পোস্টগুলি

জুন ২১, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

𑄘𑄬𑄠𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄨𑄖𑄴 𑄝𑄎𑄚 𑄃 𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄛𑄪𑄢 𑄃𑄪𑄌𑄴𑄇𑄢𑄨: 𑄃𑄨𑄚𑄴𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟

ছবি
"𑄡𑄬 𑄥𑄚𑄴𑄘𑄨𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄣𑄮 𑄘𑄨𑄣𑄧𑄁, 𑄡𑄬 𑄥𑄚𑄴𑄘𑄨𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄥𑄚𑄴𑄘𑄨 𑄝𑄦𑄨𑄚𑄩 𑄎𑄧𑄚𑄧𑄟𑄴 𑄦𑄧𑄠𑄬, 𑄡𑄬 𑄥𑄚𑄴𑄘𑄨𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄦𑄖𑄳𑄠𑄢𑄴 𑄎𑄧𑄟 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠 𑄦𑄧𑄠𑄬 𑄥𑄬 𑄥𑄚𑄴𑄘𑄨 𑄃𑄢𑄴 𑄛𑄢𑄴𑄝𑄧𑄖𑄳𑄠𑄧 𑄌𑄧𑄑𑄴𑄧𑄉𑄳𑄢𑄟𑄴 𑄚𑄧 𑄗𑄬𑄝𑄧𑅁 𑄥𑄬𑄚𑄬 𑄇𑄧𑄋𑄧𑄢𑄴, 𑄃𑄃𑄮𑄏𑄮𑄢𑄴 𑄝𑄁𑄣𑄘𑄬𑄌𑄴, 𑄃𑄃𑄮𑄏𑄮𑄢𑄴, 𑄝𑄋𑄣𑄨 𑄃 𑄛𑄦𑄢𑄨 𑄥𑄧𑄟𑄧𑄎𑄳𑄠𑄃𑄪𑄚𑄴, 𑄌𑄮𑄇𑄴 𑄟𑄬𑄣𑄨 𑄢𑄨𑄚𑄨 𑄌𑄧𑅁 𑄌𑄮𑄇𑄴 𑄟𑄨𑄣𑄨 𑄢𑄨𑄚𑄨 𑄌𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄇𑄴𑄖𑄧 𑄃𑄬𑄥𑄳𑄠𑄬𑅁” 𑄉𑄬𑄣𑄴𑄬 𑄸𑄹 𑄎𑄪𑄚𑄴 𑄸𑄶𑄸𑄼, 𑄝𑄚𑄴𑄘𑄧𑄢𑄴𑄝𑄚𑄴 𑄣𑄟 𑄃𑄪𑄛𑄧𑄎𑄬𑄣 𑄚𑄎𑄨𑄢𑄟𑄴 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄛𑄪𑄢 𑄃𑄘𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄎𑄪𑄟𑄴𑄧𑄃𑄪𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄎𑄉 𑄝𑄬𑄘𑄧𑄋𑄧𑄣𑄴, 𑄦𑄟𑄴𑄣 𑄃 𑄃𑄉𑄪𑄚𑄴 𑄝𑄎𑄬 𑄘𑄬𑄚 𑄥𑄪𑄠𑄮𑄣𑄬 𑄎𑄪𑄉𑄧𑄣𑄨𑄠𑄬 𑄃𑄬𑄉𑄧𑄖𑄴𑄧𑄢𑄨 𑄈𑄧𑄣𑄝𑄮𑄖𑄴 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄮𑄃𑄨𑄠𑄬 𑄉𑄝𑄧𑄎𑄳𑄠 𑄃𑄬𑄃𑄮𑄎𑄨 𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄛𑄪𑄢𑄘𑄊𑄨𑅁 𑄖 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄙𑄖𑄴 𑄝𑄚 𑄥𑄪𑄘𑄪𑄢𑄪𑄋𑄮 𑄥𑄪𑄠𑄮𑄣𑄴 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄣𑄟𑄴𑄝 𑄖𑄨𑄚𑄴 𑄘𑄧𑄥𑄧𑄇𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄠𑄴 𑄇𑄪𑄠𑄴 𑄡𑄬 𑄛𑄢𑄴𑄝𑄧𑄖𑄳𑄠𑄧 𑄌𑄧𑄑𑄴𑄧𑄉𑄳𑄢𑄟𑄴 𑄌𑄪...

পাহাড়ের দেয়ালে ঠেকা পিঠ এবং জন ত্রিপুরার বিস্ফোরক সতর্কতা- ইনজেব চাঙমা

ছবি
জন ত্রিপুরা "যে শান্তি জন্য রক্ত দিয়েছি, যে শান্তির জন্য শান্তি বাহিনী গঠন হয়েছিল, শান্তির জন্য অস্ত্র জমা দিয়েছিল, সে শান্তি আর পার্বত্য চট্টগ্রামে থাকবে না। তাই বলছি, প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় সরকার, প্রিয় বাঙালি বন্ধুরা, প্রিয় পাহাড়ি বন্ধুরা, চোখ খুলুন আপনাদের। চোখ খোলার সময় এসে গেছে।" গত ২৩ জুন ২০২৬, বান্দরবানের লামা উপজেলার নাজিরাম ত্রিপুরা পাড়ায় পাহাড়িদের ভূমি বেদখল, হামলা ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন জুম্ম তরুণদের প্রতিনিধি জন ত্রিপুরা। তাঁর এই বক্তব্য কেবল কোনো সাধারণ প্রতিবাদ নয়, বরং দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার ফলে পাহাড়ের তরুণ প্রজন্মের মনে জমে থাকা গভীর ক্ষোভ ও তীব্র বারুদের এক বিস্ফোরক বহিঃপ্রকাশ। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পাহাড়ের সেই ঐতিহাসিক চুক্তি আজো পূর্ণাঙ্গ আলোমুখ দেখেনি। ভূমি কমিশন কার্যকর না থাকায় প্রতিনিয়ত উচ্ছেদ হতে হচ্ছে আদিবাসীদের। এই চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে জন ত্রিপুরা সমাবেশে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন: "এই লেখা পড়া আমাদের কাজে দিবে না, টাকা পয়সা আম...

পাহাড়ি ঝরনার বাঁক ও একটি ক্লান্ত তরীর উপাখ্যান: পার্বত্য চুক্তির তিন দশক: ইনজেব চাঙমা

ছবি
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বরের শীতের সকালটি ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে এক নতুন বসন্তের আবাহন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে যে পাহাড়ের বুক চিরে কেবল বুলেটের আর্তনাদ আর বারুদের গন্ধ বের হতো , সেখানে এক টুকরো শান্তির কপোত উড্ডয়ন করেছিল ‘ পার্বত্য চুক্তি ’ র হাত ধরে। চুক্তির সেই ঐতিহাসিক দলিলটি ছিল পাহাড়ের জখম হওয়া বুকে এক পশলা উপশম। কিন্তু কালের নিয়মে , সময়ের দীর্ঘ নদী বেয়ে আজ যখন আমরা প্রায় তিন দশক পার করছি , তখন সেই শান্তির কপোত কি সত্যি নীড় খুঁজে পেয়েছে , নাকি তা কোনো চোরাবালিতে ডানা হারিয়ে ছটফট করছে — তা আজ এক বিরাট জিজ্ঞাসার মুখোমুখি। সম্প্রতি পাহাড়ের এক তরুণ কণ্ঠের আক্ষেপ — যেখানে তিনি নেতৃত্বকে " মাঝনদীতে দিক হারানো এক বিকল ইঞ্জিনের জাহাজের " সাথে তুলনা করে জনগণকে সেই ভাঙা তরী মেরামতের ‘ মেকানিক ’ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন — তা আমাদের এক গভীর আত্মোপলব্ধির দোরগোড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়। সমালোচকদের চোখে (অংহ্লাচি মারমা, তথ্য প্রচার সম্পাদক,পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ। গত কাল ২৩...

বৃত্তবন্দী মানুষেরা- ইনজেব চাঙমা

ছবি
সেদিন ছিল ১৭ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, এক অলস বুধবার। চারদিকের আকাশ সকাল থেকেই মেঘের ঘন চাদরে ঢাকা। মাঝে মাঝে সেই মেঘের বুক চিরে সূর্য তার তেজস্বী উপস্থিতি জানান দিতে চাইছে বটে, কিন্তু তাতে আলো ছড়ানোর চেয়ে গুমোট ভ্যাপসা গরমই বাড়ছিল কেবল। প্রকৃতির এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মাঝেই আমি ডুবে ছিলাম প্রিয় কাজে—চাকমা সাহিত্য পত্রিকা ‘চাদি’ ও চাঙমা সংবাদ পত্র “হিলর পচ্জন”র প্রকাশনা নিয়ে টেবিলজুড়ে আমার ব্যস্ততা। বেলা ঠিক ১১:৫৬ মিনিটে হাতের মুঠোফোনটি তীব্র শব্দে কেঁপে উঠল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জ্ঞান চাকমা (নলেজ)-এর নাম। রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে গম্ভীর ও কিছুটা তাড়া মেশানো কণ্ঠ ভেসে এল, "জেএসএস অফিসে আসো।" সকালে স্রেফ নুন দিয়ে ভাত খাইয়ে আমার ছোট্ট মেয়ে জধা চাকমাকে সবেমাত্র ঘুম পাড়িয়েছিলাম। একটু ইতস্তত করে বললাম, "মেয়েটা ঘুমাচ্ছে তো, একটু পরে আসলে হয় না?" উত্তর এল সংক্ষিপ্ত ও অনমনীয়, "তাড়াতাড়ি আসলে ভালো হয়।" মনটা কু ডাকল। এক টা সংশয় মনের কোণে উঁকি দিল—কী এমন জরুরি দরকার, যা আমার জন্য অপেক্ষা করছে? আবার ভাবলাম, কদিন আগেই তো ...