পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

১৩ বজর পর “চাঙমা সাহিত্য বা” নুয়ো কমিতি:

ছবি
এচ্যে ২৩/০২/২০১৮ ইং “চাঙমা সাহিত্য বা” কমিতি বানা অয়্যা। সমারে দিঘীনালা ডিগ্রি কলেজ ধেলা, বাবুছড়া ইউপি ধেলা, বাবুছড়া কলেজ ধেলা আ সাজেক ইউপি ধেলা উগুম দিয়্যা । সংমিলনি খলাত খলানানু এল চাঙমা সাহিত্য বা থিদব্বর গচ্ছে ভজমান দাঙগু দেব প্রিয় চাঙমা। তেয়্য এচ্যে চাঙমা সাহিত্য বা নুয়ো গরা কমিতি কাম গরানা উগুম দিয়্যা। চাঙমা সাহিত্য বা নুয়ো গরা কমিতি: ১। জধানানু- দাঙগু কে.ভি দেবাশীষ চাঙমা, ২। এজাল জধানানু- দাঙগু দেবপ্রিয় চাঙমা, ৩। দাঙর কাবিদ্যাঙ- দাঙগু ইনজেব চাঙমা, ৪। এজাল দাঙর কাবিদ্যাঙ- দাঙগু সম্বুমিত্র চাঙমা, ৫। বা কাবিদ্যাঙ- দাঙগু এলিয়েন্স চাঙমা, ৬। ভান্ডালি কাবিদ্যাঙ- দাঙগু পরেশ চাঙমা, ৭। ফগদাঙ আ সিদানা কাবিদ্যাঙ- দাঙগুবী শ্রেয়সী চাঙমা, ৮। দপ্তর, তথ্য আ গবেষণা কাবিদ্যাঙ- সুমন চাঙমা, ৯। আন্তর্জাতিক আ সেমিনার কাবিদ্যাঙ- দাঙগু বিকেন চেগে, ১০। সিক্খা, খারা আ সংস্কৃতি কাবিদ্যাঙ- দাঙগু সুমঙ্গল চাঙমা, আ ১১। সাবাঙ্গী- দাঙগুবী প্রিয়সী চাঙমা। এচ্যে ২৩/০২/২০১৮ইং শুক্করবার বেন্যা ৯টা অক্তত দিঘীনালা ডিগ্রি কলেজত চাঙমা সাহিত্য বা অতালিয়ে আওজে ১৩ বজর পর আর’ নুয়ো গরি “চাঙমা সাহ ...

সাজেকে সেনা-সেটলার হামলার ৭ বছর

ছবি
সিএইচটি নিউজ ডটকম, রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭, আপডেট: ৪:০০ অপরাহ্ণ ডেস্ক রিপোর্ট।। ২০১০ সালের এ দিনে (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে সেনা ও সেটলার বাঙালিরা যৌথভাবে পাহাড়িদের ওপর বর্বরোচিত হামলা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে তাণ্ডবলীলা চালায়। পরদিন ২০ ফেব্রুযারিও পাহাড়িদের উপর হামলা চালানো হয়। সেনা জওয়ানরা নিরস্ত্র পাহাড়ি জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করলে ঘটনাস্থলে নিহত হন বুদ্ধপুদি চাকমা ও লক্ষী বিজয় চাকমা নামে দু’জন স্থানীয় বাসিন্দা। হামলার ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়িতেও ২২-২৩ ফেব্রুয়ারী সাতভাইয়্যাপাড়া-মা’জনপাড়ায় সেটলাররা সেনা সহায়তায় হামলা চালায়। সাতভাইয়্যাপাড়ায় বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। মা’জনপাড়ায় দোকানপাটসহ পাহাড়িদের বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। পরের দিন খবংপুজ্যায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে নির্বিচারে গ্রামবাসীদের ধরপাকড় চালিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। হামলাকারী দুর্বৃত্তরা সাজেকে ২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩টি গীর্জাসহ ১১টি গ্রামের পাহাড়িদের পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই করে দেয়। এছাড়া শিশুতলি গ্রামের বাসিন্দা রূপন চাকমাকে গুম করে ফেলে। এটা ছিল সাজেকের দ্বি...

আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২, ধৃতদের পক্ষে নেই উকিলরা

ছবি
দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ পাশবিক অত্যাচারের ঘটনায় গ্রেফতার ২, ধৃতদের পক্ষে নেই উকিলরা। মূল অভিযুক্ত রামপ্রবেশ শর্মাকে গ্রেফতার করার পরে তাঁকে জেরা করে অপর অভিযুক্ত আন্ধারু বর্মনকে মঙ্গলবার ইটাহার থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শনিবার রাতে অত্যাচারের ঘটনার পর প্রায় ১৮ ঘন্টা ধরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকা যুবতীকে রবিবার বিকেলে উদ্ধার করে মাথায় জল দিয়ে জ্ঞান ফেরান বলে এলাকাবাসীর দাবি। এরপর কুশমণ্ডি হাসপাতালে নির্যাতিতা ওই যুবতীর জবানবন্দি অনুযায়ী রামপ্রবেশের নাম জানতে পারে পুলিশ। এরপর দেহাবন্ধ এলাকার বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ বছরের কাঠমিস্ত্রি রামপ্রবেশকে পুলিশ পাকড়াও করে। অপর অভিযুক্ত লাগোয়া ইটাহারের পূর্ব নওগাঁ এলাকা থেকে কৃষিজীবী আন্ধারু বর্মনকে এদিন পুলিশ গ্রেফতার করে। গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে ধৃত ওই দুজনকে তোলা হলে তাদের পক্ষে কোনও আইনজীবী দাঁড়াননি। বিচারক ১১ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আন্ধারুর বিরুদ্ধে ইটাহার থানায় পুরনো অপরাধের মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে রামপ্রবেশ শর্মার গ্রেফতারে এলাকার অনেকেই অবাক। কয়েকজন বাসিন্দা জানান...

গেল্লে কেল্যা দীঘিনালা ১নং যৌথ খামারত ইউপিডিএফ’র এক্কো কর্মী মরি গেল

গেল্লে কেল্যা দীঘিনালা ১নং যৌথ খামারত ইউপিডিএফ’র এক্কো কর্মী মরি গেল । তা নাঙান সাইন চাঙমা(সুপার)২০ বাপ নাঙ ভূবন বিজয় চাঙমা, আদাম রস্যামুনি কার্বারী পাড়া দিঘীনালা। বেন্যা ৯ টা বর্মা গ্র্রুপে তারে মারি যিয়োন ইউপিডিএফ’র কয়। সমারে ৩ জন আহত।

পাহাড়ি নারীর ধর্ষণ ইতিহাসের কষ্টিপাথরে বিচার করতে হবে

সম্প্রতি রাঙামাটির বিলাইছড়িতে উনিশ বছরের এক মারমা তরুণী ধর্ষিত হয়েছেন আর তাঁর কিশোরী বোনটি যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন৷ অথচ আইরনিক্যালি বিলাইছড়ি থানা বাংলাদেশের একমাত্র থানা যেখানে গত চার বছরে কোনো অপরাধ মামলা হয়নি৷ আদিবাসীদের মূল্যবোধ সেখানকার সমাজকে এতদিন সুরক্ষিত রেখেছে , ঠিক সেখানেই ধর্ষণ হয়েছে আর ধর্ষণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জওয়ানেরা ৷ কাপেং ফাউন্ডেশনের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী , ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত ৩৬৪ জন আদিবাসী নারীর মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে৷ তার মধ্যে ১০৬ জন শারীরিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন , ১০০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং ৬৬ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে৷ চলতি বছরের কেবল জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ১০ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তার মধ্যে তিনজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে৷ ধর্ষণের পর মেরে ফেলা হয়েছিল সবিতা চাকমা , সুজাতা চাকমা , ছবি মারমা আর তুমাচিং মারমাকে৷ এই নামগুলো ইন্টারনেটে বেশ আলোচিত হয়েছিল৷

উখিয়ায় আদিবাসী ছাত্রী ইলা রানী চাকমা'কে (১৫) ধর্ষণের চেষ্ঠা

ছবি
উখিয়ায় আদিবাসী ছাত্রী ইলা রানী চাকমা'কে (১৫) ধর্ষণের চেষ্ঠা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে দুর্বৃত্তরা,তাকে রক্ষা করতে গিয়ে ইলা রানীর বড় বোন মাছাউ চাকমাককেও (২৫) আহত করেছেন দুর্বৃত্তরা।দুর্বৃত্তরা হলেন ইব্রাহিম,আব্দুর রহমান ও রফিক সহ আরো ৪-৫ জন ছিলেন।