্রজ্ঞানন্দ, শ্রদ্ধালঙ্কার আর
জিন পাল, প্রিয়তিস্স প্রধান শিষ্য তার।
মোনধর আশ্রম আ বোয়ালখালী অনাথ আশ্রম
দ্বুয়ানত গজ্যন তারা হাইস্কুল স্থাপন।
এ দ্বিয়ান আশ্রমত থেই শতাশতি পুঅ,
বিদ্যা শিগি গত্তন তারা জীবন’ পধ ধুঅ।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(৯)
জিয়াউর’র হত্যাকান্ড, সেনা অভ্যুত্থান, মঞ্জুর নিধন,
বাংলাদেশ নাট্য মঞ্চর অৈ গেল’ পট পরিবর্তন।
হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ বাংলাদেশ সেনা প্রধান,
সারা দেশত জারী গল্ল সামরিক শাসন।
এরশাদে অ জিয়াউর’রে অনুসরণ গরি,
সাত্তার’ত্তুন রাষ্ট্রপতি পদত্তান নিল কাড়ি।
রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি গঠন গরিন্যায়,
নির্বাচন দি, জিতি যেইন্যায় প্রেসিডেন্ট হ্্য়।
এরশাদেঅ সংবিধান সংশোধন গরে জিয়াউর’ ধগ গরি,
“রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম” সংবিধানত দিয়্যে ভরি।
ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ বাদ পড়ি গেল’,
সে বদলে মুসলিম বাংলা আমাইদু এল’।
দুর্নীতি আ গণ বিরোধী নানাি কাম গরি,
স্বৈর শাসক এ বদনাম দ্যন তারে জুরি।
জিয়াউর’ শাসন আমল উনিশ শ’ একাশি সঙ,
শান্তি বাহিনী এ যুদ্ধ গল্লেঅ কাচা বাঙাল ন’ মারণ।
বে সামরিক মানুষ ইউন, আমাধক্যা দুগ্যা, বুঝেলে যেবাক্কোয়,
এ বিশ্বাসে, তারারে বাঝেই দিলেঅ বাঙাল ন’ মারন্দোয়।
আন্তর্জাতিক সর্বহারা দর্শনর মতবাদ ধরি,
মনে গত্তাগ তারা, যুদ্ধ চালেই যাদন, শ্রেণী সংগ্রাম গরি।
কলম পতি ঘটনানদ যেক্ষে দেলাগ সেটলারউনর আগ্রাসী প্রকৃতি,
সেক্ষে তেঈ বুঝি পাল্লাগ, সরকার’র বাঙাল আনানা, আসল কেরামতি।
এ ভিদিরে সরকার হিলট্রেকসর বাঙাল আনানা,
পরিপূন্ন গরি যিয়্যে যিদ্দুর এল’ তার পরিকল্পনা।
জন সংহতি সমিতি (জে.এস.এস) হিলট্রেকসর রাজনৈতিক দল
শান্তি বাহিনী তার এক্য সামরিক অঙ্গ সংগঠন।
আমি কিন্তু সাধারণ শান্তি বাহিনীর কাজকর্ম দেঈ,
শান্তি বাহিনী শব্দবুঅ লৈ জে.এস.এসরে গুলি ফেলেই।
জে.এস.এসর মতাদর্শ যদিও বা বামঘেসা হ্্য়,
ডেন পন্থী কিছু কর্মীঅ পার্টি ভিদিরে রয়।
যুদ্ধনীতি কধাআন আলোচনা গত্ত যেই
দ্বি দাগির দ্বি বাউত্যা কধা উদিল’ ফুদেই।
বাম ঘেসা কর্মীউনে বাঙাল ন’ মারণ,
ভয় তারার হারেই যেবাগ সর্বহারা সমর্থন।
ডেন পন্থিকর্মী উনে হামাক্কায় বাঙাল মারণ
তা ন’ হ্লে আমাত্তুন তারা জমি কাড়ি নেযাদন।
ঠিগ এ সময় সরকারে জে.বি.লার্মারে ছাড়ি দিল’,
ফিরি এঈন্যায় তা দায়িত্ব হ্াদত ফিরেই নিল’।
এ কামান ডেনপন্থীউনে সমর্থন ন’ গরণ,
সরকার’ হ্াদত্তুন এস্যা মানুষ, তারে বিশ্বাস ন’ গরণ।
বিরাশি সনত পার্টি কংগ্রেসত মতাদশ আ রণনীতি লৈ,
তর্কর ঝড় উদি গেল’, যুক্তির উপর যুক্তি দিল, লাগিল হৈ চৈ।
বুঝা গেল যুক্তি তর্ক লৈ, জে.এস.এস. রাজনৈতিক দল, দ্বি ভাগ অৈ যিয়ন্দৈ।
এক দাগি বাম আদর্শ মার্কস বাদি দল, আরেগ দাগি ডেন পন্থী জাতিয়তা বাদলৈ।
আদর্শর দ্বন্দ লৈ কংগ্রেস’ সভাদ কর্মসূচী গ্রহণ ন’ হ্ল’,
সর্ব সম্মত কন’ সিদ্ধান্ত লবার সুযোগ’ ন’ থেল’।
মার্কসবাদী দলত আঘন পার্টি চেয়ারম্যান এম.এন.লার্মা তা সমারে,
জে.বি.লার্মা, কালী মাধব, সুধাসিন্দু খীসা, রূপায়ন দেবান, উষাতন তালুকদারে।
তারামতে লাগ দীঘলি যুদ্ধ গরি, শ্রেণী শত্রু খতম গরি, পানা আত্ম নিয়ন্ত্রণ
লাগ দীঘল যুদ্ধল্লায়, লাম্বা নাঙ পায়, লার্মা বালাম্বা দল কন।
জাতীয়তাবাদী দলত এলাগ ভবতোষ দেবান, প্রীতিকুমার চাঙমা,
যতীন্দ্র লাল, দেবজ্যোতি, ত্রিভঙ্গিল, সনদ কুমার চাঙমা।
তারার মতে হিলট্রেকসর যুদ্ধআন সর্বহারা যুদ্ধনয়, লাম্বা যুদ্ধর দরকার নেই,
ইয়ান বাঙাল জুম্ম যুদ্ধ, আলোচনাগরি অধিকার পেলে, যুদ্ধ থুম গরি যেই।
যাদি মাদি কম সময়ে যুদ্ধ শেষ গরনাল্লায়
এ তারারে বাদি গ্রুপ নাঙ দ্যা হয়।
মতাদর্শর কারণে জন সংহতি সমিতি ভাগ অৈ গেল’
শান্তি বাহিনীউন’ সে সমারে দ্বি ভাগ অৈ পড়িল’।
তিন, পাচ, ছয় নম্বর সেক্টর লাম্বা গ্রুপত যায়,
এক, দুই, চের নম্বর সেক্টর বাধি ইন্দি যায়।
যদিবা তারা পরস্পর বিরোধিতা ন’ গরিবাগ কয়্যন,
কয়েকদিন যাদে ন’ যাদে তারা যুদ্ধত জুরি যিয়্যন।
তিরাশি জুন চৌদ্দ তারিখ বিশেষ সেক্টর হেড্্ কোয়ার্টার
বাঝি গেল গুড়ঙ পারাঙ লাম্বা বাদি দ্বি দলর।
এ পরেন্দি কয়েকবার অনাক্রমন চুক্তি দ্বি দল’ ভিতর
অৈ থেলেয়্য অবিশ্বাস রৈ যিয়্যে গৈ পরস্পর’ উপর।
জে.এস.এস.অর এই দ্বন্দ জ.অ.ড. এ জানি গেল’,
এম.এন.লার্মা কম্যুউনিষ্ট! ইয়ান জানি উউরি উদিল’।
গণতান্ত্রিক ভারতর যত মতবাদ খোলা হ্লেয়্য,
‘সাম্যবাদ’ শব্দবুঅ ভারতর বুর্জোয়া উনে দেঈ ন’ পারন ক্যেঅ।
পার্টি ভাগ হ্নার পিছনে জ.অ.ড. হ্াদ এল’,
সে কারণে ভেইয়্যে ভেইয়্যে যুদ্ধ বাজি গেল’।
আত্মঘাতী গৃহ যুদ্ধ যদক দিন চল্যে,
লাঘত পেলে গুড়ুঙ গাড়াঙ লাম্বায় বাধিয়্যে।
নিয়মিত হ্ল’ যুদ্ধ দ্বি দল’ ভিদর,
এ সুযোগে সরকারেয়্য হ্ল’ তৎপর।
লাম্বা বাধি যুদ্ধ গত্তন দ্বি দলে মিলিন্যায়,
সরকার’ আর্মিউনেঅ মারদন তারারে ঝাবেন্যায়।
ধেঈ যেবাক্কোয় দুনোদলে অৈন্যায় কোনঠাসা,
আর্মিউনে হ্াজি উদিবাগ, খেলান বড় মজা!
তিরাশি সনর দশ নভেম্বর রেই্্দ, চুর গরি যেই,
বাধি গ্রুপ’ এলিন’ দল মার লাগ গৈ ঝাবেই
লাম্বা গ্রুপ’ হেড্্ কোয়ার্টার, বাগ মারা যা নাঙ,
এম. এন. লার্মা, তা সমারে আট্য জন দিলাগ পরান।
জুম্ম জাতর শ্রেষ্ঠ নেতা, জন সংহতি সমিতির চেয়ারম্যন,
মানবেন্দ্র নারায়ণ লার্মার অকালে পরান হারানান
আমা জাতর কি যে অপুরণীয় ক্ষতি গরিলাগ,
সে কধাআন এক্কেনাঅ কিয়্যা তারা ভাবি ন’ দেগিলাগ?
এ ধক্যা গরি দ্বি দাগিয়ে যে যিঙুরি পারে,
অন্য দল’ মানুষষুনর পরান কাড়ি ন্যানি গরে।
ভেইঅ ভেইঅ ঘর’ যুদ্ধত দোল পার্টি কর্মি, কীর যোদ্ধা সেনাউন,
অকালে পরান দি গেলাগ গৈ আমা প্রিয় আপন জনউন।
রামবাবু, বলি ওস্তাদ, রুনু, শরজিত, দেবেন, ত্রিদিব,
আর’ কতশত কর্মী, সে সমারে কত সমর্থক।
চের নম্বর সেক্টরবুঅ এল’ দূরত, হিলট্রেকসর দগিন’ মাধাত,
বাধি দলত হলেয়্য তারা ন’ লাগন কন’ কামদ।
ট্রেনিং কোর্স শেষ গরিন্যায় স্পেশাল ফোর্স’ সেনাউনে
লাম্বা দলদ যোগ দ্যন দৈ তারা বেক্কুনে।
লাম্বা দল’ সেনাশক্তি যদপদে বাড়িল’,
ভূষণ ছড়া দখল গরি দগিন’ পত্তান নাদি দিল’।
বন্ধু বেশে লাম্বা কর্মী দেবেন’ ইদুযেই
দেবেন আ পূর্ণ বাবুরে ফেলেলাগ মারেই।
স্পেশাল ফোর্স’ কম্যান্ডো গ্রুপ জোর তৎপরতা চালেল’,
বাধি গ্রুপ সেনাউনে কোনঠাসা অৈ পড়িল’।
চেরনম্বর সেক্টরত সেনা আ হ্াত্যার বেচ এল’
বাধি দলত যোগ দিবাল্লায় তারা রওনা হল’।
বরকল’ পত্তান বন্ধ অনায় ভারতন্দি পার হ্লাগ,
ভারতর বি.এস.এফএ তারার হ্াত্যার কাড়ি নিলাগ।
ভারতর গোয়েন্দা সংস্থা জ.অ.ড.র কেরামতি
বাধিদলে পড়ি গেলাগ ভীষন দুর্গতি।
এরশাদ সরকারে পত্তমত্তুন ধরি দফায় দফায় ক্ষমা ঘোষণা দের,
মাঝে মাঝে দু একজন শান্তি বাহিনী সারেন্ডার গরের।
গৃহ যুদ্ধ বাঝিল, মানুষষুনর মন ভাঙিল, নিরাপত্তা হীন অসহায় অৈ পড়ি লাগ,
ইন্দিঅ যেইন’পারে, উন্দিঅ যেইন’পারে, প্রতিবাদে তারা সারেন্ডার গরিলাগ।
এ সময়ত সরকার’র ভারী সুবিধা হ্য়্যে,
হাজার দুয়েক মানুষ সেক্ষে সারেন্ডার গরিয়্যে।
প্রীতি গ্রুপ’ ভাইস চেয়ারম্যান যতীন্দ্রলাল ত্রিপুরা,
মনর দুগে সে সময়ে সরকার’ই দু দেয় ধরা।
মিলিটারী একাডেমীর মআ পরিচালক বাবু যামিনী রঞ্জন,
অতিমানে প্রতিবাদ গরি সরকাররে করে আত্ম সমর্পন।
বাধি দলে হ্দি যাদন, মন ভাঙি যার, অসহায় অৈ পল্লাগ,
জুম্ম নেতা কুদুগগুনে সাহায্যর হ্াদ বাড়েই দিলাগ।
সরকার লৈ আলোচনা গরি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকত
দশশান বিষয়ে তারা অৈ গেলাগ গৈ একমত।
সরকার, বুদ্ধিজীবি, শান্তিবাহিনী (বাধি), ত্রিপক্ষীয় ঐক্য চুক্তি হ্ল;
হাদ মিলেই বেক্কুনে একাত্মতা ঘোষণা গরিল’।
পঁচাশি সনর উনিশ এপ্রিল, শান্তিবাহিনী বাধি যিউন এলাগ,
৫৫ জন অফিসার, ২৩৩ সদস্য সরকার’রে হ্াত্যার গোঝেই দিলাগ।
বাধিউনর উউরে জনগণর এল’ বেচ সমর্থন,
লাগদীঘল্যা লাম্বা যুদ্ধ তারা পছন্দ ন’ গরন।
সার্কসীয় সর্বহারা দর্শনর তত্ব মতবাদ,
সাধারন জুম্মউনে ন’ রাঘান সে সংবাদ।
বাধিদলর চেরনম্বর’র বড় হ্এ্যাার দলউন,
ফারগ এলাগ ভালদ্দুর মূল জাগাত্তুন।
কৌশল গরি দেবেন’রে মারি ফেলিন্যায়
বাধি দলর ডেন হাত্তান এক্কেরে ভাঙি যায়।
বাধি দলর বড় নেতাউন ফিল্ড’দ ন’ এঝন,
দূরত থেইন্যায় শহরত্তুন তারা বানা হুগুম দ্যন।
জঅড র’ উদ্দেশ্য এল’ নেতা লার্মারে মারানা,
তা কামান শেষ গরিন্যায় দিয়্যে তে পিছটানা।
সিত্তুন অধিক চের নম্বর জোয়ানু নত্তুন হাত্যার কাড়ি নিনায়
এক্কুই কুবে বাধি উনরে মাদিত গজ্যেই ফেলায়।
অন্য কিত্যান্দি লাম্বাউনে বেগে ফিল্ডদ রৈয়্যন,
বেক্কুনে তারা হাদে কোদালে কাম গরি যিয়্যন।
পলিটিক্যাল ক্যাডার তারাত্তুন বেচ এলাগ,
রণনীতি রন কৌশল তারা বেচ জানিদাগ।
স্পেশাল ফোর্স অ কাম্যন্ডো গ্রুপ তারান্দি যোগ দিনায়,
লাম্বাদলর সামরিক শক্তি বেজ বাড়ি যায়।
চের নম্বর’ হাত্্যার গ্রুপ যদি এঈ পরিদ’,
লাম্বা বাধির দৃহযুদ্ধ আর’ চলি যেদ’।
ভারত’ গোয়েন্দা সংস্থা জঅড র কূটজালত পড়ি,
জুম্ম জাতর হাজার হাজার মানুষ গেলাগ মরি।
জুম্ম জাতর এ ট্রেজেডি ভুলিবার নয়,
বেদনার এই স্মৃতি ঘরে ঘরে রয়।
মানবেন্দ্র নারায়ন লার্মা মরি যানার পর,
তা ভেই জে.বি. লার্মা নেতৃত্ব দেয় লার্মা দলর।
গৃহযুদ্ধ শেষ হবার পর উনিশ শ’ পচা শি সন
জন সংহতি সমিতিরে গরা হল’ ঢালিন্যায় গঠন।
তার পরেদি শান্তি বাহিনী তৎপরতা বাড়েল’,
সরকারী আর্মিউনে অ পাল্টা হামলা চালেল’।
শান্তি বাহিনী আ আর্মিয়ে হামলা পাল্টা হামালা চালেল’
ইন্দি সে এলেকা মানুষষুনর নাভিশ্বাম উদিল’।
কলমপতি, বেলছড়ি, মাটিরাঙ্গা ঘটনার পর,
জে.এস.এস.এ বাধ্য হ্্ল’ রননীতি পাল্টানর।
সেটলার বাঙালুনে যদি জুম্ম মারি পারন
কিদ্যায় আমি তারারে পরানে বাচে বঙ?
জে.এস.এস.অ গঠন হইতে তিরাশি সন সঙ,
শান্তি বাহিনীয়ে কনদিন কাচা বাঙাল ন’মারন।
আর্মিউন’ সহযোগী সেটলার বাঙালুনরে,
তিরাশি সনর নবেম্বরত পয়লা ফায়ার গরে।
সেটলার বাঙাল মারা পল্লে আর্মিউনে জু পান,
সেটলার উনরে হ্াদত গরি দাঙ্গা চালেই যান।
ঝাগে ঝাগে সেটলার উনে দেই তাগল ধরি,
“নারায়ে তকবীর আল্লাহু আকবর” জগার পারি
ঝাবেই পড়িবাগ জুম্ম আদামত, আর্মিয়ে ফায়ার গরিবাগ,
আদাম্যাউনে পরান ডরে চিরিত ভিরিত ধেই যেবাগ।
যিউন থেবাগ ধরাপরিবাগ, কাবা খেবাগ, উজ্জত হারেবাগ,
স্বয় সম্পত্তি লুটপাট গরি, ঘরানি আগুন দিবাগ।
নিয়্যা নাদংসা বাঙাল যিগুন এ জেলাত এস্যান,
এধক্যা গরি লুটপাট গরি থাউইয়া অৈ যিয়্যন।
এরশাদেঅ মিলিটারি গঙ,
জিয়াউরত্তুন কন’ কিত্যান্দি নয় বেচ কম।
বরং তা আমলদ আরঅ বাড়িয়্যে নির্যাতন,
উপদ্রুত এলেকা ধক্যা সেনা প্রশাসন।
পাঁচ লাখ বাঙাল ভরানা জিয়াউর’ প্ল্যান
তা সময়ত ফুলফিল গজ্যে সেন্ট পার্মেন্ট।
বাঙাল আনি পরি কল্পিত ভাবে পাহাড়ি বিরুদ্ধে লাগেদি
সরকারেই নষ্ট গরি দিয়্যে পাহাড়ি বাঙালী সম্প্রীতি।
বাঙাল’ আগ্রাসী নীতি জানি থেলেঅ
জে.এস.এস.এ বাঙাল’ উনরে হাদ্্ ন’ তুলিদ’।
সেটলার বাঙালে যেক্ষে জুম্মরে কাবিলাগ,
বাঙালুনে জুম্ম ইদু শত্তুর অৈ গেলাগ।
উনিশ শ’ চুরাশী সন বরকলত ভূষনছড়া, ছোট হরিনা
সেটলারে ধান কাবি নেযাদন, ভুইত্তুন জোর গরিনা।
খবর পেই শান্তি বাহিনী এঈ বাঙাল ফেলেলাগ দ্বিবা তিন্ন,
উদি গেল’ গজব সিধু ন’পুরদে সে দিন্ন।
সেটলার এলাগ ঝাকে ঝাকে আর্মি বি.ডি.আর সমারে,
আদাম ঝাবেই মারি লুটি, জ্বালেই দি যাদন এক নাগারে।
আদে পাশে যে আদাম এল’ বেক্কানি দিলাগ পুড়ি,
বাঙালত্তুন কাবা খেই ন্যায় সত্তুর জন গেলাগ মরি।
রুগ্যা অৈয়্যন অনেকজন উজ্জত হারেয়্যন.
হাজার পাঁচেক মানুষ সেক্ষে মিজোরাম পার অৈয়্যন।
মিজোরাম সরকারে তারারে ন’ রাখায়,
মাস খানেক পরে তারারে জোর গরি পাঠায়।
দেশত এঈন্যায় তারার দুর্গতি দেগেবার নয়,
ঘর নেই, খেবার নেই জীবন যন্ত্রনাময়।
ডিভাইড এন্ড রুল- ইয়ান শাসক দলর’ নীতি,
জুম্মউনর য্যেন ন’থায় তারার ইউনিটি।
হিলট্রেকস ভাঙিনায় জিয়াউরে বান্দরবান জেলা বানেয়্যে,
এরশাদেঅ খাগড়াছড়ি নুঅ জেলা গড়িয়্যে (১৯৮৩)।
হিলট্রেকসর জুম্মউনর ইউনিটি ভাঙাল্লায়
পত্তি জুম্ম জাতি উনরে আলাদা সংসদ বানে দেয়।
এ ধক্যা গরি জুম্ম উনরে ভেদ বুদ্ধি শিগে দিয়্যে,
বান্দর বান ‘চাঙমা উনরে মুরুঙ’ কাবা খাবেয়্যে।
অল্প সংখ্যক চাঙমা যিউন বান্দর বান এলাগ
অট্টাশি সনত মুরুঙউনে চাঙমা আক্রমণ গল্লাগ।
শওানধিগ চাঙমা মল্লাগ, উগুন ধেই গেলাগ,
দগিনন্দি বার্মাত, কিয়্যে উত্তুরেন্দি ফিরিলাগ।
তঞ্চঙ্যাউনে আগেন্দি চাঙমা খলেদাগ
এবারে তারা আলাদা জাত পরিচয় দ্যা ধরিলাগ।
এরশাদ ‘পলিসি হল’ জুম্মউন ধাবেই দেনা,
জ্বালাও পোড়াও দাঙ্গা বাঝেই দি উৎখাত গরানা।
তা আমলত জুম্মউনে ভারিদুগ পিয়্যন
ঘর দোর পুড়ি যেইন্যায় ধন সম্পত্তি হারেয়্যন।
শতা শতি মানুষ মজ্যন জাগায় জাগায়,
শেষ পর্যন্ত পরান লৈ জুম্মউনে ভারত ধেঈ যায়।
শান্তিবাহিনী হ্াদত যদি আর্মি কিম্বা বাঙাল মরি যায়
সাধারন জুম্ম উউরে তারা কেনা উউরায়।
ঝাক ঠিগা সেটলারউনে আদাম ঝাবেই পরিবাগ,
পিছেন্দিত্তুন আর্মিউনে ফায়ার গরি দিবাগ।
ঘরবাড়ি জ্বালেই দি, মানস্য পরান কাড়িনি ধনসম্পত্তি লুটি দাগ,
দিশ কাবুল’ মানুষষুন যিন্দিপারে ধেঈ যেবাগ।
শত্রু দেশ জয় গরি লেঅ কন সভ্য জাতি,
সাধারন জনগনরে ন’গরন এধক্যা দুর্গতি।
উনিশ শ’ ছিয়াশী সন ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিকর দিন
পানছড়ি বেল দ্বিবুজ্যা, জুম্মউনে মনে গজ্যন মে-দিন’ মিছিল
ব্বার গজ্যন বাঙালুনে। আবাদা গরি জোগার উদিল’
“নরায়ে তকদির, আল্লাহু আকবর”, সোর পড়ি গেল’
বাঙাল সোম্যান্দি আদামত; পল; পল; পল’।
খগ দেই, শেল, ঝাদি হ্াদত, ঝাবেই পড়িলাগ,
যারে পাদন তারে কাবদন, আগুন বাঝেই দিলাগ।
দিন দ্বিবুজ্যা ঘর জ্বলিল’ দুনুম দুনুম গরি
নিগুলি ন’পাজ্যা বুড়’ গুর’উন আগুনত গেরাগ পুড়ি।
পরান লৈ ধেঈ যাদন, দেই হ্াদত সেটলার
জুম্মেয়ার পিছে পিছে লরেই নি যার।
চেঙি পর হ্্দ’ যেই বাঙাল্যা হ্াদত পল্ল’
এক্যুই কুবে চেঙি পানি রাঙা অৈ গেল’।
আর্মিএ টহল দেদন বড় রাস্তা ধরি,
জুম্মউনে দিলাগ ধাবা তারা উদিশ গরি।
আর্মিউনে তারারে ঘিরি রাস্তাত জমা গরিলাগ,
“আল্লাহু আকবর” কঈ সেটলারউনে এলাগ।
খগ দেই হ্াদত বাঙালুনে চেরি কিত্যা ঘিরিলাগ,
“আল্লাহু আকবর” গরি জোগার পাড়ি উদিলাগ।
কমাণ্ডারে হুগুম দিল জুম্মউনে উদিশ গরি,
পছিম মুখ্যা অৈ য’গৈ, বেক্ষুনে মাধা নিঙুরি।
লাম্বাচুল সেটলার একজন দেই হ্াদত গরি,
ফাল্যেই ফাল্যেই নাচি উদিল’ কম্যাণ্ডাররে ঘিরি।
নাচতে নাচতে আবাধাগরি জুম্ম এক্য কাবিল;
ইয়ান দেঈ জুম্মউনে কিজাগ কারি ধাবা দিল’।
আর্মিউনে ফায়ার গল্লাগ, বাঙালুনে কাবিলাগ,
যিউন মরার মরি গেলাগ, অন্যউনে ধেঈ গেলাগ।
পুড়ি দিলাগ দিন দ্বিবুজ্যা হ্াজার হাজার ধর,
চেঙি গাঙর এপাড় ওপাড়, রাস্তার দুইধার।
মারন উৎসব চালেই গেলাগ সারা দিনভর,
লুঙি গেলাগ খাগড়াছড়ি জেলা সদর শহর।
রাস্তাধরত মাঝন পাড়া, আগুন দিলাগ আর
পানখেইয়া জুম্ম পাড়া গল্লাগ ছাড়খার।
মাটিরাঙা, ফেনীকুল সঙ দাঙা পল্ল ছড়ি,
মগ, তিবিরা, চাঙমা আদাম বেগ গেল’ পুড়ি।
রল’ পড়ি কালা ঘর’ভিটা, আধাপোড়া গাছ, পাতা ঝুপ,
ছাড়া পজ্যা মানুষ জন শবাছাল’ ধগ নীরব নিশ্চুপ।
মুসলমানর পরিত্র মাস মাহে রমাজন,
রোজা রাখার আগেন্দি গল্লাগ মারো জ্বালো কাম।
সে দিন্নর পানছড়ির দুঃসংবাদ ছড়ি পড়ি গেল’
হিলট্রেকসর জুম্মউনে উউরি উউরি উদিল’।
ধেঈ যিয়্যা মানুষষুনে ঝার’ভিদিরে পলেয়্যন,
চিগন চিগন বাসা বানি মাধা গুজি রৈয়ন।
এক দাগিয়ে দেশ ছাড়ি সীমানা পার হ্লাগ,
বি.এস.এফর হ্াদত পড়ি ভারি মের খেলাগ।
মারি মুরি তারারে দেশত ঠেলি দ্যা হ্ল’
হ্াজার হ্াজার জুম্ম যেঈ আর’ আশ্রয় মাগিল’।
ইন্দি সরকারে ডাগের, মাইকিং গরের, এঝ’, ফিরি এঝ’
নিরাপত্তা দিবঙ তমারে আর কিচ্ছু ন’হব’।
মুরব্বীউন লোই মিটিং গরের, ফিরে আন তমা মানুষ জন,
কিচ্ছু ন’ গরিবঙ আমি গ্যারান্টি দি দিবঙ।
দিঘিনালা ক্যান্টনমেন্ট’ সি.ও. মিটিং ডাগিল’
এলেকরার হেড্ম্যান, কার্বারী, মুরব্বি বেক্কুন থুবেল’।
সি.ও কয়, “জাগা এক্কান সিলেক্ট গর তাড়াতাড়ি গরি,
গুচ্চগ্রাম গরা হব; এগত্তর গরিবঙ ব্বেগ ঘরবাড়ি।
ছিনা ছিত্তা দূরত যারা আঘন বেক্কুনে এঈ পেবাগ,
ক্যাম্প বসিব’, আর্মিউনে নিরাপত্তা দিবাগ।
শান্তিবাহিনী এঈ ন’ পারিবাগ, আর্মিয়ে টহল দিব’,
পত্তি আদামে ভি.ডি. পার্টি গঠন গরা হ্ব’।”
মুরব্বিউনে খাম ন’খেলাগ, কলাগ, কুদুপেবঙ স্যার,
কন্না দিব এত্তমান জাগা, এলেকাশুদ্ধ বসতি গরিবার?
কার জাগা নিবঙ কাড়ি? আমাত্তুন সে ক্ষমতা নেই।”
সি.ও কিন্তু খুশী ন’হ্ল’ এক কুপ্যা তে, গ্রুপিঙ’ত্যেই।
মানুষজনর মন’ মধ্যে জাগি গেল ভয়,
কি জানি কক্কে আবার কি অবস্থা হ্্য়?
রোজার মাস শেষ হ্ল’, খুশীর ঈদ এই গেল’, দিন্ন শুক্রবার,
তের’জুন ছিয়াশী সন, অজরাইলর গজর এল’ দিঘিনালা উপজেলার,
বিন্যা দ্বিবর দোল স্বাভাবিক, নিচিদায় যা কাম তে গজ্যন,
দ্বিবুজ্যা ক্যেয়ে খানাদ বস্যন, কিয়্যে তৈয়অর হ্্দন, কিয়্যে জিরাদন।
এভিদিরে ক্যে ন’ জানন, কক্কে আর্মি ভ্যানত গরি,
সেটলার বাঙালে এঈন্যায় আদাম ফেল্যন ঘিরি।
“আল্লাহু আকবর” জোগার দিলাগ, আর্মিউনে ফায়ার গরিলাগ
মানুষষুনে যিয়ত এলাগ সিয়ত্তুন ডাগাডাগি গরি ধেঈ গেলাগ।
রই গেল ঘর বাড়ি টেঙা পয়সা বিত্ত বোসত উড়ন পিনন,
কিচ্ছু লনার সুযোগ নেই, বানা বানা পরান বাচন।
ঝারত সোমেই ডরেই ডরেই পিছেন্দি রিনি চেলাগ,
আদাম’ ব্বেগ ঘর দোর পুড়ি যাদে দেগিলাগ।
হা ভগবান, কি হ্বদে ? ঘরান জ্বালেই দিলাগ,
খবর লম্বোই? কেজান গরি, পরানে মারিবাগ।
ঝারত্তুন চেঈ থায়, ব্ব নিশাচ ফেলায়, আগুনর খেলা চলে,
এ আদাম, ও আদাম বেক্কানিত আগুন জ্বলে।
ব্বেগ ঘরানি জ্বলি পুড়ি ছেই অৈ গেল’,
মিলনপুর, শান্তিÍপুর, বাবুপাড়া জ্বলিল’।
কবাখালী, পাবলাখালী, কৃপাপুর, মুড়পাড়া,
সে সমারে মাঝন পাড়াঅ পুড়ি যেই সারা।
কামুখ্যাছড়া, থানাপাড়ার চাঙমা বাবুর ঘর জ্বলি যায়,
সিয়্যদ থানা পুলিশশুনে রিনি চেঈ থায়।
ক্যান্টনমেন্ট’ ডাগত বাস্যা হেড্ম্যান পাড়া, হরেন্দ্র কার্বারী পাড়া,
সিয়ানিঅ আগুন দি পুড়ি ফেলেই সারা।
হাসিনসন পুর, তারাবন্যা, পানিখিয়া পাড়া, ডলুছড়ি,
এক্কুই দিনে এক সমারে ইয়ানিঅ গেল পুড়ি।
জ্বলি গেল লার্মা পাড়া শান্তি লক্ষীপুর,
বোয়ালখালী, হেড্ম্যান পাড়া, বেতছড়ি, রসিক নগর,
কাট্টলতলী, ভৈরফা, ঘুলছড়ি, হাজাছড়া,
সেই সমারে জ্বলি গেল’ আর পোবাঙ পাড়া।
আশ্রম পাড়া, দুই মেরুঙ, জামতলি, চঙরাছড়ি,
এক্কই দিনে এ আদামানি ব্বেগ দিলাগ পুড়ি।
হ্াজার হ্াজার ঘর পুড়িল’ পুড়ি দিলাগ ক্যাঙ,
সে সমারে পুড়ি দিলাগ বোয়ালখালী অনাথ আশ্রম।
ধর্মরে অমান্য গরি বুদ্ধমূর্তি ভাঙি দিয়্যন,
আদামে আদামে ঘরে ঘরে লুটপাট চালেয়্যন।
আর্মি আ সেটলারে মিলি লুটপাট চালেয়্যন,
জুম্মউনর টেঙা পয়সা, সোনারূবা, যা পান নিয়্যন।
সে সমারে গরু ছাগল ঝাগ ঝাগ গরি,
সেটলারউনে লৈ যিয়ন্দৈ আদামত্তুন ধরি।
হতভাগ্য জুম্মউনর কিযে দুগ্গ হ্ল’,
কতশত লোকজন ইয়ানিদ মরি গেল’।
কিয়্যর বাপ, কিয়্যর খুত্ত, কিয়্যর সদর ভেই,
কিয়্যর পুঅ, কিয়্যর ঝি আর দেগা ন’ পেই।
জনমত্যায় এক্কুই বারে ফারগ অৈ যিয়্যন,
সারা জীবন এ দুগ্গানি মনদ বানেই রাঘেয়্যন।
এ ধক্যা গরি প্ল্যান গরিদি এরশাদ সরকারে,
গোপন অর্ডার গজ্যে, যাতে নিজ জাগাত্তুন জুম্মউনরে
উৎখাত গরি সে জাগানি সেটলার উনে দখল গরি পারে।
রমজান’ ঈদ পালেয়্যন তারা মারি জুম্মউনরে।
সরকার’র আগ্রাসন নীতি বারবার উদে ফুটি,
হিলট্রেকরস মানবতা হায়হায় গরি, মরে মাধাকুটি।
ঘরদোর জ্বলি গেল’ কুদুযেবঙ কুদুথেবঙ,
ভাত নেই, কাপড় নেই, পধর কাঙাল, কুদু মাধা গুজিবঙ?
এক্কেবারে সর্বহারা বাচিবার কন উপায় নেই,
হ্াজার হ্াজার মানুষজন কুদু আশ্রয় পেই?
শতে শতে মানুষজন রওনা দিল’ এক সমারে গরি,
দেশ ছাড়ি পধত উদিল’ ভারত’ উদিস গরি।
মোন মুড়’ ঝার’ পধ, বারিজা এঈ যিয়্যে,
মানুষ হ্াদানায় পত্তানি বানা বিজোল অৈ রয়্যে।
ঝরত ভিজতন, কিয়্যে আচাড় খাদন, কষ্ট পাদন ভারি
সীমানা ইত্তুন এঝ ভালদ্দূর, হ্াদ’ হ্াদ’ তাড়াতাড়ি।
আন্দার রেইদত হ্াদাদ্যন ক্যেঅ পধত আর্মির ভয়,
আর্মিয়ে যদি ধরি পান ছালে পরান যেব গৈ নিশ্চয়।
ন’ খেই, ঘুম ন’ যেই, কষ্ট হ্লেয়্য ভারি,
রেইদ’ ভিদিরে এ জাগাআন যা পড়িব’ ছাড়ি।
গুরয়, বুড়য়, মিলাউনে কষ্ট পাদন ভারি,
ধরি ধরি নে জ’ তারারে, বুগি, করদ গরি।
আর্মি ক্যাম্প দূরত রাখেই পত্তান ঘুরেই নি ন্যায়,
উজু পত্তান ডবল অৈ যার পরান বাচাল্লায়।
গুয়্যর পঝা ফেলেই য’, পরানান্দোই হ্াদা দ্য, ন’ গজ্য দেরী,
আর্মিউনে খবর পিয়্যন, যদি তারা এঈ পড়ন, হাদ’ তাড়াতাড়ি।
ঝরত ভিজি রোদত পুড়ি, হাদি দিন রাত,
অতি কষ্টে লুঙিলাক্কি ত্রিপুরা সীমানাত।
আর্মিউনে লরে লরেই সীমানা সঙ যিয়্যন,
বি.এস.ফ.এ এঈ ন্যায় তারারে সীমানাত বাধা দ্যন।
হ্াতে নাতে ভারত’ ইদু অৈ গেল’ প্রমাণ,
বাংলাদেশ সরকার’র জুম্ম নির্যাতন।
রস্যা বাড়ি ময়দানত থেবার জাগা দিল’,
চোল চিড়া দিন্যায় তে মানবতা দেগেল’।
এ ভিদিরে তাকুম বাড়ি লাম্বালাম্বা শিবির বানি
জুন শেষত ভর্তি গরিল’ রস্যা বাড়িত্তুন আনি।
ভারত এক্কান ডাঙর দেশ, ত্রিপুরা এক্কান চিকন রেজ্য তার,
রেজ্যআন চিকন হ্লেয়্য মন তার ডাঙর উদার।
একাত্তর’র মুক্তিযুদ্ধ কালে এক কোটি বাঙালরে,
খাদ্য আশ্রয় দান গরি তার মহত্ব প্রকাশ গরে।
ত্রিপুরার জনসংখ্যা মোট যিদুউন হয়্যন,
সিত্তুন অধিক বাঙালরে সেক্ষে তারা আশ্রয় দ্যন।
আমা জুম্ম জাত’ বর্তমান দুর্গতি দেঈ,
ভারত ত্রিপুরা মানবতার হ্াদ দিলাগ বাড়েই।
করবুক, পঞ্চরাম, তাকুম বাড়ি,
সাপ্রুম, যাত্রাবাড়ি, শিলাছড়ি,
এ ছয়ান জাগাত শিবির বানি দিলাগ
খাদ্য আশ্রয় দিনায় তারা আমারে পালেলাগ।
ছিয়াশীত্তুন সাতনব্বই একযুগ সঙ,
ষেট হ্াজার জুম্মরে তারা ভরণ পোষণ দ্যন।
ঝাক ঝাক জুম্মউনর ভারতর আশ্রয় গ্রহণ,
খবরানি গরি দিল বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ।
হত্যা, গণহত্যা, লুটপাট, আদামকে আদাম পুড়ি দেনা, ধর্ষণ,
ব্যাপক ভাবে অৈ যার গৈ মানবতার লঙ্ঘন।
বিষয়ানি দেশে দেশে পত্র পত্রিকায়,
রেডিও, টিভি, সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ অৈ যায়।
জুম্ম যারা নানা কাম লৈ বিদেশত থেদাক,
আমা দুগ হ্াল’ কধা তারা প্রচার গরি দিদাগ।
রাজগুরু অগ্রবংশ নেপালত বৌদ্ধ সম্মেলনদ
তুলিধজ্যে দুর্গতি কধা বাংলাদেশর হিলট্রেকসত।
আদিবাসী বর্ষারম্ভত বিমল তিস্স ভিক্ষু জাতিসংঘত যেই,
মূল্যবান দাবী জানেয়্যে গৈ আদিবাসীউন দ্যায়।
এ্যামনেষ্টি ইন্টার ন্যাশনেল, এন্টি শ্লেভারি সোসাইটি, নানা সংগঠন,
হিলট্রেকসর বিষয় লৈ ন্যায় সভা সিম্পোজিয়ামর করে আয়োজন।
বাংলাদেশরে চাপ দ্যন, ন’ গরিবার মানবাধিকারে লঙ্ঘন,
প্রচার চালান বাংলাদেশরে গরিবার সাহায্য বর্জন।
ইন্টান্যাশনেল লেবার অর্গাইনেজেশন (ও.খ.ঙ) বিশ্ব শ্রম সংগঠন,
হিলট্রেকসর তথ্য গোপনল্লায় বাংলাদেশরে নিত্য দোষ ধরণ।
এ ধক্যা গরি বাংলদেশ বিশ্ব জনসভায়
নানা দোষত ধরা পড়ে মাধা লোঙেই থায়।
এরশাদ সরকারে ন’ লাজায়, গণহত্যা চালেই যায়,
অট্টাশি সন’ অগাষ্ট আটত্তুন ধরি দশতারিখ সঙ রাঙামাত্যা জেলায়
হিরা চর, সার্বোয়াতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী আদাম,
জুম্ম কাবি মারি, ঘর জ্বালেইদি, বাঙালুনে গজ্যন ছত্রসান।
শত খানেক কাবা খেয়্যন, রুগ্যা অৈয়ন বহুত জন,
অন্যউনে ঝারত ধেঈন্যায় কন’ রকমে পরাণে বাচন।
শান্তি বাহিনীয়ে যদি কন’ বাঙাল মারি যান,
এ ধক্যা গরি আর্মিউনে বাঙাললৈ কেনা শুজি থান।
আবদুর রশীদ সরকার চেয়ারম্যান লংগদু উপজেলা,
কন্না তারে মারি যিয়্যন, ক্যেঅ ন’ জানন সে কধা।
উননব্বইর চের মে, হ্্ুড় পড়িল’ লংগদু এলেকাত,
মিলা, বুড়’, গুর’ শতাশতি আশ্রয় নিলাগ অনিল চেয়ারম্যন’ ঘরত।
অনিলবাবু হেড্ম্যান, বহুবছর’র চেয়ারম্যন, বাঙাল চাঙমার সম্মানিত,
চাঙমাউনে মনে গজ্যন, তা ঘরনাই একমাত্র নিরাপদ নিশ্চিত।
সে দিন্যা গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ঠ.উ.চ) সেটলার বাঙাল মিলি,
চেয়ারম্যন’ ঘর শুদ্ধ আদাম’ ব্বেগ ঘরানি দিলাগ জ্বালি।
পরান বাচেবাল্লায় যারা চেয়ারম্যন ঘরত যিয়্যন,
ধেঈ যেই ন’ পারি সিউন ব্বেগভাগ কাবা খিয়্যন।
সে সমারে চেয়ারম্যন’ মোক্করেঅ বাঙালে মারি যিয়্যন,
টেঙা পয়সা সনা রূবা ব্বেগ লুটি নিয়্যন।
বহু মানুষ মরি যিয়্যন, বহু গুফ অৈয়্যন,
গুফ অৈয়া মানুষষুন কন দিন ন নিগিলন।
আশীত্তুন ধরি উন’নব্বই সঙ, যেদক্কানি গণহত্যা অৈয়্যে সংগঠন,
সরকারে মনে ন’ গরে ইয়ানির কন’ তদন্তর প্রয়োজন।
শান্তিবাহিনী লৈ সরকার’র যুদ্ধ দ্বিযুগ সঙ,
গরি যিয়্যে সরকারে অমানুষিক জুম্ম নির্যাতন।
দ্বিতীয় মআযুদ্ধ সময়ত জার্মান বা জাপানে,
ভিন দেশ জয় গল্লেঅ কষ্ট ন’ পান সাধারণ জনে।
বাংলাদেশর মানুষ হ্লেয়্য আদিবাসীউনরে,
আপন গরি লৈ ন’ পারে কন’ সরকারে।
স্বৈর শাসক এরশাদর বানা চেষ্টা গরানা,
যিঙুরি পারে সিঙুরি গরি জুম্ম ধাবেই দেনা,
তা আমলত সে দ্যায় দেগা যায়,
জুম্মউনরে জোর গরিনায় গুচ্ছগ্রামত ভরায়।
জাগায় জাগায় চেক পোষ্ট বসায়,
মিলা মরদ জুম্মউনরে বিজেরে বিজেরে চেক গরায়।
ভুদি বকসা খুলি দিন্যেয় জিনিস পত্র দেগা পড়ে,
লগে সমারে পরিচয় পত্র নিত্য রাগা পড়ে।
আধি যা বা গাড়ি দি যা, নিত্য চেক পোষ্টত,
চেক গরানা বিধান আঘে জুম্মোয়া কপালত।
বাঙালুনে চেঈ থান, মজা লুঠন, মস্ত দোল তামাসা,
জুম্মউনর মন ভারী হ্্য়, ধিক্কার এঝে, জাগে হতাশা।
গুচ্ছগ্রাম’ মানুষষুনর কুদুরয়্যে ভুই, ক্ষেত, বাগান,
ঠিগ সময়ে চেঈ ন’ পায্যা, অৈ যালৈ ছত্রসান।
সময় বানি দ্যা আঘে আদামত্তুন নিগিলানা সমানা,
তা ন’ হ্লে ভুগা পড়িব আর্মিউনর লাঞ্চনা।
ইষ্ট কুটুম গর্বা এলে ক্যাম্পত জানা পড়িব’,
ব্বারে যদি যেদ’ গেলেঅ ক্যাম্পর হুগুম লাগিব’।
জুম্মউনরে জোর গরি গুচ্ছগ্রামত আনিয়্যন,
যে ন’ এঝে তা ঘরান আর্মিউনে ভাঙিদ্যন।
আর্মিউনে হিলট্রেকসরে তিন এলেকায় চিহ্নগরে,
লাল, সাদা, হলুদ এলেকা নাঙদ্যন তারারে।
খুব দূরত আর্মি ঘাটিত্তুন যিদু জুম্ম থান,
সে এলেকানি আর্মিউনে রেড জোন কন।
আর্মি ঘাটি আশে পাশে দ্বি মেইল ভিদরে,
যে জাগানি আঘে, সাদা জোন নাঙ দ্যন তারে।
সেটলার বাঙাল’ বসতি যিয়ানি আর্মি ক্যাম্প থায়,
সে জাগানি হলুদ জোন দ্যন পরিচয়।
লালজোন’ জুম্মউনর পরিচয় পত্রত,
পরিমান লেগা থেব’ বাজার ফর্দত।
সে বাড়া তে কন’ বাজার গরি ন’ পারিব,’
বাড়া হ্লে শান্তিবাহিনীর বাজার ধরা হ্ব’।
ডাক্তর’ ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কন’ দারু কিনি ন’ পার তারা,
চেকত যদি পড়ে ধরা খবর আঘে জুম্মে যার।
এ ধক্যা নানা বাধা ধরা হুগুম দারী ভয়,
চলদে ফিরদে দিনে রেদে নিত্য লাগি থায়।
বেল ন’ যাদে ঘরদ ফিরানা তাড়াতাড়ি গরি,
মনে হ্্য়দে দেশ্শান যেন অৈয়্যে কার্ফ্যু জারি।
রেই্্দ হ্লে আর পধেঘাটে জুম্ম থেদাগ নয়,
নিজ দেশ হ্লেয়্য যেন নিজ দেশ নয়।
রঙ তামাসা হ্াজি নেই, গান নেই, নেই খেলাধূলা,
জুম্মল্লায় হিলট্রেকসসান হ্য়্যে বন্দিশালা।
সরকারে যত কড়া গরি থায়, ফল তার বিপরীত হয়,
আদমর পুঅ ছাউন শান্তিবাহিনীত যায়।
অন্যায়র প্রতিরোধে জাগি যায় অন্তর,
সচেতন মন লৈ ধরে হ্াদত হ্াত্যার।
জিয়াউর রহমান আ মঞ্জুর হ্ত্যার পরপরে
হিলট্রেকসর বিষয় আন্তর্জাতিক ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
বিশ্ববাসী জানি যায় বাংলাদেশর আগ্রাসন নীতি,
শান্তি প্রিয় জুম্মউনর বর্তমান এ হেন দুর্গতি।
খেই পরি বাচিবার অধিকার পেবাল্লায়,
অন্যায়র বিরুদ্ধে তারা প্রতিকার সংগ্রাম গরি যায়।
ন্যায় যুদ্ধর পক্ষ অৈ বিশ্বমানবতা,
বাংলাদেশ সরকার’রে নিত্য দেয় বাধা।
তারা মানা ন’ শুনি বাংলাদেশ কাম চালেই যায়।
মানবিক সংস্থাউনে দাতা দেশশানিরে অনুরোধ জানায়-
বাংলাদেশরে তারা য্যেন সাহায্য ন দ্যন,
যদদিন বাংলাদেশে গরি যায় মানবিক অধিকার লঙ্ঘন।
বাংলাদেশর জুন্মত্তুন ধরি জাপানে সাহায্য গরি যার,
চাঙমা ভিক্ষু বিমল তিস্স সিধু যেই গরিল’ প্রচার
বাংলাদেশ সরকার’র বৌদ্ধ নির্যাতন, মানবিক অধিকার লঙ্ঘন’ কধা,
জাপানী মিডিয়ায় ফলাও গরি প্রচার গজ্যে পিত্তিমিয়ান গধা।
অনেক মানবিক সংস্থা আ বড় বড় নেতায়,
এরশাদ’রে চিঠি লিগি সাহায্য বন্ধ কধা জানায়।
বাংলাদেশ গরীব দেশ, সাহায্য ন’ পেলে চলি ন’পারে,
এ কারণে এরশাদে ভারী বিপাকদ পড়ে।
প্রাক্তন এম.পি উপেন্দ্র লাল চাঙমারে মাধ্যম গরি,
সরকার’রে জে.এস.এস. লৈ দিল’ যোগাযোগ করি।
আলোচনা চালেবার জাতীয় কমিটি গঠনগরা হ্ল,’
পচাশির অক্টোবরত পয়লা বৈঠক বল’।
কমিটি লৈ জে.এস.এসর আলোচনা চলিল’
আলোচনাত জে.এস.এস.এ পাচ্চান দাবী জানেল’।
প্রাদেশিক স্বায়ত্ব শাসন’ দাবী এক নমরত থায়
বাকী চেরান দাবীয়ানিঅ হিলট্রেকসরল্লায়।
জে.এস.এস. লৈ সরকার’র পাঁচ বৈঠক হল’,
জে.এস.এস.অ দাবীয়ানি সরকারে ন’ মারিল’।
ধূর্ত এরশাদে এ বার অন্য পধ ধরিল’
জুম্ম নেতাউন দোয় জাতীয় কমিটিরে আলোচনা বসেল।
তিন জেলা নেতাউনরে আলাদা আলাদা আলোচনা সভাদ,
চাপ দিই বাধ্য গরেল’, মানি নিদে জেলা পরিষদ।
জেলা পরিষদর বিরোধিতা গরি জে.এস.এস.এ জরুরী বিবৃতি দিল
এ আইন ন’ মানাল্লায় জুম্মউনরে আহ্বান জানেল’।
জে.এস.এস. সরকার লৈ সমঝোতা আশা গরিনায়
খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসত ষষ্ঠ বৈঠকত যোগ দেয়
আগর দাবি প্রাদেশিক সংশোধন গরি তার জাগয়
আঞ্চলিক স্বায়ত্ব শাসন দি পাচ দফা দাবি জানায়।
উননব্বই’ র বিশ ফেব্রুয়ারী পরবর্তী বৈঠক ধার্য হ্ল’,
এ ভিদিরে স্থানীয় সরকার পরিষদ বিল তিনান সংসদ’দ পাশ গরিল।
সরকার’র এ প্রতারণায় জে.এস.এস. ভারী বেজার হ্ল’
বৈঠক বর্জন গরিন্যায় তে হ্ামলা চালা ধরিল।
এরশাদর আসল উদ্দেশ্য এল’ জুম্ম ধাবেই দেনা,
সে জাগানি বাঙালুনে যেই দখল গরানা।
সে দ্যায় তে হিলট্রেকসত চালিয়্যে যেই নির্যাতন,
নাৎমি আ ফ্যামিষ্ট’উনেয়্য সেদক্কানি ন’ গরণ।
হিলট্রেকসান য্যেন বাংলাদেশ নয়, আলাদা শাসন-
ন’ থেলেয়্য, উপদ্রুত এলেকা আইন চালায় হামিসক্ষন।
স্পেশাল এ ফেয়ার্স বিশেষ কার্যাদি বিভাগ নাঙে বোর্ড এক্য বানায়,
হিলট্রেকস’ল্লায় এ বোর্ডে কাম চালেই যায়।
এ বোর্ডে হিলট্রেকসর ন’ হরে উন্নয়ন,
এ বোর্ডর কাম হ্লদে বাড়েই দেনা নির্যাতন।
এরশাদর আগ্রাসী নীতি আর নির্যাতন,
ষেট হাজার জুম্মরে কার দেশত্তুন বিতারণ।
লাখ মুল’ জুম্ম আর’ নিজ জাগা ছাড়ি ন্যায়,
নানা জাগাত ছিদি পয্যন পরাণ বাচাল্লায়।
শরনার্থী শিবিরত একদাগি ধুগি ধুগি মরে,
বিশ্ব বিবেক তারাল্লায় হায় হায় গরে।
দাতা দেশশানিয়ে এরশাদরে চাবি চাবি ধরিল’,
শরনার্থী ফিরে আনিব’ বিলি খাম খেই পেল’।
স্থানীয় সরকার পরিষদ বিল সংসদ’দ পাশ হ্ল’,
তারা মন’ মত’ গরি তিনান জেলাপরিষদ বানেল’।
জেলা পরিষদ নির্বাচনরে বিরোধিতা গরিরেই
প্রাক্তন এম.পি উপেন্দ্র লাল অ শরনার্থীত নাঙ লেখায়।
উপেন বাবুরে সমার পেইন্যায় শরনার্থীউনর বল হ্ল’,
“জুম্ম শরনার্থী কল্যাণ সমিতি” গঠন গরিল’।
তিনান স্থানীয় সরকার জেলা পরিষদ গঠন গরার পর,
এরশাদে প্রচার গল্ল : স্বায়ত্ব শাসন দ্যঙ মুই হিলট্রেকসর।
পার্বত্য চট্টগ্রামর আর কন’ অসুবিধা নেই,
সব সমস্যার সমাধান হ্য়্যে রাজনৈতিক ভাবেই।
ঈযরঃঃধমড়হম ঐরষষ ঞৎধপঃং ঈড়সসরংংরড়হ হিলট্রেকসত এঈ দেগি যায়
এরশাদ সরকার’র প্রচার’ কধানি বেক্কানি “চুঙ চুঙ ভুক্কাই”।
আন্তর্জাতিক এই কমিশন পয়লান্দি ত্রিপুরাতযিয়্যে,
ত্রিপুরার পাচ্চান শিবিরত পাচদিন কাদিয়্যে।
তার পরেন্দি হিলট্রেকসত নব্বইর ডিসেম্বর আটত্তুন উনত্রিশ তারিখ সঙ,
নানা জাগা ঘুরি ঘুরি সরেজমিনে তদন্ত গজ্যন।
ইউরোপত ফিরি যেইন্যায় সি.এইচ.টি. কমিশন,
‘খরভব রং হড়ঃ ড়ঁৎং’ “জীবন আমার নয়” নাঙে রিপোর্ট এক্কান ব্বার গজ্যন।
আদিবাসী বিষয়ক আন্তর্জাতিক গ্রুপ এক্য হিলট্রেকস ঘুরি ঘুরি যায়,
ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন’ খবর জাতিসংঘরে রিপোর্টে জানায়।
এরশাদে শরনার্থী ফিরে আনিবার চেষ্টাগরি চিয়্যে,
নিরাপত্তা দি ন’ পারানায় চেষ্টা বৃথা যিয়্যে।
জিয়াউর রহমান আ হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ,
দুঅ জনে সামরিক উর্দি লৈ উদি যিয়ন ক্ষমতাদ।
দুঅ জনে রাজনৈতিক দল বানি গণতন্ত্রর লেবাস চাবেই,
কারচুপির নির্বাচন দি ক্ষমতারে রাঘেয়্যন ধরেই।
এরশাদর ব্যাপক দুর্নীতি আ স্বৈরাচার,
বাংলাদেশর মানুষষুনর সহ্য ন’ হ্্র আর।
দেশ ব্যাপি আন্দোলনর জোয়ার উদি গেল’,
নব্বইর ডিসেম্বরত ক্ষমতা ছাড়ি পেল’।
**********************************
জন সংহতি সমিতি এক্য আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল,
হিলট্রেকসর সীমা লৈ তার সীমিত অঞ্চল।
বাঙালী জাতীয়তাবাদ আ বাংলাদেশর আগ্রাসীনীতি কারণ,
ইয়ানিত্তুন মুক্তি অৈ থিকি থেবার প্রয়োজনে পার্টির গঠন।
জাতিসত্বা টি গি রাঘেই মাদিয়ান বাঘানা যিয়ত প্রয়োজন,
সে জাগাত তারা বাঙাল সমানা সুযোগ গরি দ্যন।
বাঙাল ভরাদে সরকার’রে বাধা ন’ দ্যন,
গাড়ি মারি লঞ্চ ডুবেই দি প্রতিবাদ ন’ জানান।
নিয়্যা নাদংসা সর্বহারা দুখ্যা বাঙাল ইউন বুঝেলে যেবাক্কায়,
জুম্মউনরে বুঝেয়্যন তারা আদর্শ কধা কোঈ।
নদী ভাঙা ভূমিহারা ফুটপাত’ত থেয়্যা যে বাঙালুন এজ্যন,
মার্কসবাদ সর্বহারা দর্শনর বড় বড় কধা, তারা কি আর বুঝন?
তারা হ্লাক্কে ঠগ, ধূর্ত, প্রতারক আ আগ্রাসী,
সরকারে দাঙ্গা বাঝেই দিলে তারা উদন নাচি।
মরিম বাচিম নেই তারাত্তুন, নেই কন’ ভয় ডর,
ভাগ্য বিজারা এস্যন তারা ভাগ্য সাধনাত তৎপর।
বাঙাল ভরাদে পত্তমত্তুন ধরি যদি বাধা দিদাগ,
ইজ্যা ইদুউন বাঙাল সমাদে সাহস ন’ গরিদাগ।
জুম্মত্তুন বেচ বাঙাল ভরেই দি গোটা হিল চাটিগাঙ,
দখল অৈ যিয়্যে বাঙালর, ন’ থেব’ আর জুম্মনাঙ।
জাতি বাচেবার যুদ্ধ গত্ত যেই, আদর্শর শ্রেণী সংগ্রাম,
জুম্ম জাতর ভাগ্য আগাশত এজ্যা এই পরিণাম।
লাম্বা বাধির যুদ্ধ অৈ যানায় অৈয়্যে যে ক্ষয়ক্ষতি,
জুম্ম জাতি পুরি ন’ ফেলেবাগ, তীব্র বেদনার সে স্মৃতি।
বাধি হ্দি যিয়্যে, বাদি বঈ যিয়্যে, নেই বাধির কন’ চিহ্ন,
বাধি পরিবার’র সদস্যউনরে এঝ’ জে.এস.এসর দৃষ্টি ভিন্ন।
পার্বত্য বৌদ্ধ অনাথ আশ্রমন আশ্রমিক ভিক্ষু কয়জন,
উপযুক্ত শিক্ষা লৈ আশ্রমানি চালাদন।
তারাত্তুন একজন ভিক্ষু বিমল তিস্স কলকাতাত যায়,
“শিশু করুণা সংঘ” নাঙে এক্কান প্রতিষ্ঠান চালায়।
ভারতর যে কয়েক্কান রেজ্যত জুম্মউন আঘন,
তারা পুঅ ছাউনে সিধু লেগাপড়া শিগন।
ছিয়াশী সনর জুন’ দাঙ্গাত বোয়ালখালী অনাথ আশ্রম,
সেটলার বাঙালে যেই লুটিপুড়ি শেষ গরি দ্যন।
পুঅ উনে ধেঈ যিয়্যন, কিয়্যে কাবা খিয়্যন,
পরিচালক প্রিয় তিস্স লগে কিছু পুঅ যিয়্যন।
ভারী দুঃগে প্রিয় তিস্স সীমানা পার হ্ল’,
শিবিরত যেই পুঅ উনদোয় শরনার্থী নাঙ লিগিল’।
খবর শুনি বিমল তিস্স কলকাতাত্তুন এল’
শরনার্থীর দুর্দশা দেঈ তা মনান কানিল।
তাকুম বাড়ি শিবির’র যে গলিন্দি যায়,
বেক্কুন তার পরিচিত মানস্যর দেগা পায়।
তা দেশর মানুষষুনর এ দুর্গতি দেগিনায়
তারাত্যায় কি গরা যায়, ভান্তে পড়িল চিন্তায়।
পার্টেজ সোসাইটি বিলি ফ্রান্সর এক্কান প্রতিষ্ঠান,
গরীব দেশর পুঅ ছাউনরে স্পনসরিং গরি থান।
সেই মুহূতে বিমল তিস্স যোগাযোগ গরিল’,
বাহাত্তর জন আশ্রম পুঅর স্পনসর ঠিক গরি দিল’।
আন্তর্জাতিক নিয়ম নীতি অনুসরণ গরিন্যায়,
বাহাত্তর জন জুম্ম পুঅরে তে ফ্রান্সত পাঠায়।
জুম্ম জাতর দ্বি এক জন বিদেশত থেলেয়্য,
ইদুউন জুম্ম ঝাগ বদিনায় বিদেশ ন’ যান ইয়্যো।
বিমল ভান্তের এ কামানি জে.এস.এস.এ গম ন’ পেল,
তা বিরুদ্ধে নানা কধা প্রচার গরা ধরিল’।
ফ্রান্স’ ইদু আর’ পুঅ পাঠেবার থেলেয়্য,
পার্টির ডরে দি পাঠেবার সাহস ন’ গরলাগ ক্যেঅ।
এর পরেন্দি বিমল তিস্স করুণা সংঘর পক্ষ অৈ,
ত্রাণ দিবাল্লায় এল’ শিবিরত চের ট্রাক কম্বল লৈ।
জে.এস.এস.এ ঘোর বিরোধী ত্রাণ দিবার ন’ দিল’,
কাপড় বিলি গরি ন’ পেইন্যায় এ বাদে তে ফিরি গেল’।
জে.এস.এস. লগে লগে পাহাড়ি ছাত্র সমিতি অ বন্ধ হ্্য়,
সংগঠন’ অভাব্বান জুম্ম ছাত্র উনরে বেচ ভুগায়।
তিরাশী সনত মিলিনায় ট্রাইভেল ষ্টুডেন্ট ইউনিয়ন গড়িলাগ,
কয়েক বছর চলিলেঅ ষ্টুডেন্ট ইউনিয়ন বুদিলাগ।
উন নব্বইয়ত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ দেগা দিল,
ছাত্র রাজনীতি লগে লগে জুম্মরাজনীতিদঅ অংশ নিল।
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ জন্ম লগ্নত্তুন ধরি,
হিলট্রেকসর সমাজ রাজনীতিভুমিকাত রয়্যে জুড়ি।
এরশাদ’ আমলত হিলট্রেকস তিনান জেলা হ্্য়,
বাংলাদেশ সংসদদ তিনান আসন পায়।
বিনয় দেবান রাঙামাত্যা, অলিমুল্লাহ্্ খাগড়াছড়ি,
রাজা মং শৈ প্রু বান্দরবান, জাতীয় পার্টিত্তুন জয় গরি
গণ পরিষদ’দ সাংসদ অৈ যিয়্যে;
বিনয় দেবানরে এরশাদে উপদেষ্টা বানিয়্যে।
এরশাদে থানানিরে উপজেলা নুঅ নাঙ দিল’,
থানা পত্তি উপজেলা পরিষদ বানেল’।
জিয়াউর’ সাতেইশ থানা, দ্বিয়ান বাদ দিন্যায়
হিলট্রেকসর পছিশ শান উপজেলা বানায়।
আঞ্চলিক রাজনীতির দল ন’ থানায়
নব্বইয়ত পাহাড়ি গণ পরিষদ গঠন গরা হ্্য়।
উনিশ’শ আশি সনত্তুন ধরি,
হিলট্রেকসর রূপ বদলি যার এক্যা এক্যা গরি।
সরকার’র প্রয়োজনে যোগাযোগ গরাল্লায়,
হিলট্রেকসর রাস্তাঘাটর উন্নতি অৈ যায়।
জাগায় জাগায় বিল্ডিংউদের, দোল দোল ঘরবাড়ি,
সে সমারে বিদ্যুত আনে, দের ফর গরি।
চিগন ডাঙর গাড়ি চলে নিত্য রাস্তা ধরি,
মানুষ আনে, মাল আনে গাড়িত ভরি ভরি।
আগ’ দিনর ন’ ন্দি মাল মাত্তা আনানা,
সিয়ানি য্যেন কন যুগর পুরনি ঘটনা।
সেক্ষে দিনর সদাগর আ ভাজন্যা বেপারীউন,
পচ্ছন শুনি জানি যেবাগ, ইক্ষে দিনর গুরউন।
বিন্যা যেই চাটিগাঙ শহর বিল্যা ঘরত ফিরান,
বাপ’ দিনর মানুষষুনে চিন্তাঅ গরি ন’ পারন।
বাঙাল এ স্যন লাখ লাখ, চের’ কিত্যা বস্যন,
ঝার জঙল যিয়ানি এল’ ব্বেগ ধুঅ গজ্যন।
আদাম ঠিগা জ্বালেই দ্যন সেটলার বাঙালউনে,
ধুঅ গজ্যন চের’ কিত্যা বাগান বাগিছা কাবিনে।
জুম্মউনে ঘর পুড়ি যেই রিজাভত সোম্যন দৈ,
সিধু অ তারা গাছ বাশ কাবি ধুঅ গজ্যন দৈ।
বন আইন রাঘি ন’ দ্যন আর্মি শাসনত,
কোটি কোটি টেঙার বন সম্পদ পাচার অৈয়্যে হিলট্রেকসত।
আগর যেই রিজাভ এল’ গভীন তারুমবন,
সে তারু ম ব্বেগ ধংস গরি গাছ কাবি নিয়্যন।
হিলট্রেকসর মোন মুড়া গাছ, বাশ, বন,
ব্বেগ কাবি শেষ গরি দাংধাংঙ্যা গজ্যন।
সে সমারে ঝর বাদল আগ ধক্যা ন’ ঝরের,
ছরা গাঙ নাল মরি যায় হিলট্রেকসর রূপ বদলের।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(১০)
ঘটি গেল’ ঐতিহাসিক এক গণ অভ্যুত্থান,
নব্বইয়র ডিসেম্বরত হ্ল’ স্বৈরাচারী এরশাদর পতন।
অনুসরণ গরিনায় নিয়মতান্ত্রিক নীতি,
বিচারপতি সাহাবুদ্দিন হ্ল’ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
এরশাদর পতন অৈনে হিলট্রেকসর জুম্ম জনগণ,
আশা গজ্যন এবার কিছু হ্ব’ পরিবর্তন।
পাহাড়ি গণ পরিষদ আ পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ মিলি,
রাষ্ট্র পতি লৈ দেগা গল্লাগ কিছু দাবি দাবা জানিই।
জেলা পরিষদ বিল আ জেলা পরিষদ বাতিল করণ,
রাজনৈতিক ভাবে গরানা হিলট্রেকসর সমস্যা সমাধান।
এ দক্যা গরি কদক্কানি দাবী জানেই থায়,
সরকারে সে দাবীত্তুন এক্কান’ ন’ রাঘায়।
বাংলাদেশর একষট্টিয়ান জেলা পরিষদ ভাঙি দ্যন,
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ কিন্তু বাখেই দ্যন।
তিন পার্বত্য জেলার ঘুরি সাহাবুদ্দিনে কয়্যে,
এ তিন পার্বত্য জেলার নির্বাচন খুব দোল অয়্যে।
সে কারণে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ থেব’,
পরিষদত্তানি নিয়মমত কাম গরি যেব’।
রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন’ তত্বাবধানত,
দোল নির্বাচন অৈ গেল’ ফেব্রুয়ারী একানব্বইয়ত।
নির্বাচনী ইসতেহারদ শেখ হাসিনা ঘোষণা গরে,
হিলট্রেকস সমস্যার সমাধান দিব’ যদি আওয়ামী লীগ জয় গরে।
তিন জেলার তিন জুম্ম আওয়ামী লীগর টিকেট লয়,
নির্বাচনত তিন’ জনেই গরি যিয়ন জয়।
বাঙামাত্যাত্তুন দীপঙ্কর, বীর বাহাদুর বান্দরবান,
খাগাড়াছড়ি জেলাত্তুন চাঙমা কল্পরঞ্জন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংখ্যা গরিষ্টতা পেল’,
মার্চ মাসত বেগম খালেদা জিয়া মন্ত্রীসভা বানেল’।
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শুভ সূচনায়
হিলট্রেকসর জুম্মউনে দিন গণণ আশায় আশায়।
বি.এন.পি.নেতা খালেদা জিয়ার আমলদ,
ব্বেগ দল মিলি আলোচনা গরি সংসদ’দ
বাংলাদেশর রাষ্ট্রপতি শাসন বাদ দিলাগ,
সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা চালু গরিলাগ।
১৪ এপ্রিল, চিটাগাং হিলট্রেকস স্পেশাল এফেযার্স
কমিটির বৈঠক বসিল,
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্ব গরিল’।
প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মন্ত্রী সভার সদস্যউন,
সেনাবাহিনীর তিন প্রধান, পররাষ্ট্র আস্বরাষ্ট্র সচিবউন,
মিলিত এ সভাদ আলোচনাদ ঠিগ গরিলাগ
এরশাদ’ আমলর নীতিয়ানি বেক্কানি রাখেই দিবাগ।
প্রতিবাদ’ ঝড় উদিল হিল চাটিগাঙ,
গণতান্ত্রিক সরকার’র ইয়ান কি কাম!
হিলট্রেকসর তিন্ন এম.পি. যৌথভাবে বিবৃতি দিলাগ,
সরকার’র সিদ্ধান্তত আম্মক অৈ তীব্র নিন্দা জানেলাগ।
তারা দাবী জানান হিলট্রেকসর এ সমস্যা আন
গণতান্ত্রিকভাবে আলোচনা গরি গরা পড়িব’ সমাধান।
পাহাড়ি গণ পরিষদ আ পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ প্রতিবাদ জানেল,
এ বাদেঅ মানবিক সংগঠনানি সরকার’রে দূষ ধরিল’।
চোরা ন’ শুনে ধর্মর কাহিনী- এক্কান কধা আঘে,
গণতন্ত্র হ্লেয়্য সরকার’র খাস্যত আগ্রাসী নীতি ধরি রাঘে।
স্পেশাল এফেয়ার্স কমিটির সিদ্ধান্ত জুম্মউনর মন ভাঙিল,
আর’ কন ধক্যা আগাট্যা দিন এঝের ভাবি কুল ন’ পেল’।
থেই গেল’ হিলট্রেকসর চেকপোষ্ট, গুচ্ছগ্রাম,
তিন জোনর মানুষষুনর কড়াকড়ি নিয়ম।
পরিচয় পত্রআন নিত্য সমারে রাগানা,
চেকপোষ্টত থিয়েই থেইন্যায় কিয়্যা বিজারান খানা।
এরশাদ’ নীতি রাগানা মানে জুম্ম দঙানা,
মারানা, কাবানা, ঘরত আগুন দেনা, নির্যাতন চালানা।
গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার যদিবা অৈ থায়,
খালেদা জিয়ার আমলানদ’ নির্য্যাতন চালেই যায়।
বিরানব্বইর দশ এপ্রিল, গরু চরান্যা বাঙাল এক্য কন্নামারি যিয়্যে,
এ ঘটনান কেন্দ্র গরি গন্ডগোল সৃষ্টি হ্য়্যে।
আনসার আ ভি.ডি.পি উনদোয় যোগ বদিনায়,
সেটলারউনে লোগাঙ গুচ্ছগ্রাম উউরে পড়িলাগ ঝাবেই।
মিলা, মরদ, গুর, বুড়, বাদনেই পেলে কাবদন,
যে ঘরানি মুজুঙে পাদন আগুন বাঝেই দেদন।
গুচ্ছগ্রামদ ঘর এল’ পাচশত’ উপর,
কানচাবা কুরে আর্মি ক্যাম্প, তারা ঘিরা ভিদর।
জুম্ম কাবিলাগ বাঙালুনে, মানা ন’ গরিলাগ,
শতাশতি জুম্ম সিয়ত কাবা খেই মরিলাগ।
দ্বি দিন পরে বিজু। সে আনন্দ জাগাত
শোক মিছিল বার গরিলাগ খাগড়াছড়ি সদরত।
জুম্ম জাতর এই দুগ্গ, মর্ম বেদনায়,
বিজু বাদ দি জুম্মউনে বিক্ষোভে ফাদি যায়।
স্থানীয় সরকার পরিষদর তিন্ন চেয়ারম্যান,
এক সমারে লোগাঙ হত্যা নিন্দা জানেই বিবৃতি দ্যন।
পাহাড়ি গণ পরিষদ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, যত সংগঠন,
বেক্কুনে ইয়ানর নিন্দা জানেই, বিচার বিভাগর তদন্ত দাবী জানেয়্যন।
বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা লোগাঙত এঈ,
গুচ্ছগ্রামর পুড়ি যিয়্যা ধ্বংস যজ্ঞ নিজ চোগে দেঈ
হত্যাকান্ডর তীব্র নিন্দা গরি, নিরপেক্ষ তদন্তর দাবী জানান,
সে সমারে আর’ দাবী হিলট্রেকসর রাজনৈতিক সমাধান।
২৮ তারিখ পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়িত্তুন লংমার্চ গরি যেই,
লোগাঙত পূণ্যকর্ম গরি দ্যন দৈ মরি যিয়্যা স্বজনউনর উদিসেই।
লোগাঙ গণহত্যার খবর মিডিয়ায় প্রচার অৈ গেল’
প্যারিস কনসোর্টিয়াম বৈঠকত হিলট্রেকস লৈ বাংলাদেশরে শর্ত দিল’।
পার্বত্য চট্টগ্রামত যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রমাণ হ্্য়,
দাতা দেশশানিয়ে বাংলাদেশরে আর সাহায্য দিদ’ নয়।
সারভাই বাল ইন্টারন্যাশনেল লোগাঙ হত্যার প্রতিবাদ গরি,
লন্ডনর বাংলদেশ হাইকমিশনার অফিস ফেলিলাগ ঘিরি।
বিক্ষোভ সমাবেশ হ্ল’ স্মারক পত্র দিল হাইকমিশনরে,
বারশত মানুষ গণ হত্যার শিকার হয়্যন- তারা দাবী গরে।
দেশে বিদেশে দাবী আর প্রতিবাদত চাপে পড়ি
জাষ্টিস সুলতান হোসেন খানরে এক সদস্যর কমিটি গঠন করি
তদন্ত চালেবার ঘোষণা দেয় সরকারে,
সে তদন্তর রিপোর্ট কিন্তু কন দিন প্রকাশ ন’ গরে।
লোগাঙ জুম্ম গণহত্যা ঘাটি যানার পরেপরে,
বাংলাদেশর বাম রাজনীতিবিদউনর দৃষ্টি পড়ে হিলট্রেকস’ উউরে।
হিলট্রেকসর সাংবাদিকউন আর্মি নিয়ন্ত্রণে থায়,
বাংলাদেশর মানুষষুনেঅ আসল খবর ন’ পায়।
লোগাঙ’ গণহত্যা যেক্ষে প্রকাশ অৈ গেল’
বিবেকবান বাঙালুনর’ মন কানি উদিল’।
প্রগতিশীল রাজনীতি যে দলউনে গরন,
হিলট্রেকসর মূল সমস্যা তারা বুঝি পারন।
সে দলউনে এগত্তর অৈ সভাসেমিনার গরি
হিলট্রেকসর ন্যায্য দাবী তারা তুলদন ধরি।
১৯ মে বিরানব্বই। এক্য জুম্ম মিলারে তস্যা লাগাল্লায়,
কলেজ গেইদ’দ বাঙাল এক্য জুম্ম পুঅত্তুন মেইর খায়।
তারপর’ দিন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ’ অনুষ্ঠান এল’,
বাঙালুনে যোগ বদিনায় সিধু হামলা চালেল’।
হামলা চালেই বাঙালুনে জুম্ম এলাকাত যেই
শত খানিক ঘর জ্বালেই দিলাগ দেগতে দেগতেই।
রাঙামাত্যা সদর শহর জেলা হেড্্ কোয়ার্টার,
প্রশাসন’ নাগ গোড়াত ইয়ানি ঘটি যার।
বিশ জুলাই বিরানব্বই, চিটাগাঙ’ জিও.সি.আজিজুর রহমান
তা অফিসত ডাকে এক্কান প্রেস কনফারেন্স।
হিলট্রেকসর আর্মি নীতি দেশবাসী রে জানাল্লায়,
সম্মেলনত জি.ও.সি. সাংবাদিকউনরে কয়,-
“হাত্যার নেইয়্যা কন’ জুম্মরে গ্রেপ্তার ন’ গরিবঙ,
ন’ হব’ আর তারা উউরে কন’ নির্য্যাতন।”
জি.ও.সি.এ এধক্যা কধা যদিও বা কঈ থায়,
হিলট্রেকসত আর্মি উনে তা কধা ন’ রাঘায়।
জুম্ম ঘরত আগুন দেনা, মার দাঙ্গা যেদক্কানি কাম হ্য়্যে,
সে পিছেন্দি আর্মিউনর যোগ সাজস রয়্যে।
অক্টোবর’ তের তারিখ, উনিশ শ বিরানব্বই সন,
সেদিন্যা এল’ ছাত্র পরিষদ’র দিঘিনালা থানা কমিটি গঠন।
আর্মি মদদে গঠন গজ্যা দ্বি বা ভুইফোড় সংগঠন,
সে তারিখ্য চেঈ আেশ গরি তারা হরতাল ডাক্যন।
আলোচনা সভাদ ঝাবেই পড়িলাগ ভীষণ হামলা গরি,
ভরদ্বাজ নাঙে এক্কুঅ জুম্ম হামলাদ গেল’ মরি।
মেই্্র’র চোটে আহত হ্লাগ আর’ বহুত জন
ছাত্র নেতা ছ’ জনরে বানি কোর্টত চালান দ্যন।
পনর অক্টোবর পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ঢাকয়
দিঘিনালা হত্যার নিন্দা জানেই প্রতিবাদ সভা বসায়।
তদন্ত কমিটি গঠন গরি দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি চায়,
সে সমারে ছয় ছাত্র নেতার ঝাদিমাদি মুক্তির দাবী জানায়।
এই ঘটনাদ খাগড়াছড়িত বড় ঝড় বৈ, যায়,
গোটা জেলাবুঅদ বেইশ তারিখ সঙ কার্ফ্যু জারি গরিথায়।
নান্যারচড় বাজার ঘাটর যাত্রী ছাউনীয়ান,
আর্মিউনে অন্যায় ভাবে দখল গরি থান।
শতাশতি যাত্রী নিত্য সিয়দ এঈ বসন,
টাইম মুজিম গাড়ি কিম্বা নৌকা লঞ্চত উদন।
আর্মিউনে যাত্রী ছাউনী দখল গরাল্লায়,
যাত্রীউনে রোদত ঝরত কদগ কষ্ট পায়।
তিরানব্বইর সতর নবেম্বর সেদিন্যা হাট বার,
ছাত্র পরিষদে মিছিল ডাগিল চেঈন্যার ইয়ানর প্রতিকার।
এ কারণে আর্মিউনে রাগি জ্বলি গেলাগ,
সেটলার বাঙাল জুটেই লৈন্যায় ঝাবেই পড়িলাগ।
হাটর দিন তাল মানুষ বাজারদ মিল মরদ গুর’
মারা ধরিলাগ এক চেটিয়া ন’ চান মিলা ন’ চান বুড়’।
চল্লিশ জন মরিলাগ, গুম অৈয়ন চুয়াত্তর, তাল মের খেলাগ
গণ তান্ত্রিক অধিকার’র প্রতিফল দেগেলাগ।
পচানব্বইযর চৌদ্দ মার্চ বান্দরবান শহর,
পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ’ মিটিং চলের বিশেষ অনুষ্ঠানর।
পুলিশ, বি.এন.পি.কর্মী আ বাঙালী সম অধিকার
এক সমারে হামলা চালেই অনুষ্ঠান গরিলাগ ছারখার।
মারি, পিটি, রুগ্যা বানেই, মিটিং বন্ধ গরি দ্যন।
তার পরেন্দি জুম্ম পাড়া তিনান জ্বালেই দ্যন।
নির্যাতন’ সে দুগ কধা এঝ স্মরণ গরন
সে তারিখ্যত বান্দরবানত “কালোদিবস” পালন।
অন্যায়র বিরুদ্ধে সোচ্ছার প্রতিবাদী কন্ঠস্বর,
কল্পনা চাঙমা, নেত্রী এক্য হিলউইমেন ফেডারেশনর।
কাচলঙ বাগেইছড়ি এলেকা লাল্যাঘোনা আদাম,
গুণ রঞ্জন- বাধুনির এক্য মিলাপুঅ কল্পনা তার নাঙ।
কালিচরণ আ ক্ষুদিবাম দ্বিভেই, লেগাপড়া শিগি ন’ পান,
আদর’র বোন্নরে তারা যত্ন গরি লেগা শিগাদন।
চিগনত্তুন ধরি মন দড়, দোলে পাশ গরে,
কাচরঙ কলেজত ইক্ষে ডিগ্রি ক্লাশত পড়ে।
জুম্ম জাতর এ দুরাবস্থা অস্বাভাবিক জীবন,
ইয়ানিয়্যে তারে গড়ি তুল্যে রাজনৈতিক সচেতন।
হিলট্রেকসর জুম্ম জাতর মিলাউনর রাজনৈতিক সংগঠন,
সাংগঠনিক সম্পাদক তে,- হিলউইমেন ফেডারেশন।
খুব দোল কর্মী তে, মনযোগ দি কাম গরে,
অন্যায়রে কন দিন তে মানি নি ন’ পারে।
জুম্মউনরে সেটলার বাঙালর অন্যায় নির্যাতন,
প্রতিবাদ গত্ত যেই বাধা হল’ সেনা প্রশাসন।
লেফটেন্যান্ট ফেরদৌস কজোইছড়ি ক্যাম্প কমেন্ডার,
এই নিন্যায় কধা কাটাকাটি চলে কলেজছাত্রী কল্পনার।
কল্পনার কধার যুক্তিত ফেরদৌস এ ন’ পারিল’,
এ কেনা আন মনর মধ্যে বানি রাঘেল’।
বার জুন,ছিয়ানব্বই, রেইদ সম্ভাগত,
কল্পনা দাগির ঘরান ঘিরা দ্যন লাল্যাঘোনা আদামত।
কালি চরণ আ ক্ষুদিরামরে নাঙ ধরি ডাগিলাগ,
দুয়ার ভাঙি ঘরত সোমেই ক্ষুদিরামরে বানিলাগ,
ক্ষুদিরামে টিপবাতি ফরদ ফেরদৌসরে চিনিল,
ভি.ডি.পি নুরুল হক আ ছালেহ আহমদরে দেগিল।
ব্বারে আনি ক্ষুদিরামরে চোগবানি দিলাগ,
ঘরত্তুন কদ্দুর দূরত পানি ঘাটত আনিলাগ।
কতক্ষণ পরে কালি চরণ আ কল্পনারে সিধু আনিল,
ক্ষুদিরামরে হ্াদু পাড়ি পানিত ববার কল।
ফেরদৌসে আর্মি এক্যরে ফায়ার’র হুগুম দিল’
ইয়ান শুনি ক্ষুদিরামে কাচলঙত ঝাম দিল।
বন্দুক গুজরিল, কালি চরণে অ ধাবা দিল’
“দাদা দাদা” ডাক সারিনায় কল্পনা কানিউদিল।
ধাবা দেদে কালিচরণে বোন’ ডাক্ক শুনি পেল’,
বোন্নরে বাচেবার তে কিচ্ছু গরি ন’ পারিল’।
সিত্তুন ধরি কল্পনার কন’ খবর নেই,
ক্যাম্পত নেই, থানাত নেই, কন’ কিত্যাত নেই।
কল্পনার অপহরণ মর্মান্তিক বিষাদ ঘটনা,
হিলট্রেকসর জুম্ম জাতর ন’ ফুরিয়া অন্তর বেদনা।
হিলট্রেকসর জাগায় জাগায় প্রতিবাদ হল,
ঢাকার সুশীল সমাজ ইয়ানরে নিন্দা জানেই দিল।
আটাইশ জুন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ
কল্পনার উদ্ধার দাবী জানেই মিটিং ডাকে বাগেইছড়ি শহরত।
গণতান্ত্রিক অধিকারর কন্ঠরোধ গরি
মিটিং চলদে আবাদা গরি বন্দুক উদিল গুজুরি।
বৃটিশ আমলদ জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকান্ড ধক,
মিটিং চলদে বাংলাদেশ আর্মি জুম্মরে গুলি চালেলাগ।
চত্রভঙ্গ অৈ গেল’ মিটিং, যিন্দিপারে ধাবা দিলাগ,
পরেন্দি এঈ রূপম, মনতোষ দ্বিজন ছাত্রর লাশ পেলাগ।
আর’ বহু জন নিখোঁজ রৈয়ন, তারা লাশ পা ন’ যায়,
সিউনর লাশ গুম গরিয়্যন ইয়ানই মনে হ্্য়।
কল্পনা ট্রেজেডি বাংলাদেশ আর্মির কলঙ্ক কাম
এ কলঙ্ক কধা ছড়ি পড়ি যিয়্যে সারা বিশ্বআন।
একদাগি সাংবাদিক কল্পনা ঘরত তালাশ গরিদাগ যেই,
কল্পনার লেখা ডায়েরী এক্কান আনিলাগ লিগিনেই।
কল্পনার মনর চিন্তা ভাবনা রাজনীতি দর্শন
তার লেখা ডায়েরী, বই আকারে গজ্যন প্রকাশন।
উনিশ’শ বিরানব্বই সনত বেগম জিয়া ভারত সফর যায়,
প্রধানমন্ত্রী নরসিংহারাত্ত ইদু শরনার্থীউন আনিদ খাম খায়।
সে বছর জুলায় মাসত কেন্দ্রীয় সরকারে
ডিসেম্বর ভিদিরে শরনার্থীউন পাঠেবার নির্দেশ দেয় ত্রিপুরা সরকার’রে।
সে সমারে আর’ নির্দেশ হ্্য়,
সে ভিদিরে ন’ গেলে গৈ রেশন দেয়্যা আর হ্্দ’ নয়।
ভারতর এ ঘোষণানত নানা কিত্যাত্তুন চাপ এল’,
শেষ পর্যন্ত ইচ্ছা বিরুদ্ধে ন’ পাঠেব’ বিলি খাম খেই পেল’।
উনিশ’শ তিরানব্বই মে মাসত যোগাযোগমন্ত্রি অলি আহম্মদ,
উচ্চ পর্যায়ের দললৈ শরনার্থী আনদ’ যিয়্যে ভারতদ।
প্রতিনিধি দলে শিবিরানি ঘুরি দেগিল,
জুন আট্য তারিখত্তুন ধরি শরনার্থী ফিরিবার চুক্তি হ্ল’।
শরনার্থী কল্যাণ কমিটিয়ে তেরআন দাবী জানেয়্যন,
মন্ত্রি অলি আহম্মদরে স্মারক লিপি দ্যন।
দাবী শূরনর কন অঙ্গিকার সরকারত্তুন ন’ পেইন্যায়,
ঠিগ সময়ে শরনার্থী এঝানা আর ন’ হ্্য়।
বার জুলায় তিন এম.পি.লৈ রাশেদ খান মেনন,
ত্রিপুরা শরনার্থী শিবিরত হ্্য় আগমন।
শরনার্থী দাবী পূরণ’ ফর্দ কমিটিরে দিল’,
আধ্যান্যা দাবী লৈ ফিরদে শরনার্থীউনে রাজী ন’ হ্ল’।
প্রতিনিধি উনে অনুরোধ গরিলাগ কল্যাণ কমিটিরে,
দেশত যেইন্যায় চেঈ এবাল্লায় অবস্থা সরেজমিনে।
উপেন বাবু শরনার্থী নেতা এক্য দল লৈ,
সেপ্টেম্বরত খাগড়াছড়ি এঈ ঘুরি এল’ গৈ।
তারা সমারে ছ’জন ভারতর কর্মকর্তা অ ঘুরি গেলাগ,
ভাল মন্দ যা দেখ্যন সিয়ানি রিপোর্ট দিলাগ।
ত্রিপুরার গভর্নর রমেশ ভান্ডারী
বার বার চাপ দের শরনার্থীউনরে, দেশত যেবার ফিরি।
চুরানব্বইর জানুয়ারী রামগড় শহ্্রত
শরনার্থী বিষয়ে আলোচনা হ্ল’ তিন পক্ষ বৈঠকত।
শরনার্থী নেতা উপেন্দ্র লাল গরিল ঘোষণা,
পরীক্ষা মূলক চেরশত পরিবার হব’ দেশত পাঠানা।
তারা যদি নিরাপত্তা, সহায় সম্পত্তি, জমিজমা ফিরি পায়,
অন্যউনত্তুন’ দেশদ ফিরানা কন’ বাধা ন’ খায়।
সে বছর ফেব্রুয়ারী শরনার্থী পত্তমদল দেশত ফিরি এলাগ,
পরবর্তী জুলায়’দ দ্বিতীয় দল যেবাগ ঠিগ গরিলাগ।
এ ভিদিরে খবর হ্ল’ সুবিধা ঠিগ ন’ পান,
অনেকে নিজ’ ঘর’ ভিদাত’ যেই ন’ পারন।
পচানব্বইর ফেব্রুয়ারী উপেন বাবু ভারতর কর্মকর্তা লৈ ঘুরি গেল’,
শরনার্থীর দাবী নামা অনেক অপূরণ দেঈ পেল’।
মার্চ মাস’ মধ্য ভাগত তাকুম বাড়ি বৈঠক হ্ল’
দাবী বেক্কানি পূরণ ন’ হ্লে ন’ যেবাত্যায় ঘোষণা দিল’।
বেগম জিয়া জে.এস.এস. তথা শান্তিবাহিনী লৈ আলোচনাল্লায়,
হংসধ্বজ বাবুরে প্রধান গরি যোগাযোগ কমিটি বানায়।
যোগাযোগ কমিটি জে.এস.এস. লৈ বৈঠক করে,
জে.এস.এস. অ কধানি সরকার’ ইদু তুলি ধরে।
জে.এস.এস. লৈ সরকার’র আলোচনাল্লায়,
সংসদীয় আলোচনা কমিটি এক্য গঠন গরা হ্্য়।
যোগাযোগ মন্ত্রি অলি আহম্মদ’রে প্রধান গরি,
আট্যজন এম.পি লৈ সংসদীয় কমিটি হ্ল তৈরি।
যোগাযোগ কমিটির ব্যবস্থাপনায়,
সরকার লৈ জে.এস.এস.’র সাত্তান বৈঠক হ্্য়।
পয়লাআন বাদে ছ’আন বৈঠক খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসত হয়,
সাংবাদিক যিয়্যন সিয়ানিদ খবর যোগেবাল্লায়।
জে.এস.এস.নেতা জে.বি.লার্মা বৈঠক ভাঙার পর,
সাংবাদিকউনরে প্রশ্নআনির দি পেদ’ উত্তর ।
সংসদীয় কমিটির নেতা অলি আহম্মদ,
সাংবাদিককুনরে জানেই পেদ’ সরকারর মতামত।
জে.এস.এস.র মূল দাবী পাঁচ দফা সংশোধন গরিনায়,
আঞ্চলিক পরিষদ বলা গণতান্ত্রিক স্বায়ত্বশাসন চায়।
এ বিধানান সংসদ’ত পাশ গরি থেলেয়্য,
খামাক্কায় গরি সংবিধানদ বিধি বদ্ধ অৈ পেব’।
জিয়াউর রহমান আ হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ,
তারা দুঅজনে এলাগ সামরিক প্রশাসক।
রাজনীতি দল বানেন্যায় নির্বাচন দিলেয়্য
ক্ষমতাদ যান তারা কারচুপি গরিন্যায়।
এরশাদ’ দুর্নীতিয়ানি খালেদা জিয়া আমলদ’ থেই যায়,
উপনির্বাচনানিদ নানা দুর্নীতি ধরা পড়ি থায়।
খালেদা জিয়ার এক তরফা নির্বাচন আওয়ামী লীগ ন’ মানিল’,
আন্দোলন চাপে তত্বাবধায়ক সরকার মানি নি পেল’।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(১১)
তত্ববধায়ক সরকার বিল পাশ গরি খালেদা জিয়া ঘরি গেল’,
জাষ্টিস হাবিবুর রহমান তত্বাবধায়ক সরকার’র প্রধান হ্ল’।
ছিয়ানব্বইর জুন মধ্যে নির্বাচন হ্ল’,
নির্বাচনত ভোট পেই আওয়ামী লীগ জিদিল’।
গেল্লে বারর তিন এম.পি. তিনান জেলাত দাড়েয়্যন,
আওয়ামী লীগ’ টিকিটতোয় তারাঅ জয়ী হ্্য়্যন।
পনর আগষ্ট ছিয়াত্তর’ত ঘরবুঅ সুদ্ধ বঙ্গবন্ধুরে মাজ্যন,
হাসিনা লৈ রেহানা ব্বারে থানায় সেক্ষে পরানে বাচ্যন।
হাসিনা থায় দিল্লি, রেহানা থায় লন্ডন,
আওয়ামী লীগ চালে বাল্লায় হাসিনারে আন্যন।
বাকশাল যেক্ষে গড়া অৈয়ে ব্বেগ রাজনৈতিক দল বন্ধ অৈ পিয়্যে,
জিয়াউরে নির্বাচন দেদে দলউন খুলি দিয়্যে।
আওয়ামী লীগরে পরিচালনা গরানাল্লায়
এরশাদ আমলত আন্যন ডাকি হাসিনারে বাংলায়।
শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সংগঠন গরিল’,
এরশাদ সরকার’র বিরোধী দলর ভূমিকা নিল’।
মুক্তি যুদ্ধদল আওয়ামী লীগ অনেক বছর পরে,
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবার ক্ষমতা লাভ গরে।
হিলট্রেকসর সমস্যা সমাধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এল’,
ক্ষমতাত এঈ শেখ হাসিনা সিয়ান হাদ’দ নিল’।
শরনার্থী নেতা উপেন্দ্র লাল চাঙমারে ডাগি আনিল’,
শরনার্থীর কুড়িয়ান দাবী হাসিনা মানি নিল’।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি মানি নেযানায়
উপেন বাবু খুশী অৈ ত্রিপুরাত ফিরি যায়।
ফিরি যেইন্যায় উপেন বাবু ত্রিপুরা সরকার লৈ
শরনার্থী দেশত ফিরার চুক্তি গরে গৈ।
উনিশ শ সাতানব্বই সনর আটাইশ মার্চত্তুন ধরি,
শরনার্থীউন দেশত ফিরি যেবাক তপ্পে তপ্পে গরি।
ভারত বাংলা দ্বি সরকারে উদ্যোগ নেযেলাগ।
দলে দলে শরনার্থীউন দেশে ফিরি এলাগ।
ভারত ত্রিপুরার দগিন সীমানা হ্্য় ফেনী গাঙ,
ফেনী পাড়ত বাংলাদেশর অভ্যর্থনা ক্যাম্প।
শরনার্থী পরিবারউন ক্যাম্পত উদিবাগ,
সিয়দ তারা এক মাসল্লায় রেশন পেই যেবাগ।
টেঙা পেবাগ একুশ হ্াজার ঘর’ খরচ’ল্লায়,
সে সমারে আর’ সাত হ্াজার গাভী কিনাল্লায়।
ভূমিহীন পরিবার যিউন যিউন থান,
ছাগল কিনার তিন হ্াজার টেঙা তারা পান।
সিত্তুন ধরি গাড়িত গরি যা এলেকাত তারে,
বোয়েই আনি রাঘি যেব গৈ বাংলাদেশ সরকারে।
সাতনব্বই’র মার্চত্তুন ধরি আটানব্বই’র জানুয়ারী সঙ,
ষেট হ্াজার শরনার্থী দলে দলে দেশত ফিরি এস্যন।
আট বছর’ নীচে যিউন আধা রেশন পান,
তা উউরেন্দি ফুল রেশন কুড়ি কেজি দ্যন।
শরনার্থী রেশন কার্ড আঘে পত্তি পরিবারে
নিয়মিত রেশন দ্বি যার সরকারে তারারে।
হিলট্রেকসর রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানল্লায়
শেখ হাসিনা ক্ষমতাত এঈ জোর তৎপরতা চালায়।
চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লারে চেয়ারম্যান গরিন্যায়
জাতীয় সংলাপ কমিটি এক্য সংসদত্তুন বানায়।
যোগাযোগ কমিটি হংসধ্বজ চাঙমা যোগাযোগ গরি দিল’
সে বছর ডিসেম্বরত খাগড়াছড়ি বৈঠক বসিল।
বৈঠকত ঠিগ হ্ল’ পরবর্তী বৈঠক খানি
ঢাকাত বঈন্যায় ঠিগ গরা হ্ব’ আলোচনা বেক্কানি।
পর পর ছয়আন বৈঠক ঢাকাত বঈন্যায় অয়্যে,
আলোচনাত দাবী দাবা ঠিগ গরা যিয়্যে।
আলোচনা ভিত্তি গরি শান্তি চুক্তি তৈরি হ্ল’,
দুই ডিসেম্বর সাতনব্বই চুক্তি সাক্ষর’র দিন বল’।
শেখ হাসিনা, মন্ত্রি সভার সদস্যউন, কূটনীতিবিদ,
উচ্চ পদর সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তাউন বেক্কুন উপস্থিত।
সরকারর পক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ চেয়ারম্যান জাতীয় কমিটি,
জে.এস.এস পক্ষে জে.বি.লার্মা-চেয়ারম্যান জন সংহতি সমিতি।
পাশাপাশি দ্বি টেবিলত বঈ দস্তখত দিলাগ,
আউজর পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন গরিলাগ।
পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাংলাদেশর এক্য ঐতিহাসিক দিন,
হিলট্রেকসর সমস্যাআনি এবার হ্বনি বিলীন?
পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন গরানাল্লায়
তিন পার্বত্য জেলা সংশোধনী জেলা পরিষদ বিল সংসদ’ ত যায়
সে সমারে আঞ্চলিক পরিষদ গঠন বিলঅ উত্থাপন হ্্য়।
জাতীয় সংসদ’ ত এ চেরবুঅ বিল পাশ অৈ যায়।
নিয়ম মুজিম বিল ইউন রাষ্ট্রপতি ইদু গেল,
আটানব্বইর মে মাসত রাষ্ট্রপতি সাক্ষর দি অনুমোদন গরিল’।
জাতীয় সংলাপ কমিটিত বি.এন.পি.র দ্বিজন সদস্য এলাগ,
তারা কিন্তু কন’ বৈঠকত যোগ ন’ দিলাগ।
খালেদা জিয়া পত্তমত্তুন ধরি ইয়ানর বিরোধীতা গরে,
চুক্তি হ্লে ভারতে নি যেব’ গৈ হিলট্রেকসরে।
বাংলাদেশর দশ ভাগর একভাগ হিলট্রেকসর পরিমাণ,
চুক্তি হ্লে বাংলাদেশে হ্ারেব’ এ জাগাআন।
আটানব্বই দশ ফেব্রুয়ারী জে.এস.এসর হ্াত্যার গোঝনা দিন এল’
সে দিন্যা বি.এন.পি চট্টগ্রাম বিভাগত হরতাল ডাগিল’।
খাগড়াছড়ি স্টেডিয়াম হ্াজার হ্াজার মানুষ থুুবেয়্যন,
শেখ হাসিনা, মন্ত্রীসভার সদস্যউন, দেশ বিদেশর কূটনীতিবিদ, সাংবাদিক এস্যন,
সে জন সভাত প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ইদু জে.বি.লার্মা হ্াত্যার গোঝে দিল,
তা পরে পরে এক একজন গরি আর’ সাতশ’ জনে হ্াত্যার জমা দিল।
আবাদা গরি দেগা গেল’ স্টেডিয়াম’ ভিদিরে,
এক দাগিয়ে কালা কাপড় তুলি ধজ্যন উউরে।
এক দাগিয়ে “দুল” টাঙি বুয়ারত দুলাদন,
পিনন ফাদা টাঙি দিন্যায় টিটকার জানাদন।
আ এক দাগি লাম্বা ব্যানার ধরিনায় থায়,
লেগা এক্কান আঘে সিয়দ “পূর্ণ স্বায়ত্ব শাসন চাই”।
হিলট্রেকসর শান্তিল্লায় চুক্তি গরা যিয়্যে,
এ চুক্তি লৈ সুখী ন’ হ্ন, আঘন ন’ মানিয়্যে।
এ ছাড়াঅ আর’ তিন দাঘি হ্াত্যার গোঝেই দ্যন,
রাঙামাত্যার বাঘেইছড়ি স্বুল মাঠ আ দিঘিনালার বড়াদম।
শেষ’ দল্ল’ আটেশ তারিখ দুধুগছড়া মাঠত,
দিলাগ গোঝেই হ্াত্যারানি সরকার’র হ্াদত।
জে.এস.এসর আর্মস ক্যাডার শান্তিবাহিনী আড়াই হ্াজার জন,
হ্াত্যার ছাড়ি ফিরি এলাগ স্বাভাবিক জীবন।
পত্তি শান্তিবাহিনী এ টেঙা পেল পঞ্চাশ হাজার,
তা বাড়া নিয়ম মুজিম সরকারে রেশন চালার।
কয়েক শত শান্তিবাহিনীরে সরকারে ট্রেনিং দিন্যায়,
বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগত কর্মসংস্থান গরায়।
খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামত জে.এস.এসএ হ্াত্যার গোঝানা পরে,
বিরোধী দলীয় নেতা বেগম জিয়া ইয়ানরে প্রত্যাখান গরে।
আওয়ামী লীগর শান্তি চুক্তি প্রতিবাদ গরিনায়,
বি.এন.পি.এ খাগড়াছড়ি সঙ লংমার্চ করায়।
বিরাট গড়ি বহর লৈ বেগম খালেদা জিয়া
ঢাকাত্তুন খাগড়াছড়ি এঈ জানায় তার প্রতিক্রিয়া।
শান্তি চুক্তির এক্কান দাবী পার্বত্য চট্টগ্রামল্লায় মন্ত্রি একজন,
শেখ হাসিনা বসেল গদিত চাঙমা এম.পি.শ্রী কল্প রঞ্জন।
নুঅ এক্কুঅ দপ্তর হ্ল’ হিলট্রেকসল্লায়,
জুম্মউনে আউস গরি পরিবর্তন বাস্যেই থায়।
বাংলাদেশত পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন গরানায়
দ্বি যুগর যুদ্ধ বিগ্রহ অশান্তি বন্ধ অৈ যায়।
শান্তি প্রিয় জুম্মউনে দুর্যোগ আ অশান্তি জীবন
ক্যিঅ জনে কায়মনে কন’ দিন কামনা ন’ গরন।
নিজ দেশত ফিরি এঈ শান্তি চুক্তি অৈ ন্যায়,
দুগ্গানিরে ঝারি ফেলেই স্বস্তির নিশাচ ফেলায়।
হিলট্রেকসর বিরোধ’ রে ভুল বুঝি যেইন্যায়।
বাংলাদেশ সরকারে কাটা দি কাটা খুয়েদ’ চায়।
হিলট্রেকসত সামরিক অভিযান যেই চালেদ’ গেল’
বিরাট খরচর ঝুকি মাধাত তুলি নিল’।
দিনে নাকি দ্বি কোটি টেঙা যুদ্ধ ব্যয় হ্্য়,
গরীব বাংলাদেশর ইয়ান মস্ত অপচয়।
সে সমারে দুঅ দাগির মানুষ মারা যাদন,
বাংলাদেশে নিত্য গরের মানবতা লংঙ্ঘন।
আন্তর্জাতিক এই চাপ বাংলাদেশ’ল্লায়
দাতা দেশর সাহায্য আনি বন্ধ অদ’ চায়।
আওয়ামী লীগে ক্ষমতাদ এঈন্যায় হাসিনা সরকারে
রাজনৈতিক ভাবে হিলট্রেকসর সমস্যা মিটমাট গরে।
এ কারণে শেখ হাসিনা জে.বি.লার্মা দ্বিজনে মিলিনায়,
উনিশ শ আটানব্বইত ইউনেসকো শান্তি পুরস্কার পায়।
জাতিসংঘ অনুমোদিত ইউনেসকো শান্তি পুরস্কার,
নোবেল প্রাইজত্তুন গুরুত্ব কন’ অংশে কম নয় তার।
এক রাষ্ট্র এল” একদিন পূর্ব আ পশ্চিম পাকিস্তান,
অধিকার আদায়ল্লায় দেশ ভাঙি হ্ল’ ছত্রসান।
পূব আ পছিমর এল’ ভূগৌলিক ব্যবধান
ভাষা আ নৃতত্বর’ এল’ ফারক ভজমান।
পছিমাউনে বাঙালুনরে শোষণ গরি থান,
ন্যায় ভিত্তিক সমান তুলবিস কন দিন ন’ গরন।
সে কারণে বাঙালুনে যুদ্ধ চালেই যায়,
নয় মাসে যুদ্ধত দেশ স্বাধীন অৈ যায়।
হিলট্রেকসান বাংলাদেশর সীমার ভিতর
জুম্ম আ বাঙালর অবস্থান হ্াজার বছর।
বাংলাদেশর মুক্তি যুদ্ধত জুম্ম অবদান,
কন’ কিদ্যাদি বাঙালুনত্তুন নয় বেচকম।
এ দেশর সংবিধানত স্বীকৃতি ন’ জানায়,
সে বাদেঅ আমারে বাঙাল বানে নেযানায়।
নিয়ম তান্ত্রিক প্রতিবাদে ফল ন’ হ্নায়
জে.এস.এসএ বাধ্য অৈ হ্াত্যার ধরি পায়।
জুম্মউনরে দোঙেবাল্লায় সরকারে কু চক্রান্ত গরি,
আমাত্তুন বেচ বাঙাল আনি হিলট্রেকস দেয় ভরি।
চব্বিশ বছর যুদ্ধ গরি জে.এস.এসএ শান্তি চুক্তি গরিল’
হিসাব গরি চ’ ইক্ষে কি লাভ কি ক্ষতি হ্ল’?
নয় মাস যুদ্ধ গরি ত্রিশ লাখ পরাণ দ্যন,
সাত কোটি বাঙালত্তুন শতকরা ৪,৩ জন মরিযিয়্যন।
হিলট্রেকসত যুদ্ধ চল্যে চব্বিশ বছর সঙ,
কমপক্ষে ত্রিশ হ্াজার জুম্ম হামাক্কায় মজ্যন।
ছয় লাখ জুম্ম মধ্যে যুদ্ধ মৃত্যু হার
শতকরা পাঁচজন হিসাবে পা যায়।
সাত কোটি বাঙালত্তুন এক কোটি শরনার্থী যিয়্যন
শতকরা ১৪.৩ জন শরনার্থী অৈয়্যন।
চৌষট্টি হাজার শরনার্থী দেশছাড়ি যেই
এক যুগ কাদেই এলাগ ভারত’ত থেই।
তারার দ্বিগুন উদ্বাস্ত অৈ দেশ ভিদিরে রৈয়্যন,
মানবেতর জীবন কাদেই কত কষ্ট পিয়্যন।
শতকরা বত্রিশ জন জুম্ম নিজ আদাম ছাড়ি
যুদ্ধ আমল কাদেই দিলাগ কি যে দুখ গরি!
মিলা ইজ্জত হ্ারানা কধা ইয়দ ন’ তুলি লুঙ
ধুগ গিলিন্যায় সে দুগ্গান ভুলি যেবার চেলুঙ।
নয় মাস যুদ্ধ গরি বাঙালুনে পাকিস্তানরে হ্দেয়্যন,
বাংলাদেশ নাঙে এক্কান নুঅ দেশ পেই যিয়্যন।
দেশল্লায় বাওতা এক্কান, আর’ সংবিধান
রচনা গরি সার্বভৌমর গল্লাগ প্রমান।
ছয় লাখ জুম্ম দশকোটি বাঙাল লৈ অধিকার সংগ্রাম
চালেই গেলঙ লাগদিগলী চব্বিশ বছর সঙ,
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিত বাংলাদেশে কি দিল’ জুম্মউনরে?
এরশাদর তিন পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ নাঙ বদলেই
তিন্ন সংশোধিত পার্বত্য জেলা পরিষদ
আ পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ বিল পাশ গরে।
পার্বত্য শরনার্থী আ আভ্যন্তরীন উদ্বাস্তউন দিবার পুনর্বাসন,
শরনার্থী পুনর্বাসন টাস্ক ফোর্স এক্য গরিব’ গঠন।
বিতর্কিত জাগাজমি যিয়ানি বাঙালে কাড়ি নিয়্যন,
সমাধান গরিবাল্লায় হ্ব’ এক্য ভূমি কমিশন।
দ্বি একর’র নীচে যারা, আ ভূমিহীন জুম্মউনরে,
দ্বি একর গরি জমি দিব’ পত্তি পরিবাররে।
চুক্তি মুজিম জে.এস.এস’ সদস্যউনে যদি হ্াত্যার গোজেই দ্যন,
যদি তারা ফিরি এঝন স্বাভাবিক জীবন,
সীমান্তর বি.ডি.আর ক্যাম্প, তিন জেলার হেড্ কোয়ার্টার,
আলিকদম, রূমা আ দিঘিনালা সেনাগার
ইয়ানি বাদে হিলট্রেকসর যত ক্যাম্প, আর্মি স্থাপনা
চুক্তিত আঘে যত সম্ভব তাড়াতাড়ি ভাঙি আনানা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে তদারকল্লায়
জুম্মত্তুন এক্য মন্ত্রি দিব সরকারে খাম খায়।
খুটি নাটি অন্যকিছু প্রাপ্তি বাদ দিন্যায়
মোটা দাগে ইয়ানিই জুম্মউনে পায়।
জে.এস.এসে পাচ দফা দাবী যিয়ান গরি এ যের,
শান্তি চুক্তিত সে দাবীয়ানি ফুদি ন’ উদের।
যারা আমার ভাদ’ গবাস খেই ফেলে দেদন,
নিত্য নিত্য আমা ভুইয়ানি গ্রাস গরি নেদন,
যারার জবর দখলত হিলট্রেকসত অশান্তিয়ে থেই
সেই আগ্রাসী বাঙালুন ফিরে নেযানা কধা শান্তি চুক্তিত নেই।
তদা ভিদিরে বাস্যা হাড়বুঅ খুয়েই ন’ এল’,
শান্তি চুক্তি অৈ থেলেঅ অশান্তিয়ান রল’।
যেদক দিন সঙ ন’ হ্ব’ গৈ স্বাধিকার অর্জন
সেদক দিন চলিব’ যুদ্ধ, যারার এই মত’ দর্শন
সেই লাম্বা দল, এ ধক্যা চুক্তি লৈ কিয়া হ্াত্যার গোঝেইয়্যন?
সে চিন্তা জাগি উদিব’ পাঠকর মন।
এম.এন.লার্মা এল’ বামপন্থী সৈনিক একজন,
মার্কসর সাম্যবাদী দর্শন তা মনানরে গজ্যে উজ্জীবন।
লেলিনর নেতৃত্ব আর মাও সে তুঙর দীর্ঘ সংগ্রাম,
শোষণ মুক্ত শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠাত কিউবা, ভিয়েত নামা
চারু মজুমদারর পশ্চিম বাংলার নক্সাল বাড়ি আন্দোলন,
বাংলাদেশর সিরাজ সিকদার’র সর্বহারা সংগঠন,
রাঙামত্যা কমিউনিষ্ট পার্টি লৈ বার্মার কমিউনিষ্ট দলর সম্মেলন
নুঅ বুর্জোয়অ শাসক্কুনরে গরি দিয়্যে ভয়র সঞ্চারন।
দক্ষিণ এশিয়ার এই নেতাউন ভস নিয়্যে যেবত্যায়
আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এক্কান চলি যায়।
জে.এস.এসত অন্য নেতা যিউন যিউন রৈয়ন,
বাম পন্থী হ্লেয়্য তারা যুদ্ধত হ্্রান অৈয়্যন।
সম্মান জনক দাবী দাবা যদি পা যায়,
সরকার লৈ সন্ধির কধা তারা মনদঅ জাগি যায়।
জে.এস.এসর বাধি দল বঈ যানার পরে
সংলাপ কমিটি গরে এরশাদ সরকারে
উনিশ শ’ পঁচাশি সনর একুশে অক্টোবর
পয়লা বৈঠক বসে দি পক্ষ ভিতর।
এরশাদর পরে যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতাদ এদ’,
সে সময়দই জে.এস.এস. চুক্তি গরি পেদ’।
বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে যারা ক্ষমতাদ এস্যন
বি.এন.পি কি জাতীয় পার্টি, পাকিস্তানী নীতি নিয়্যন।
আওয়ামী লীগর ধর্ম নিরপেক্ষ তা ভারত’র ’ নীতি
সে কারণে আওয়ামী লীগ কৈ ভারতর সম্প্রীতি।
বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধত ভারতর অবদান
আওয়ামী লীগে কৃতজ্ঞতায় গরিব’ স্মরণ।
ছিয়ানব্বইত আওয়ামী লীগ যেক্ষে ক্ষমতাদ এল’
জুম্ম শরনার্থী আর জে.এস.এস.সমস্যার পধ খুলি গেল।
বিশ শতকর শেষ দশকত ঘটি গেল’ মআ অঘটন
পিত্তিমির পত্তম সমাজতন্ত্র সোভিয়েটর অৈ গেল’ পতন।
এ ঘটনাত মুক্তিকামী বামপন্থী সংগ্রামীর দল,
হতবাক অৈ গেলাগ, হারে লাগ তারার মনোবল।
ভারতর নির্দেশেই শান্তি চুক্তি অৈয়্যে,
যিয়্যান দিয়্যে সিয়ান দৈ মানি যেই পিয়্যে।
লাগ দীঘলি দ্বি যুগ সঙ যুদ্ধ চালেই গেলঙ,
জুম্মজাতে এ যুদ্ধত্তুন কি লাভ গল্লঙ?
এ যুদ্ধত জুম্মউন বেগে সচেতন অৈয়েই
নিজর ভিদিরে শক্তিয়ান আমি জানি যিয়েই।
বাংলাদেশর মানুষষুনে আমারে ন’ চিনিদাগ,
যুদ্ধ গত্তঙ যেন্যায় তারা আমারে জানিলাগ।
বাংলাদেশর হিলট্রেকসর কন’ পরিচিতি ন’ এল’
এই যুদ্ধত পিত্তিমিয়ে হিলট্রেকসরে জানিল’।
বাঙালী এক্য বড় জাত, চিগন জুম্ম জাতরে,
অন্যায় গরি মানবিক অধিকার হরন করে।
এ কধানি যেক্ষে বিশ্বত প্রচার অৈ গেল’
বিশ্ব বিবেক সোচ্ছার অৈ আমা পক্ষে নিল’।
আদিবাসী এ পিত্তিমিত যিদু যিদু আঘন
আমাত্যায় তারাঅ ব্বেগে বুক উজেই এঝন।
আদিবাসী মানুষষুনর ব্বেগ অধিকার
উন্নত বড় জাতত্তুন আর’ ফিরি পেবার
জাতিসংঘ নীতি মালাত আঘে অনুমোদন
বিশ্ব আদিবাসীউনে ব্বেগে সংগ্রাম গরি যাদন।
অসহবংঃু ওহঃবৎহধঃরড়হধষ, অহঃর-ঝষধাবৎু ঝড়পরবঃু,
ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ডড়ৎশ এৎড়ঁঢ় ভড়ৎ ওহফরমবহধড়ঁং অভভধবৎং,
ঈযরঃঃধমড়হম ঐরষষ ঞৎধপঃং ঈড়সসরংংরড়হ,
ইত্যাদি নানা নাঙর আন্তর্জাতিক মানবিক সংগঠন
হিলট্রেকসর জুম্ম জাতল্লায় কাম চালে যিয়্যন,
আন্তর্জাতিক বিশ্ব মানুষ আমারে জানি যিয়্যন।
ফিরি যেবঙ আমি আর’ মূল আলোচনাত,
সাতনব্বইর শান্তি চুক্তি আলোচনা সময়ত।
পাহাড়ি গণ পরিষদ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ আ হিলউইমেন ফেডারেসন,
হিলট্রেকসত এলাগ তিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন।
সরকার লৈ জে.এস.এসর সংলাপ আলোচনা পর্যবেক্ষন গরন,
জে.এস.এসর আপোষ মুখী মনোভাব তারা ধরি পারন।
সরকার লৈ জে.এস.এস.এ যদি আপোষ গরি থায়,
জুম্ম জাতর স্বাধিকার পানা আর আশা নাই।
রাজনৈতিক দল এক্কুঅ যদি বঈ যায়-
রাজনীতি মঞ্চত তে দেউলিয়া অৈ থায়।
প্রগতিশীল চিন্তাধারা যিউন যিউন এলাগ
তিন দল সদস্যউন একদিন থুবেলাগ।
সপথ নিবাগ তারা বেক্কুনে জুম্মজাতর এ আন্দোলন
স্বাধিকার ন’ পানা সঙ আমি চারেই যেবঙ।
সরকার আ জে.এস.এস. যে দিন্যা চুক্তি সাক্ষর গয্যন
তার পরদিন তিন দলে সে চুক্তি প্রত্যাখান দিয়্যন।
ঢাকাত টি.এস.সি. সড়ক দ্বীপত আগুন জ্বালিনায়,
শান্তি চুক্তির কপি তারা পুড়ি ফেলে দেয়।
খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামত জে.এস.এসএ যেক্ষে হ্াত্যার গোঝেই দেদন,
পূর্ণ স্বায়ত্ব শাসনর দাবী ব্যানার সিধু তুলি ধরন।
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ আ হিল উইমেন ফেডারেশন
এ ধক্যা গরি “মান্যা” “ন-মান্যা” দ্বি ভাগে ভাগ হ্ন।
শান্তি চুক্তি যারা মানন তারা জে.এস.এস-র অঙ্গ সংগঠন
ন’মানিয়া কর্মী উনে জে.এস.এস লৈ ফারক হ্্ন।
চুক্তি মানিয়াউনে জে.এস.এসরে দ্যন সম্বর্ধনা,
ন’মানিয়া বিরোধীউনে গরন ভর্ৎসনা।
ইয়ান নিন্যায় দ্বি দলে বিরোধ বাঝি গেল’
লাম্বা বাধির পুরান কুজ্যা যেন ফিরি এল’।
লাম্বা দলে এবার বাধি হ্ল’ চুক্তি গরিনায়,
আন্দোলন চালেবার সপথ নিলাগ চুক্তি ন’ মানিয়ায়।
আটানব্বইর ছাব্বিশে ডিসেম্বর ঢাকা শহরত,
পাহাড়ি গণ পরিষদ, হিল উইমেন ফেডারেশন আ ছাত্র পরিষদ,
ন’ মানিয়া সদস্যউনে ব্বেগে থুবেলাগ,
“ইউনাইটেট পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট” (ট.চ.উ.ঋ) গঠন গরিলাগ।
নুঅ এক্কো রাজনৈতিক দল গঠন গরা হ্ল’,
জুম্ম জাতর স্থায়ী শান্তির আহ্বান জানেল’।
শান্তি চুক্তি হ্ল’, জে.এস.এসএ হ্াত্যার গোঝেই দিল’,
হিলট্রেকসর যুদ্ধ অবস্থা শান্ত অৈ এল’।
সরকার লৈ জুম্মউনর হ্াত্যার’ যুদ্ধ নেই,
সিয়ান ইক্ষে এঈ যিয়ে মান্যায় ন’ মান্যায়।
কি যে দিন এঈ গেল’ ভেইয়্যে ভেইয়্যে কোল লাগিল’,
সে কুজ্যাআন দেখদে দেখদে মারামারি অৈ গেল’।
মারামারি নয় বানা ফেলা ফেলি গরদন,
ধরি নেনা, গুম গরানা, খুনাখুনি অৈ যাদন।
ইয়ানি দেঈ সরকারেঅ জু এক্কান পেই যায়,
“ভাগ কর শাসন কর,” এই নীতিয়ান ধরি থায়।
শেখ হাসিনার পরিচালনায় আওয়ামী লীগ সরকার
চুক্তি গরি সাড়ে তিন বছর গরি দিল’ পার।
চুক্তিত যে শর্তআনি এল’ জুম্মউনরে দিবার
কাগজ’ ভিদিরেই রৈ গেল গৈ বাস্তবায়ন গরিবার।
চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠক অৈয়ে কয়েকবার,
খোস গল্প মারানা আর হ্াবা খানা, ইয়ানি মাত্র সার।
বরং সরকারে চুক্তি বরখেলাপ গরিনায়,
সেটলার বাঙালুনরে ইদু ভোটার লিষ্টত ভরায়।
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন তা মন’ মনজক্কায়
সংশোধন গরি নি, বাঙালুন ভোটার বানায়।
পার্বত্য শান্তি চুক্তিত আভ্যন্তরীন উদ্বাস্ত সংজ্ঞায়
বাঙাল সেটলারউন’ কধা কন’ উল্লেখ নাই।
শরনার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্স সভাদ
সেটলাউন’ ভরেবাল্লায় সরকারে দয়ে চাপ।
টাস্কফোর্সর সভাপতি দীপঙ্কর তালুকদার,
বাঙালুনরে ভরেবার ভারী আউজ তার।
জে.এস.এসর সুধা সিন্ধু, কল্যাণ কমিটির বকুল চন্দ্র সদস্য দ্বিজন,
প্রতিবাদ গরি ইয়ান, সভা ত্যাগ গরন।
১৫ মে ২০০০ সন। দীপঙ্কর তালুকদারে
চের দফা পেকেজ সুবিধা বাঙালুনরে দান গরে।
ইন্দি প্রত্যাগত শরনার্থী তের পরিবার,
আঘন পড়ি দিঘিনালা প্রাথমিক স্কুল’ ভিতর।
ফিরি ন’ পান তারা জাগা, ঘর ভিটা বাড়ি
সে কারণে ন’যান তার স্কুল ঘরন ছাড়ি।
২০ শে আগষ্ট ৯৯, মন্ত্রী চাঙমা কল্প রঞ্জন,
পুলিশ ভি.ডি.পি. লাগেদি তারারে করে বিতাড়ন।
বেদখল অৈয়্যা জমির মালিক হ্াজার পরিবার
ছড়ি ছিদি নানা জাগাত বসতি গরি পার।
তিন সদর শহর, আর তিনান সেনানিবাস
বাদ দিন্যায়, ব্বেগ আর্মি ক্যাম্প, স্থাপনা তুলি নিবাগ;
চুক্তি পত্রত সরকারে খাম খেই থেলেয়্য
ব্বেগ ভাগ আর্মি ক্যাম্প বাঘেই দিয়্যে ইয়্যো।
ভূমি কমিশন’ চেয়ারম্যান নিয়োগ দ্যাহ্নেয়্য
ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কাম ন’ গরন ক্যে অ।
দ্বি একর ভুই দিব’ ভূমিহীন জুম্ম পরিবাররে,
পার্বত্য শান্তি চুক্তিত খাম খেইয়্যে সরকারে।
ইন্দি বন্দোবস্তী বন্ধ রাখার হুগুম দেয় জেলা প্রশাসনরে,
মনে হ্্য় য্যেন জুম্মউনদোয় সরকারে বিইদি গরে।
শান্তি চুক্তির বছর পুর্তিত পত্তি বছর বছর
সম্মেলন’ মআ সভাদ আহ্বান গরা অর
শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন গরিবার সরকাররে
জে.এস.এসএ পত্তিবারে আবেদন গরে।
আঞ্চলিক পরিষদ’ চেয়ারম্যান, জে.এস.এস. প্রধান
বেশ কয়েকবার ঢাকাত যেই দেন দরবার গরেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লৈ বৈঠক গরিনায়,
চুক্তি লগে সম্পর্কিত ১৫ দফা দাবী জানায়।
পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন অতিক্রম গরি
অস্থায়ী বাঙালুনরে দ্যন ভোটার লিষ্টত ভরি,
আভ্যন্তরীন উদ্বাস্ত আ ভূমি কমিশন,
পার্বত্য চুক্তির গুরুত্ব বিষয় করি আলোচন
পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন গরাল্লায়
শ্রী লার্মা প্রধান মন্ত্রীরে অনুরোধ জানায়।
শেখ হাসিনা চুক্তি নামা বাস্তবায়ন ন’ গরিল,
হেন’ তেন’ গরি গরি সময় কাটেই দিল।
শান্তি চুক্তি অৈন্যায় মানুষ ব্বেগে খুশি অৈয়্যন,
হিলট্রেকসর জুম্মউনে ব্বড় আশা গজ্যন।
আশা কি পুন্ন অৈয়্যে জুম্মউনর মন,
শান্তি কি এস্যে ফিরি জুম্মউনর জীবন?
বাঙালুন রৈ যিয়ন, আর্মিউন’ আঘন,
সরকারে অ ন’ গরে তারারে নিয়ন্ত্রণ।
এঝ তারা আগ’ ধক্যা। সরকার’র অঙ্গ সংগঠন
স্পেশাল এফেয়ার ফোর্সে হিলট্রেকসরে গরে নিয়ন্ত্রন।
হিলট্রেকসর শরনার্থী পুনর্বাসন টাক্সফোর্স কমিটিরে,
চের দফা প্যাকেজ সুবিধা বাঙালুনরে দিবার আদেশ গরে।
সে হুগুম পালন করে জুম্ম এম.পি. শ্রী তালুকদার
আওয়ামী লীগর বশম্বদ, সরকার’র “জি হুজুর”, “স্যার”।
শান্তি চুক্তি, যুদ্ধ নেই, কিন্তু থামি নেই আর্মি আ বাঙাল যন্ত্রনা,
তুলি ধরঙর হাসিনা আমলর কয়েক্কান ঘটনা।
শান্তি চুক্তির মাস পরেন্দি রাঙামাত্যা কলেজ গেইটদ
বাজার’ কোলদ ঘটি যেয়্যা সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামত
পুলিশ বি.ডি.আর এঈ গেলাগ শৃঙ্খলা আনাল্লায়,
বি.ডি.আর’ গুলিব’ কিন্তু জুম্ম বুগত যায়।
টিফার্স ট্রেনিং কোর্সর ছাত্র রন্টু চাঙমা নাঙ,
শান্তি চুক্তি পরেন্দি পয়লা দিল’ পরান।
৯ মে আটানব্বই, পি.সি.পির ছাত্র কয়জন
ঘিলাছড়ি ক্যাম্পত নি গরিলাগ নির্যাতন।
মিথ্যা মামলা সাজেই দিন্যায় পুলিশরে দিলাগ,
পি.সি.পি. আ উইমেন ফেডারেশন প্রতিবাদ গরিলাগ।
নিরানব্বইর চের এপ্রিল, বাঘেইছড়ির বাগের হাট বাজার
আর্মি আ সেটলারে মিলি জুম্ম মারি গরে ছারখার!
বাজারত এস্যা জুম্মউনরে মারে ধরি ধরি
রুগ্যা অৈন্যায় ঘরত ফিরে খ’ নিসাস্যা গরি।
বাইশ এপ্রিল নিরানব্বই, খাগড়াছড়ি খেজুর বাগান,
যৌথ কাউন্সিল বসায় পাহাড়ি গণ পরিষদ আ হিলউইমেন ফেডারেশন।
আবাদা গরি পুলিশ এঈন্যায় হামালা চালেলাগ,
সে হামালাত প্রতুল আ সুরমণি শহীদ অৈ গেলাগ।
দিঘিনালার বাবুছড়া নিরানব্বইর ষোল’ অক্টোবর,
দিন্ন এল’ বাবুছড়ার সাপ্তাহিক হাট বার।
বাজারত এস্যা মিলা এক্কোরে তস্যা লাগল্লায়,
আর্মি একজন বাজার’ ইদু নাস্তানাবুদ হ্য়।
সে কারণে আর্মিউনে সেটলার বদেনেয়,
জুম্মউন’ উউরে এঈ পড়িলাগ ঝাবেই।
বাজার থিকা জুম্ম মাত্তন যারে পান তারে
চের পাচ জন গেলাগ মরি জাগাত এক্কে বারে।
ঘরত দিলাগ আগুন বাঝেই, আদাম ফুড়ি যেই,
হামলা গল্লাগ বেনুবন বৌদ্ধ বিহার ঝাবেই।
এলেকা শুদ্ধ এ ঘটনার প্রতিবাদ গরিলাগ
বাবুছড়া বাজার খানা বন্ধ গরি দিলাগ।
গুইমারা, কালা পান্যা আর্মি ক্যাম্পর সেনা সদস্যউনে,
প্রত্যাগত জে.এস.এস. কর্মী মঙ চাথোয়াই মারমারে ধরি নিই নে,
আচ্ছাগরি শারীরিক নির্যাতন গরিলাগ
পছিশ মার্চ দ্বি হ্াজার সনত মারিই ফেলেলাগ।
এ কদক্কানি খন্ড চিত্র যিয়ানি জানাযিয়্যে,
ইয়ানি বাদে কত হ্াজার অজানা রৈ যিয়্যে।
পাচ হ্াজার বর্গমেলর ছিদি পয্যা ঘটনা
অধিকাশই রৈ যায় গৈ আমাত্তুন অজানা।
রাজনৈতিকভাবে শান্তি চুক্তি যদিবা গড়ি থেই,
পাঠক, ক’দেই, আমি কি শান্তি ফিরি পিয়্যেই?
ইউনেসকো শান্তি পদক বুকত চরিন্যায়
শেখ হাসিনা বিশ্ব সভাত অভিনন্দন পায়।
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(১২)
বিশ শতকর শেষ একুশ শতক’ সূচনা শেখ হাসিনা আমল,
শতাব্দী লৈ সহস্রাব্দ মআ কালর মিলন মেলা রঙিন উজ্জ্বল।
মানেই কুলর নানা জাত মআ কালর আবর্তনত ঘুর্তন ফির্তন,
কত জাত ধ্বংস হ্য়ৈন, কত জাতে গরি যিয়ন ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ।
মআকাল’ ইতিহাসত পাতায় পাতায় লিগি নিজ’ নাঙ,
জুম্ম জাত্তুঅ ইজ্যা আমি একুশ শতকদ খুচ দিলঙ।
“ঝঁৎারাধষ ড়ভ ঃযব ভরঃবংঃ” ডারউইনর এই মতবাদ
এ সংসারদ টিগি থানার জিদাজিদ্যা খেলাদ
কুদ্দূর আমি পূরন গল্লং কুদ্দূর পারিবঙ,
সে কধানি ইক্ষে আমি দোলে ভাবি চেবঙ।
শাক্য বংশ বিলি আমি নিজরে মনে গরি,
কত বড় পূরন বংশর গৌরবর অধিকারী।
আড়েই হ্াজার বছর আঘে হিমালয় গড়াত,
আর্য ভিন্ন শাক্যবংশর এল’ রাজ্য পাট।
মল্ল, কোলীয়, লিচ্ছবি, চতুমা, বজ্জি, দেবদহ, শঙ্কর,
নানা দলে ভাগ এলাগ শাক্যজাত’ ভিতর।
এই বংশত শাক্য সিংহ গৌতম বুদ্ধ জন্মিয়ে,
বর্ণবাদী আর্যউনরে নুঅ ধর্ম শিগিয়্যে।
সেই যুগর বৌদ্ধ গ্রন্থ পড়িলে জানা যায়,
বিরূঢ়ক, কোশল বাজা শাক্য জাতি ধ্বংস গরি থায়।
হ্দি যিয়্যা শাক্যউনে পরান বাচাল্লায়,
পুগেন্দি পছিমেন্দি যিন্দি পারে ধেই যায়।
পছিমেন্দি যারা যিয়ন কাশ্মির লুঙ্যন ন্দৈ,
ইক্ষে তারা লাডাক ভেলীত থায়ী অৈয়ন দৈ।
নানা জাগা জিরেই জিরেই পুগেন্দি যারা যিয়্যন
এক সময়ে তারা ইক্ষে আসাম রেজ্যত ইস্যন।
এই এলেকাত নানা জাগাত রেজ্য পাট গরিনায়।
বেশ কয়েক শত বছর তারা বসত গরি থায়।
দগিনত্তুন শান জাতি এঈ নয় দশ শতকত,
ব্রহ্মপুত্র নদী সঙ নিলাগ তারার দখলত।
এই জাতিবুঅ এদেশর ভাষা কৃষ্টি শিখি নিল;
বর্তমান অহোম জাত্তুঅ গড়ি উদিল’।
অহোমিয়া ভাষা আর রীতি নীতি লৈ,
জুম্ম চাঙমাউনর বহু মিল রৈয়্যে গৈ।
চাঙমা ভাষা আ চাঙমা উভগীত’ গান’ সুর,
অহোমিয়া ভাষা আ গান নয় বেচ দূর।
চাঙমাউনে বিয়া গরানারে কঈ চুগুলাঙ,
“চকলাং” নাঙে তারাঅ গরন শুভ বিবাহ কাম।
চাঙমা লেখাত যে হরফফুন আমি লিগি থেই
শান লেখাত’ সে সে হরফফুন ভেগভাগ দেঈ পেই।
বড়ুয়াউনে নিজরে তারা বজ্জি বিলি কন,
সেই হিসাবে তারাঅ শাক্যজাতি হ্ন।
বড়ুয়াউনদোয় চাঙমাউনে কায়কুই গরি থেই
ধর্ম আর সামাজিক লৈ বড় বেচকম নেই।
আসামত বড়ুয়া পদবী মানুষ য্যেন আঘন,
সাংমা নামে এক্কঅ জাত’ এঝ’ সিধু রৈয়্যন।
বিদিযিয়্যা ইতিহাসর সে কোন আমলত,
চাঙমাউনে লুঙি যিয়ন দৈ পুরনি অক্সাদেশত।
সে আমলর লোকগাথা গেঙকুলি গানর তানে
ইতিহাসসান কল্প কধাত গুমরি গুমরি কানে।
চম্পক নগর’ রাজার পুঅ বিজয় গিরি তা নাঙ,
শাসন গত্ত এস্যে তে কালবাঘা রেজ্যআন।
দগিনন্দি মগ রাজায় ভারি বলি অৈয়্যে,
আগে ভাগে দোঙেবাল্লায় দরকার পড়ি যিয়্যে।
বিজয়গিরি লৈ তিবিরা রাজা বন্ধুত্ব গরিল,
মগ রাজারে দোঙে বাল্লায় অনুরোধ জানেল
চাঙমা সৈন্য তিবিরা সৈন্য দ্বিদাগি মিলিনায়,
বিজয় গিরি দখিন মুখ্যা মগ’ রেজ্যত যায়।
যুদ্ধ গরি মগ রাজারে পরাজয় গরিল,
রেজ্য জয় গত্তে গত্তে অক্সাদেশ’ জিদিল।
দেশ জয় শেষ গরি ফিরিবার সময়ত,
তা বাপর মৃত্যু খবর পেল’ আধা পধত।
জানি পাল্ল, সিংহাসন খালি ন’ থেবাল্লায়
তা গুর’ভেই সমরগিরি সিংহাসনত বঈ যায়।
এ কধা শুনিনে তে ভারি দুঃখ পেল’
চম্পক নগর ন’ যেব’ আর ফিরি মনস্থ গরিল।
“মানী, জ্ঞানী, বড়জনর গণ্য নেই যেদেশত
ও ভেইলগ, মুই ন’ যেইম ফিরি আর সে দেশত।”
গেঙকুলি গানর লোক কথার ঐতিহাসিক সত্যয়ান,
ন’ পারিবঙ জোর গরি ক্যেঅ গরি প্রত্যাখান।
দেশ, গাঙ, জাগা নাঙ গেঙকুলিউনে যিয়ানি কয়,
সে জাগানি ভৌগলিক ভাবে এঝ পড়ি রয়।
আরাকানান অক্সাদেশ পুরনি দিনর নাঙ
খোয়াই নদী গেঙকুলী গানত হ্য়্যে খৈ গাঙ।
কালাবাঘা পরগনা এক্কান আঘে সিলেটত
চম্পক নগর আঘে, এক্কান ত্রিপুরা রেজ্যত।
ব্রাহ্মণ বাড়িয়াত আর’ এক্কান চম্পক নগর আঘে,
বিজয় নগর আঘে এক্কান চম্পক নগর’ ধাঘে।
খ্রীষ্টীয় বিশ শতক’ মধ্যে চাঙমা জাতি লৈ
লেখা অৈয়ে কয়েকখান ইতিহাস’ বই।
ব্বেগ’ আঘে সতীশ ঘোষ লেখে “চাকমা জাতি”(১৯০৯)
বই বুঅ লিখি সতীশ বাবু পেয়ে ভারি খ্যাতি
তার পরেন্দি চাঙমা রাজা ভুবন মোহন রায়,
“চাকমা রাজ বংশ ইতিহাস” বই লিখি যায়।
মাধব চন্দ্র চাঙমা কর্মি লিখ্যে “শ্রী শ্রী রাজ নামা,”
“পার্বত্য রাজ লহরী লেখে নোয়ারাম চাঙমা।”
“চাকমা জাতির ইতিবৃত্ত” বইবুঅ লিখিন্যায়
বাবু বিরাজ মোহন দেবান ভারি বাহানি পায়।
বাবু সুগত চাঙমার “চাকমা পরিচিতি”
ইতিহাস ভাবনার নুঅ ফলশ্রুতি।
পূন্যধন চাঙমা লেখে “চাকমা ইতিহাস,”
ভারতার অনুনাচল রেজ্য লেখক’ নিবাস।
বাবু চিত্তরঞ্জন চাঙমা পশ্চিম বঙ্গত থায়
“যুগ বিবর্তনে চাঙমা জাতি” বই লিখি যায়।
চাঙমা জাতর ইতিহাস লৈ যে বইয়ুন লিখ্যন,
রাজ বংশর কীর্তি কধা যে বিবরণ দিয়্যন,
গবেষক অশোক দেবান সিয়ানি মানি ন’ নে যায়,
বিজ্ঞানর কষ্টি পাথর লৈ বিচার গত্ত চায়।
তার পরেঅ রাঙামাত্যাত বঙ্গিম চন্দ্র চাঙমা
“চাকমা জাতি ও সম সাময়িক ইতিহাস” গজ্যে রচনা (১৯৯৬)
মগ’ বিজগর চাঙমা রাজার মইসা গিরির রাজ্যপাট
ধ্বংস গরি মগ রাজায় গল্ল ভারী লুট পাট।
রাজা সুদ্ধ প্রজা বানি আনিল লগে দশ হ্াজার,
দিল’ তারারে জাগা এক্কান বসতি গরিবার।
মগ রেজ্যত নির্যাতনে ভারি দুগ পাদন,
নিত্য পিত্তি মগগুনত্তুন লাদি ধুজা খাদন।
ঘরত থেলে মগে পায় ঝারত গেলে বাঘে খায়,
চাঙমাউনর বাচিরবার কন উপায় নাই।
চল বাপ ভেই চল যেই, চম্পকনগরত ফিরি যেই।
চাঙমাউনে এ ধক্যা গরি শল্লা গরি থায়।
চাঙমা রাজা ঘাট টেক্স তুলিবার কাম পিয়্যে,
সে কারণে “ঘাটকুল্যা রাজা” নাঙ খলেয়্যে।
ঘাট’ পয়সা ভাঙি খেইন্যায় রাজার চাকরি যিয়্যে,
বানান খেবার ডরে তে মৈনস্যাঙ অৈ রৈ য়ে।
প্রজাউনে শল্লা গত্তন ধেঈ যেবাল্লায়
রাজায় উন্দি আঘে ক্যঙত রঙ কাপড় লৈ ন্যায়।
এলে মৈসাং লালস নেই, ন এলে মৈসাং কেলেশ নেই,
চল বাপ ভেই চল যেই, চম্পকনগর ফিরি যেই।
স্মরণ কালর ইতিহাসর ইয়ানই বাস্তব রূপ,
তা আগর ইতিহাস আমাইদু নিরব, নিশ্চুপ।
পর্তগীজ ভূগোলিক ঔড়ধ উব ইধৎড়ং র ম্যাপ এক্কাণ,
পা যিয়্যে লন্ডনর ব্রিটিশ মিউজিয়াম।
১৫৫০ খৃষ্টাব্দত আকা এই ম্যাপ পানত,
ঈঐঅ ঈঙগঅঝ রেজ্য এক্কাণ আগে চাটিগাঙত।
ইয়ানি দেঈ মনে হ্য় অন্তত: পনর শতকত
চাঙমাউনে এঈ পয্যর চট্টিগাঙ এলেকাত।
আদতে মর মনে হ্য় সিলেটত্তুন ধরি আরাকান,
ছিটা ছিট্যা গরি এল’ চাঙমাউন’ অবস্থান।
দেঙগওয়াদি আরেদ ফুঙ র কধাধগে বুঝা যায়
বাঙালুন দৈ চাঙমাউনে ক্কায়কুই গরি থায়।
তা ছাড়াঅ চাঙমাউনে নিজরে ভাগ গরিদাগ,
আনক্যা চাঙমা, দগিন চাঙমা পরিচয় দিদাগ।
ত্রিপুরা রেজ্ঞর উত্তরেন্দি যিদু খোয়াই নাঙ।
চাঙমা ঘাট নাঙে এক্কান আঘে জাগা নাঙ।
মুকুর কান্তি খীসা রাষ্ট্রদূত, যে অৈয়্যে ভারতত্তুন।
তা পূর্ব পুরুষ নাকি এস্যে খন্দেল নাঙ জাগাত্তুন।
বাংলাদেশর চাঙমা আর আসামর সাংমা লৈ
আসলে আমি এক্কুআ জাতর দ্বিবা ভেই অৈ।
আরাকানত্তুন চাঙমাউনে দলে দলে এয্যন,
এবার সময় গাছ কাবি বাশ কাবি চিহ্ন রাঘি দ্যন।
সে চিহ্ণনি হাদে হাদেই পরবর্তী দলউন এয্যন,
বেগ’ শেষ দলউনে কেউঅ পধ হারেই ফেল্যন।
কাবি যিয়্যা কলাগাচ্ছুনর দিগ মেলি যিয়্যন,
ইয়ানি দেই এগ দাগির খারাপ হ্ল মন।
আগে যিয়্যা মানুষষুন আর লাগদ ন‘ পেবঙ গৈ,
ইয়াদি ভাবি এক দাগি ফেরত যিয়্যন দৈ।
চাক্কোই দাওত্তুন আলি কদম রাজধানী এঈ গেল,
আশে পাশে বার’ আদামত চাঙমা বসতি দিল।
মাতামড়ি, থৈনছড়ি, লামা, বাকখালি দয্যা পাড় সঙ
আবাদ গরি ভূই জমি জুম্ময় ছড়ি পয্যন।
রাজার কুল, চাঙমা কুল, ধূর্য্যদিখি, জুম্ম পাড়া,
নাকটেক (টেকনাফ) পাগালা মুড়া, ধামেই পাড়া,
কক্সবাজার’ জেলাবুত ছড়ি ছিটা জাগানি
এঝ মনত তুলি দেয় পুরনি দিন’ কধানি।
চট্টগ্রাম জেলাবুঅত
তা উত্তুরে বর্তমান
চের কিঅ্যা পড়ি আঘে চাঙমাউন’ আলামত।
শুক বিলাস, রাজানগর দ্বিজাগাত চাঙমা রাজার ঘর বাড়ি
ভাঙি চুরি আঘে এঝ, পুত্তর, দিঘি, মন্দির পড়ি।
রাজার হাট, রানীর হাট, ধমাইয় হাট এই বাজারানি,
চাঙমাউনেই বসেই যিয়ন মনত আনে টানি।
রাজাপুর, রানীর দিঘি, দেওয়ান হাট, শহর চাট্টিগাঙ,
“লাল কুঠি” চাঙমা রাজার এল’ ভারী নাঙ।
ফারাঙি (পর্তুগীজ) ইঞ্জিনিয়ারে তুল্যা এ দোল ঘরান,
বৃটিশ আমলত পেই যিয়্যা শ্রেষ্ঠ স্থাপনার সম্মান।
প্রত্ন সম্পদ পুরনি আমলর এ ঘরান ভাঙিনায়
বাংলাদেশ সরকারে ইয়দ অফিস ঘর বানায়।
চাঙমা খেইয়্যা জুমরান্যা, রাউন্যাত্তুন রাঙ্গুনীয়া,
রাউজান, ধুরুঙ, সত্তা, বগাবিল ব্বেগ চাঙমা খিয়া।
ঊনিশ শতকর পত্তমেন্দি মগ সর্দার কুঞ্জ ধামাই,
চাঙমা রাজার উগুম নিন্যায় সীতাকুন্ড পাহাড় খায়।
তিন চের শত প্লেঙচা পরিবার তা সমারে এস্যন,
সীতাকুন্ড পাহাড়ত তারা বেগে বঈ যিয়্যন।
চাঙমা রাজার রেজ্য ভিতর জুম খানাল্লায়
কুঞ্জ ধামাই পত্তিবছর খাজানা দি পায়।
কুঞ্জ ধামাইর পুঅ এক্কুঅ ক্যজচাই চৌধুরীরে
লেউইন সাবে, চাঙমা সার্কেল ভাঙিনি মঙ রাজা গরে।
ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নবাবত্তুন দেওয়ানী ভার পেল’
চাট্টিগাঙ ত কোম্পানীর প্রতিনিধি এঈ গেল’।
হ্যারি ভারলষ্ট চাটিগাঙ কাউন্সিল প্রধান,
১৭৬৩ সনত রাজা সেরমুস্ত খাঁরে গরে সনদ প্রদান।
উত্তরে ফেনী, দগিনে শঙ্খ, পছিমে ঢাকা রোড, পুগে কুকি রেজ্য সঙ,
মোন মুড় জাগানি জুম বঙ্গ, কাপাস মহল্লায় হল’ অনুমোদন।
চাটিগাঙত্তুন হিলট্রেকস ভাগ অৈ যানার পর
সরকারে চাঙমা রাজার লাট নিলাম দেয় চাটিগাঙর।
রানী কালিন্দি কালেক্টর’ ইদু আপত্তি জানেল’
চাটিগাঙ’ কালেক্টর ইয়ান প্রত্যাখান গরিল’।
রানী এবার বোর্ড ইদু ইয়ানর আপিল জানায়,
বোর্ডে অ কালেক্টর’ রায়আন ঠিগ বিলি কয়।
রানী একজন জুম্ম সর্দার, খাস জমির নেই অধিকার,
খাস জমিনর বেগ সত্ব রাঘায় সরকার।
রাণী মাত্র জুম্মউনত্তুন ঘর (পরিবার) খাজানা পেব’
খাস জমিনর কন’ সত্ব তাত্তুন না’ হোব’।
ফিরি যেবঙ আর’ সেই পুরনি আমলত,
ডুব দিন্যায় বিজিরেবঙ গৈ মআকাল সাগরত;
জুম্ম জাত’ ইতিহাসেত কি ধরি পেই,
ঈঐঅ ঈঙগঅঝ রাজ্য কধা কি জানি যেই।
রাজা নাঙ, রাজবংশ, তারাকীর্তি কাহিনী
জানানান বড় কধা নয়! সমাজর চিত্র আনি
দিনে দিনে কিঙুরি যে বদলি যায়, সিয়ানি প্রকাশ
করানাই হলদে জাতি এক্কুঅর আসল ইতিহাস।
আরাকান’ মগ দেশত চাঙমাউনর অবস্থান,
গরি দিয়্যে কি চাঙমাউনরে কন’ পরিবর্তন?
চাঙমাউনর ভাষা কিম্বা আচার বিচারত,
কন’ কিয়্যদ দেগা ন’ যায় মগ আলামত।
ধর্ম বিষয় কয়েক্য শব্দ যদি বাদ দি থেই,
চাঙমা লৈ আর মগগুনর কন’ মিল নেই।
সে কারণে মর মনে হয় আরাকান’ মগ রেজ্যত,
চাঙমাউনে ন’ গরনদৈ বেশীদিন বসত।
যে চাঙমাউন আরাকানত রৈ যিয়্যন দৈ
কধা বার্তা চাল চলনে তারা বদলি যিয়্যন দৈ।
আরাকানত যে চাঙমাউন দৈন্যাগ নাঙ পিয়্যন,
পরেন্দি যারা ইদু ইস্যন, তঞ্চঙ্যা খলেয়্যন।
১৭৮২ সনত বার্মা রাজায় আরাকান জয় গরে,
সে সময়ত বহু মানুষ চাটিগাঙত ঢুগি পরে।
১৮১৯ সনত ধরমবক্স খাঁর আমলত
চের হ্াজার তঞ্চঙ্যা ইস্যন থেবাল্লায় চাটিগাঙত।
তঞ্চঙ্যাউনে তারাত্তুন এক্কুঅ সর্দার গত্তাগ চায়
রাজাত্তুন কিন্তু তঞ্চঙ্যাউনে অনুমতি ন’ পায়।
সে কারণে তারা আর’ আরাকানত ফিরি যিয়্যন,
জুম্মউনে এধক্যা গরি নিত্য ভাগ অৈয়্যন।
চাটিগাঙ ভারি পুরনি জাগা, আগেত্তুন ধরি তার পরিচয়,
বৌদ্ধ যুগত এ জাগাআন রম্ম ভূমি কয়।
রাজা অশোক চুরাশী হাজার চৈত্য যেক্ষে বানিয়ে,
রম্মভূমিত (রামু?) সেক্ষে তে চৈত্য বানেই যিয়্যে।
চৈত্য চৈত্যয় এ দেশশান ভরিন্যায় যিয়্যে,
চৈত্যগ্রাম বিলি তে নাঙ খলেয়্যে।
পুরনি দিনর চৈত্যগ্রামর পন্ডিত বিহার,
জ্ঞান তীর্থ এল’ এক্কান এ দেশ’ ভিতর।
ভারি, ভারি পুরনি কালত্তুন ধরি
চাটিগাঙান এল’ এক্কান বন্দর নগরী।
আরব, চীন, মালয়,পর্তুগাল নানা দেশত্তুন
জাহাজ এইন্যায় মাল নিদ বাংলাদেশত্তুন।
আরবর সদাগরউনে এ জাগানরে নাঙ দ্যন সবজে শহর,
চৎড়ঃড় ফব এৎধহফড়,পর্তুগীজ নাঙ, বৃহৎ বন্দর।
আরব আ পর্তুগীজউনে (ফারাঙি) ইদু বসতি দ্যন,
চাটিগাঙ মানুষষুন দোয় এক আেয় যিয়্যন।
দেশ বিদেশর সদাগরি ব্যবসা কামল্লায়,
চাটিগাঙর গুরুত্বআন বেশী বাড়ি যায়।
সে কারণে এ জাগান দখল রাঘাল্লায়
আরাকান আ ত্রিপুরা রাজার কাড়াকাড়ি থায়।
সে সমারে বাংলার সুলতানেঅ চায়,
চাটিগাঙ’ অধিকার কেনে রাঘা যায়।
চাটিগাঙর উত্তর ভাগ ত্রিপুরা রাজার দখলত
দগিন ভাগকুঅ আরাকান রাজার হ্াদত।
মাঝে মাঝে ত্রিপুরা রাজায় শঙ্খ গাঙ পার অৈ যায়,
যেক্ষে হ্য় মগ রাজা ঢাকা সঙ উজেই যায়।
ষোল শতকলৈ সতর’ শতকর বেজ অর্ধেক ধরি,
মগ, ত্রিপুরা, মোগলর চাটিগাঙ কাড়াকাড়ি।
স্থল শক্তির বল থেলেয়্য ত্রিপুরা রাজার
নৌশক্তি লৈ আরাকানে বলি অৈ যার।
পর্তুগীজ লৈ যোগ বদিন্যায় আরাকান রাজায়,
ত্রিপুরার রাজধানী উদয়পুর লুটি ধ্বংস গরিযায় (১৬১০)।
এর পরেন্দি মোগলউনে ত্রিপুরারে হ্দে দিয়্যে,
ত্রিপুরার শক্তিমত্তা এক্কেরে শেষ হ্য়্যে।
চাটিগাঙান আরাকান’ দখল’ সময়,
পর্তুগীজউনর বলবলা খুব বেজ হ্য়।
মগ লৈ মিলি পর্তুগীজউনে লুটপাট গজ্যন,
দর্য্যা পাড়’ সুবে বাংলা ধ্বংস গড়ি দ্যন।
নবাব শায়েস্তা খান নৌ শক্তি বাড়েল’
১৬৬৬ সনত চাটিগাঙ দখল গরি লল’।
সিত্তুন ধরি চাটিগাঙ মোগল অধিকারে,
আরাকান’ মগ রাজায় আর এঈ ন’ পারে।
চাঙমাউনে এলাগ যেক্ষে নুঅ জাগা চাটিগাঙ,
সমাজর শৃঙ্খলাল্লায় চালু গল্লাগ কিছু নিয়ম।
যা দল লৈ তে জাগায় জাগায় বঈ পড়িলাগ,
সে দলউনে সে জাগানর নাঙে গোজার অৈ পেলাগ।
বাকখালীর বগা গোজা, থৈনছড়ির তৈন্যা গোজা,
লামা গাঙর লার্মা গোজা, মাতামুড়ি মলিমা গোজা।
ধূর্য্যা, কুর্য্যা, পিড়াভাঙা, ধামানা চের নেতা নাঙ,
উউরর চের গোজার গুত্তি অৈ যান।
এর পরেন্দি মানুষ যেক্ষে বাড়িউড়ি যিয়্যন
নানা জাগাত চের কিত্যান্দি ছড়িছিদি পয্যন
আর’ নানা গোজা আ গুত্তি সৃষ্টি হ্ল’,
গোজায়, দলে (গুত্তি) নাঙ দিন্যায় পরিচিতি দিল’।
জাগা নাঙ লৈ গোজা সৃষ্টি আর’ বহুত অৈয়্যে,
ফাস্যা খালীর ফাকাসা গোজা, ওয়াঙজা মুড়ত ওয়াঙজা গোজা নাঙ হয়্যে
দল নেতার চেয়ারা লৈঅ গোজা নাঙ হ্য়,
দাস্যা গোজা, কুদুগ গোজা এ নাঙানি পায়।
কন’ কামত নাঙ গরিলেঅ গোজা গঠন হ্য়,
পুঅ গোজা কীর্তিয়ান তার পরিচয়।
দল মাধাবুঅর কধাবার্তা লেবা লেবা হ্নায়
সে দল’ মানুষষুন লেবা গোজা হ্য়।
দল’ নেতার নাঙান দৈ অ গোজা সৃষ্টি হ্য়,
রাঙি পানসেরি নাঙানত্তুন রাঙি গোজা হ্্য়।
চাঙমা সমাজর যে গোজাউন নাঙ পা যায়
লিগি দিলুঙ তলেন্দি এক্কান তালিকায়-
বগা, দায্যা, পোমা, পুঅ, চেক কবা, লচ্চর,
তৈন্যা, ওযাঙঝা, ফেদুঙঝা, কাম্ভে, বঙছা, চেগ’ গোজাবড়,
আঙু, ফাকসা, মুলিমা, টিয়া, মুলিমা চেগে,
কুরক্কট্যা, লেবা, ধ্যঙজয়, বুঙ, চেগে,
উচ্্ছুরি, রাঙে, কুদুগ’, চাদক’, বাবুরা,
লার্মা পেডাংছড়ি, হোইয়া, ধামেই, বড়ুয়া।
গোজা বা আনে গুত্তি আঘল কয়েক্ক্য গরিনায়,
পুর্ব পুরুষ নাঙান দৈ গুত্তিউনর (ডেল) পরিচয়।
গুত্তি এক্য নানা গোজাত সোমেই থেই পারে,
চিকন লক্কি পুঅ যদি যায় তা মার সমারে।
পুরুষ তান্ত্রিক চাঙমা সমাজ কন’ মরদ পুঅয়,
অন্য গোজাত সোমেলেয়্য গুত্তিবুঅ ন’ লুগয়।
মিলায় যদি বউ যেইন্যায় পুঅ ফুদায়গৈ,
তা হলে তে সে গুত্তির মানুষ অৈ যায় গৈ।
চাঙমা সমাজত নিজ’ গুত্তিত বিয়া সাদি ন’ গরন,
গরিলেঅ কমসে কম তিন পুরুষ ফারগ হ্ন।
ত্রিশ বত্রিশ্য গোজা, শতর অধিক গুত্তি
ইয়ানি লৈ অৈ যিয়্যে চাঙমা সমাজ উৎপত্তি।
ইয়ানি লৈন্যায় কিয়্যে যদি গবেষনা গরন
চাঙমা উনর অনেক তথ্য আমারে জানেই পারন।
মর মনে হ্য় সতর শতক সঙ গোজা সৃষ্টি গজ্যন,
আঠার শতক’ শেষ সঙ গুত্তি বাড়ি যিয়্যন।
আগ’ দিন’ চাঙমাউন অচেনা জনরে,
“কা গোজা, কা গুত্তি?” পুছার গরন, একে অন্যরে।
পুছার গরি একে অন্যে নাল হাদেই যেবাগ,
হাক্কন বাদে তারা দ্বি জনে দোল কুটুম হ্বাগ।
দিন বদলি যিয়ে গৈ, আর্থ সমাজর হ্য়্যে পরিবর্তন,
সেই দিনর রীতিয়ানি আর যেই প্রয়োজন।
আমু, চেগে, ধাবেঙ, পুরনি দিন’ রাজ পদবী চাঙমা সমাজত
লচ্চর, দেবান, তালুকদার খীসা এলাগ মোগল আমলত।
এক্য এক্য গোজা লৈন্যায় তালুক সৃষ্টি হ্ল’,
দেবান আ তালুকদারউনে নানু অৈ গেল’।
জমিদারর তালুক যেন বেচা বিক্রি গরন,
মনুষ্য তালুক’ সেধক্যা বেচি কিনি পারন।
গরু, ছাগল’ ধক্যা গরি মানুষ বেচা যেদাগ,
এক নানুত্তুন আরেক নানু ইদু পরং অৈ পেদাগ।
মনুষ্যতালুক কন’ দেশত আঘে কি নেই ন’ জানঙ,
সামন্ত শোষনর দাস্যনীতি বিলি মুই মনে গরঙ।
ইংরাজ এল’ জেলা বঈ গেল’ শাসনর হ্ল নুঅ বিভাগ
হেড্ম্যান, কার্বারী পদ সৃষ্টি হ্ল, জুম্মউনে বাচি গেলাগ।
আরাকানত্তুন চাঙমাউনে চাটিগাঙ এঈন্যায়,
খুব যে সুগে দিন কাদেয়্যন সিয়্যান কুঅ ন’ যায়।
লোকগাথা গেঙকুলি গীদত যিয়ান জানা যায়,
ইদুঅ তারা মগ রাজা লৈ যুদ্ধগরি পায়।
নাকটেক’ (টেকনাফ) যুদ্ধ , থৈনছড়ি যুদ্ধ এ সব কধানি,
চাঙমাকুল, রাজার কুল, জাগা ভাগর নাঙানি,
পুঅ গজা উৎপত্তি কধা লৈ আর’ জানা যায়,
যুদ্ধ সময় পুঅউনেঅ (গুরা) বঈ থেই ন’ পায়।
অধিকার রাঘানা আ পরানে বাচাল্লায়
চিগন ডাঙর বেক্কুনদোয় লাড়েই গরি পায়।
লাড়েইয়্যত জয় পরাজয় এক্কান নয় এক্কান থায়,
সিয়ান দোয় জাত্যাগরি ভাগ্য ঠিগ ন’ হ্য়।
মগ লৈ যুদ্ধ গরি এলঙ সতর শতক’ গড়া সঙ,
তার পরেন্দি মোগললোইঅ যুদ্ধগরি পেলঙ,
কালু খাঁ, ফতে খাঁ কামান মোগলত্তুন কাড়িলোইয়েই,
আঠার শতকত ইংরাজরে বারবার হ্দেই দিয়্যেই।
তা সত্বেঅ পরাশক্তি মোগল আ ইংরাজর
ক্ষমতারে মানি নি ভোগ গজ্যেই অধিকার।
জিদিন্যায়অ হ্দি যানা পরাশক্তি ইদু,
এ দুগ কধা মনত্তুন গুঙুরি,
“হারনি রাজার দেশ লাগ ন’ পেদুঙ,” বর মাগে
সাধক শিবচরন, গোজেন’ চরনত পড়ি।
মর মনে হয় চাঙমাউনে সতর’ শতক সঙ,
তারা নিজ’ কৃষ্টি লৈ জীবন চালেই যিয়্যন।
এ ভিদিরে বাঙাল লৈ মিলামিশার ফলে
চাঙমা ভাষা, রীতি নীতি, বিশ্বাস যায় গৈ বদলে।
হিন্দুউনর ধর্মশাস্ত্র, দেব দেবী, পূজা অর্চনানি
চাঙমাউন’ মনানিরে ক্রেমে নিয়ে গৈ টানি।
সে কারণে চাঙমাউনে বাংলা শিগিলাগ,
সমাজর মানুষষুণে হিন্দু নাঙ ধরিলাগ।
মোগল আমলত রাজাউনে খাঁ উপাধি লয়্যন,
সে সমারে নাঙনীঅ ফারসী বদল্যন।
আরবী ফারসী বহু শব্দ আমা ভাষাত ভরেয়্যেই
সে সমারে আদব কায়দাঅ কিছু মানি নিয়্যেই।
এধক্ক্যা গরি পাচশত বছর চাটিগাঙ কাদেনেয়
উনিশ শতকর শেষ ভাগেন্দি ইংরাজ আমল পেই।
শিক্ষাল্লায় ইংরাজেই পয়লা স্কুল বসেল’
চাঙমা আ মারমা ভাষায় শিক্ষা দিদ’ চেল।
সে সময়ত আমা রাজা, নেতা, মুরব্বিউন
বাংলা প্রেমে মা তোয়ারা এলাগ তারা বেক্কুন।
মুরুব্বিউনে চাঙমা ভাষা লৈ শিগেদাগ ন’ চায়,
সে কারণে জুম্ম ভাষায় শিক্ষা বন্ধ অৈ যায়।
মাতৃভাষা লৈ শিক্ষা দান উপকার বেজ হয়,
মনবিদ পন্ডিত্তুণে ব্বেগে এ কধান কয়।
সে কারণে বিশ শতকর চের দশকত,
মিলার সাবে “চাঙমা প্রাইমার” নিয়্যে উদযোগত।
রাজ ঘরত মিটিং ডাগি প্রতিবাদ গজ্যন,
চাঙমা ভাষায় শিক্ষা প্লাণ ভেস্তে দ্যন।
বঙ্গ প্রীতি এত বেশী বৃটিশ আমলর জুম্মউনর
ক্রান্তি কালর ঘটনা এক্কাণ ইয়দ উল্লেখ গরঙর।
ভারত বর্ষ স্বাধীন হব; বৃটিশ চলি যেব গৈ,
রাজ ঘরত সভা বস্যে হিলট্রেক্সর নীতি লৈ।
তিন সার্কেল’ রাজা এয্যন, গোটা জেলার হেডম্যানউন,
খীসা, কার্বারী, গণ্যমান্য, শিক্ষিত বেগে থুবেয়্যন।
বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি যেলেয়্য হিল চাটিগাঙ
এ জেলা বু অয় ভোগ গরে আলাদা শাসন।
জুম্মউন আমি অনুন্নত, বাঙাল ভারি বুদ্ধিমান,
তারা লৈ যদি সমারে যেই, গরিবাগে ছত্রসান।
ভারত বর্ষ স্বাধীন হলে বেঙ্গলত্তুন ফারগ অৈ,
কেন্দ্র সরকার’ অধীনে আমি আলাদা শাসনত রৈ।
চাঙমা রাজা তরফত্তুন এ প্রস্তাব উদিল’
নব্যজুম্ম শিক্ষিতউনে ইয়ানর ঘোর প্রতিবাদ জানেল’।
বাংলা শিগি, বাংলা লিগি বাঙালা প্রদেশত থেই,
হিলট্রেকসর জুম্মউনে এই উন্নত অৈয়্যেই।
হিলট্রেকস যদি বেঙ্গলত্তুন পৃথক অৈ যায় গৈ,
রাজাউনে আগ দিন’ ক্ষমতা পেই যে বাগ গৈ।
আগ দিনর মানুষষুণ লেগাপড়া শিগি ন পান,
গম ঘরত থেই ন’ পান, অলঙ্কার পত্র পিনি ন’ পান।
এ ধক্যা মন্তব্য গরি দোল রাজনৈতিক প্রস্তাব্বান,
বঙ্গ প্রেমী শিক্ষিতউনে গজ্যন প্রত্যাখান।
যেবর আগে সে বর পায়,- এর দ্বি বছর পরে,
“চিটাগাঙ হিলট্রেকস পাকিস্তানত”- বাউন্ডারী কমিশনে ঘোষণা গরে।
বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিত থেবালায় যারা যুক্তি দেগেয়্যন,
সেই নব্য শিক্ষিতউনেই পাকিস্তান মানি ন’ পারন।
পাকিস্তান হটিবাল্লায় আন্দোলন গজ্যন,
ন’ পরিন্যায় তারা শেষে ভারত ধেই যিয়্যন।
পাকিস্তান’ শাসন পেলঙ চব্বিশ বছর,
বড়গাঙ’ গোধা বানি দিয়্যে উপহার।
আবাদি জাগা দোল ভুইয়ানি বেগভাগ ডুবে দিল’
লাখ খানেক মানুষ জন জাগাত্তুন উদি পেল’।
সরকারে দোলগরি পুর্নবাসন ন’ দিল’
চল্লিশ হাজার জুম্ম ইত্তুন বড় পরঙ গেল’।
জুম্ম জাতর ফারগ হনা এই মর্ম ব্যথা,
এঝ’ মন কানি উদে তুলিলে সে কধা।
চম্পক নগর ফিরি যানা এঝ’ শেষ ন’ হল’
চাঙমাউনে অরুনা চল রেজ্য লুঙি গেল’।
চাঙমাউন মঙ্গোলিয়ান নর গোষ্ঠীর তিব্বতি বর্মন,
নুতাত্বিক পন্ডিত ত্তুনে পরিচয় দ্যন।
চম্পক নগর চাঙমাউনে এঝ’ সুব ন’ পান,
কিন্তু তারা লুঙি যিয়্যন নৃতত্বর মূল জাগান।
ব্রক্ষপুত্র গাঙ পাড়ত লুঙি যিয়্যন দৈ,
তিব্বত ত্তান সিয়দত্তুন আর বেজ দুরত নয়।
আমা আদি পুরুষষুনে যে পথে লামি ইয্যন,
বিশ শতক’ চাঙমাউনে সে জাগাত লুঙ্যন।
মআ কাল’ পরিক্রমায় মানেই কুলর ইতিহাসর
চাঙমাউনে রাগেলাক নি কি সহস্রাব্দর উজ্জ্বল স্বাক্ষর?
হিলট্রেকসর দুগ সুগ
(১৩)
আওয়ামী লীগ মেয়দে শেষ হল’ একুশ শতক গোড়া পত্তন,
তত্বাবধায়ক সরকারে এঈ গরিল’ নির্বাচন।
শান্তি চুক্তি বিরোধ গরি বাঙাল ভোটার বানানায়
জে,এস,এস,এ নির্বাচন বয়কট গরি যায়।
ইউ,পি,ডি,এফ অ প্রসীদ খীসা তীর ধনু মার্কা লৈ,
খাগড়াছড়ি, রাঙামাত্যা দ্বি জাগাত দাড়ায় গৈ।
চুক্তি পূরন ন গরানায় হিলট্রেকস মানুষ ষুন,
না খোশ অৈ মুফিরিয়্যান আওমী লীগত্তুন।
দল প্রীতি আ দুর্নীতিল্লায় বাংলার জনগণ,
এক সমারে আওয়ামী লীগ রে গরিলাগ বর্জন।
হিলট্রেকসত্তুন বি,এন,পি,এ আসন পায় দ্বিয়ান,
খাগড়াছড়িত ওদুদ ভূইয়া, রাঙামাত্যাত মনি স্বপন দেয়ান।
আওয়ামী লীগর বীর বাহাদুর বান্দর বানত টিগিল’,
বি.এন,এন,পি এ বাংলাদেশর সরকার গরিল’।
বি,এন,পি এেনেয়্য পার্বত্য চুক্তি বিরোধী , ক্ষমতা পেলেয়্য,
চুক্তি বাস্তবায়ন’ আশা গরি পারি নি কিয্য?
তুঅ, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বিল বাতিল ন’ গরিল’,
মনি স্বপন দেবানরে পার্বত্য উপমন্ত্রী বানেল’।
বি,এন,পি, এবারত ক্ষমতাত এ ঈন্যায়
হঠাৎ গরি সংখ্যালঘুর নির্যাতন বাড়ি যায়।
বিরোধী দল আওয়ামী লীগরে অত্যাচার গরে,
যে কোন এক ছুতা লৈ জেলত দেয় ভরে।
জামায়তেরে সমারে লৈ সরকার গড়ানায়
মৌল বাদি তৎপরতা দেশত বাড়ি যায়।
নানা নাঙর জঙ্গি সংগঠন তৎপর অৈ যিয়্যন,
সারা দেশত ইন্দি উন্দি বোমা বাজি গজ্যন।
শেখ হাসিনার জন সভাত বোমা মারি দিন্যায়
এক সমারে চাব্বিশজন মানুষ মারি ফেলায়।
এক সমারে চব্বিশ জন মানুষ মাস্যন,
সারা দেশত এক সমারে বোমা ফুটেয়্যন।
ভারতর উগ্রপন্থী, উলফা সন্ত্রাসী উনরে
বিদেশত্তুন অস্ত্র আনাত সরকারে সাহায্য গরে।
এছাড়া অ সরকারর যাবতীয় অঙ্গ সংগঠন
প্রতিষ্ঠানানি বেক্কানি অৈ যিয়্যে বি.এন.পি করন।
ট্রানস পারেন্সি ইন্টার ন্যাশনাল জরিপ সুত্রে কয়,
বাংলাদেশ দুর্নীতিত পিত্তিমিত প্রথম স্থান হয়।
এ সময় হিলট্রেকসর অবস্থা কেজান?
এ ক্কেনা গরি টানি আনি সে সময়ান।
শান্তি চুক্তি অৈ যিয়্যে, যুদ্ধ থামি যিয়্যে,
যুদ্ধ নেই। মানুষ কি শান্তি ফিরি পিয়্যে?
শান্তি চুক্তির নিয়ম হল’ যা জাগাত তে থানা,
বাঙাল জুম্ম যিয়দ আঘে সিয়ত্তুন ন’ লরনো।
বিতর্কিত জাগা জমি যিয়ানি যিয়ানি থেব’
ভূমি কমিশনে এঈ নিষ্পত্তি গরি দিব’।
আসল সত্য হল; অদৃশ্য এক কালাহাতর অশুভ ইশারায়
জুম্ম জাতর শান্তি য়ানরে উড়েই নি যায়।
ষ্পেশাল এফ্যায়ার্স ফোর্স- অদৃশ্য সরকার
বেসামরিক হিলট্রেকসরে নিয়ন্ত্রণ গরি যার।
চুক্তি মুজিম আর্মি ক্যাম্প তুলি নিবার থেলেয়্যা,
চুক্তি বাস্তবায়ন সরকারে ন’ গরিল, এয্যো।
আর্মি অফিসারউনে বরং অপারেশন উত্তরণ
লাঙ দি শান্ত প্রকরন প্রকল্প গত্তন বাস্তবায়ন।
ইন্দি উন্দি নানা জাগাত বড় রাস্তার ধাগত।
হাজার হাজার বাঙালরে গরি দিয়্যে বসত।
জুম্ম উনর মুড় মুড়ি, ভুই বাগান, বন,
বাঙালুনে দখল গত্তন, আঘে আর্মির সমর্থন।
২৬ আগষ্ট ২০০৩ মহালছড়ি থানা
আর্মি লৈ সেটলারে মিলি গরিলাগ ঘটনা।
থানা আশে পাশে দশশান জুম্ম আদাম,
লুটপাট গরি জ্বালি পুড়ি দি গরিলাগ ছত্রসান।
পাচশত ঘর জ্বলি গেল কয়েকজনে হারে লাগ পরান,
আর্মিয়ে বাঙালে জুম্ম মিলাউনরে গরিলাগ ধর্ষন।
শান্তি চুক্তির এই পরিনাম, সরকার নীরব, থায়,
হাজার হাজার মানুষ মিলি থলিপাড়া স্কুলত ধিক্কার জানায়।
মিডিয়া মারফত ছড়িপড়ি গেল এ র্ববর ঘটনা
বিশ্ব বিবেক বাংলা দেশরে গরি যায় ভৎর্সনা।
প্রতিনিধি দল সরেজমিনে এল’ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন,
মানবিক করুনায় হাদত তুলি নিল’ দুর্গতউনর আবোসন।
ভুমিদস্যূ বাঙালুনর থামি নেই ভূমি আগ্রাসন,
প্রতিবাদে ৭ জুন ২০০৫ খাগড়াছড়িত হল’ সম্মেলন।
পুলিশআ সেনাবাহিনী এঈ সভাত বাধা দিল’
তা সত্ত্বে ও বহুত মানুষ সভাত যোগ দিল’।
৬ এপ্রিল, ২০০৬। মহালছড়ি থানার মাইচ ছড়ি বাম,
সেটলার বাঙালে হামলা চালেলাগ দ্বিয়ান জুম্ম আদাম।
পঞ্চাশ জনরে রুপ্যা পরিলাগ, ইজ্জত হারেলাগ মিলায়,
ক্যঙর বৌদ্ধ ভিক্ষুরেঅ দুবৃত্তউনে মারি যায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সে বছর বিজু ন গরন,
খাগড়াছড়ির জুম্মউনে বিজুউৎসব বাদ দ্যন।
দুর্নীতি এ ভরি যিয়্যা বি.এন.পি সরকারর মেয়াদ শেষ হল’,
তত্ত্ববধায়ক সরকারবু অরে তা মানুষদি গড়ি দিল।
এ দুর্নীতি ন’ মানি আওয়ামী লীগ গরে আন্দোলন,
আন্দোলনর ধুম ধারাক্কায় এল দেশত জরুরী শাসন।
দ্বি হাজার সাত সন এগারো জানুয়ারী.
বাংলাদেশত অৈ গেল জরুরী অবস্থা জারি।
ফরুকদ্দিন আহমেদ হল উপদেষ্টা প্রধান,
জরুরী শাসক সেনা প্রধান মঈুনদ্দিন খান ।
তিন মাস ভিদিরে নির্বাচন দেনা, তত্তাবধায়ক সরকারর নিয়ম এল’
ইয়ানি উয়ানি শুদ্ধি অভিযানে দ্বিবা বছর কাটেই দিল’।
বাংলাদেশর অনিয়ম দুর্নীতি শোধন গরিবার চেল’,
অনেক ক্ষেত্রে তারা নিজেরাই সেই ফাঁদত পড়ি গেল’।
বাংলাদেশর রাজনীতি মঞ্চ চালেদ’ যেইন্যায় অভিযান,
দ্বি দলর দুই নেত্রীরে তারা বিয়োগ দিবার গজ্যন প্ল্যান।
তা সত্বেও তারা দোল গরিনায় নির্বাচন কমিশন সাজেয়্যন,
পত্তি জনরে গদে গদে গরি ভোটার কার্ড দিয়্যন।
কারল্লায় তারা কন’ পক্ষপাত কাম ন’ গরন,
স্মরনকালর বাংলাদেশর দোল নির্বাচন উপহার দ্যন।
বাংলাদেশর দ্বি বছরর জরুরী শাসন কাল
হিলট্রেকসল্লায় অভিশাপ, অবস্থা বেহাল।
এনেয়্য নাচুনি বুড়ি আর’ পজ্যে ঢুল’ বাড়ি- জরুরী অবস্থায়
ভুই দখলত আর্মিউনর মদদ বাড়ি যায়।
সেটলার বসতি সম্প্রসারণ, ভূমিবেদখল আ অধিগ্রহণ,
ইয়ানির প্রতিবাদ ন’ গরিবা ক্যঅজন।
বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়ন,
ম্রো নেতা রাংলাই ম্রো ইউনিয়ন’ চেয়ারম্যান।
তা ইউনিয়নত ভূমি অধিগ্রহনর প্রতিবাদ গরাল্লায়,
যৌথ বাহিনী এঈ তারে বানি লৈ যায়।
১৩ জুন ২০০৭ বিশেষ ট্রাইবুনাল তার বিচার গল্ল
এই দোষে তারে সতর বছর কারাদন্ড দিল’।
তিন বার’ নির্বাচিত তে গণ প্রতিনিধি,
গণ স্বার্থ কধা কৈন্যায় তার এ দুর্গতি।
এই হ্ল’ হিলট্রেকসল্লায় মানবাধিকার
চের কিত্যা মুড়’ সেরে করে হাহাকার!
বানা জমি, বাগান, মুড়’ দখল ন’ গরন,
জুম্মউনর ধর্মস্থান ক্যং, মন্দির, কুটির’ তারা বাদ ন’ দ্যন।
লক্ষীছড়ির ভুজলি চুক ভাবনা কেন্দ্র, আর্মিউনে যেই,
২০০৭ র ১৭ ই জুলাই, ভিক্ষুউন বানিনেয়, আশ্রম ভাঙি দেয়।
তারপরেঅ ভিক্ষুউনে ভাবনা কেন্দ্র ন’ ছাড়ন
সে বছরর ডিসেম্বরত আর্মিউনে আবার ভাঙি দ্যন।
বুদ্ধমূর্তি ঝার’ ভিদিরে লুঙি মারি দিলাগ
“বুদ্ধ ঘর নয় ইয়দ আল্লাঘর হ্ব’” এ কধান কলাগ।
বাবুছড়ার সাধনা টিলা, বন ভান্তের নাঙে পবিত্র আশ্রম,
জাগান কাড়ি নিবাল্লায় আর্মিউনে চোগ দ্যন।
২৩ আগষ্ট ২০০৭। সেটলারউন দোয় ঝার কাবা ধরিলাগ।
হ্াজার হ্াজার জুম্ম যেই তারারে বাধা দিলাগ।
এলেকার জনগনর প্রতিরোধত টিগি ন’ পারিনায়,
আর্মি আ সেটলারউনে লেজবদি ধেই যায়।
মহালছড়ি থানার করল্যছড়ি সারনাথ অরন্যকুটির,
জাগানর উউরে লোভ এস্যে এক সেটলার ভূমিদস্যুর।
মিথ্যা মামলা সাজে দিন্যায় সে ভূমি দস্যুয়ে,
গ্রেফতার গরে কুটির অধ্যক্ষ আর্য জ্যোতি ভিক্ষুরে।
রাঙামাটি জেলা সাজেক ইউনিয়ন- প্রত্যন্ত এলাকায়,
সেটলার বসেই দিবাল্লায় সিধু আর্মি, বাঙালে হামলা চালায়।
১০ এপ্রিল ২০০৮, আর্মি আ সেটলার মিলনায়
চেরান আদাম ঝাবে পড়ি হামলা চালেই যায়।
শত খানিক ঘর পুড়ি গেল সে লগে গীর্জা, ক্যঙ,
ইউনিসেফর পাড়া কেন্দ্রঅ দ্বিয়ান জ্বালেই দ্যন।
দিঘিনালা ক্যান্টনমেন্ট কবাখালী মৌজাত,
ক্যান্টনমেন্ট, উত্তরেন্দি দ্বিয়ান আদাম তা লাগাত।
কবাখালী আ রিজাভ ছড়া দ্বি আদাম’ সেরে
এক্য মুড়’ লাঙেল আঘে মারিস্যা রোড’ উত্তরে।
এ লাঙেল্য দ্বি আদামর সাধারন সম্পত্তি,
কবাখালী রিজাব তার নাঙ পরিচিতি।
গেল’ শতকর ছয় দশকত বাশগুলা ধরিনায়
আদাম্যাউনে মিলি ব্বেগে সিয়ান জুম খায়।
জুম খেইন্যায় সে জাগানিত বাগান বানিয়্যন,
যা বাগান তে দখলত রাখেই ভোগ গরি এত্তন।
ক্যান্টনমেন্ট’ উত্তরেন্দি মারিস্যা রোড যায়,
রোড’ পাজারাদ আগেত্তুন ধরি বাঙাল বঈ থায়।
জরুরী অবস্থা এঈ পড়িন্যায় আর্মিউনর সুযোগ হ্ল’,
ক্যান্টনমেন্টর তদারকে সে লাঙেল্য বাঙাল বসেল’।
পঞ্চাশ বছরর দখলী বাগান, কন’ আপত্তি ন’ শুনিল’,
আড়াইশ একর পরিমান জাগাত বাঙাল বসে দিল’।
এছাড়াঅ হিলট্রেকসত যিয়দ যিয়দ আঘে সেনাগার
অধিগ্রহণ গল্ল জমি সিয়ানি বাড়েবার।
ভূমি অধিগ্রহণ’ প্রতিবাদ গরাল্লায়,
রাংলাই ম্রো চেয়ারম্যান জেল খাটি পায়।
জাগাজমি বেদখল, ভূমি অধিগ্রহণ, হামলা গরাল্লায়,
বারে বারে ঢাকাত যেই সংবাদ সম্মেলন গরা যায়।
মিডিয়ায় সে খবর যেক্ষে প্রচার অৈ যায়,
প্রবাসী জুম্মউনেঅ নানা দেশত্তুন প্রতিবাদ জানায়।
বিশ্ব বিবেক জাগি উদে নানা দেশর সরকারে
মানবাধিকার লঙ্ঘন ন’ গরিবার কয় বাংলাদেশরে।
হিলট্রেকসর ভূমিবেদখল মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিবাদ গরিন্যায়,
শ্রীলঙ্কা বাংলা দূতাবাসত “জুম্ম বুড্ডিষ্ট মঞ্চস” এ বিক্ষোভ দেখায়।
“জুম্ম পিপলসক নেট ওয়ার্কস” লন্ডন শাখায়,
বাংলাদেশর হাই কমিশনাররে মাধ্যম গরিনায়
ফকরুদ্দিন আহম্মদ ইদু স্মারক লিপি পাঠায়।
“কাট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইট প্রাকটিস ” আমেরিকা সরকার
প্রকাশ গরে হিলট্রেকসর ভূমি বেদখল, মানবাধিকার লঙ্ঘন’ খবর।
লর্ড এরিক এডিবুরি যুক্ত রাজ্য মানবাধিকারদল’ সহ সভাপতি,
সাজেক হামলার উদ্বেগ জানেই বাংলা সরকাররে লেখে চিঠি।
“জুম্ম পিপলস নেট ওয়ার্কস” শিউন শাখা সাজেকর ঘটনায়
দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশ দূতাবাস ইদু বিক্ষোভ জানায়।
সাজেক হামলার প্রতিবাদ গরি জাতিসঙ্ঘ সদর দপ্তর মুজুঙে,
বিক্ষোভ জানায়,“ইন্ডিজেনাস জুম্ম পিপলস নেট ওয়ার্কস ট.ঝ.অ.
জরুরি আমলর কড়াকড়ি আইন ন’ ডরেন্যায়,
মহালছড়ি, রূমা, সাজেকত্তুন ঢাকাত এঈন্যায়
সংবাদ সম্মেলন গরি, ইয়ানির প্রতিবাদ জানেয়্যন;
আর্মি উনর র্কীতি কলাপ, সরকারর, মুখোস খুলি দ্যন।
নানা সংশয় সন্দেহ লৈ বাংলাদেশর মানুষ দ্বি বছর কাটেলাগ,
ব্বেগ’ শেষে জরুরী আইন সজ গরি নির্বাচন লাগ পেলাগ।
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হল’,
দিন বদল’ প্রতি শ্রুতি দি আওয়ামী লীগ জয় গরিল’।
পার্বত্য শান্তি চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন
সে সমারে আদিবাসীর সনাতন অধিকার সংরক্ষণ
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ইয়ানি জানি নায়,
হিলট্রেকসর জুম্মউনে আওয়ামী লীগে ভোট দেয়।
সে কারণে হিলট্র্রেকসর তিনান আসন,
আওয়ামী লীগর প্রার্থী উন নির্বাচত হন।
দীপঙ্কর তালুকদারে রাঙামাত্যা জয় গরে,
বান্দরবান, তিন বারেঅ জয়ী হয় বীর বাহাদুরে।
যতীন্দ্রলাল ত্রিপুরা নূঅ এম,পি হয় খাগড়াছড়ি,
আওয়ামীলীগরে ভোট দিলাগ ভারী আশা করি।
আঞ্চলিক দ্বিবা দল তারা অ প্রার্থী দিলাগ,
রাঙামাত্যা জে,এস,এস ও দ্বিয়ানত ইউপি,ডি,এফ দাড়ে লাগ।
এ নির্বাচনত এক্কান বিশেষত্ব- ভোটার অধিকার,
ন’ মানিয়া প্রার্থীউনরে “না” ভোট দিবার।
রাঙামাত্যা জেলাবুঅত না ভোট বেজ পজ্যন,
সচেতন ভোটারউনে মনভাব জানেয়্যন।
বাংলাদেশত এ পর্যন্ত যত ভোট অয়্যে,
এ ভোট্টানই যদপদে নিরপেক্ষতা পিয়্যে।
জামাত আ বি,এন,পিরে যে দলউনে কোচ ন’ পান,
সে দলউন বেক্কুনে মিলি আওয়ামীলীগ লৈ যোগ বদন।
বি,এন,পি চের দলীয় জোট, আওয়ামীলীগ মআজোট,
মআ জোট আওয়ামী লীগে পেই গেল, বেজ ভোট।
মআজোট আওয়ামীলীগে ব্বেগ ভাগ আসন জিদিল,
দলনেত্রী শেখ হাসিনা নুঅ সরকার গড়িল।
দিন বদল আ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কধা দিনায়
অনেক নুঅ নুঅ মানুষ তা মন্ত্রিসভাত ভরায়।
মিলা মন্ত্রীঅ বেশ কয়েকজন মন্ত্রি সভা ভিতর,
পেই গেলাগ সরকার’র গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর।
পার্বত্য উপমন্ত্রি হল’ দীপঙ্কর তালুকদার,
উন্নয়ন বোর্ড চেয়ার ম্যান বীর বাহাদুর।
যতীন্দ্রলাল ত্রিপুরা টাক্সর্ফোস চেয়ারম্যান
পার্বত্য উদ্বাস্ত আ শরনার্থী পুর্নবাসন।
আরম্ভ আন ভারী দোল, ফলেন’ পরিচয়
জুম্মউনে বাঘ্যেই আসন, দেগাযোগ কি হয়।
এ সরকার বড় কৃতিত্ব জাতীয় শিক্ষা নীতি বানানা,
সে সমারে ঠিগ সময়ে পাঠ্য বই দেনা।
কৃষি উৎপাদনে সরকারর সহযোগীতা
খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ তায় রয়্যে অগ্রণী ভুমিকা।
বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় বাংলাদেশ ন’ পড়ে
এ বিষয়ান’ সরকারে গৌরব গরি পারে।
বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শেষ গরি দিনায়
জাতিরে দ্যা প্রতিশ্রুতি এক্কান পালায়।
মুক্তিযুদ্ধরে বিরোধ গরি সারা পাক আর্মির সহযোগী হয়্যন,
হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লঠন, ঘর জালেই দ্যন,
জামায়াত পন্থী মানবতা বিরোধী সেই রাজক্যর উনরে
ধরি, বানি, জেলত ভরেই আদালতত কাঠগড়াত তুলি বিচার গরে।
সরকারর এ উদ্যোগরে বিরোধিতা জরিনায়,
বিরোধী দলে দেশে বিদেশে নানা চক্রান্ত চালায়।
তা সত্ত্বেঅ সরকারে মত ন’ বদলায়
রাজাকরউনর বিচার হ্্োগ, দেশবাসী চায়।
আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতা লনার পরে
বি,ডি,আর,সি পাইউনে পিল খানাত বিদ্রোহ গরে।
এ বিদ্রোহ ঠিগ সময়ে দমন গরাল্লায়
দেশে বিদেশে সরকাররে বাহানি জানায়।
যে সব দেশর মহৎ হৃদয় নেতা, জ্ঞানী, গুনী, সজ্জন,
মুক্তিযুদ্ধর বিপদকালত বাংলাদেশরে সাহায্য দ্যন
চল্লিশ বছর পরে হলেয়্য, দেশত আনি সিউনরে
কৃতজ্ঞতার সম্মাননা জানায় হাসিনা সরকারে।
বাংলাদেশর মৌল বাদী সন্ত্রাস দমন নীতি,
দেশ শানরে আনি দের আন্তর্জাতিক খ্যতি।
বি,এন,পি আমলর ঘটি যিয়্যে উলফা হাত্যার কেলেঙ্কার,
দশট্রাক হাত্যার মামলা চালেই যার বর্তমান সরকার।
অনেক খানি গম কাম গরি থেলেয়্য এ সরকারে,
বাংলাদেশর জনগণর মন আশা পুরেই দি ন‘ পারে।
দশ টেঙা চোল’ কেজি খাবেব’ যদিঅ কোই থায়,
মোটা চোলঅ চল্লিশ টেঙা সঙ দাম বাড়ি যায়।
বানা চোল নয়, তেল, ডেল,নুন, সব্জি, তোনপাট,
বেগ জিনিষ’ দাম আগুন, গরীবর কপালত হাত।
দ্রব্য মূল্যে নিয়ন্ত্রণ সরকারে গরি ন’ পারে,
লোভী আ অসৎ ব্যবসায়ীউনে বাংলাদেশ শেষ গরে।
এ দেশত কন’ জিনিস যদি দাম বাড়ে,
সে জিনিসর দাম আর সহসাত ন’ পড়ে।
সরকারেঅ ঘন ঘন জ্বালানি দাম বাড়ায়,
গরীবগন্যা মধ্যবিত্তর নাভিশ্বাস উদি যায়।
আওয়ামী লীগ এ সরকারর ক্ষমতা এঝেনার পরে পরে,
বাংলাদেশর শেয়ার বাজার এক্কুই ঢুসে ভাঙি পড়ে।
লাখ মানুষ এ ঘটনাত পুজি হ্ারেলাগ,
হ্াজার কোটি টেঙা এ দেশর লোপাট অৈ গেলাগ।
পদ্মাসেতু বানেই দিব দগিন বাংলা মানুষষনরে,
নির্বাচন’ আগেদি এ প্রতিশ্রুতি দান গরে।
পদ্মাসেতু নির্মানল্লায় বহুত টেঙার প্রয়োজন,
বিশ্বব্যাংক, এ.ডি.বি, জাপানে খাম খিয়্যন।
পদ্মাসেতু নির্মানর কাম গত্ত যেই
বিশ্ব ব্যাঙ্কে দুর্নীতিন কধা কয় আঙুল দেগেই।
যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন বদলী অৈ গেল;
তা বদলে ওবাইদুল কাদের সে জাগাত বল’।
রেল মন্ত্রী সুরঞ্জিত ভারী নামী দামী মানুষ
রেল টেঙা কেলেঙ্কারীত বুয়ার নেইয়্যা ফানুষ!
বিশ্ব ব্যাঙ্কে বাংলাদেশর ঋণ বন্ধ গরিল’
আবুল হোসেন মন্ত্রিত্ব ছাড়ি “দেশ প্রেমিক” হ্ল’।
বি.এন.পি.আমলর দলীয়করন, অনিয়ম, দুর্নীতি,
দিন বদলর সরকার’ আমলত’ একই নিয়ম নীতি।
অফিস, আদালত, হাট, মাঠ, ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
দুর্নীতিএ ভরি রৈ যিয়ে গৈ সরকার’ দলর অঙ্গসংগঠন।
চান্দাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুনিয়ার যত’ অনিয়ম
আওয়ামী লীগর সোনার পুঅউনর নিত্য দিনর কাম।
বিরোধীদল বি.এন.পিয়ো নিত্য ছুদা পেদে থায়
ইয়ান উয়ান কঈ কঈ সংসদদ ন’ যায়।
ক্ষমতাদ এঈ আওয়ামী লীগে সংবিধান সংশোধন গরিল’,
বাহাত্তরর মূল নীতিয়ানি টানি আনিল’।
সে সমারে তত্বাবধায়ক সরকার’ রীতি তুলি দিল’,
বি.এন.পিএ ইয়ানদোই আন্দোলনত লামিল’।
এই অলদে দেশর হ্াল সারা বাংলাদেশত
এ সময়ত কি ঘটি যার আমা হিলট্রেকসত?
গনতন্ত্রর সরকার এলেয়্য, কি বি.এন.পি. কি আওয়ামী লীগ
আর্মি বলাবল জরুরীত্তুন’ নয় উনিশ বিশ।
ভুই প্রেত্যা বাঙালুনে যিয়দ যিয়দ আঘন,
শান্তি প্রিয় জুম্মউনরে শান্তিয়ে ন’ রাঘন।
আওয়ামী লীগে ক্ষমতা যানার ছ’মাস’ মাধাত
ভুই দখলর হাঙ্গামা হ্্য় গুইমারা বড়ই তুলি জাগাত।
সেটলার বাঙালুনে যেক্ষে দখল নিদাগ যান
ভুইঅ মালিক জুম্মউনে সিয়দ রুখি দাড়ান।
বানা বড়ই তুলী এ ঘটনা ঘটে, সিয়ান নয়
এ ঘটনা ঘদি যার গৈ গোটা’ হিলট্রেকস ময়।
সুন্দুক ছড়ি মৌজা বসতি ফনেমালা ত্রিপুরা
তা বাপে তারে জুম খেবাল্লায় দিয়্যে এক্কুঅ মুড়া।
৩৫ বছর সে মুড়বুঅ তে ভোগ গরি এসের
এক দাগি বাঙালে সিবা দখল নিদাগ চার।
তারার দাবি এ মুড়বুঅর দলিল তারা পিয়্যন
সেদ্যায় তারা বেশ কয়েকবার সালিশ বসেয়্যন।
বাঙাল’ লিডার নওবাব আলী ফনেমালা ত্রিপুরারে
এই বিরোধর জের ধরি হুমকি প্রদান করে।
ফনেমালা মহালছড়ি থানাত জি.ডি.ও গরি থায়
কদিন পরে জুম ঘরত ফনেমালা খুন অৈ যায়। *
( * দৈনিক সমকাল ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ )
১৯,২০ ফেব্রুয়ারী ২০১০ সন, আর্মি সেটলার মিলি,
সাজেকর এগার’আন জুম্ম আদাম নি:শেষে দিলাগ জ্বালি।
পাচশত’ অধিক ঘর জ্বলি গেল’, দ্বিয়ান ক্যঙ, গীর্জা এক্কান,
আর্মিয়ে গুলি চালানায় চেরজন মানুষ দিলাগ পরান।
সাজেক ঘটনার প্রতিবাদ জানেই খাগড়াছড়ি সদরত
ফেব্রুয়ারী ২৩ তারিখত গরলাগ সড়ক অবরোধ।
এই ঘটনার পাল্টা হিসাবে আর্মি আ সেটলারে
প্রশাসনর ছত্র ছায়াত খাগড়াছড়ি ছারখাড় করে।
কলেজ পাড়া, মাঝন পাড়া, মিলন পুর, সাতভেই পাড়া,
জুম্ম ঘর, দোকান পাট আগুন বাঝেই দিলাগ পোড়া।
নেই ইয়ানির কন’ তদন্ত, কন’ বিচার নেই,
সরকারেঅ নির্বিকার অলড় থায় চেঈ।
বাংলাদেশর ঢাকা শহর আর চাটিগাঙ,
প্রতিবাদ গরিলাগ এই অমানুষিক কাম।
দেশ বিদেশে মিডিয়ায় এই খবর ছিদি পল্ল’,
যিদু যিদু জুম্ম আঘন বিক্ষোভে ফাদি পল্ল’।
ভারতর দিল্লি, কলকাতা, ত্রিপুরা, মিজোরাম,
জুম্মউনে জাগায় জাগায় প্রতিবাদ জানান।
আমেরিকা, ক্যানাডা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড,
জাপান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড,
দূর প্রবাসী জুম্মউনে সেসব দেশর বাংলাদেশ দূতাবাস যেই,
প্রতিবাদে ফাদি পল্লাগ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানেই।
সাজেক, খাগড়াছড়ি ঘটনার নিন্দা জানেন্যেয়,
সে বছর’র বিজু উৎসব বর্জন গরা হ্্য়।
ভূমি দস্যু বাঙালুন বড় ধুরন্দর,
ইন্দি উন্দি জাগা জমি নিত্য দখল হ্্র।
সরকারী ভাবে বন্দোবস্তী বন্ধ থেলেয়্য
হাবে ভাবে মনে হ্্য় বাঙালল্লায় খুল’।
তা ন’ হ্লে কেনে তারা ভুইঅ নানু খলান,
ইয়ান মর, উয়ান তার ভুইঅ দাবী গরন?
দিঘিনালা থানা আর ক্যান্টনমেন্ট’ সেরে
পাবলাখালী মৌজাআন অবস্থান গরে।
ছিয়াশীর গন্ডগোলত মানুষ শরনার্থী যিয়্যন,
সে সময়ে এ মৌজাবুঅত বাঙাল এঈ বস্যন।
বাজার বল’, অফিস বল’, বসেলাগ কবরস্তান,
মনে হ্য়দে দেশ্শান যেন জয় গরি নিয়্যন।
চুক্তির পর শরনার্থীউন দেশত ফিরি এলাগ,
দখল গজ্যা জাগানি আর ফিরি ন’ পেলাগ।
বাঙালুনরে এক কিত্যান্দি মুড়ত তুলি দিল’
বহু জুম্মর ভিটা বাগান’ বেদখলত গেল’।
এ ভিদিরে মুরে মুরে ইউনিস লিডার,
টেঙা খাবেই অফিসত্তুন ম্যপ তুলে মৌজার।
গোটা মৌজার ম্যপ আর মাঠখসড়া লৈ,
কুদু কুদু খাস জমি আঘে নিগলি লয় গৈ।
খাস জমির দাগ নম্বর লৈ ভুইঅ নানু খলায়
গোটা মৌজার মানুষষুনরে বিপাকত ফেলায়।
ইদ্দূর পর্যন্ত লিগিন্যায় “কালের কন্ঠ” পড়ঙর, (২৭.৮.১২)
“পানছড়িত জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৫” লেখান দেগঙর।
পানছড়ি, উল্টাছড়ি ইউনিয়ন অমরপুর আদাম,
এক্য মুড়’ দখল নিন্যায় দ্বি গিরেস্থে কোল বাঝান।
মাসুদ রানা কান্তি ভূষণ মুড়’ দখলল্লায়,
মারা মারিত পাচজন মানুষ জখম অৈ যায়।
এ ধক্যা গরি বাঙালুনে নিত্য তস্যা লাগান,
ইয়ানই হিলট্রেকসর বর্তমান ছবিয়ান।
শান্তি চুক্তি অৈয়্যে ইজ্যা চৌদ্দ বছর’ আগে,
চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার এঝ কলা দেগেই আঘে।
চুক্তি গরার পরেন্দি সরকার তিন বছর যিয়্যে
বি.এন.পি. আর জরুরীয়ে সাত বছর যিয়্যে
চুক্তি বাস্তবায়ন’ আশায় আওয়ামী লীগরে ভোট দিলঙ,
চের বছর’ মাধাত আমি কি কি পেই, গেলঙ,
“পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটি,”
“পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি,”
“পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন,”
“টাস্কফোর্স, পার্বত্য শরনার্থী আভ্যন্তরীন উদ্বাস্ত পুনর্বাসন,”
বড় বড় নাঙ লৈন্যায় চেরান সংস্থা সরকারে রাঘায়,
ক্ষমতার চের বছরেঅ চুঙ চঙ ভুক্কায়!
ভূমি সমস্যা সমাধান, জরুরী প্রয়োজন
সে কারণে রাঘেই দিয়্যে ভূমি কমিশন,
কমিশন রাঘেই কি হ্ব’, বিধিমালা নেই!
বিধিমালা তৈরি হ্ল’ দুই হ্জার একত এঈ।
দ্বি হাজার পাচত ভূমি কমিশন বৈঠক বসিল’
চুক্তি লৈ বিধিমালার কন’ মিল নেই দেঘা গেল’।
কমিটির সদস্যউনে বিধিমালা ন’ মানিলাগ,
চুক্তি লৈ মিল রাঘেই সংশোধল্লায় ফেরত দিলাগ।
জেলা বা আঞ্চলিক পরিষদর মত ন’ জানিন্যায়
সরকারে তা মনযক্কা গরি বিধিমালা বানায়।
আওয়ামী লীগে এবারদ ক্ষমতাদ এঈন্যায়,
খাদেমুল ইসলামরে কমিশনর চেয়ারম্যান বানায়।
খাদেমুল ইসলামে এঈ বৈঠক গরিল’
কমিশন’ সদস্যউনে বৈঠকত ন’ এল’।
যতদিন না ভূমি কমিশন আইন সংশোধন ন’ হ্্য়
তত দিন কমিশনত যোগ দিদঙ নয়।
খাদেমুল তা মনযক্কায় জরিপ দিদ’ চেল’
সারাজেলা জুম্মউনে প্রতিবাদ গরিল’।
তা ইচ্ছায় কমিশনত কাম চালেদ’ যেঈ
জুম্মউনর অবাঞ্চিত গেল গৈ খোলেই।
শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি সভাত,
ভূমি কমিশনক আইন সংশোধন প্রস্তাব অৈ গেল পাস।
ইয়ানদোয় পার্বত্য সম অধিকার বাঙালুনে হৈ চৈ গরিলাগ
নৌপধ, গাড়ি পধ হরতাল ডাগিলাগ।
পেনসনার বিচারক খাদেমুল ইসলাম,
চুক্তি ভিত্তিক কমিশনত গরের তে কাম।
চুক্তি মুজিম তা মিয়াদ ফুরেইন্যায় যায়,
অবাঞ্চিত এ মানুষষুনরে সরকারে আর’ রাঘেদ’ চায়।
টাক্সফোর্স, পার্বত্য শরনার্থী আভ্যন্তরীন উদ্বাস্ত পুনর্বাসন,
এ পর্যন্ত কন’ কাম গজ্যে বিলি কিয়্যে দ’ ন’ জানন।
আলাদা আলাদা এ সংস্থাউন, সরকারে গড়ি থেলেয়্য,
প্রধান মন্ত্রির অনুমতি ছাড়া কাম ন’ গরন ক্যেঅ।
চব্বিশ বছর আগে সেই এরশাদ’ আমলত,
গড়ি যিয়্যা তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ;
যদিবা পাচ বছর পরে পরে নির্বাচনর কধা এল’
এ পর্যন্ত কন’ বার নির্বাচন ন’ হ্ল’।
যে দলে যেক্ষে ক্ষমতাদ এঝে সে দলে মানুষ দের,
অনিয়ম এ নীতি লৈ এ পর্যন্ত চলি এঝের।
আঞ্চলিক পরিষদ’ গঠনতন্ত্র নিয়মানুসারে
জেলা পরিষদ’ সদস্যউনে তারারে নির্বাচন গরে।
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ যদি নির্বাচিত ন’ হ্্য়
আঞ্চলিক পরিষদ গঠন’ সেদ্যায় বন্ধ রাঘি পায়।
১৯৯৮ সনত আঞ্চলিক পরিষদ চালু হ্লেয়্য,
অন্তবর্তী কালীন পরিষদেই কাম চালার এয়্য।
আঞ্চলিক পরিষদ’ কার্য প্রনালী বিধি
প্রনীত ন’ হ্্য় এঝ’ দীর্ঘ দিন অবধি।
সে কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ লৈ
জেলা প্রশাসন আ জেলা পরিষদর সমন্বয় ন’ হ্রগৈ।
সুনির্দিষ্ট বিধি মালা তৈরি ন’ থানায়
পরিষদর কাম চালাদে নানা বিঘ্ন হ্য়।
পার্বত্য জেলা পরিষদ বিধি জেলা পরিষদরে
তেত্রিশশান বিষয় পরিচালনার অনুমোদন গরে।
সিত্তুন ব্বানা উনিশশান বিভাগ হাদদ গোঝেই দিয়্যে,
আর কয়েক্ক্য বিভাগ দিবার জুগুলি বাঘিয়্যে।
পুলিশ (স্থানীয়) বিভাগ হ্াত বদলর ঘোষণা দিন্যায়
চেরান বাঙালী সংগঠন হরতাল ডাক দেয়।
২৯-৩০ আগষ্ট ২০১২, পুরো দ্বিবা দিন,
ডাক দিলেয়্য, চালে পাজ্যন মাত্র এক দিন।
সরকারে যদি চুক্তি পক্ষে কাম গরিদ’ যায়,
পত্তি খেবে বাঙালুনে বাধা অৈ দাড়ায়।
আদিবাসী জমি, জলাধার, বন এলেকার সনাতনী অধিকার,
রাঘেই দিন্যায়, ভূমি কমিশন এক্য দিব’ উপহার।
সংখ্যালঘু, আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির বৈষম্যমূলক আইন, ব্যবহার,
পরিবর্তন গরি দিব,- এই হ্ল’ নির্বাচনী অঙ্গিকার।
ক্ষমতাদ এঈ শেখ হাসিনা দ্বি হাজার নয় সনত
শুভেচ্ছা বানী দিপাঠেয়্যে আদিবাসী দিন পালনত।
ব্যারিষ্টার শফিক আহমেদ আইন মন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
শুভেচ্ছা বাণী পাঠিয়ে দ্বি হাজার দশর আদিবাসী দিবসর।
সংখ্যা গরিষ্ঠতা লৈ মআ জোটে ক্ষমতাদ এল’,
সংবিধান সংশোধনর সুযোগ এঈ গেল’।
বাহাত্তরর সংবিধানত ফিরি যেবাল্লায়
সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন গরা হ্য়।
বাংলাদেশর আদিবাসীউন ব্বেগে আশা গল্লাগ,
দিন বদলর সরকার’ ইদু সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেবাগ।
হঠাৎ গরি সরকারর মত বদলি গেল’
বাংলাদেশত আদিবাসী নেই, প্রচার গরা ধরিল’।
ইগুন নাকি আদিবাসী নয়, ইগুন উপজাতি,
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি নাঙ সরকারে দিল’ পরিচিতি।
সংসদত আদিবাসী নেতা আঘন পাঁচজন
বাম প্রগতিশীল বহু নেতা সংসদত আঘন,
আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস জোর দাবী জানেলেয়্য
সংবিধানত আদিবাসী অধিকার নিশ্চিত ন’ গরিল’,
অধিকার’ কধা বাদ, আধিবাসী শব্দবুঅ
সংবিধানত জুড়ি দিবার সাহস ন’ গরিল’।
কি ব্যাপার! এতদিন নেতা নেত্রী বেক্কুনে আদিবাসী কয়্যন,
আদিবাসী মানুষ ষুন নল্লায় দোল দোল ওয়দা দ্যন।
এজ্যা ক্যা ভেজুর ভেই বৌ সম্পর্ক এঈ গেল,
নাঙান পর্যন্ত মুত্রন্দি কনা এক্কেরে বন্ধ হল‘?
ইন্টার ন্যাশনাল লেবার অর্গানেজেসন (ওখঙ) জাতি সংঘর অঙ্গ সংগঠন,
১৯৫৭ সনত গরে ইন্ডিজেনাস এন্ড ট্রাইবেল পিপলস কনভেনসন।
(১৯৫৭ সনত গরে আদিবাসী এবং উপজাতীয় জনগণ সম্মেলন)
পিত্তিমিত সাত্তান মআদেশত আঘন ছড়ি ছিদি,
ছত্রিশ কোটি আদিবাসী, অনুন্নত নানা উপজাতি।
এই অনুন্নত আদিবাসী উনরে রক্ষা গরাল্লয়ে
সম্মেলনত কদক্কানি আইন গরা হয়।
জাতি সংঘত যেদক্কানি দেশ নাঙ লিখিয়্যন,
এই কনভেনসন মান্যন বিলি দস্তখত দিয়্যন।
মুক্তি যুদ্ধত বাংলাদেশ স্বাধীন হনার পরে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ ইয়ুদ স্বাক্ষর গুরে।
রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার রক্ষল্লোয়
আই, এল, ভ আর দড়মড় গরি আইন বানি থায়।
১৯৮৯ সনত ইন্ডিজেলাখ এন্ড ট্রাইবেল পিপলস কনভেনসন
নুঅ গরি গড়ি দিল আদিবাসী স্বার্থ সংরক্ষণ।
১৯৯৩ সন ১০ই আগষ্ট আদিবাসী দিন ঘোষণা হল।
আদিবাসী উন্নয়ন ল্লায় আদিবাসী দশক শুরু হল।
আর্ন্তজাতিক আদিবাসী দশক ইক্ষে দ্বিবা (২০০৮-২০১৪) চলি যার
পিত্তিমির বেগ আদিবাসী উন সচেতন হ্্র।
দ্বিতীয় আদিবাসী দশক শুরু হনার কালে
জাতি সংঘ ঘোষণা পত্র ২০০৭ সালে
ছেচল্লিশ শান অধিকার আদিবাসী উন ল্লায়,
প্রতিষ্ঠিত দেশ/জাতি উনরে নির্দেশ দগ যায়।
এ কারণে বাংলাদেশর বিশেষ এক দাঘিএ।
সরকার’রে সাবধান গত্তন আদিবাসী বিষয়ে।
জানেই যাঙর, আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ আরম্ভত,
জাতি সংঘত শুরু অৈয়্যা পয়লা মিটিঙত,
চাঙমা ভিক্ষু বিমল তিষ্য সিধু যোগ দিয়্যে
আদিবাসী স্বার্থল্লায় দোল প্রস্তাব দিয়্যে।
এর পরেন্দি চাঙমা রাজা দেবাশীষ রায়
আদিবাসী সংগঠনত এশিয়াত্তুন দোল আসন পায়।
বিশ্বব্যাপি আদিবাসী অধিকারর জোর আন্দোলন
একুশ শতকর সূচনাত যিয়্যে ভরি আন্তর্জাতিক অঙ্গন।
শান্তি চুক্তি অৈ যিয়্যে গৈ চৌদ্দ বছর আগে,
চুক্তি বাস্তবায়ন ন’ অৈ এঝ’ বাঝি আঘে।
এ ভিদিরে হিলট্রেকসর ছড়া গাঙ’ পানি,
বহুত কিছু নিগিলি গেল, দয্যায় নিল’ টানি।
চৌদ্দ বছর আগের হিলট্রেকস সে অবস্থাত নেই
আর্থ সামাজিক রূপ প্রকৃতি যিয়ে গৈ বদলেই।
একুশ শতকর বিশ্বায়ন যুগত পিত্তিমি বদলি যার,
সমাজ, রাজনৈতিক পরিবেশ এক্কান জাগাত ন’ থার।
চুক্তি বাস্তবায়ন গত্ত যেঈ যত দেবী অৈ যার,
চুক্তির বাঙব মৌলিকতা সিয়দ আর ন’ থার।
“গধলধৎরঃু সঁংঃ নবমৎধহঃবফ” ইংরেজির প্রবাদথান
যদপদে বুঝি যিয়্যে জিয়াউর রহমান।
হিলট্রেকসর বাঙাল ভরেই দখল গরা ল্লায়,
১৯৭৯ আর ১৯৮১ সনত দ্বিবার প্ল্যন গরায়।
পয়লা বার ত্রিশ হাজার পরিবার পুর্নবাসন পরে
দ্বিতীয় বার এক লাখ পরিবার অনুমোদন গরে।
জিয়াউরর এ পরিকল্পনা এক দশক ধরি
এর শাদ’ আমলত এঈ দিয়্যে পূর্ণ গরি।
হিলট্রেকসর জন সংখ্যার বাঙাল জুম্ম অনুপাত
ক্স ছবি এক্কান তুলি ধরলুঙ এই সারনি য়ানত ঃ-
আমল সন জুম্ম বাঙাল
ইংরেজ ১৮৭২-১৯২১ ৯৯.৯৯% ০.০০১
১৯৪১ ৯৭.৫% ২.৫%
পাকিস্তান ১৯৫১ ৯১% ৯%
১৯৬১ ৮৮% ১২%
বাংলাদেশ ১৯৭৪ ৭৭% ৩৩%
১৯৮১ ৬০.৩২% ৩৯.৬৮%
১৯৯১ ৫৮.৬ ৪১.৪%
২০০১ ৫১% ৪৯%
সরকার’র এ পরিসংখ্যান বাঙাল কম দেখিয়্যে,
আসলে তারা ৯১’য়ত জুম্মত্তুন বেজ অৈয্যে।
’৭৪ সনত ৩৩% পারসেন্ট বাঙাল যদি হন
সেক্ষেঅ তারা এ জেলাবুঅত লাখ পবেই যিয়্যেন।
এ পরেন্দি সরকারে নিজে উদ্যোগ গরি
কম পক্ষেঅ পাচ লাখ বাঙাল আনি দিয়্যে ভরি।
সে হিসাবে একান ব্বইয় ছয় লাখ বাঙাল অৈয়্যন
দ্বি হাজার একত কিন্তু জুম্মউনে ছয় লাখ ন’ পুরন।
সরকারর আগাসী নীতি, আর্ন্তজাতিক নিন্দাত্তুন বাচাল্লায়
ইচ্ছাগরি সরকারে পরিসংখ্যন কম দেখায় ।
অন্য দিকে বাংলাদেশর আদিবাসী পরিসংখ্যন
নিয়ম হলদে যেদক পারে কম গরি দেখানান।
১৭ আগষ্ট ২০১২, প্রথম আলো পত্রিকা কয়,
সর্বশেষ আদম শুমারীর আদিবাসী সংখ্যা গ্রহণ যোগ্য নয়।
সাত চল্লিশ জেলায় আদিবাসী সংখ্যা কমেছে,
সতর জেলায় ১লাখ ৭৫ হাজার ৯৭২ জন মাত্র বেড়েছে।
পত্রিকার তথ্যলৈ ২০১১ সনত আদম শুমারীর আদিবাসী পরিসংখ্যন,
তুলি ধরঙর তলেন্দি লিখি এই সারনিয়ান ঃ-
ক্স বাংলাদেশ আদিবাসী ঃ-
২০০১ ১৪,১০,১৬৯
২০১১ ১৫,৮৬,১৪১
ক্স তিন পার্বত্য জেলা ঃ-
২০০১ বান্দরবান ১,৪২,৬৫১ ৫,৯২,৯৭৭
রাঙ্গামাটি ২,৫৭,৬,৬৭৯
খাগড়াছড়ি ১,৯২,৫৪৭
২০১১ বান্দরবান ১,৭২,৪০১ ৮,৪৫,৫৪১
রাঙ্গামাটি ৩,৫৬,১৫৩
খাগড়াছড়ি ৩,১৬,৯৮৭
ক্স জাতি হিসাবে ঃ-
১) চাঙমা ৪,৪৪,৭৪৮ (৫) ম্রো ৩৯,০০৪
২) মারমা ২,২,৯৭৪ (৬) বম ১২,৪২৪
৩) ত্রিপুরা ১,৩৩,৭৯৮ (৭) পাঙ্ঘুআ ২,২৭৪
৪) তঞ্চঙ্যা ৪৪,২৫৪ (৮) চাক ২,৮৩৫
হিলট্রেকসর বাঙাল’ সংখ্যা পুরাপরি ন’ পাঙ,
সে কারণে ইয়দ মুই উল্লেখ গরি ন’ পারঙ।
বান্দরবানত বাঙাল বেজ ইয়ান খাম খিয়্যন
২,১৫,৯৩৪ জন বাঙাল আঘন পত্রিকাত লিখ্যন।
বাংলাদেশর ভূগোলিক সীমাত হিলট্রেকসর অবস্থান,
সে কারণে জোর গরিন্যায় বাঙাল ভরে য়্যন।
আর্ন্তজাতিক নীতি মালাত কি আছে কি নেই,
আমি কিন্তু নিজ জাগাত সংখ্যালঘু অৈয়্যেই।
হিলট্রেকসমান বাঙালর কলোনি অৈ যিয়্যে
জুম্মউনত্তুন তিন হ্াদ উউরে বাঙালে ঝাবেই রৈয়্যে।
ইজ্যা আমি নিজরে নিজে কামড়া কামারি গরির
আত্মঘাতী কাম গরিন্যায় জাত্তুয়ারে শেষ গরিব!
সেই কমলে নয় দশকর লাম্বা বাধির ঘটনা
জুম্ম জাতত বুকত এঝ’ ক্কোই ন’ পুরিয়া বেদনা;
ভেইয়ে ভেইয়ে যুদ্ধ গরিলঙ,
হ্াজার জুম্ম মারি ফেলেলঙ,
কি পেলঙ সেই লাম্বা দলর যুদ্ধ গরি যানায়,
জুম্ম ভাগ্য কি বদলিল,’ চুক্তি গরানায়?
নয় দশক’ মাঝামাঝি বাধিউন বঈ গেলাগ
আর’ একযুগ লাম্বাউনে যুদ্ধ চালে গেলাগ।
স্বাধিকার অর্জনল্লায় যারা লাম্বা যুদ্ধ চালায়
তারা যদি আঞ্চলিক লৈ চুক্তি গরি থায়,
সে জাগাত যদি এক দাগিয়ে চুক্তি ন’ মানন,
আঞ্চলিক নয়, যদি চান পূর্ণ স্বায়ত্ব শাসন,
মর ক্ষুদ্র জ্ঞানে, মুই দ’ সিয়ান খুব দোষ ন’ দেগঙ,
বরং উচিত হ্বদে তারারে জানানা অভিনন্দন।
ও ভেইলগ, আমি ন’ পারিলঙ, আমাত্তুন বল পজ্যে,
চাল’, চালে নেয়’ আন্দোলন, থেবঙ আমি ধরাধজ্যে।
ইয়ান ন’ কোঈ অদৃশ্য কন কালা হাদ’ ইশরায়
ভেইয়র বুগদ ভেইয়ে ইজ্যা বন্দুক চালে যায়!
বিশ শতকর লাম্বা বাধি রেশ হ্দে ন’ হ্দে শেষ
জুম্ম জাতদ নুঅ ব্যাধি এল’, মান্যা ন’ মান্যা বিদ্বেষ!
একুশ শতকর শুরুত্তুন ধরি ভেইয়ে ভেইয়ে হানাহানি,
মনে হ্্য়দে যেন রাজনীতি দলর কাম বানা ইয়ানি!
মান্যা ন’ মান্যা নয় বানা, রাজনীতি আমি কি বুঝিবঙ,
চুক্তি গজ্যা জে.এস.এস’ দ্বিভাগ অৈ যাদে দেগিলঙ!
জে.এস.এস. নেতা সন্তু লার্মারে ন’ মানিনায়
এম.এন.লার্মা গ্রুফ জে.এস.এস. ফারক অৈ যায়।
ইক্কে এই তিন্ন রাজনৈতিক দল এতে ঐ তারে
বাগত পেলে এক্কুই বারে ফেলাফেলি গরে।
বানা সিয়ান নয়, মনে হ্য় এক দাগিয়ে খুনি ভাড়া লয়,
লিষ্টি দিয়্যা মানুষজন তোগেই তোগেই মারায়!
এ ধক্যা গরি রাজনীতির তিন্ন ত্রিভুজ দল
হিলট্রেকসরে সাবড় গরার বান্যে মারন কল!
উচ্চ শিক্ষা পেই যারা সচেতন হ্ন
সমাজত এঈ তারা রাজনীতি গরন।
সচেতন শিক্ষিত পুঅউন রাজনীতির শিকার
অকালে অসময়ে পরান দিই যার।
শান্তি চুক্তি গরা অয়্যে হিলট্রেকসত শান্তি এবাল্লায়,
তুঅ কিয়া এ জেলাবুঅদ জুম্ম রক্ত ধারা বৈ যায়!
মা বাপর বুকর ধন, ভেই বোনর স্নেহ বন্ধন, ছিন্ন গরি পরান কাড়ি লর,
নেগ’ মোগ’ সংসারান ভাঙি দিনায় খানখান মানুষ মারি ফেলর।
গুর’ গুড়ি পুঅ ছাউন, ফারক গরি বাপত্তুন, কি আনন্দ পেলা?
অ মানুষ’ কামানি গত্তে এক্যা ক্যা ভাবি ন’ চেলা?
অভিশপ্ত জুম্ম জাত্তুঅ কি দুর্ভাগা হ্লঙ,
যদু বংশ ধ্বংস ধগ ধ্বংস পধদ বলঙ।
হঠকারী ভ্রাতৃঘাতী এ যুদ্ধআনি দেঈ
বাংলাদেশ’ বাঙালুনে হ্াজন মু চিমেই।
চুক্তি মুজিম কাম ন’ গরে, সরকারে যু পায়,
আর্মিউন তে সেনত্যায় লামে ন’ নেযায়।
চুয়েই চুয়েই নিত্য বাঙাল ঢুকতন হিলট্রেকস,
ইজ্যা এক্কেনা কিল্যা এক্কেনা, কাড়ি লদন দেশ।
এঝ’ তারা আমাত্তুনক বেজ সংখ্যায় বাড়ি যিয়্যন,
ইউন দ’ আ লামে নিবার নেই কন’ লক্ষণ।
এই বাঙাল’ বোঝা লৈন্যায় অধিকার পেলেয়্য,
বেক্কানি দ’ তারা ভাগদ, বুঝঅ নি ক্যেঅ?
ও বাপ ভেইয়ুন, দেশ জাতরে কোচ পেইন্যায় যারা রাজনীতি গরর,
হাতজুর গরি তোমইদু মুই আবেদন গরঙর
আত্মঘাতী রাজনীতি বন্ধগরি ফেল’,
ভেইয়ে ভেইয়ে বেক্কুনে মিলি এক সমারে চল’।
আমি যদি বেক্কুনে মিলি এক সমারে কাম গরি,
ধজ্যা কামঅ বাগগ্য আমার থুম হ্ব’ তাড়াতাড়ি।
“সরকাররে বিশ্বাস গরি, চুক্তি সাক্ষর গরি, যারা হ্াত্যার গোঝেই দ্যন,
তারারে ন’ পারিবঙ আমি বিশ্বাস ভঙ্গ গরি, চুক্তিরে লঙ্ঘন।”
পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি যেক্ষে বঙ্গবভনত যায়
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কধান কঈ থায়।
“আগে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি, তারপর জরিপ”
প্রধান মন্ত্রীর এ কধাআন’ আমাল্লায় ফেভারিট।
পার্বত্য ভূমি কমিশন আইন এঝ সংশোধন ন’ হ্ল’,
ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিঅ থামি রৈ গেল’।
যে কুদুউন দপ্তর দিব’ জেলা পরিষদরে,
সিউন’ এঝ’ পুরো গরি ন’ দেয় সরকারে।
পার্বত্য শরনার্থী আ আভ্যন্তরীন উদ্বাস্ত পুনর্বাসন
চৌদ্দ বছরেঅ যদি ন’ হ্য় সিয়ানি সম্পাদন;
পুঅ আমলত পড়িন্যায় যদি ন’ হ্য় সম্পাদন,
নাদিন’ আমলত পুনর্বাসন কি আশা গরি পারন?
দোল দোল কধা কৈন্যায় কি হ্ব, কামে যদি ন’ হ্য়,
কধা লৈ নয়, আন্তরিকতা- ফলে ন’ পরিচয়।
চুক্তি বাস্তবায়নর পুরোপুরি দায় সরকারর,
এদক দিনেঅ ক্যা চুক্তি বাস্তবায়ন ন’ হ্র?
বাংলাদেশর দ্বিবা দলে সরকার চালায়,
বি.এন.পিদ’ এনেয়্য চুক্তির বিরোধীতা গরি থায়।
দু যোবুঅ বুর্জোয়া দল, উগ্র জাতীয়তাবাদী, আগ্রাসীনীতি পোষণ গরন,
হিলট্রেকসর বাস্তব মঙ্গল কামনা ন’ গরন।
তারা চান হিলট্রেকসান বাঙালর কলোনী অৈ থোক,
জুম্মউনর দেশ জাগা তারা ভোগ গরি যাদোগ।
আন্তর্জাতিক চাপত পড়ি তারা ম্ম অৈ পান,
ভারতর ইঙ্গিতে আওয়ামী লীগ গরে এই চুক্তিয়ান।
চুক্তির সময় জে.এস.এস ভারী নরম অৈয়্যে,
সরকারর লবিয়ততৈ মন গলি যিয়্যে।
যুক্তির দাবি যিয়ানি এল’ ছাড় দি দি যিয়্যে,
সরকারে যিয়ানি কৈয়্যে সিয়ানি ধরি নিয়্যে।
তা ন’ হ্লে পাচদফা দাবিত বাঙাল নিবাল্লৈ যে তাগিদ এল’
শান্তি চুক্তিত সে তাগিত্তান কুদু উড়ি গেল’?
পাকিস্তান আমল’ বাঙালুন বাদ দিলেঅ
সরকারে আন্যা বাঙালুন ক্যা ফেরত ন’ নিল’?
জে.এস.এসরে হ্াত্যার গোঝেই দিবার সময় ধরি পারে,
চুক্তি বাস্তবায়ন’ সময় সীমা ক্যা নির্ধারন ন’ গরে?
তা ছাড়াঅ জে.এস.এসএ চুক্তি গত্ত গেল’
আন্তর্জাতিক অঙ্গনত যেই কিআ ন’ গরিল’?
জেনেভা ন’ হ্ােক অন্তত: যদি দিল্লি হ্লে হ্দ’,
চুক্তিয়ান’ গুরুত্বআন আর’ বাড়ি যেদ’।
বছর মুল’ সময় আঘে এঝ’ এ সরকারর,
এ সময়ান কাদি যেব’ নির্বাচনর ডামা ডোলর।
তুঅ যদি সরকারে কিছু আন্তরিক থায়,
শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কুদ্দূরত যায়?
****************************
পাচহাজার বর্গ মাইল হিলট্রেকস জাগাআন
বাংলাদেশর দশ ভাগর এক ভাগ ইয়ানর পরিমান।
আদিবাসী থেলেয়্য ইদু সরকারে খাম ন’ খায়
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি দেয় পরিচয়।
জাতি সংঘয় আদিবাসী অধিকার যেদক্কানি দিয়্যে,
বাংলাদেশ সরকারে এক্কেরে ডরেই যিয়্যে।
ইক্কে যদি আদিবাসী স্বীকার গরি যায়
আদিবাসী অধিকারানি বেক্কানি দি পায়।
অধিকার পেই গেলে গৈ ইউনে আ ন’ থেবাগ,
স্বাধীনতা ঘোষণা গরি জুদ’ অৈ যেবাগ।
আদিবাসী জুজুর ভয় বাংলাদেশ সরকারে
কি গরিব’ কি ন’ গরিব’ তে কঈ ন’ পারে।
সিদ্যয় তে হিলট্রেকসত বাঙাল ভরেই দের
কন বাউত্যা মানুষ এত্তন হ্সিাব ন’ গরের।
এই কিছুদিন আগে পড়লুঙ খবর পত্রিকাত,
পাচশত একর জমি কিন্যে বান্দরবান জেলাত,
লাম্বা দাড়ি সেদ্যায় তারারে ‘লাদেন’ নাঙ দ্যন
“লাদেন কোম্পানী” জাগা কিনে যিয়দ সুযোগ পায়
সমারে সমারে সে জাগানিত ঘর বানি নেযায়।
কত বাউত্যা মৌল বাদি এ জেলাত এত্তন
কত জাগাত গোপন ঘাটি তৈয়ার গত্তন।
২০০৫,১৭ আগষ্ট সারা দেশত যেক্ষে বোমা ফুদেলাগ,
জে.এম.বি. ঘাটি মেরুঙত এল’, ধরা পয্যাউনে খাম খেলাগ।
“মাটিরাঙ্গায় নিজ তৈরি বোমা বিস্ফোরণে কিশোরের আঙ্গুল উড়ে যায়”
খবরর শিরোনাম লৈ প্রমাণ অৈ যায়,-
হিলট্রেকসর আনাচে কানাচে মোন মুড়’ সেরে
মৌলবাদী জঙ্গিউনে আঘন ঘাটি গেড়ে।
জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হিজবুত তাহেরী,
হরকাতুল জেহাদ, জয়েস-ই-মুহাম্মদ নাম ধারী
কত জঙ্গি সংগঠন গোপনে পাহাড়দ এঈ কাম গরি যাদন।
সে খবর কি ক্যঅ জনে কন’ দিন রাঘন?
বরং সরকারে বাঙালুনরে ভারি তোয়াজ গরে
যত’ কিছু সুযোগ সুবিধা তারারে দ্যন গরে।
সরকারী পৃষ্ঠপোষন অনুগ্রহন ছত্র ছাবাত থেই
জঙ্গিউনর গোপন তৎপরতা যেব’ গৈ বাড়েই।
তারপর বাংলাদেশত এমন একদিন এব’
হিলট্রেকসর মুসলিম জঙ্গিউনে দেশশান গিলিব’।
***************************
হিলট্রেকসর দখিন কুলত বান্দরবান জেলাত
ম্রো বা মুরুঙ নাঙে আঘে এক্য জুম্ম জাত।
চাঙমা, মারমা, তিবিরা তিন্ন জাতর পরে,
লোক সংখ্যায় মুরুঙুনে চের নম্বরত পড়ে।
প্রকৃতি পূজারি মুরুঙুনে গাছ পাত্তর পূজন,
ধর্ম বইবুঅ গরুয়ে খিয়্যে এ বিশ্বাসসান গরন।
সে দ্যায় তারা বছরর এক্য দিন চেঈ,
বান্যা গরু জাধি মারি ফেলেবাগ মারেই।
নিজ’ ভাষা থেলেয়্য তারার বর্ণমালা ন’ থানায়,
বাংলা কিম্ব ইংরেজি লৈ লেখা শিগি পায়।
বাংলাদেশ আমলত পড়ি তারা লেগাপড়া শিগাদন,
আধুনিক যুগ’ লগে পরিচয় অৈ যাদন।
মুরুঙুন বড় শান্ত জাত কৃষি কাজ গরন
বড় বড় মোন মুড়ত জুম গরি বেড়ান।
এরশাদ আমলত এই মুরুঙ জাত্তুয়ারে
অপরাজনীতির কান মন্ত্র শিখেল’ সরকারে।
শান্তি বাহিনীর তৎপরতায় সরকার সেক্ষে অতীষ্ট,
যত দুষ্ট চাঙমাউন, জে.এস.এসরে দেয় নেতৃত্ব।
জ্বালাও, পোড়াও, অভিযান চালেই চাঙমাউনরে ধাবেই দের,
নানা কুশল্লা কুবুদ্ধি দিন্যায় জুম্মউন ফারগ গরের।
সরকারে সরল সিধা ম্রোউনরে হাদ গরিনায়,
চাঙমাউনরে ধাবেই দিবার কুবুদ্ধি শিগায়।
টেঙা দি হ্াত্যার দি ম্রোউনরে উত্তেজিত গরিল’,
১৯৮৮ সনত ম্রোউনে চাঙমা ঝাবেই মরিল’।
শত দুয়েক চাঙমা সেক্ষে মারা পড়ি গেলাগ
অন্যউনে যিন্দি পারন ধেঈ পলেই গেলাগ।
বিশ শতকর শেষ দশকত জ্ঞানী মুরুঙ একজন,
সমাজরে আনি দিল এক বিরাট পরিবর্তন।
ক্রামাদি মেন লে তার নাঙ, প্রাইমারী পড়িনায়,
ম্রো ভাষা লিখিবার বর্ণমালা বার করায়।
এই ম্রো বর্ণমালা লৈ ম্রো ভাষা লিগিন্যায়
ম্রো ভাষা লৈ সব কিছু শিক্ষা গরা যায়।
এ ছাড়াঅ ক্রামাদি মেনলের আর’ এক্কান কাম,
তারা মুরুঙ সমাজত চিরদিন রব’ তার নাঙ।
ধর্ম নিয়্যা মুরুঙুনরে তে ধর্ম এক্কান শিগেয়্যে,
“ক্রামা ধর্ম” নাঙে সিয়ান পরিচিতি হ্য়্যে।
ক্রামাদি মেনলের প্রচালিত বর্ণ আর ধর্ম
হিলট্রেকসর ম্রোউনে বুঝি যিয়্যন মর্ম।
আরাকানত যে ম্রোউন আদে পাশে আঘন
তারাঅ এঈ বর্ণমালা আ ধর্ম শিগি যাদন।
মানেই সভ্যতা উন্নতির এই শীর্ষ সময় কালত
“ক্রামা ধর্ম” প্রবর্তন হ্ল’ বিশ শতক’ শেষত।
শিক্ষা দীক্ষায় ম্রোউরেঅ উন্নত অৈ যিয়্যন,
তারাঅ ইক্ষে রাজনৈতিক ভাবে সচেতন অৈয়্যন।
“ম্রো ন্যাশন্যালিষ্ট পার্টি”(এম.এন.পি) নাঙ দিন্যায়,
রাজনৈতিক দল গড়ি উঠে, একুশ শতক পড়িন্যায়।
চাঙমা বিরুদ্ধে লেলি দিন্যায় যে বীজ রুইয়্যে,
সে বীজ চারা উদি ইক্ষে ডেলা মেলি দিয়্যে।
মেনরুঙ ম্রো.এম.এন.পি প্রতিষ্ঠাতা সরকারর কুনজরত পড়ি,
গোয়েন্দা চক্র দল বদেই ফেলেলাগ তারে মারি।
মেনরুঙর পর তার বাপে মেনচিঙ দল’ ডার নিল’,
বিরোধীউনে মেনচিঙরে সরকার’ ইদু ধরি দিল’।
পালে ম্রো আ মেনরঙ ম্রো দ্বি গ্রুপে ভাগ,
এম.এন.পি.দ্বি দলর ইক্ষে চরম বিবাদ।
এক ঝাক মানুষ রেই্দ সম্বাগত আদাম ঘিরা দিন্যায়
পালে ম্রোরে মারে ফেলেই তিন কট্টা দি যায়।
আওয়ামী লীগর পালে ম্রো, এক্স ইউ.পি.মেম্বার,
বিরোধীউনে মনে গরন বেঘ দোষসানি তার।
এম.এন.পি.সংগঠন সরকারে বড় ডরায়,
মেনরুঙ এ মজ্যে না ন’ মরে ডি.এন.এ পরীক্ষা গরায়।
******************************
ভ্রষ্ট সাধনার বীর চাঙমা রাজা ত্রিদিব রায়,
সেচ্ছা নির্বাচন লৈ পাকিস্তানত জীবন কাটায়।
রাজপদ, ব্যক্তিত্ব, গৌরব ক্ষুন্ন ন’ গরি
স্বজাতি বিচ্ছিন্ন অৈ সুদূর প্রবাসত গায় রৈয়ে পড়ি।
রাজ টীকা কপালত লৈ ভাগ্যবান তর জন্মআন,
দূর বিদেশত থেলেয়্য পেঈ যর সেই রাজার সম্মান।
সত্তরর নির্বাচনত তুই এলে পাকিস্তানর জাতীয় সাংসদ,
পাকিস্তানে সারাজীবন মানি নিয়্যে তর সেই পদ।
দপ্তর নেই তর, তুঅ পাস মন্ত্রীর সম্মান,
রাষ্ট্রর যে কোন’ ফাংশানত এঝ পর সম্মান’ আহ্বান।
পাকিস্তানর নেতৃত্ব দিই তুই যেক্ষে জাতিসংঘ সদর দপ্তরত,
গর্ভধারিনী মা তরে ফিরে আনিদ’ যিয়্যে স্ব দেশত।
বাংলাদেশর শ্রেষ্ঠ নেতা শেখ মুজিবর রহমানে,
জননীরে তর দূত পাঠিয়্যে ফিরে আনাল্লায় সন্তানে।
উদিল’ ভাসি চোগত, হ্াজার মেল’ দূরত, মোন মুড় ছড়া গাঙ,
তারুম বনে ভরা মন কিআ ঠান্ডা করা, জন্মভূমি হিলট্রেকস যা নাঙ।
চাঙমা, মারমা, মুরুঙ, তিবিরা, তঞ্চঙ্যা, খিয়াঙ, আঘন যিউন জুম্মজাত,
বেক্কুন তর কি আপনজন, বেক্কুনে কদগ কোচ পেদাগ।
এত দোল মর স্বদেশ ভূমি, এত দোল মর মানুষজন,
তুঅ ক্যা মুই কাটাঙ বিদেশ, নিলুঙ ক্যা মুই নির্বাসন?
সার্কেল চীফ মুই, রাজ আদালতদ বিচার গত্তুঙ যেই
সরকারী পদবী ডি.সি.কিনা মরে দি পারে জেলত ভরেই?
সরকারর ভুল ধরা পড়ি যেই লাজ ঘুরেবাল্লায়
অনারারি ভাবে সরকারে মরে ফিন্ড ক্যাপ্টেইন বানায়।
কাপ্তেই গোধার উৎখাত মানুষ ন’ পেই পুনর্বাসন,
রেইনখ্যঙ রিজাভত জুম খেই তারা ভুই আবাদ গরদন।
সার্কেল প্রধান, মেজর পদবী ধারী, মুই রাষ্ট্রর জন প্রতিনিধি,
জেলা প্রশাসক তৌফিক ইমাম মরে গরি বিরোধী
কয়েক হ্াজার জুম্ম প্রজারে ন’ গরি পুনর্বাসন
ই.পি.আর লাগেই রেইখ্যঙ রিজাভত্তুন গরিল বিতাড়ন।
পাক সেনা এঈ চিটাগাঙ যেক্ষে দখল অৈ গেল’,
তৌফিক ইমাম মরে ন’ জানেই ভারত ধেঈ গেল’।
বাঙালুনে এঈ ধরিলাগ মরে, তুইবাদে আমার উপায় নেই,
পাক সেনা এলে নিশ্চই আমারে ফেলেবাগ মারেই।
বাঙাল বাচেদ্যঙ ম’ এলেকাত, ন’ দ’ গরঙ কন’ অপরাধ,
ন’ দ’ গরঙ কন’ অপকর্ম, ক্যা গরিদুঙ মাধা হেট?
ফিরে দিলে তুই মার আহ্বান, রাজার আত্ম অভিমানে,
চোগ’ পানি মুছি ফিরি গেল’ মা, ন’ পারি নি সন্তানে।
এ্যনে দোল সুযোগদ’ দেশত ফিরি ন’ যানা,
পাকিস্তানর পক্ষে থেঈ জাতিসংঘত কাম গরানা;
জুলফিকার আলী ভুট্টো- পাকিস্তানর প্রাইম মিনিষ্টার
বন্ধু রাজা ত্রিদিব রায়র সম্মানে আয়োজন দেয় ভোজ সভার।
ভারত উপমআ দেশর পূব দগিনর এক্য রাজা,
ইতিহাসর কালর চাক্কায় পাকিস্তানত থায়ীবাসা।
পাকিস্তানর রাষ্ট্রদূত অৈ নানা দেশ ঘুরিলে,
অবসর জীবনানত ইসলামাবাদ ফিরি এলে।
বিদেশত থোলয়্য তুই কাদে গেলে জমকালো রাজার জীবন,
গালফ আ ব্রিজ খেলা, নিত্য থায় পার্টি আয়োজন।
পাকিস্তানত অল্প সংখ্যক বৌদ্ধ সম্প্রদায়
সিউনদোয় মিলি মিশি দিন কাদি যায়।
মাঝে মধ্যে দেশ আ তীর্থ ভ্রমনত,
ভারতদ এজজ যদি কলকাতা বা বুদ্ধগয়াত,
স্বজাতি চাঙমা লৈ যদি হঠাৎ দেগা হয়,
অতীত জীবন’ স্মৃতি মন কানেই যায়।
২০০৪ সনর পাকিস্তান হাই কমিশনর প্রেরিত বার্তায়
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র দপ্তররে অনুরোধ জানায়-
পাকিস্তানত অবস্থিত চাঙমা রাজা ত্রিদিব রায়
মরনর পরে বাংলাদেশত সমাহিত হদ’ চায়।
আবেদনান সরাসরি রাজায় ন’ গরে,
চিঠি লিখি জানিয়্যে তে পাকিস্তান সরকাররে।
ইসলামাবাদদ বৌদ্ধউনর কন’ সমাধি ক্ষেত্র নেই,
মরনর পরে তে চাঙমা আ বৌদ্ধ নিয়মে সমাহিত হ্দ চেই
পাকিস্তান সরকাররে অনুরোধ গরে-
রাঙামাত্যাত নি দাহ গরিবার য্যেন ব্যবস্থা গরে।
হাই কমিশনার চিঠি কপি তিন মন্ত্রণালয় পাঠায়
প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আ পার্বত্য মন্ত্রণালয়।
পার্বত্য মন্ত্রণালয় তার আনাপত্তি জানিয়্যে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়রে তে অনুরোধ গরিয়্যে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী খোরশেদ খান দোল মন্তব্য দিয়্যে,
রাজারে ইদু সমাহিত গল্পে গম হব কয়্যে।
আদিবাসী জন গোষ্ঠী আ পাকিস্তানে খুসী হবাগ
শহীদ মতিউর রহমান’র দেহাবশেষ আনার প্রতিদান পেরাগ।
২০০৬ সন জানুয়ারী বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
কন’ কারণ ন’ দেগে ন্যয় ইয়ানর না মঞ্জুর হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রে পাকিস্তানে বারবার অনুরোধ জানায়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইয়ানর কন’ কধা ন’ কয়’।
যুদ্ধঅপরাধিউনর বিচার চলার সময়
বিষয়ান বড় সেন স্যে টিভ বিলি মনে গরা হয়।
**************************
বিশ শতকর শেষ হ্ল’ একুশ শতক এঈ গেল’,
হিলট্রেকসর জুম্মউনর’ দিন বদলর পালা এল’।
জুম নির্ভর কৃষি জীবন ভরসা আর নেই,
এ কারণে নানা পেশা ইক্ষে দেগি পেই।
একযুগ সঙ শরনার্থী জীবন কাটে এঈন্যায়,
মানুষ জনর মনানি আর আগ ধগ নেই।
আগ’ দিনর উদন বসন মেইয়্যা দয়ানি,
পুড়ি ফেলেই এঈ যিয়ন শরনার্থী জিঙহানি।
বাচার তাগিদে মানুষ সিধু নানা পেশা নিয়্যন,
রাধা রাত্যা জীবনত স্বার্থপর অৈয়্যন।
এগদাগি সিধু যেইন্যায় বেপার সেপার গজ্যন,
গরীব গন্যা অনেক জনে টেঙা পয়সা কামেয়্যন।
দেশত ফিরি এঈন্যায় অনেকে ব্যবসাত লামি যিয়্যন,
পধ পাজারাত, আদাম’ সেরে দোকান পাট দিয়্যন।
বিশ শতকর শেষ দ্বি দশক সামরিক কর্তাউন,
হিলট্রেকসর রিজাভবন ধ্বংস গরি ফেলিয়্যন।
সে সময়ত কিছু জুম্ম যারা দেশত রৈয়ন,
গাছ বেয়ারত কিছু টেঙা তারাঅ কামেয়্যন।
পাকিস্তান’ আমলর চাকুরীঅলা আমলাউন
পেনসনর টেঙা পেইন্যায় পুজি কিছু বানেয়্যন।
একুশ শতকর আরম্ভত এই সব টেঙা লৈ
কিছু জুম্ম ব্যবসায়ী নিগিলি যিয়্যন দৈ।
কিয়্যে দ্যন দোকান, কিয়্যে অয়্যন ঠিকাদার,
হোটেল, রেষ্টুরেন্ট দ্যন ক্যেঅ জেলা শহর’ বাজার।
নাঙানিঙ বেজ দোল দোল দ্যন জুম্ম নাঙ,
‘লবিয়্যত’, ‘পেদাটিঙ টিঙ’, ‘হোটেল জিরান’।
হিলট্রেকসর রাস্তাঘাট অয়্যে বহু উন্নয়ন,
উত্তুরে, পুগে, দগিনে যেই পারে দেশ’ সীমানা সঙ।
বাস, জীব, ট্রাক, টেক্সি নানা বাউত্যা গাড়ি,
জুম্মউনে চালাদন ইক্ষে এ রাস্তানি ধরি।
গাড়ি অলা জুম্মউনে সমিতি গঠন গরি,
রুটিন মাফিক গাড়ি চালাদন নিয়মনীতি ধরি।
ব্যক্তিগত ব্যবহার’র মোটর সাইকেল লৈ,
অফিস, স্কুল, আদালত যানা এজানা গত্তন দৈ।
এগ দাগিয়ে মোটর সাইকেল লৈ প্যাসেঞ্জার বুয়ান,
সে গাড়ি লৈ তারাঅ টু পাইস কামান।
এ জেলার নানা দোল চেবার জাগানি
পর্যটন কেন্দ্র ইক্ষে অৈয়্যে ইয়ানি।
দেশ বিদেশর মানুষ এত্তন জাগানি চেবাল্লায়,
এই সুযোগত জুম্ম উনেঅ কিছু টেঙা কামায়।
আগ’ ধক্যা সরকারি চাকুরী পা ন’যায় আর,
চাকুরি পেদ’ গেলে চলে ঘুষর কারবার।
যেমন তেমন ঘুষ নয়, লাগে কয়েক লাখ,
শিক্ষিত পুঅউনর ইক্ষে মস্ত বড়’ বিপাক।
বেসরকারি বা কোম্পানী যিয়্যত জু পান,
শিক্ষিত বেকারউন ইক্ষে সিয়দ ঢুকি যান।
অশিক্ষিথ, আধা শিক্ষিত জুম্ম মিলা মরদ পুঅউনে
ইপিজেড গার্মেন্ট কারখানাত ঢুকি যাদন বেক্কুনে।
হাজার হাজার মিলা মরদ শিল্প কারখানাত
দেখা যায় ইক্কে বেক্কান চাটিগাঙত্তুন সাভারত।
সরল সিধা জুম্মউনে কামতা ফাকি ন’ দ্যান
দেশি বিদেশী শিল্পপতিউনে তারারে আঘুদন।
উচ্চ শিক্ষিত জন দরদী কন’ কন’ জন
সমাজর কল্যানত্যায় কাম গরি যাদন।
সরকার’র নিবন্ধন লৈ দেশ’ কাম গরি যায়,
ক্রমে ক্রমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা (ঘ.এ.ঙ)-র অনুমোদন পায়।
শিক্ষা সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন,
অনুন্নত এলেকানি গরিযানা উন্নতি সাধন
যে কামানি সরকারে গরি বুরে ন’ এঝের,
ঘ.এ.ঙ উনে সে কামানির সহযোগিতা গরের।
প্রশিক্ষিত উন্নয়ন কর্মী দল লৈ
সরকারর লগে লগে ঘ.এ.ঙ উনে কাম গরন দৈ।
শহরত্তুন দূরত, মোনমুড় সেরে যিদু রাস্তাঘাট নেই,
ঘ.এ.ঙ উনে কাম গরি বাক্কি তারা ইদু যেই।
শিক্ষাল্লায় স্কুল গরন, পানিল্লায় নল’কুআ
নিয়ম মানি কর্জ পেবাগ আদামর গরীব গুন্যা।
হিলট্রেকসর জুম্মউনেয়’ বহু ঘ.এ.ঙ গড়িয়্যন,
জাগায় জাগায় তারাঅ ইক্ষে গম কাম গরদন।
রাঙামাত্যাত ‘তঙ্গা’, গ্রীনহিল’, ‘মালেয়া’,
সামাজিক কাজ কর্মত বেশ নাঙ খলেয়্যা।
খাগড়াছড়িত কাম গরে ‘জাবারাঙ’, ‘আলো’,
‘খাগড়াপুল মহিলা সমিতি’অ চলের বেশ ভালো।
‘গ্রাউস’, ‘অনন্যা’ আর’ অন্য ঘ.এ.ঙ সংগঠন
দোলে দালে কাম গরি যাদন জেলা বান্দরবান।
অ নাগরিগ ভিক্ষু উনেই পয়লা সমাজর কাম গজ্যন,
অনাথ, গরিব গন্যা পুঅ উনদোয় আশ্রম খুলি দ্যন।
‘পার্বত্য চট্টল বৌদ্ধ অনাথ আশ্রম’- জ্ঞানশ্রীর অবদান
‘মোনঘর’ আ ‘বোয়ালখালী অনাথ আশ্রম’ ইয়ানর রূপায়ন।
ঢাকা বুকর ‘বনফুল’ ইক্কে ‘গ্রিন হার্ট কলেজ’,
শাক্যমুনি বিহারর উদ্যোগ বিশেষ।
‘পার্বত্য বৌদ্ধ মিশন’, ভিক্ষু প্রতিষ্ঠান
আর’ আগে ‘গিরিফুল’, ‘কাচলং শিশু সদন’।
জ্ঞানশ্রীর আশ্রমিক শিয্য একজন
বিমল তিস্য, দেশে বিদেশে ঘ.এ.ঙ সংগঠন
গরি মানবতার সেবা চালেই যার;
রঙ কাপড় কিয়াত, আর সাবেক হ্াদত তার।
বনভান্তের আবির্ভাব হিলট্রেকসরল্লায়,
পরিচিতি আনি দিয়্যে বিশ্ব বৌদ্ধ সভায়।
তার ডাঙর প্রিয় শিষ্য ভিক্ষু নন্দপাল,
ভারত বাংলা বন বিহার গজ্যে একতাল।
পত্তি বছর ভারত যেঈ ধর্ম প্রচার গরে
মানুষ জনে ধর্ম শুনন শ্রদ্ধা সহকারে।
মিজোরামত্তুন অরুনাচল পূর্ব ভারত ধুরি,
ধর্ম কধা শুনা যেদ’ রেজ্য ঘুরি ঘুরি।
পুন্যতীর্থ গয়াধামত বন বিহার প্রতিষ্ঠা,
প্রমান গজ্যে জুম্ম জাতর ধর্ম প্রতি নিষ্ঠা।
একুশ শতকর যুগ পূর্তি সময় ভিতর
ধর্মীয় মআপুরুষ দ্বিবা এ হিলট্রেকসর,
সংসারান অনিত্য, ইয়ান গরিনায় প্রমাণ,
পরিনত বয়সত তারা পরি নির্বাণ যান।
৩১শে জানুয়ারী দ্বি হ্াজার বারসন
আর্য পুরুষ বনভান্তের হয় পরিনির্বাণ।
এ আগেন্দি রাজগুরু অগ্রবংশ, দ্বি হ্্াজার আট সন
জানুয়ারী পাচ তারিখ নির্বাপিত হ্্ন।
অনেক আগে মোবাইল ফোন দেশত এলেয়্য,
হিলট্রেকসরল্লায় নেটওয়ার্ক খুলি ন’দ্যন ক্যেঅ’।
একুশ শতকত দ্বি বারল্লায় ক্ষমতাত এইন্যায়,
শেখ হাসিনা হিলট্রেকসরল্লায় নেটওয়ার্ক খুলি দেয়।
মোবাইল ফোনর নেটওয়ার্ক খোলা অৈ যানায়
সারা বিশ্ব লৈ যোগাযোগ সহজ অৈ যায়।
জুম্ম জাত্তুঅ ইক্ষে বানা দেশ’ সীমানাত নেই,
পিত্তিমির উন্নত দেশশানিত পজ্যন দৈ ছিদেই।
শিক্ষিত জুম্ম পুঅউনে যদি সুযোগ পান
উন্নত জীবন’ আশায় বিদেশ যেদাগ চান।
ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান,
উন্নত বিশ্বর নানা দেশত জুম্ম বসতি দ্যন।
বিশ্বায়নর এই যুগত আমা জাত্তুঅয়্য
পিচ্ছে পড়ি ন’ থেবঙ, সামনে এগিয়্য।
থুম
বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
চবি প্রাক্তন ছাত্র ড. হরিপূর্ণ ত্রিপুরা পেলেন পিএইচডি
ড. হরিপূর্ণ ত্রিপুরা ১৯ এপ্রিল ২০২৩ – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ড. হরিপূর্ণ ত্রিপুরা জার্মানির RUHR ...
-
হিলট্রেকসর দুগ সুগ (১) টেকনাকত্তুন সীতাকুন্ড, উত্তরে ফেনীগাঙ, মাতামুড়ি শঙ্খ আ কাঁইচা বড়গাঙ, আ...
-
Chakma Alphabet ( Ajhapat) by Lakshmi Bhusan Chakma, Arts and Culture Officer, Chakma Autonomus District Council at Mizoram in India on ...
-
খসড়া সংবিধানের উপর আলোচনা করতে গিয়ে মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ১৯৭২, ২৫ অক্টোবর গণপরিষদের অধিবেশনে বলেন: মাননী স্পীকার সাহেব, ১৯৪৭ সালে ক...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন