Hillor pojjan(হিলর্ পজ্জন)
হিলো বুগোর সুক্-দুগর কধা ফগদাঙ গর অয়।
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
পাহাড়ে ধর্ষণ ও বিচারহীনতা: রাষ্ট্র কি শুনছে? ইনজেব চাঙমা
শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
𑄃𑄪𑄖𑄴𑄨𑄛𑄪𑄖𑄴𑄨𑄢𑄴 𑄣𑄓𑄬𑄃𑄨 𑄃 𑄣𑄧𑄇𑄧𑄜𑄧𑄇𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄟𑄴- 𑄃𑄨𑄚𑄧𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟
𑄃𑄟𑄧𑄢
𑄥𑄧𑄝𑄭 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄇𑄎𑄴 𑄇𑄧𑄢𑄧𑄍𑄨, 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴
𑄟𑄧𑄖𑄮 𑄇𑄧𑄢𑄬 𑄥𑄧𑄖𑄧𑄖𑄢𑄴 𑄥𑄗𑄬 𑄛𑄧𑄗𑄴 𑄌𑄧𑄣𑄧𑄍𑄨𑅁
𑄛𑄳𑄢𑄧𑄖𑄳𑄠𑄬𑄇𑄬𑄃𑄨 𑄚𑄨𑄎𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄴 𑄚𑄨𑄠𑄧𑄖𑄨 𑄃𑄮
𑄇𑄧𑄢𑄴𑄖𑄧𑄝𑄳𑄠𑄬𑄢𑄴 𑄎𑄣𑄬 𑄝𑄧𑄚𑄴𑄘𑄨𑅁 𑄇𑄨𑄚𑄴𑄖𑄪
𑄚𑄨𑄠𑄧𑄖𑄨𑄢𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄦𑄥𑄴 𑄃𑄬𑄟𑄧𑄚𑄧𑄃𑄨 𑄡𑄬,
𑄟𑄏𑄬𑄟𑄧𑄙𑄳𑄠𑄬 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄦𑄧𑄇𑄴 𑄝 𑄘𑄠𑄨𑄖𑄴𑄝𑄧 𑄛𑄣𑄧𑄚𑄴
𑄇𑄧𑄢𑄧𑄖𑄬 𑄉𑄨𑄠𑄬𑄃𑄮 𑄃𑄧𑄚𑄳𑄠𑄬𑄢𑄴 𑄌𑄮𑄈𑄬
𑄃𑄧𑄚𑄨𑄌𑄴𑄍𑄇𑄳𑄢𑄨𑄖𑄧𑄞𑄝𑄬𑄃𑄨 𑄃𑄧𑄛𑄧𑄢𑄙𑄩 𑄥𑄬𑄎𑄬 𑄡𑄬𑄖𑄬
𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄃𑄧𑄗𑄧𑄌𑄴 𑄃𑄟𑄧𑄢 𑄝𑄧𑄢𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄬
𑄃𑄧𑄛𑄧𑄢𑄬𑄢𑄴 𑄛𑄥𑄬 𑄍𑄨𑄣𑄟𑄴, 𑄥𑄪𑄈𑄴-𑄘𑄪𑄂𑄈𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄖𑄴𑄟𑄧
𑄦𑄧𑄠𑄬𑄍𑄨 𑄃𑄬𑄝𑄧𑄁 𑄞𑄧𑄝𑄨𑄥𑄳𑄠𑄧𑄖𑄬𑄃𑄮 𑄝𑄧𑄢𑄝𑄧𑄢𑄴
𑄃𑄬𑄇𑄧𑄥𑄗𑄬𑄃𑄨 𑄗𑄇𑄧𑄝𑄮𑅁 𑄥𑄟𑄧𑄠𑄨𑄇𑄴 𑄇𑄮𑄚𑄮 𑄏𑄧𑄓𑄴 𑄝
𑄞𑄪𑄣𑄴 𑄝𑄮𑄏𑄝𑄪𑄏𑄨 𑄃𑄟𑄘𑄬𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄃𑄨 𑄘𑄩𑄢𑄴𑄊𑄧𑄘𑄨𑄚𑄬𑄢𑄴
𑄃𑄖𑄴𑄟𑄨𑄇𑄴 𑄝𑄧𑄚𑄴𑄙𑄧𑄚𑄧𑄇𑄬 𑄍𑄨𑄀𑄓𑄬 𑄜𑄬𑄣𑄧𑄖𑄬 𑄛𑄢𑄬 𑄚𑅁
𑄃𑄨𑄢𑄪𑄇𑄴
“𑄉𑄝𑄪𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠 𑄟𑄌𑄧𑄖𑄧𑄢𑄴” 𑄟𑄖𑄴𑄮 𑄝𑄬𑄉𑄧𑄢𑄴
𑄝𑄪𑄉𑄧𑄖𑄴 𑄘𑄬𑄊𑄬 𑄚𑄧 𑄛𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄛𑄨𑄢𑄬
𑄎𑄧𑄚𑄧𑄟𑄴 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠𑅁 𑄃𑄬 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄟𑄙𑄚𑄴 𑄚𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨
𑄃𑄬𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄝𑄬𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄪𑄉𑄧𑄖𑄴 𑄖𑄧𑄌𑄳𑄠 𑄃 𑄇𑄨𑄏𑄬𑄇𑄴 𑄢𑄧
𑄥𑄢𑄬𑄢𑄴𑅁 𑄟𑄌𑄧𑄖𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄚 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄇𑄟𑄴 𑄚𑄧𑄠𑄴,
𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄴 𑄢𑄬𑄉 𑄃 𑄥𑄧𑄟𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄦𑄴𑄋𑄬𑄣𑄴𑅁 𑄡𑄧𑄈𑄳𑄠𑄬
𑄥𑄬 𑄦𑄋𑄬𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄨𑄢𑄬 𑄜𑄪𑄘𑄬 𑄝 𑄞𑄬𑄎𑄣𑄴 𑄦𑄧𑄠𑄴,
𑄥𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄣𑄮 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄟𑄴 𑄃𑄧𑄞𑄴 𑄈𑄟𑄇𑄴𑄇𑄠𑄴𑅁 𑄃𑄬 𑄘𑄪𑄇𑄴
𑄝𑄚 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄃𑄟 𑄥𑄧𑄟𑄏𑄧𑄢𑄴
𑄌𑄬𑄘𑄧𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄊𑅁
𑄃𑄟𑄨 𑄝𑄬𑄇𑄴𑄪𑄚𑄬 𑄡𑄢𑄴 𑄡𑄬 𑄇𑄟𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄢𑄴, 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄚𑄨𑄝𑄨𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄛𑄧𑄖𑄴 𑄦𑄙𑄨𑄢𑄴𑅁 𑄛𑄧𑄖𑄴𑄨𑄇𑄴 𑄡𑄢𑄴 𑄡𑄢𑄴 𑄞𑄉𑄳𑄠𑄧 𑄃 𑄇𑄟𑄴 𑄎𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄚𑄴𑄘 𑄃𑄊𑄨𑅁 𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴, 𑄞𑄉𑄳𑄠𑄧 𑄥𑄪𑄙𑄮𑄟𑄬 𑄃𑄧𑄇𑄴𑄖𑄬 𑄃𑄧𑄇𑄴𑄖𑄬 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄇𑄴 𑄝 𑄇𑄟𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄘𑄬 𑄟𑄚𑄧𑄌𑄮𑄢𑄴 𑄌𑄮𑄊𑄧𑄖𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄬 𑄚𑄧 𑄦𑄧𑄣𑄬𑄃𑄮 𑄃𑄧𑄛𑄢𑄙𑄨 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄛𑄠𑄴𑅁 𑄃𑄧𑄗𑄧𑄌𑄴 𑄃𑄟𑄨 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄠𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄧𑄁, 𑄥𑄪𑄊𑄧𑄢𑄴-𑄘𑄪𑄊𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄇𑄴𑄖𑄧 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄥𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄇𑄟𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄧𑄁 𑄃 𑄟𑄪𑄏𑄪𑄋𑄬 𑄘𑄨𑄚𑄧𑄖𑄧𑄃𑄮 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄗𑄬𑄝𑄧𑄁𑅁 𑄈𑄇𑄴𑄮𑄚𑄳𑄠 𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄝 𑄞𑄪𑄣𑄴 𑄝𑄪𑄏-𑄝𑄪𑄏𑄨 𑄃𑄟𑄢𑄴 𑄃𑄬 𑄢𑄬𑄋𑄝𑄮 𑄞𑄋𑄨 𑄡𑄬𑄃𑄨 𑄚𑄧 𑄛𑄢𑄬 𑄎𑄧𑄚𑄧𑄟𑄧𑄖𑄳𑄠𑄭𑅁
𑄃𑄬𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄘𑄨𑄚𑄪𑄚𑄴 𑄦𑄧𑄠𑄧𑄘𑄴 𑄃𑄟𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄃𑄋𑄧𑄌𑄳𑄠 𑄃𑄚𑄴𑄘𑄢𑄴 𑄢𑄬𑄖𑄴, 𑄟𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄎𑄧𑄣, 𑄖𑄧𑄌𑄳𑄠𑅁 𑄃𑄬𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄦𑄧𑄠𑄧𑄘𑄴 𑄃𑄬 𑄘𑄨𑄚𑄧𑄟𑄙𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬𑄚𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄇𑄒𑄧𑄉𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄗𑄨𑄠𑄳𑄠 𑄢𑄊𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄝𑄙𑄳𑄠𑄧 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄬 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄥𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄴𑄬𑄥𑄳𑄠𑄧 𑄚𑄧 𑄗𑄚𑄢𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄧𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄃𑄧𑄛𑄧𑄢𑄙𑄨𑄥𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄣𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄃𑄊𑄧𑄁𑅁 𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄨𑄙𑄮𑄖𑄴 𑄢𑄊 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄝𑄴, 𑄃𑄬 𑄈𑄇𑄴𑄮𑄚𑄳𑄠 𑄞𑄪𑄣𑄴 𑄝𑄪𑄏𑄴-𑄝𑄪𑄏𑄨 𑄝 𑄟𑄧𑄚𑄴 𑄢𑄬𑄉 𑄞𑄋𑄨 𑄜𑄬𑄣𑄚 𑄃𑄟 𑄃𑄢𑄁 𑄣𑄧𑄇𑄴𑄈𑄳𑄠𑄧 𑄚𑄧𑄠𑄴𑅁
”𑄃𑄟 𑄃𑄢𑄁 𑄇𑄟𑄴 𑄦𑄧𑄣𑄧𑄘𑄬 𑄃𑄪𑄪𑄖𑄴𑄧𑄛𑄪𑄖𑄴𑄨 𑄗𑄨𑄘𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄚𑅁 𑄥𑄪𑄎𑄨 𑄈𑄨𑄠𑄳𑄠, 𑄖𑄧𑄌𑄳𑄠-𑄛𑄬𑄢𑄎𑄢𑄴 𑄈𑄝𑄬𑄠𑄳𑄠 𑄃 𑄃𑄧𑄥𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄧𑄚𑄴𑄘𑄢𑄴 𑄝𑄋𑄬-𑄛𑄨𑄌𑄴𑄍𑄬 𑄗𑄨𑄠𑄳𑄠 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄢𑄁 𑄛𑄃𑄮𑄖𑄴𑄨 𑄃 𑄟𑄚𑄴 𑄍𑄨𑄚𑄨 𑄃𑄚𑄚 𑄃𑄟 𑄃𑄢𑄁 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨𑅁”
𑄃𑄬 𑄃𑄪𑄖𑄴𑄨𑄛𑄧𑄖𑄴𑄨 𑄣𑄢𑄬𑄠𑄧𑄖𑄴 𑄣𑄟𑄧𑄖𑄬 𑄡𑄪𑄚𑄨 𑄈𑄇𑄴𑄮𑄚𑄧𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄇𑄢𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄛𑄧𑄢𑄙𑄨 𑄍𑄧𑄣𑄧𑄁 𑄝𑄧𑄘𑄧𑄣 𑄛𑄧𑄢𑄬 𑄖𑄬 𑄥𑄬 𑄖𑄳𑄠𑄉𑄴 𑄝 𑄘𑄪𑄇𑄴 𑄟𑄚𑄨 𑄚𑄬𑄠𑄚 𑄥𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄝𑄝𑄧𑄖𑄳𑄠 𑄇𑄧𑄎𑄣𑄴𑅁 𑄃𑄬 𑄟𑄬𑄇𑄧𑄌𑄉 𑄈𑄇𑄴𑄮𑄚𑄳𑄠𑅁 𑄃𑄟𑄨 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄦𑄖𑄴 𑄙𑄧𑄢𑄙𑄧𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄦𑄙𑄨𑄝𑄧𑄁𑅁 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄘𑄪𑄊𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄠𑄴 𑄗𑄬𑄃𑄨 𑄙𑄧𑄢𑄳𑄠𑄴𑄧 𑄃 𑄃𑄟𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄪𑄖𑄴𑄨𑄛𑄧𑄖𑄴𑄨 𑄛𑄮𑄃𑄨𑄘𑄳𑄠𑄚𑄬 𑄘𑄧𑄢𑄧𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄗𑄬𑄃𑄨 𑄃𑄟𑄨 𑄃𑄬 𑄃𑄉𑄗𑄳𑄠 𑄈𑄬𑄚𑄴𑄮 𑄛𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄝𑄴 𑄡𑄬𑄝𑄧𑄁𑅁 𑄘𑄨𑄚𑄬 𑄥𑄬𑄎𑄬 𑄃𑄟 𑄃𑄬 𑄎𑄧𑄙 𑄃 𑄃𑄪𑄖𑄴𑄨𑄛𑄧𑄖𑄴𑄨 𑄣𑄧𑄚 𑄎𑄨𑄖𑄴 𑄃𑄟𑄢𑄴 𑄝𑄬𑄉𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄝𑄬𑄌𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄣𑄴𑅁
𑄟𑄬 𑄸𑄸, 𑄸𑄶𑄸𑄼
শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
অধিকারের লড়াই ও সম্পর্কের দায়বদ্ধতা- ইনজেব চাঙমা
মানবজীবনের পথচলা কখনো মসৃণ সরলরেখায় হয় না। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থানে দাঁড়িয়ে নিজের দায়িত্বটুকু পালন করার আপ্রাণ চেষ্টা করি। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে না, কেউ কাউকে আঘাত করতে চায় না। তবুও জীবনের কোনো এক অদ্ভুত মোড়ে এসে আমাদের এমন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে অবলীলাক্রমেই চেনা মানুষগুলোর সামনে নিজেকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে মায়াবদ্ধ মনে হয়। আজ হয়তো আমার জীবনের সেই কঠিন পরীক্ষার দিন।
বর্তমানে 'বর্গা শিক্ষক' শব্দবন্ধটি অনেকের বুকেই এক নীরব বেদনার জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আজ সবার মনেই এক গভীর দুঃখ ও হাহাকার বিরাজমান। শিক্ষকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি আত্মিক বন্ধন ও সামাজিক মেরুদণ্ড। যখন সেই মেরুদণ্ডে আঘাত লাগে বা কোনো টানাপোড়েন তৈরি হয়, তখন হৃদয়ের রক্তক্ষরণ হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই দুঃখ কোনো একক ব্যক্তির নয়, এটি আমাদের সামষ্টিক চেতনার এক গভীর ক্ষত।
আমরা সবাই নিজের নিজের কাজ করছি, নিজের মতো করে সততার সাথে পথ চলছি। প্রত্যেকেই নিজ নিজ নিয়তি ও কর্তব্যের জালে বন্দি। কিন্তু নিয়তির পরিহাস এমনই যে, মাঝেমধ্যে নিজের হক বা দায়িত্ব পালন করতে গিয়েও অন্যের চোখে অনিচ্ছাকৃতভাবেই অপরাধী সেজে যেতে হয়। অথচ আমরা বরাবর একে অপরের পাশে ছিলাম, সুখ-দুঃখে একাত্ম হয়েছি এবং ভবিষ্যতেও বরাবর একসাথেই থাকবো। সাময়িক কোনো ঝড় বা ভুল বোঝাবুঝি আমাদের এই দীর্ঘদিনের আত্মিক বন্ধনকে ছিঁড়ে ফেলতে পারে না।
আজকের দিনটি হয়তো আমার জন্য এক মহাসংকটের, এক নীরব আত্মদহনের। আজ হয়তো পরিস্থিতি আমাকে এমন এক কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করেছে যেখানে আমার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য না থাকা সত্ত্বেও আমি অপরাধীর মতো স্তব্ধ হয়ে আছি। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, এই সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি বা পারস্পরিক দূরত্ব আমাদের আসল লক্ষ্য নয়।
আমাদের আসল কাজ হলো অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। শোষণের বিরুদ্ধে, বঞ্চনার বিরুদ্ধে এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজের ন্যায্য পাওনা ও মর্যাদা ছিনিয়ে আনাই আমাদের মূল লড়াই।
এই অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নামতে গিয়ে যদি সাময়িকভাবে কাউকে 'অপরাধী'র রূপ ধারণ করতেও হয়, তবে সেই ত্যাগ বা গ্লানি মেনে নেওয়াও এক ধরণের বীরত্ব। এই মেঘ ক্ষণস্থায়ী। আমরা আবার একে অপরের হাত ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবো। পারস্পরিক সহানুভূতি, ধৈর্য এবং নিজেদের অধিকারের প্রতি অবিচল থেকে আমরা এই কঠিন সময়কে পার করে যাবো। দিনশেষে আমাদের এই একতা এবং অধিকার আদায়ের জেদ-ই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের মনস্তাত্ত্বিক মুক্তির সংগ্রাম- ইনজেব চাঙমা
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
ঐতিহ্যের দর্পণে অধিকারের জয়গান- ইনজেব চাঙমা
হৃদয়ের ঔদার্য আর সত্যের আলোয় যিনি প্রদীপ্ত, ক্ষমতার উচ্চাসনে বসেও তিনি মাটির মানুষকে ভুলে যান না। বর্তমান জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার, প্রাজ্ঞ আইনবিদ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সম্প্রতি তাঁর নির্বাচনী এলাকার আদিবাসী অধ্যুষিত জনপদে পা রেখে তেমন এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। সবুজ পাহাড় আর অরণ্যঘেরা সেই জনপদের প্রান্তিক মানুষের দুঃখ-দুর্দশা স্বচক্ষে অবলোকনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত হলো এক মহাসত্যের বাণী।
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রাচীন গৌরব ও বর্তমান বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেন:
"প্রকৃতপক্ষে ওরাই এই মাটির আদি সন্তান, আদিবাসিন্দা। আজ অবহেলা আর তাচ্ছিল্যে অনেকে ওদের 'ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' বলে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু আমি বলি—ওরা ক্ষুদ্র নয়, ওরা হৃদয়ে ও ঐতিহ্যে অনেক বড়। মানবসভ্যতার ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যাবে, এই অঞ্চলে ওদেরই প্রথম পদাচারণা ঘটেছিল। সেই অমোঘ সত্যের আলোকেই আমি ওদের আদিবাসী বলি।"
আদিবাসীদের উন্নত জীবনবোধের প্রশংসা করে এবং আত্মোপলব্ধির এক বেদনাকাতর স্বরে ডেপুটি স্পিকার আরও যোগ করেন, "সংখ্যায় ওরা হয়তো আজ সংখ্যালঘু, কিন্তু ওদের মন-মানসিকতা, নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি অনন্য উচ্চতায় মহিমান্বিত। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আজ ওরা মৌলিক রাষ্ট্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ইতিহাসের এক নির্মম সত্য হলো, আমরা বাঙালিরা পরবর্তীতে এখানে এসে ওদের চিরকালীন চারণভূমি ও জায়গা দখল করে নিয়েছি।" তাঁর এই সত্যনিষ্ঠ ও সংবেদনশীল উচ্চারণ আদিবাসী মানুষের হৃদয়ে যেমন আশার আলো জ্বেলেছে, তেমনি সুধীসমাজে সৃষ্টি করেছে এক গভীর আত্মজিজ্ঞাসা।
ব্যারিস্টার কায়সার কামালের এই মানবিক ও সংবেদনশীল রূপটি আকস্মিক কোনো ঘটনা নয়; এটি তাঁর দীর্ঘদিনের আপসহীন ও ত্যাগের রাজনীতি থেকেই উৎসারিত। বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী দুঃসময়ে যখন চারদিকে ছিল ভীতির পরিবেশ, তখন তিনি বুকে সাহস বেঁধে বিএনপির হাজার হাজার নির্যাতিত নেতাকর্মীর পক্ষে আদালতের প্রাঙ্গণে বীরত্বের সাথে আইনি লড়াই লড়েছেন। বিশেষ করে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জননেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলাগুলো মোকাবিলায় তাঁর বিশ্বস্ততা ও আইনি প্রজ্ঞা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। দলের অনেক সুপরিচিত আইনজীবী যখন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দ্বিধাগ্রস্ত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিলেন, তখন ব্যারিস্টার কামাল একজন খাটি ও নিষ্ঠাবান জাতীয়তাবাদী সৈনিক হিসেবে নিজের ওপর অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব পালন করেছেন পরম বিশ্বস্ততায়।
ত্যাগের এই অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, দলীয় অবদানের যথাযোগ্য স্বীকৃতিস্বরূপ দলীয় মনোনয়নে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে মেধা ও নিষ্ঠার পুরস্কার হিসেবে প্রথমে ভূমি প্রতিমন্ত্রী এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের মর্যাদাপূর্ণ আসনে অধিষ্ঠিত হন।
সংসদের উচ্চাসনে আসীন হওয়ার পর থেকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ক্ষমতার মোহাতীত এক অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে অত্যন্ত দক্ষতা, ধৈর্য এবং সুষম নিরপেক্ষতায় তিনি সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করছেন। তাঁর এই ন্যায়নিষ্ঠ ভূমিকা কেবল নিজ দলের মাঝেই নয়, বরং বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের হৃদয়েও গভীর শ্রদ্ধার আসন তৈরি করেছে। এমনকি কট্টর ও আপসহীন সরকারবিরোধী সমাজিক মাধ্যমকর্মী এবং ব্লগারদের মুখেও আজ তাঁর সংসদীয় নিরপেক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ে শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকারের পক্ষে তাঁর এই বজ্রকণ্ঠ এবং সংসদের ভেতর তাঁর ন্যায়পরায়ণ ভূমিকা—উভয়ই প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদী সমাজ বিনির্মাণের এক অতন্দ্র প্রহরী। তাঁর এই গৌরবময় কার্যক্রম দেশবাসীকে যেমন আনন্দিত করেছে, তেমনি এক আলোর দিশা দেখিয়েছে।
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
পাহাড়ের দীর্ঘশ্বাস - ইনজেব চাঙমা
পাহাড়ের অরণ্য যখন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে, তখন তার নিস্তব্ধতার গভীরে লুকিয়ে থাকে দশকের পর দশক ধরে জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। ১৯৭১ থেকে ১৯৯৭—এই দীর্ঘ ছাব্বিশটি বছর পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের জন্য কেবল একটি কালপঞ্জি ছিল না। তা ছিল এক অস্তিত্বহীনতার কালখণ্ড। যে মাটিতে জুম্ম জন্ম, সেই মাটিই তার জন্য হয়ে উঠেছিল এক নির্মম বধ্যভূমি আর সন্দেহের কণ্টকশয্যা।
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
মেগা প্রকল্প নয়, আগে ন্যায্যতা- ইনজেব চাঙমা
পাহাড়ে ধর্ষণ ও বিচারহীনতা: রাষ্ট্র কি শুনছে? ইনজেব চাঙমা
২৩ মে, ২০২৬। বান্দরবানের থানচি উপজেলা সদরের বুক চিরে বেরিয়ে এলো আর্তনাদ—পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ। পরদিন ২৪ মে, পুলিশের জালে ধরা...
-
পাহাড়ে আজ যে ‘মর্ডানিজম’ দেখা যাচ্ছে, তা আসলে আধুনিক হওয়ার চেষ্টা নয়। এটি হলো সাজানো-গোছানো এক নতুন উপনিবেশ। বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর, ভেতর...
-
𑄃𑄨𑄢𑄪𑄇𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄃𑄪𑄌𑄴𑄮𑄟𑄨 𑄇𑄟𑄴 𑄃𑄟𑄢𑄬 𑄚𑄪𑄃𑄧 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄝𑄪𑄇𑄴 𑄝𑄚𑄨 𑄘𑄬𑄢𑄴, 𑄘𑄬𑄢𑄴 𑄞𑄧𑄢𑄬 𑄃 𑄥𑄧𑄝𑄧𑄚𑄴 𑄘...
-
হিলট্রেকসর দুগ সুগ (১) টেকনাকত্তুন সীতাকুন্ড, উত্তরে ফেনীগাঙ, মাতামুড়ি শঙ্খ আ কাঁইচা বড়গাঙ, আ...







