পোস্টগুলি

মে ২৬, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পার্বত্য চট্টগ্রামের মেলা, বিজু ও অন্যান্য উৎসব- শরদিন্দু শেখর চাঙমা

ছবি
পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ কয়েকশত বছর ধরে ১৩টি উপজাতি বসবাস করছে। এই পার্বত্য ১৩টি উপজাতি হলো চাকমা তঞ্চঙ্গা , মারমা , ত্রিপুরা , উসাই , ম্রো ( মুরুং ), ব্যোম , পাংখো , লুসাই , বনযোগি , খুমী , চাক এবং খ্যাং। এদের মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সর্বাধিক। তাদের সংখ্যা বাকি উপজাতিদের মোট সংখ্যার চেয়েও বেশি। চাকমা এবং তঞ্চঙ্গরা একই ভাষায় কথা বলে। তাদের ধর্মও একই , তাদের আচার অনুষ্ঠান সামাজিক রীতিনীতিও একই। আসলে তারা একই জনগোষ্ঠীভূক্ত এবং তঞ্চঙ্গরা হলো চাকমাদের একটি শাখা। এই কারণে কক্সবাজার জেলার তঞ্চঙ্গরা নিজেদের চাকমা বলেই পরিচয় দেয়। ১৮৭১ সালের আদম শুমারিতে তঞ্চঙ্গাদের চাকমা হিসেবেই গণনা করা হয়েছিল। একইভাবে ত্রিপুরা ও উসাইরা একই ভাষায় কথা বলে , তাদের আচার অনুষ্ঠানও একই। সকল গবেষক এবং ইতিহাসবিদরা বলে গেছেন , ত্রিপুরা এবং উসাইরা একই জনগোষ্ঠীভূক্ত এবং উসাইরা ত্রিপুরাদের একটি শাখা। উল্লেখ্য , ভাষাগতভাবে ত্রিপুরারা বৃহত্তর বোরো জনগোষ্ঠীর একটি অংশ। ত্রিপুরারা হিন্দুধর্মে বিশ্বাসী তবে তারা...

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক ইতিহাস হত্যার একটি কাহিনী - শরদিন্দু শেখর চাকমা

ছবি
বাংলা পিডিয়ায় ' শরণার্থী ' শিরোনামে নবম খণ্ডের ২৫৯ পৃষ্ঠা হতে ২৬২ পৃষ্ঠায় বাংলা একটি বিরাট প্রবন্ধ ছাপানো হয়। প্রবন্ধটিতে প্রথমে শরণার্থীর অর্থ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয় , নির্যাতনের শিকার হয়ে বা বিপজ্জনক রাজনৈতিক , ধর্মীয় বা সামরিক সংঘাতজনিত পরিস্থিতিতে ভীত হয়ে স্বীয় ভূমি বা দেশত্যাগ করে অন্য কোন জায়গায় বা দেশে নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় প্রার্থী বা প্রার্থীরাই হলো শরণার্থী। এরপর বলা হয় , ২০০০ সালের শেষার্ধে এশিয়ায় শরণার্থীর প্রাক্কলিত মোট সংখ্যা ছিল ৭৩ , ০৮ , ৮৬০ জন। তন্মধ্যে বাংলাদেশে আসে ২১ , ৬২৭ জন , তাদের মধ্যে ২১ , ৫৫৬ জন হলো মায়ানমারের রোহিঙ্গা। আরো বলা হয় , ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ফলে পূর্ব বাংলা অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ থেকে ২ . ২৫ মিলিয়ন হিন্দু ভারতে অভিবাসিত হয় , পরিবর্তে পশ্চিম বঙ্গ এবং বিহার হতে পূর্ব বাংলায় আসে ০ . ৭০ মিলিয়ন মুসলমান। উল্লেখ্য , পঞ্চাশের দশকের দাঙ্গায় হিন্দুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং পাকিস্তান আন্দোলনের সমর্...