পোস্টগুলি

মার্চ ২২, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চাদিগাঙ ছাড়া পালা : চাকমা লোকসাহিত্য, ঐতিহাসিক উচ্ছেদ ও সমকালীন বাস্তবতার আন্তঃসম্পর্ক: ইনজেব চাঙমা

ছবি
চাকমা রাজবাড়ি চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসাহিত্যে “ চাদিগাঙ ছাড়া পালা ” একটি গুরুত্বপূর্ণ গীতিকাহিনী , যা চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে চাকমাদের ঐতিহাসিক স্থানচ্যুতির স্মৃতিকে ধারণ করে। এই গবেষণামূলক প্রবন্ধে চাদিগাঙ ছাড়া পালাহকে একটি লোকগীতি হিসেবে নয় , বরং একটি সাংস্কৃতিক স্মৃতি ও ঐতিহাসিক বয়ানের প্রতীকী রূপ হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি , গত প্রায় ৫৫ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা জনগোষ্ঠীর বাস্তব উচ্ছেদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই পালাহের অন্তর্নিহিত ভাবার্থের তুলনামূলক পাঠ উপস্থাপন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত সাক্ষ্য ও সমকালীন ঘটনার আলোকে প্রবন্ধটি যুক্তি প্রদান করে যে , চাদিগাঙ ছাড়া পালাহ মূলত একটি জাতিগত ট্রমার সাংস্কৃতিক রূপায়ণ , যা অতীত ও বর্তমানকে সংযুক্ত করে। লোকসাহিত্য কোনো জনগোষ্ঠীর কেবল নান্দনিক প্রকাশ নয় ; এটি তাদের ইতিহাস , ভয় , প্রত্যাশা ও বেদনার বহিঃপ্রকাশ। চাকমা সমাজে প্রচলিত “ চাদিগাঙ ছাড়া পালা ” তেমনই একটি লোকগীতি , যা চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে চাকমাদের ঐতিহাসিক প্রস্থান বা পালিয়ে যা...

𑄟𑄪𑄭 𑄘𑄬𑄊𑄧𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟 𑄞𑄌𑄴 𑄦𑄎𑄨 𑄡𑄢𑄴- 𑄃𑄨𑄚𑄴𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟

ছবি
𑄌𑄋𑄴𑄟 𑄞𑄌𑄴𑄍𑄚𑄴 𑄦𑄎𑄨 𑄡𑄘𑄬 𑄘𑄬𑄊𑄧𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄘𑄨𑄇𑄳𑄠 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄃 𑄇𑄧𑄚𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄚𑄧 𑄌𑄘𑄧𑄚𑄴 𑄦𑄎𑄨 𑄡𑄮𑄇𑄴𑅁 𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴 𑄦𑄎𑄨 𑄡𑄢𑄴𑅁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄘𑄬𑄊𑄨𑄣𑄪𑄁, 𑄞𑄌𑄴 𑄇𑄨𑄋𑄨𑄚𑄨 𑄣𑄢𑄬 𑄣𑄢𑄬 𑄣𑄬𑄘 𑄃 𑄟𑄬𑄣𑄮𑄟𑄌𑄴 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄃𑄬𑄡𑄬𑅁 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄙𑄬 𑄎𑄨𑄣𑄴 𑄞𑄬𑄋, 𑄘𑄘𑄧𑄘𑄨 𑄝𑄧 𑄡𑄠𑄴𑅁 𑄃 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄈𑄬𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄟𑄳𑄦 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁   𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄌𑄨𑄉𑄮𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄇𑄴𑄖𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄬𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄊𑄧𑄢𑄬 𑄊𑄧𑄢𑄬 𑄥𑄪𑄝𑄪𑄣𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟 𑄞𑄏𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄙𑄇𑄴𑅁 𑄊𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴, 𑄃𑄪𑄘𑄮𑄚𑄧𑄖𑄴, 𑄉𑄋𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄬𑄇𑄴 𑄎𑄉𑄚𑄨𑄖𑄴 𑄃𑄬 𑄞𑄌𑄴𑄍𑄮𑄃𑄨 𑄦𑄏𑄨𑄘𑄇𑄴, 𑄇𑄮𑄣𑄴-𑄇𑄧𑄎𑄳𑄠 𑄝𑄎𑄬𑄘𑄇𑄴, 𑄛𑄧𑄌𑄴𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄙𑄇𑄴, 𑄚𑄚𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄛𑄴 𑄟𑄢𑄨𑄘𑄧𑄇𑅁 𑄝𑄚 𑄙𑄧𑄢𑄙𑄧𑄢𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄘𑄇𑄴, 𑄇𑄚𑄨𑄘𑄇𑄴 𑄃 𑄃𑄏𑄨𑄘𑄇𑄴𑅁 𑄇𑄧𑄚𑄧 𑄃𑄘𑄣 𑄞𑄌𑄴 𑄛𑄢𑄚 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄌𑄴 𑄚𑄧 𑄃𑄬𑄣𑄧, 𑄞𑄌𑄴 𑄥𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄝𑄎𑄨 𑄗𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄦𑄝𑄬𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄗𑄠𑄴𑅁    𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴, 𑄃𑄨𑄇𑄴𑄪𑄣𑄴 𑄡𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄥𑄧𑄟𑄬𑄣𑄪𑄁 𑄝𑄪𑄏𑄨 𑄛𑄢𑄨𑄣𑄪𑄁, 𑄃𑄬 𑄞𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄧 ...

ভাষার জন্ম, ভাষার মৃত্যু

ছবি
চাঙমা সাহিত্য একাডেমি তথ্য                       গ্রিক ইতিহাসবিদ হোরোডোটাস খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের মধ্যভাগে মিসর সফরে গিয়েছিলেন। মেম্ফিসের মন্দিরের পুরোহিতরা তাকে একটি অদ্ভুত গল্প শুনিয়েছিলেন। কাহিনীটা ছিল মিসরের এক ফ্যারো সামেটিকাসকে নিয়ে। সামেটিকাসের শাসনের আগে মিসরীয়রা ভাবত, তারাই দুনিয়ার প্রাচীনতম জাতি। কিন্তু সামেটিকাসের মনে খুঁতখুঁতানি ছিল, তিনি চেয়েছিলেন পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে। তাই তিনি পদক্ষেপ নেন মানুষের প্রথম ভাষা কোনটি তা নির্ণয় করতে। তিনি দুটি সমগোত্রীয় শিশুকে এক মেষপালকের হাতে তুলে দেন। মেষপালকের ওপর কঠোর নির্দেশ ছিল, সে যেন শিশু দুটির সামনে কোনো শব্দ উচ্চারণ না করে। তার ওপর দায়িত্ব ছিল শিশু দুটিকে কোনো নির্জন স্থানে রেখে আসার এবং নিয়মিত তাদের খাবার-পানি ও অন্যান্য দরকারি জিনিসপত্র সরবরাহ করার। ফ্যারোর ধারণা ছিল, শিশু দুটি প্রথম যে শব্দ উচ্চারণ করবে, সেটাই দুনিয়ার প্রথম ভাষা। আর সে ভাষায় জাতি দুনিয়ার প্রাচীনতম বলে বিবেচিত হবে। মেষপালক একদিন শুনতে পেল, একটি শিশু ‘বেকোস’ বলে চি...