পোস্টগুলি

আনন্দ মোহন চাকমা ভাষণ

ছবি

বাংলাদেশের মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ মামলার বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেলের রীতি-বিরুদ্ধ ভূমিকার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন ১৯০০-এ অন্তর্ভুক্ত আদিবাসীদের বিশেষ অধিকার হরণের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বরাবর পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথাগত নেতৃবৃন্দ ও সর্বসাধারণের স্মারকলিপি

ছবি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথাগত নেতৃবৃন্দ ও সর্বসাধারণের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনি অবগত আছেন যে , পার্বত্য চট্টগ্রাম রেডলেশন ১৬০০ যা হিল ট্র্যাটস ম্যানুয়াল শামেও পরিচিত , যেটি ফিশা ১৯ জানুয়ারী ১৯০০ সালে ফার্যকর হয়। আরপর থেকে এটি পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রশাসন সংক্রান্ত প্রধান আইশী দলিল হিসেবে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি এই প্রবিধানে বিভিন্ন বিধানসমূহ রয়েছে যা এই অঞ্চলের সুশাসন , ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ এবং এই অঞ্চলের জনগণের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুরক্ষা এবং আন্তঃপ্রজন্মগত চন্ডীর জন্য অপরিহার্য। বলাবাহুল্য ২০০৩ সালে তৎকালীন বিএসপি সরফারের অ্যাটর্নি জেনারেল এ . এফ . হাসান আরিফের আবেদনের ভিডিতে হাইকোর্টের এফটি বিভাগীয় বেঞ্চ ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশনকে এফাটি " মৃত আইন '' হিসাবে ঘোষণা ফরেন (Rangamati Food Products v. Commissioner of Customs & Others, 10 BLC (2005), 525) । পরবর্তীফালে এই প্রেক্ষিতে অংফালীন আওয়াম...

জীবন আমাদের নয়

ছবি
  ১. ভূমিকা পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশন হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের জন্যে গঠিত একটি স্বাধীন সংস্থা। ১৯৯০-এর নভেম্বরে কমিশন ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ত্রিপুরার শিবিরসমূহ পরিদর্শনের অনুমতি পায়। এই শিবিরসমূহে বর্তমানে পার্বত্য এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়া লোকজন শরণার্থী হিসাবে বসবাস করছেন। বিশ বছরের অধিককাল যাবৎ বেসরকারী সংগঠনসমূহ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার পাহাড়ী জনগণের ওপর সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, বলপূর্বক স্থানান্তরকরণ ও সাস্কৃতিক নিপীড়নের মতো উদ্বেগজনক ঘটনার বিবরণ প্রকাশ করেছে। ১৯৮৩ সাল থেকে অন্যান্যদের সঙ্গে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, এন্টি-স্লেভারী ইন্টারন্যাশন্যাল, দ্য অরগ্যানাইজিং কমিটি চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট ক্যাম্পেন (নেদারল্যান্ড), Gesellschaft fur Bedrohte Volker (Germany), ইন্টারন্যাশন্যাল ওয়ার্কগ্রুপ ফর ইনডিজেনাস এ্যাফেয়ার্স (ডেনমার্ক), পার্লামেন্টারী হিউম্যান রাইটস গ্রুপ এবং সারভাইভ্যাল ইন্টারন্যাশনাল (UK) কর্তৃক রিপোর্ট প্রকাশিত হলে এসব বিবরণ অনেক বৃদ্ধ...

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট রাঙ্গামাটি-এর প্রকাশনা: নন্দলাল শর্মা

ছবি
ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট রাঙ্গামাটি - এর প্রকাশনা [1] অপরূপ নৈসর্গিক শোভা এবং বিচিত্র ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির লীলাভূমি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল যুগ যুগ ধরে দেশী - বিদেশী পর্যটক , নৃতাত্ত্বিক , ভাষাবিদ ও অন্যান্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষে ১৯৭৮ সালে রাঙ্গামাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয় উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট। ২০১০ সালে জাতীয় সংসদে ' ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন - ২০১০ ' পাস হলে এ আইনের ৪ ধারা বলে প্রতিষ্ঠানটি ' ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট ' নামে পরিচিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও প্রকাশনা শাখা একজন সহকারী পরিচালক ও একজন গবেষণা কর্মকর্তা পরিচালনা করেন। এই সংস্থা ১৯৭৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ৭৮টি প্রকাশনা উপহার দিয়েছে। বছর ভিত্তিক প্রকাশনাগুলো হচ্ছে - ১৯৭৯ : ১ . উপজাতীয় রূপকথা লোককাহিনী এবং কিংবদন্তী , ২ . চাকমা রূপকাহিনী। ১৯৮২ : ৩ . গিরিনির্ঝর , প্রথম...