ক্ষতবিক্ষত পাহাড়ের বুকে সাজেক: এক আর্তনাদের নাম - ইনজেব চাঙমা
সাজেক, শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মেঘের সমুদ্র, পাহাড়ের ঢেউ। পর্যটকের চোখে সে রাঙামাটির ছাদ, মেঘের উপত্যকা। কিন্তু যে মানুষটা সাজেকের বাঁশের মজা ঘরে রাত কাটায়, তার কাছে সাজেক কোনো ভ্রমণের গল্প নয়, সাজেক হলো শেষ আশ্রয়ের নাম। মানচিত্রে সাজেক রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬ নং ইউনিয়ন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন, ৭০২ বর্গমাইল জুড়ে তার বিস্তার। উত্তরে ত্রিপুরা, পূর্বে মিজোরাম- দুই আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাঁটাতারে ঘেরা এক জনপদ। পশ্চিমে দীঘিনালা, দক্ষিণে লংগদু। এই উপত্যকার বুকে তিনটি পাড়া রুইলুই, হামারি আর কংলাক। রুইলুই জেগে আছে ১৭২০ ফুট উঁচুতে, ১৮৮৫ সাল থেকে। আর কংলাক - ১৮০০ ফুট উঁচুতে, আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে। এখানে আদিকাল থেকে বাস লুসাই, পাংখোয়া, ত্রিপুরা আর চাকমাদের। ২০২২ সালের গণনায় ৩১,৩৮৫ জন মানুষ। প্রতিটি মানুষেরই একটা দেশত্যাগের গল্প আছে। কেউ এসেছে দীঘিনালার পোড়া ভিটা থেকে, কেউ রাঙামাটির উচ্ছেদ হওয়া গ্রাম থেকে, কেউ বান্দরবানের গহীন থেকে। দুমুঠো ভাত আর একটু নিরাপদ ঘুমের খোঁজে তারা একদিন সাজেকের ঢালে বাঁশের ঘর তুলেছিল। পাহাড় কখনো শান্ত থাকে না। পার...