পোস্টগুলি

আগস্ট ২৩, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নোয়ারাম চাঙমা : অঝাপাতের শেষ প্রদীপটি যিনি জ্বালিয়ে রেখেছিলেন - ইনজেব চাঙমা

ছবি
একটি জাতির ইতিহাস শুধু রাজা-রাজড়ার ইতিহাস নয়। ইতিহাসের পাতা শুধু রাজদণ্ড হাতে থাকা মানুষদের নামেই পূর্ণ হয় না। ইতিহাসের গভীরতম জায়গাগুলোতে কখনো কখনো লেখা থাকে এমন কিছু মানুষের নাম, যাঁরা কোনো সিংহাসনে বসেননি, কোনো রাজমুকুট পরেননি, কোনো ক্ষমতার দম্ভ দেখাননি; তবু নিঃশব্দে নিজের জীবন পুড়িয়ে আলো জ্বালিয়েছেন জাতির পথের জন্য। তাঁদের হাতে থাকে না রাজদণ্ড, থাকে কলম।তাঁদের মুখে থাকে না ক্ষমতার ভাষা- থাকে মাতৃভাষার উচ্চারণ। তাঁদের স্বপ্ন নিজের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। চাঙমা ভাষা, সাহিত্য ও অঝাপাতের ইতিহাসের সেই নীরব আলোকবর্তিকাদের একজন নোয়ারাম চাঙমা । তাঁর জীবনকে যতই কাছে থেকে দেখি, ততই মনে হয়, এটি শুধু একজন মানুষের জীবনী নয়; এটি একটি ভাষার জন্য লড়াই করা এক মানুষের কাহিনি। এটি একজন অনাথ শিশুর গল্প, যে জীবনের শুরুতেই হারিয়েছিল পিতা-মাতার ছায়া; একজন রাখালের গল্প, যে গরু চরাতেও শব্দের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিল; একজন শিক্ষকের গল্প, যিনি নিজে শিখেছেন এবং অন্যকে শেখানোর ব্রত নিয়েছেন; একজন সাহিত্যিকের গল্প, যিনি নিজের জাতির হারিয়ে যেতে বসা কণ্ঠগুলোকে কাগজে ধরে রাখতে চেয়েছেন। আর সর্বোপরি, এটি একজন ভ...

আশাধন চাকমা: পাহাড়, মানুষ ও জীবনের কথক এক নিভৃতচারী কবি - ইনজেব চাঙমা

ছবি
        পার্বত্য চট্টগ্রামের সমকালীন সাহিত্যভুবনে আশাধন চাকমা একজন তরুণ কবি , লেখক , অনুবাদক ও শিক্ষক। পাহাড়ের প্রকৃতি , জুমচাষিদের জীবন , মানুষের সুখ - দুঃখ , সামাজিক বাস্তবতা এবং পার্বত্য জনজীবনের নানা অভিজ্ঞতা তাঁর সাহিত্যচর্চার প্রধান অনুষঙ্গ। প্রচার ও আত্মপ্রচারের চেয়ে সৃষ্টির মধ্যেই তিনি খুঁজে পান তাঁর আনন্দ। তাই নিভৃতচারী এই কবির সাহিত্যযাত্রা নীরব হলেও তার অন্তর্গত স্বর গভীর ও জীবনঘনিষ্ঠ।      আশাধন চাকমা ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৮ সালে রাঙামাটি জেলার জুরাছড়ি উপজেলার থাচি পাড়া নামের এক পাহাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা পত্যমনি চাকমা একজন গ্রামপ্রধান কার্বারি এবং মা চন্দ্ররেখা চাকমা গৃহীনি। পাঁচ ভাই - বোনের মধ্যে আশাধন সবার ছোট।      পাহাড়ের কোলে জন্ম এবং সেখানেই বেড়ে ওঠার সুবাদে শৈশব থেকেই তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন পাহাড়ের প্রাণ - প্রকৃতি , জুমচাষিদের জীবনযাপন এবং পাহাড়ি জনপদের মানুষের সুখ - দুঃখ ও জীবনসংগ্রাম। সবুজ পা...

চাঙমা সাহিত্যের বিকাশ : সংকলন, সাহিত্যসংগঠন, কবি-লেখক ও নাট্যচর্চার -

ছবি
  চাঙমা সাহিত্যের বিকাশ : সংকলন, সাহিত্যসংগঠন, কবি-লেখক ও নাট্যচর্চার - ১. বিজু (স্বাধীন বাংলাদেশত পল্যা বিজু) — ১৯৭২ ২. জুনি — ১৯৭২ ৩. সাঙু — ১৯৭২ ৪. লুরা — ১৯৭২ ৫. ফুরামোন — ১৯৭২ ৬. চাঙমা গান (চাঙমা লিপি) — ১৯৭৩ ৭. চিজি বই — ১৯৭৩ ৮. বারগি — ১৯৭৩ ৯. চাঙমা বাংলা কধাতারা — ১৯৭৩ ১০. রাঞ্জুনি — ১৯৭৪ ১১. চাঙমা ভাষায় ইতিবৃত্ত — ১৯৭৪ ১২. চাঙমা ভাষায় ধ্বনিতত্ত্ব — ১৯৭৪ ১৩. পালি, প্রাকৃত, মায়াং ও চাকমা — ১৯৭৪ ১৪. শিঙ্গা — ১৯৭৪ ১৫. গোজেন লামা — ১৯৭৫ ১৬. বিজুগুলো — ১৯৭৬ ১৭. ছদক — ১৯৭৬ ১৮. থেঝেরা — ১৯৭৬ ১৯. আহ্ওঝর চাঙমা গান — ১৯৭৭ ২০. গেংখুলি — ১৯৭৭ ২১. চাঙমা গান — ১৯৭৭ ২২. কথোপকথন — ১৯৭৭ ২৩. চিজির গান — ১৯৭৭ ২৪. রঙগীত — ১৯৭৭ ২৫. রানজুনি — ১৯৭৭ ২৬. চাঙমা গান — ১৯৭৮ ২৭. পাদারঙর কোচপানা — ১৯৭৮ ২৮. রংধং — ১৯৭৮ ২৯. বনফুল — ১৯৭৮ ৩০. ক’জলি — ১৯৭৮ ৩১. রঙধং — ১৯৭৮ ৩২. চাঙমা ছড়া — ১৯৭৯ ৩৩. বিজু — ১৯৭৯ ৩৪. রিপরিপ — ১৯৮০ ৩৫. রাধামন ধনপুদি (১ম খণ্ড) — ১৯৮০ ৩৬. রেঙ — ১৯৮০ ৩৭. বিজু — ১৯৮০ ৩৮. ইরুক — ১৯৮১ ৩৯. বিজুফুল — ১৯৮১ ৪০. রাধামন ধনপুদি (২য় খণ্ড) — ১৯৮১ ৪১. হুয়াঙ ছেরে চাঙমা গীত — ১৯৮১ ৪২. ইরুক — ১৯৮১ ৪...