পোস্টগুলি

মে ২৪, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

𑄟𑄮𑄚𑄴 𑄟𑄪𑄢𑄴 𑄍𑄧𑄢 𑄉𑄋𑄴 𑄍𑄨𑄢𑄨 𑄟𑄳𑄠𑄢𑄗𑄧𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄐𑄴𑄌𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄮𑄖𑄧𑄛𑄮𑄖𑄳𑄠 𑄞𑄣𑄬𑄘𑄨 𑄌𑄧𑄑𑄴𑄧𑄉𑄳𑄢𑄟𑄴 𑄝𑄨𑄌𑄴𑄧𑄝𑄨𑄘𑄳𑄠𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟

ছবি
𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟 𑄛𑄢𑄴𑄝𑄧𑄖𑄳𑄠𑄧 𑄎𑄬𑄣 𑄟𑄮𑄚𑄴 𑄟𑄪𑄢𑄧 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄨 𑄃𑄬𑄥𑄳𑄠𑄬 𑄘𑄧𑄋𑄬 𑄚𑄧 𑄛𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄟𑄧𑄚𑄧𑄝𑄧𑄣𑄴, 𑄃𑄉𑄗𑄳𑄠 𑄈𑄘𑄪𑄚𑄨 𑄃 𑄥𑄧𑄝𑄧𑄚𑄚𑄨𑄢𑄬 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄳𑄠𑄢𑄗𑄧𑄚𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄮𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄧 𑄞𑄬𑄘𑄟𑄴 𑄘𑄧𑄢𑄧𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄬 𑄃𑄘𑄨𑄝𑄥𑄩 𑄛𑄧𑄢𑄴𑄝𑄮𑄠 𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟𑅁 𑄖𑄬 𑄌𑄧𑄑𑄴𑄧𑄉𑄳𑄢𑄟𑄴 𑄝𑄨𑄌𑄴𑄧𑄝𑄨𑄘𑄳𑄠𑄣𑄧𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬 Dramatics Department (𑄸𑄶𑄷𑄼–𑄷𑄽 𑄥𑄬𑄥𑄧𑄚𑄴)-𑄃𑄬 𑄛𑄮𑄃𑄨𑄚𑄋𑄨 𑄛𑄧𑄢𑄴𑄝𑄮𑄠𑅁 𑄟𑄪𑄢𑄪𑄣𑄳𑄠 𑄌𑄉𑄣𑄖𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄧 𑄎𑄪 𑄚𑄧 𑄛𑄚𑄢𑄴 𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟 𑄦𑄙𑄚 𑄃𑄪𑄌𑄴𑄮 𑄚𑄧 𑄃𑄬𑄣𑄧𑅁 𑄚𑄨𑄢𑄨𑄝𑄨𑄣𑄨 𑄟𑄪𑄢𑄪𑄣𑄳𑄠 𑄎𑄨𑄁𑄇𑄚𑄨𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄳𑄠𑄢𑄗𑄧𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄐𑄴𑄌𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄚, 𑄃𑄬 𑄣𑄟𑄴𑄝 𑄡𑄖𑄳𑄢 𑄖𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄚𑄴𑄥𑄪𑄢𑄴 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨 𑄉𑄧𑄢 𑄛𑄧𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄚𑄚𑄚𑄴 𑄇𑄪𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄟𑄙𑄚𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄖𑄬 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄪𑄉𑄪𑄢𑄬 𑄝𑄨𑄌𑄳𑄠𑄬𑄌𑄴 𑄃 𑄚𑄨𑄦𑄣𑄴𑄏𑄨 𑄈𑄘𑄪𑄚𑄨 𑄝𑄧𑄣𑄬 𑄖𑄬 𑄛𑄳𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄬, 𑄟𑄧𑄚...

পাহাড়ে ধর্ষণ ও বিচারহীনতা: রাষ্ট্র কি শুনছে? ইনজেব চাঙমা

ছবি
  ২৩ মে, ২০২৬। বান্দরবানের থানচি উপজেলা সদরের বুক চিরে বেরিয়ে এলো আর্তনাদ—পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ। পরদিন ২৪ মে, পুলিশের জালে ধরা পড়ল ষোলো বছরের এক কিশোর। ঘটনা মর্মান্তিক, নিঃসন্দেহে। কিন্তু পাহাড়ের বাতাসে ভেসে বেড়ানো প্রশ্নটা আরও গভীর: এটি কি নিছকই একটি বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা, নাকি সবুজ পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা রক্তের দাগের আরও একটি নতুন বিন্দু? পুলিশের খাতাই সাক্ষী দিচ্ছে—২০২৫ সালেই শুধু বান্দরবানে ১১টি শিশু আর দুই গৃহবধূর সম্ভ্রম লুণ্ঠিত হয়েছে। একই বছরের ৫ মে, জুমখেতে কাজ করতে গিয়ে চিংমা খিয়াং নামের এক নারী ফিরে আসেননি আর। তার নিথর দেহ পাওয়া গিয়েছিল ঝোপের আড়ালে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমার কণ্ঠে তখনও শোনা গেছে সেই চিরচেনা বাক্য—“তদন্ত চলমান”। পাহাড় জানে, এই “চলমান” শব্দটির আড়ালে কত দীর্ঘশ্বাস, কত অন্ধকার রাত জমে থাকে। কত মামলার ফাইল ধুলোয় চাপা পড়ে, আর কত অপরাধী নতুন শিকারের খোঁজে বের হয়। এই অন্ধকারের হিসেব রেখেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত তাদের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন বলছে—এক বছরে ২৬টি ঘটনায় ৩২ জন জুম্ম নারী ও শিশু ধর্ষণ, য...