শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০

পীরেন স্নাল : মধুপুর ইকোপার্ক বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ


পীরেন স্নাল। ছবি : সংগৃহীত
‘‘পাখির স্বভাব পাখির মতো উড়বে বলে
বন পাহাড়ে উড়ে ঘুরে গাইবে বলে
লাল সে মাটির গন্ধ বুকে পুষবে বলে
সবুজ মায়ার বাঁধন অটুট রাখবে বলে
শাল বৃক্ষের মতোন সিনা টান করে সে
মানুষ হয়ে বাঁচতে পীরেন জান দিয়েছে।’’
পীরেন স্নালকে নিয়ে গানের দল মাদলের গাওয়া এই গানে ফুটে উঠেছে স্বাধীন সংগ্রামী চেতনা তথা তাঁর মহান আত্নবলিদানের কথা। কে এই পীরেন স্নাল? কি তার অবদান? কেন তাকে আত্নবলিদান দিতে হল? জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষা, আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার লড়াইকে শাণিত করতে এইসব নতুন করে ভাবতে হবে।
পীরেন স্নাল। মধুপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিপ্লবী এক নাম। আজকের ইকো-পার্কহীন মধুপুর গড়ায় যার অবদান অসামান্য। তাঁর অবদানকে স্বীকার করেই মধুপুরের অধিকার রক্ষার আন্দোলন এগিয়ে নিতে হবে।
টাঙ্গাইলের মধুপুর গারো, কোচ, বর্মণ, মান্দাই জাতিসত্তার আদি বসতি। মান্দিরা মধুপুরকে ভালবেসে নাম দিয়েছে হা.বিমা। হা. অর্থ মাটি আর বিমা স্ত্রী বাচক (মা) অর্থে ব্যবহৃত। প্রিয় মধুপুরকে নিয়ে তাবেদার শাসকগোষ্ঠীর তথাকথিত উন্নয়নী প্রকল্প পরিকল্পনা আজকের নয়, অতি পুরনো। পুরনো সেই মহাপরিকল্পনা ‘ইকো-পার্ক’ আকারে গড় হাজির হয় ২০০৩/০৪ সালে চার দলীয় জোট সরকারের আমলে। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য, ইকো-পার্ক মধুপুর জাতীয় উদ্যান প্রকল্পের আওতায় ৯৭.৩ মিলিয়ন টাকার বিল পাস হয় পূর্ববর্তী আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে। যা বিএনপির নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আরোহনের পর গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়। ইকো-পার্ক প্রকল্প বাস্তবায়নের বেলায় সরকারি তরফ থেকে প্রচারণা চালিয়ে বলা হয়, ‘জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও বিলুপ্ত উদ্ভিদ প্রজাতি, পশু-পাখি ও বন্য প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল নির্মাণে তৈরি করা হচ্ছে ইকো-পার্ক।’ প্রকৃতপক্ষে এটা যে শাসকগোষ্ঠীর মিষ্টি বুলি প্রকৃতিপ্রেমী বনবাসী তা বুঝে ফেলে। যার ফলে জীবন দিয়ে তাঁরা প্রতিবাদ করে।
প্রতি ৩রা জানুয়ারী শহীদ পীরেন স্নালের খিম্মায় সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ছবি : জনজাতির কন্ঠ
মধুপুর জাতীয় উদ্যান প্রকল্পে কী ছিল? যা বনবাসী মানুষ কখনোই চায়নি! এক নজরে দেখলে দেখা যাবে, মধুপুর গড়ের প্রায় ৩ হাজার একর বনভূমি ঘিরে ৭ ফুট উচ্চতার ৬১ হাজার ফুট ইটের দেয়াল এবং ভেতরে ১০টি পিকনিক স্পট, ২টি ওয়াচ টাওয়ার, ২টি কালভার্ট, ৩টি কটেজ, জলাধারসহ ৯টি লেক, ৬টি রেস্ট হাউজ, ৬টি রাস্তা নির্মাণ, বন কর্মীদের জন্য ৬টি ব্যারাকের কাজ স্থানীয়দের অমতেই নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০০৩ সালের ৩রা জানুয়ারী জালাবাদা, সাধুপাড়া, বেদুরিয়া, কাকড়াগুনি, গায়রা গ্রাম গুলোতে দেয়াল নির্মাণের জন্য বনকর্মীদের জরিপ কাজ শুরু করার আগ পর্যন্ত আদিবাসীরা কিছুই জানতো না অথচ নিয়মানুসারে বনবাসীদের আগামা জানার অধিকার আইন স্বীকৃত। আইনের তোয়াক্কা না করে স্বৈরাচারী কায়দায় জানুয়ারির মাঝামাঝিতে মুক্তাগাছা থানার বিজয়পুর ও সাতারিয়া এলাকায় স্থানীয় মান্দি জনগোষ্ঠীর তীব্র প্রতিবাদের মুখে প্রথম দেয়াল নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
বনবিভাগের এই দেয়াল স্থানীয় আদিবাসী মানুষের স্বাভাবিক জীবনে কত ভয়াবহ দুর্বিষহ পরিনাম ডেকে আনবে তা বনবাসী মানুষ আঁচ করতে সক্ষম হন। আদিবাসীরা সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দাবি সমূহ সরকার সমীপে তুলে ধরার তদবির চালায়। আন্দোলনের চাপে তৎকালীন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজ ২০০৩ সালের ৪ জুলাই দোখলায় আদিবাসী নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠক কোন ফলাফল বয়ে আনেনি। বরং ষড়যন্ত্র প্রক্রিয়ায় আন্দোলনকারীদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়। সেই বিভেদ রেখা টেনে সংখ্যাগুরু আন্দোলনকারী সংগ্রাম অব্যাহত রাখে।
আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২৩ ডিসেম্বর গায়রায় অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে ৩ জানুয়ারি ২০০৪ সালে ইকোপার্ক বিরোধী মিছিলের ঘোষণা দেয়া হয়। ঘোষণার প্রেক্ষিতে, ২০০৪ সালের ৩ জানুয়ারি  গায়রা গ্রামে সাধুপাড়া, কাঁকড়াগুনি, জয়নাগাছা, জালাবাদা, বিজয়পুর, সাতারিয়া’সহ আশেপাশের গ্রাম থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ নিজেদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে সমবেত হন। গারোদের রণধ্বণি খাঁ সাংমা, খাঁ মারাক ধ্বণিতে মূহুর্তেই ধ্বণিত হয়ে উঠে পুরো শালবন।
এদিকে সমাবেশ ও মিছিলের খবর পেয়ে সকাল থেকেই সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও অস্ত্রধারী বনরক্ষী এমনকি ঠিকাদারের ভাড়াটে লোকদেরও মোতায়েন করা হয়। সমাবেশ শেষে দুপুর বারোটার দিকে শুরু হয় বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি কিছুদূর অগ্রসর হতেই পুলিশ ও বনরক্ষী নির্বিচারে আন্দোলনকারীদের উপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। গুলিতে ঘটনা স্থলেই নিহত হন জয়নাগাছা গ্রামের বিশ বছরের তরুণ পীরেন স্নাল। বেপরোয়া বর্ষিত গুলিতে মারাত্নক আহত হন রবীন সাংমা, উৎপল নকরেক, পঞ্চরাজ ঘাগ্রা, এপ্রিল সাংমা, রহিলা সিমসাং, শ্যামল সাংমা, রিতা নকরেক সহ প্রায় ২৫ জন আদিবাসী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর।
এই ঘটনার পর আদিবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। মাসব্যাপী চলে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ। বন বিভাগ চুপটি মেরে বসে থাকেনি। ৪ জানুয়ারি রাতেই নিহত পীরেন স্নাল ও গুলিতে আহত উৎপল নকরেক, জর্জ নকরেক, শ্যামল সাংমা, মৃদুল সাংমা, হ্যারিসন সাংমা, বিনিয়ান নকরেক’সহ প্রায় ছয়শত জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মধুপুর থানার দারোগা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। একটি পরিসংখ্যান বলে, শুধুমাত্র জুন ২০০৩ থেকে জুলাই ২০০৪ পর্যন্ত সময়কালেই আদিবাসী নেতৃবৃন্দসহ নিরীহ অনেকের নামে বনবিভাগ মামলা দায়ের করে মোট একুশটি। এই একুশটি মামলার সবকটিতেই অজয় মৃ, প্রশান্ত মানখিন, পঞ্চরাজ ঘাগ্রা, মালতি নকরেক, স্বপন নকরেক, নেরি দালবত, মাইকেল নকরেক, নিহত চলেশ রিছিলের নামও আছে।
পীরেন স্নালের আত্ম বলিদানে ইকো-পার্ক নির্মাণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়। কিন্তু ইকো-পার্কের প্রেতাত্মা এখনো মধুপুর ছাড়েনি। এখনো সামাজিক বনায়ন, ইকো-ট্যুরিজম প্রভৃতির আলখেল্লা পড়ে ইকো-পার্কের প্রেতাত্মা হাজির হয়। এসব ঈগল চোখে দৃষ্টিগোচর হয়।
৩রা জানুয়ারী, পীরেন স্নালের আত্মহুতি দিবস। অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলনে বীর গতিপ্রাপ্ত পীরেন স্নালের প্রতি রইলো সশ্রদ্ধ অভিবাদন।
উন্নয়ন ডি. শিরা, তরুণ লেখক।

শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০

শিলুন্যা আদামত চাঙমা লেঘা শেঘানা পোইদ্যানে এক্কো তেম্মাঙ খলা অই যিয়ে:



 সুনানু সুকেশ চাঙমা , সাবেক্কং এওজি, চাঙমা সাহিত্য: সাবেক্কং নান্যাচরর সাবেক্কং ইউনিয়ন শিলুন্যে নাঙে আদামত এচ্যে চাঙমা লেঘা শেঘানা পোইদ্যানে আদামর মাস্টর আহ্ মুরব্বীদাঘিলোই এক্কো তেম্মাঙ খলা অই যিয়্যা।

তেম্মাঙ খলাবো কধা পুচ্চোনিত এল’ চাঙমা সাহিত্য বাহ্ পত্রিকা সাবেক্কঙ ইউনিয়নর এওজি সুনানু সুকেশ চাঙমাদাঘি।মুলুক গর্বা ইজেবে এলাক্ আদামর্ প্রাইমারি স্কুলর হেড মাস্টর সুনানু সজীব চাঙমাদাঘি আহ্ ইউনিসেফ স্কুলর মাস্টর-সুনানু জমায়া চাঙমা আহ্ সুনানু রেমি চাঙমাদাঘি। দাঙর গর্বা ইজেবে আদামর কার্বারি সুনানু অনুনয় চাঙমাদাঘি থেবার আওচ গরলেয়্য থেই নপারে। তেম্মাঙ্ খলাবোর খলানানু ইজেবে আজিল এলঅ’ চাঙমা সাহিত্য বাহ্-নান্যাচর ধেলা ভান্ডালি কাবিদ্যাঙ সুনানু কাহিনী চাঙমাদাঘি। তেয়্য এ খলাবোত খলানানু।

আর’ আজিল এলাক্ আদামর মুরোব্বীলক্ আহ্ আদামর গাবুজ্যালক্। তেম্মাঙ খলাবোত বেগে মনত্তুন ছাগি তুলি কলাক “চাঙমা লেঘা, জাদর লেঘা শিঘানা সাতকাম।


খলানানু কাহিনী চাঙমাদাঘি কলাক,"করোনা দঙ্গাপিরে চলানায় স্কুল-কলেচ্ছানি বন্ধ আগে, সে ভিদিরে বেক্কুনে আমি আদামত আগি, আমা আদামত ইক্কে করোনা পিরে বলা মানুচ নেই । সেনে ইধু আঘিদে সময়ানত যুনি আদামর আওজিলক্কুনোরে চাঙমা লেঘা শেঘে পারিই সিয়ান আমার জাদর, সমাজর দাঙর মঙ্গল অভ।
এ কধা শুনি মাস্টর আহ্ মুরোব্বীলক্কুন বোঝান খুজি উয়োন আহ্ তারা জা জাগাত্তুন যা পারন এজাল্ দিবাক আহ্ চাঙমা লেঘা শিঘদে মান্যেরে উচ্চোমি তুলি দিবার বিলি জানেয়্যন। কধা অইয়ে,  এজেত্তে শুক্করবারেত্তুন ধরি শেঘানা কাম ফগদাঙ্ গরা অভ’। শিঘানাত্ পোরবো ইজেবে স্কুলঅ্ গুরোত্তুন ধরি গাবুজ্জে-বুড়ো বেক্কুনে সরিত অই পারিবাক্। শিঘানা কাম থুম অলে পুরিক্খে লোনেই পাশ গরিলে চাঙমা সাহিত্য বাহ্-তপ্পেত্তুন সার্টিফিকেট দিয়া অভ’।

শিঘেয়্যা মাস্টর ইজেবে থেবাক্ :
.সুনানু কাহিনী চাঙমা
.সুনানু বিকল্প চাঙমা
.সুনানু ললিতা চাঙমা
.সুনানু সুকেশ চাঙমা
.সুনানু তুষি চাঙমা





গুইমারার হাফছড়ি ইউনিয়নের পক্ষীমুড়ো এলাকায় নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপনের পাঁয়তারা

সেনাক্যাম্প স্থাপন করার জন্য জায়গাটি বাঁশ দিয়ে ঘেরা দেওয়া হয়েছেখাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের অন্তর্গত পক্ষীমুড়ো এলাকার হাতিমুড়ো নামক স্থানে পাহাড়িদের জায়গা জবরদখল করে নতুন একটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের পাঁয়তারা চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
উক্ত জায়গাটি আগে মহালছড়ি উপজেলাধীন ছিল। বর্তমানে গুইমারা উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
জানা গেছে, উক্ত জায়গায় ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ২৮ - ৩০ জুন ২০২০ তিনদিন ধরে মহালছড়ি জোন থেকে একদল সেনা সদস্য সেখানে অবস্থান করে। এ সময় তারা পার্শ্ববর্তী গ্রামের কয়েকজন কার্বারীকে ডেকে নিয়ে ওই স্থানে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলে জানায় এবং জঙ্গল সাফ করা ও মাটি কেটে সমান করার নির্দেশ দেয়। এছাড়া ওই জায়গায় কেউ যেতে পারবে না, এমনকি আশে-পাশে গরুও চরাতে পারবে না বলে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। বর্তমানে ওই জায়গাটি চারপাশে বাঁশ দিয়ে ঘেরা দেওয়া হয়েছে।
টাঙানো হয়েছে লাল পতাকাস্থানীয়রা পাহাড়িরা এ প্রতিবেদককে জানান, যে জায়গায় ক্যাম্প স্থাপনের পাঁয়তারা চলছে ওই জায়গায় কয়েক বছর আগে তারা একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং টিলার মাটি কেটে বিহার তৈরির জন্য উপযোগী করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নানা কারণে তারা বিহার স্থাপন করতে পারেননি।
ধুতাঙ্ক ভিক্ষুকে খাবার দেওয়ার জন্য স্থানীয়দের তৈরি করা মাচাং ঘরতবে নতুন করে আবারো উক্ত জায়গায় বিহার নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছিলেন জানিয়ে তারা আরো বলেন, গত কয়েকদিন আগে এক ধুতাঙ্ক বৌদ্ধ ভিক্ষুকে তারা সেখানে এনেছিলেন এবং তিনি কয়েকদিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেছিলেন। তাকে সোয়াইং (খাবার) দেওয়ার জন্য সেখানে তারা অস্থায়ী একটি ছোট্ট মাচাং ঘর তুলেছিলেন। সে ঘরটি এখনো রয়েছে।
তাদের এই নতুন করে বিহার নির্মাণে উদ্যোগ ভেস্তে দিতে ও জায়গাটি জবরদখল করতেই মূলত সেখানে সেনাক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
এদিকে সেখানে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের খবরে স্থানীয়রা নানা আশঙ্কার কথা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।
Darbacha Changma, সংবাদ সফর এবং আরও 14 জন
3টি কমেন্ট
2 বার শেয়ার করা হয়েছে
লাইক করুন
কমেন্ট করুন
শেয়ার করুন


মেগা প্রকল্প নয়, আগে ন্যায্যতা- ইনজেব চাঙমা

  গত সোমবার (১১ মে ২০২৬) খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের...