পোস্টগুলি

"চাঙমা সাহিত্য বাহ্" ও আমি: সুনানু প্রজ্ঞা আলো তালুকদার

ছবি
  ভাষা একটি জাতির পরিচিতিও বটে! তাই প্রত্যেক জাতির নিজ নিজ ভাষাকে আমি খুবই সম্মান করি। আমাদেরও আছে নিজস্ব ভাষা, চাঙমা(চাকমা) ভাষা! কিন্ত ছোটবেলা থেকেই চাঙমা ভাষাটাকে যত না চর্চা করেছি তার চেয়ে বেশি চর্চা করেছি বাংলা ভাষাকে! রাষ্ট্রভাষা হিসেবে হযতো বাংলা ভাষাটা শেখা অত্যন্ত জরুরি কিন্তু তার পাশাপাশিও নিজের ভাষাটা চর্চা করার সুযোগ যদি থাকতো তাহলে সেটা হতো আমাদের দেশের সেরা কাজের মধ্যে একটি। কিন্তু অনগ্রসর পাহাড়ি উপত্যকায় বাস করা এ জনগোষ্ঠী কতটুকু সে সুযোগ পেয়েছি! একদিকে সরকারের সহযোগিতার অভাব অন্যদিকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিলুপ্তপ্রায় ভাষার চর্চা শুরু করাটাও ছিলো একটি প্রধান অন্তরায়। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা থাকলেও আমরা হয়তো শিখতে কিংবা চর্চা করতে পারতাম না! তার কারণ হিসেবে বলতে পারি বর্তমান অবস্থা। মায়ের ভাষায় লেখা বই অন্তত কিছুটা হলেও প্রাথমিক স্কুলগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু সেগুলো শেখানোর জন্য শিক্ষক কই!! না আছে শেখানোর মন মানসিকতা! বাংলা ভাষাটা শিখেছি ব্যবহার করছি এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো বলা যায়। কিন্তু যেখানে বাঙ্গালির উপস্থিতিই নেই, যেখানে কোনদিন বাঙালির প্রয়োজনই নেই এমন...

শাক্য বংশ জনম: সুনানু ইনজেব চাঙমা

ছবি
  বিজগত লেঘা আঘে, এত্থে সূর্য বংশউনর পূর্বপুরুষউনর উত্তর মঙ্গোলীয়ত্তুন মধ্য এশিয়া দি গরি হিমালয়’ মোন গোরাত রের্য্য থিদ’ গরন। আ পরেদি সিত্তুন হিমালয় - তিব্বত পদে বেই ভারদত সমান।  এ সূর্য্যবংশর এক্কো রাজা ইক্ষাকুর চেরবো পুঅ আ পাচ্চো ঝি আঘে। তারার সাদাঙা মা কু পাগে অযোধ্যা  নাঙে প্রদেঝ’ ইধু বন বাসত পাদা অইয়ে। সিধু তারা কপিল নাঙে এক্কো ঋষির আশ্রয় লন। রাজার পুঅ/ঝিউনর পাজা গম লাগি ঋষি তারারে তা সমারে থেবার হুম দিল। সিত্তুন ধরি এ জাগা নাঙান “কপিলা বস্তু” নাঙে নাঙ বজে। নগর থিদ’ গরানা পর রাজ কুমরদাঘির জধন গরিবার থিক অহ্’য়। মাত্তর, কারে বানেবাক লগর সমারি? অন্য কিত্যাত্তুন মোক ললে তারার বংশ মিজিল্যা অভাক আ তারার ক্ষত্রিয় ধর্ম অপমান অভ’ ভাবিনেই ভেই-বোনে লোই-লি অভার থিক গরন। তারার বেগ’ দাঙর বোন্নুরে মা সান ভাবন।  এ খবরান তারা বাপ রাজা খবর পেলে রের্য্যত পণ্ডিক আ ধর্মগুরুউনরে দাগি সল্লা চেল- এ “শক্য” বা ধর্ম সুধোম আঘে নিনা? ভেই-বোনে লো-লি অভার। তারা বেগে ধিঙিরি দিলাক, তারা যে দিন মাধানত (পরিস্থিতি) আঘন এ  “শক্য” (ধর্ম সুধোমত পরে) ধগে তারা লো-লি অই পারন।  সিত্তুন ধরি শক্য ...

দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান: নানান কিয়োঙত ভান্তেদাঘিরে চাঙমা লেঘা চার্ট দান

ছবি
চাঙমা সাহিত্য পত্রিকা(এওজি, দিঘীনালা): চীবর অহ্’লে ভান্তেদাঘি উরন্দে কাপর। যে দিনত চীবর দান গরিবাক সেদিন বেন্যাত্তুন ধরি তা কেল্যা বেন্যা সং সুদ তুলনা, থেয়ানা, বাজানা, বুনানা, কাপানা, সেলানা, রং গরানা, ধনা আ শুগনা এধক্যে আগাথ্যা কামানি গরানা। এ বাদেয়্য আর’ কিঝু আগাথ্যা রিদিসুধোম পালানা সমারে এ চীবর দানান থুম অহ্’য়। সিত্যাই চীবর দানর আগে কঠিন র’বো বাজেই দিন্যাই কঠিন চীবর দান নাঙ দিয়্যা অহ্’য়। ইরুক নানান কোম্পানি বানেয়্যা আ সেলেয়্যা চীবর ভান্তেদাঘিরে দান গরন।   কঠিন চীবর দান অবার আগেদি ভান্দেদাঘি শবাশালত আ নানান জাগাত্তুন কাপড় তোগে উরন –পরন। মাত্তর সিয়ানি বেচ আজর অহ্’না বুদ্ধ হুম দেনায় গম চীবর উরি-পিনন। ইক্যে ভান্তেদাঘি ধর্মসুধোমে নানাঙ ফাংশান গরি যা যা কিয়োঙত তিনমাঝ্যা বর্ষাবাস থুম গরন, তারার দায়ক-দায়িকাদাঘি এ কঠিন চীবর দান গরন। তিন মাঝ্যা বর্ষাবাস থুম অহ্’লে ধর্মসুধোমে দোলে দোলে প্রবরণা পূর্ণিমা পালান। আ এ প্রবারণা পূর্ণিমা তা কেল্যা দিনত্তুন ধরি কাদি পূর্ণিমা সং এ এক মাস কাঠিন চীবর দান গরিবার সুধোম থায়। বুদ্ধ ধর্ম মতে, পিত্তিমীত যেধক্কানি দান আঘে সে দান সেরে কঠ...

নির্বাচনী ইশতেহার ও আদিবাসী: মঙ্গল কুমার চাকমা

ছবি
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনী ইশতেহার ও আদিবাসী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো একে একে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নির্বাচনী ইশতেহার অনেকাংশে একটা কাগুজে দলিল হলেও জাতীয় নির্বাচনকালে এর গুরুত্বকে খাটো করে দেখার উপায় নেই। বলাবাহুল্য, নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন দল বা বিরোধী দল অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রতিপালনে আশানুরূপ আগ্রহ দেখায় না। তবুও জাতীয় নির্বাচন এলে আপামর দেশবাসীর সঙ্গে আদিবাসীরাও রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতি গভীরভাবে দৃষ্টিপাত করে থাকে। ক্ষমতাসীন দলের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়, 'লক্ষ্য ও পরিকল্পনা'র মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ নেই। পার্বত্য চুক্তির ২১ বছরের মাথায় চুক্তি স্বাক্ষরকারী একটি দলের ইশতেহারে চুক্তি বাস্তবায়নের ইস্যুটি না থাকার বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবতা হচ্ছে তাই। এর মধ্য দিয়ে 'এ সরকার আর চুক্তি বাস্তবায়ন করবে না' বলে সন্তু লারমার যে আশঙ্কা- তা অনেকটা প্রমাণিত হতে বস...

শ্রীমৎ চন্দ্র কীর্তি ভান্তে দাঘিরে চাঙমা সাহিত্য বাহ্ তপ্পেত্তুন মান গজানা

ছবি
চাঙমা সাহিত্য বাহ্ এক্কো সাহিত্য সাংস্কৃতি আ চাঙমা ভাচ-ওক্কোর নিনেই লাম্বা কুরিবো বঝর কাম গরি যার। ২০৫০ ভিশন ভালেদি আঝা বুগত বানি নিঝেত আভাচ নেই গরি নানান জাগাত চাঙমা লেঘা শেঘানা সমারে জাদর রিদিসুধোম পোইদ্যানে সচেদন গরের। চাঙমা সাহিত্য বাহ্ ফাউন্ডেশন জুগল গরি এযেত্তে বঝরত্তুন ধরি শিবচরণ শিক্ষা বৃত্তির কাম আরগারি গরিদ’ যার, চাঙমা সাহিত্য বাহ্ পাবলিশার্স বানেই বেগত্তুন বেচ কম দামে বই পর্বোয়াউনর আহ্’দত তুলি দি দ’ চার। সমারে চাঙমা সাহিত্য বাহ্ শিল্পী গোষ্ঠী আ পত্তিক ইউনিয়নত ধেলা জুগল গরি লাইব্রেরী থিদ গরিবার আঝা গরের আ চাঙমা সাত্যি সংস্কৃতিয়ান বিশ্বদরবার থিদ’ গরিদ চার। এধক্যে চেদনত্তুন এচ্যে অনুত্তর পূর্ণ্যক্ষেত্র মহান পার্বত্য ভিক্ষু সংঘর মিঙিনি চাগালা জধানানু অনার পোইদ্যানে শ্রীমৎ চন্দ্রকীর্তি ভান্তেদাঘিরে মান গাজেয়্যা। এচ্যে এল’ সিদ্ধানন্দ বৌদ্ধ বিহারত দানত্তম শুভ কঠিন চীবর দান। সে ফাংশান’ সেরেদি ভান্তেদাঘিরে মান গজা অইয়ে। চাঙমা সাহিত্য বাহ্ বিশ্চেস গরের- বেক তরেহ্ তরেহ্ নানান সমাজ ভালেদি কাম্মোউন জাদর, দেঝর কধা ভাবি কাম গত্তন। ভান্তেদাঘিয়্য নানান ধক্যে গরি কামা গরি যাদন। যেধক্যে গরি বু...

অপহরণে শিকার সুজিৎ চাকমা

ছবি
  আজ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং রাঙ্গামাটি জেলার লংগুদু উপজেলা বাজারের সাপ্তাহিক হাট বার। প্রতি সপ্তাহের ন্যায় মানুষ স্হল ও জলপথে বাজারে করার জন্য আছে,ঠিক মি: সুজিৎ চাকমা(২৯) ও এসেছিল বাজারে, । পিতা:- মঙ্গল মোহন চাকমা। সাং:- ভাইবোন ছড়া, গোলাছড়ি। ৭ নং লংগুদু ইউ পির ৫নং ওয়ার্ডের স্হায়ী বাসিন্দা কে বাজার ঘাট থেকে সকাল আনুমানিক সাড়ে আট ঘটিকার সময়ে, সেনাসৃষ্ট নব্য মুখোশ বাহিনীর সর্দার কনক চাকমা কতৃক অপহরন করে নিয়ে যায়। অপহরনের পর কোথায় এবং কি কারনে আটক রাখা হয়েছে তা বিস্তারিত জানা যায়নি।

মাত্র ২৩ দিন ব্যবধানে আবারও দলবেধে ধর্ষণের শিকার আদিবাসী নারী (৩৬)

ছবি
 গত ৩১ আগস্ট ২০২০ ইং সোমবার খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে চার বাঙালি সেটেলার যুবক কর্তৃক রাতভর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এক মারমা কিশোরী (১৪) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাত্র ২৩ দিন ব্যবধানে আবারও নিজ বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হন খাগড়াছড়ি বলপিয়্যা আদামের এক প্রতিবন্ধি আদিবাসী নারী (৩৬)।  আজ ২৪/০৯/২০২০ ইং রোজ বৃহষ্পতিবার খাগড়াছড়ি সদরস্হ "বলপিয়ে আদাম" গ্রামে নিজ বাড়ীতে সেতলার বাঙালী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হওয়া ভিক্টিমের (৩৬) সাথে সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলে জানা গেল, অদ্য রাত ২.২৬ মিনিটে ৯ জন সেতলার বাঙালী বাড়ীর মেইন গেইটের উপরের দিকে বেয়ে উঠে ঘরের দরজা ভেঙে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে ঘটনা ঘটান এবং চলে যাবার সময় নগদ ৮,০০০ টাকা ও কয়েক ভরি সোনা গহনা লুট করে নিয়ে যান। সেতলার বাঙালীদের হাতে ছিল দা, ছুঁড়ি ও পোড়াবাড়ি। ভিক্টিমের আরও বয়ানমতে, দুষ্কৃতিকারী সেতলারদের কারোর নাম জানা না থাকলেও কিন্তু তাদের সকলের চেহারা পরিচিত এবং তাদের প্রত্যেকের বাড়ী হলো খাগড়াছড়ি সদরস্হ গঞ্জপাড়ার বাঙাল হাটি মৌজা গ্রামে। তাদের ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়। এ দিকে সাধারণ জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ...

“ঘিলে ফুল” ছড়া বইটি কেন পড়ব? - ইনজেব চাঙমা

ছবি
“ঘিলে ফুল” সুনানু রনজিত চাঙমা (ব্যাংকার), চাঙমা সাহিত্য বাহ্ পাবলিশার্স হতে প্রথম প্রকাশিত বই (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ইং) Reading is to the mind what exercise is to the body ” – Joseph Addison এই কথাটি বলে গিয়েছেন ৩০০ বছর পূর্বে । আর বর্তমান মডার্ন সায়েন্স গবেষণার দ্বারা এই কথাটির সত্যতা প্রমাণ করেছে । ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ ও আনন্দিত রাখতে পারি । একটি ভালো বই মানুষের মনশ্চক্ষু যেমন খুলে দেয় তেমনি জ্ঞান ও বুদ্ধিকে প্রসারিত ও বিকশিত করে মনের ভিতরে আলো জ্বালাতে সাহায্য করে । বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ । যার সাথে পার্থিব কোনো সম্পদের তুলনা হতে পারে না । একদিন হয়তো পার্থিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে , কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনও নিঃশেষ হবে না , তা চিরকাল হৃদয়ে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে ।  যাক, এখন আছি ঘিলেফুল ছড়া বইটি কেন পড়ব। আপনারা শুনে থাকবেন “ঘিলেফুল” দেবংশী মানে সাধারণ চোখে দেখা যায় না। জনশ্রুতি আছে ঘিলেফুল দেখলে নাকি সেই ব্যক্তি অবশ্যই সুনাম অর্জিত হয়।  এমনই চিন্তা চেতনা নি...

এবার বাসন্তী রেমার কলাবাগান উজাড় মধুপুরে জমি উদ্ধারের নামে গারোদের সর্বস্বান্ত করা হচ্ছে প্রকাশ: মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

ছবি
  টাঙ্গাইলের মধুপুরে কয়েক দিন ধরেই জমি উদ্ধারের নামে স্থানীয় গারোদের মাঠের ফসল ট্রাক্টর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযান চালাচ্ছে বন বিভাগ। উপজেলার আরণখোলা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামে এরই মধ্যে ১০ গারো পরিবারের পাঁচ একর জমির আনারস, পেঁপে, আদা, হলুদ, কলা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের পেগামারীতে দরিদ্র বাসন্তী রেমার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন কলাবাগানটিও কেটে উজাড় করে দিয়েছে বন বিভাগ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ গারো সম্প্রদায়ের লোকজন বন বিভাগের রেঞ্জ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। স্থানীয় গারোদের অভিযোগ- বন বিভাগের জমি দাবি করে কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই গত ২৪ আগস্ট পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে তাদের জমির ফসল মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। ওই সময় তাদের পাঁচ একর জমির ফসল এভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। করোনা মহামারির এই সময়ে বন বিভাগের এমন 'অমানবিক আচরণে' তারা এখন পথে বসার উপক্রম। গারোরা জানান, যুগ যুগ ধরে দখলি সত্ত্বেও এই জমিতে চাষ করে আসছেন তারা। কেউ উত্তরাধিকার, আবার কেউ 'বাংলা দলিল' (রেজিস্ট্রিবিহীন) মূলে এই জমির মালিক। অবশ্য বন বিভাগের বক্তব্য, সিএস ১০৪ দা...

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ও বোডোল্যান্ড চুক্তি: একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা - শক্তিপদ ত্রিপুরা

ছবি
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যেকার ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। অপরদিকে ২০০৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী ভারত সরকার ও বোডোল্যান্ড লিবারেশন টাইগার্স এর মধ্যে ‘বোডোল্যান্ড চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বোডোল্যান্ড লিবারেশন টাইগার্স উভয়ই সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিল এবং সশস্ত্র সংগ্রামরত অবস্থায় সরকারের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। বোডোল্যান্ড লিবারেশন টাইগার্স (বিএলটি)- এর অন্যতম একটি দাবী ছিল- বোডো অধ্যুষিত অঞ্চল ৪টি জেলা- কোকরাজার, বাকসা, উদলগুরি ও চিরাঙকে ‘বোডোল্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। বিএলটির দাবী অনুসারে ভারত সরকার আসামের ৪টি জেলাকে ‘বোডোল্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। অপরদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জনসংহতি সমিতি) তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘জুম্মল্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের দাবী জানিয়েছিল। কিš‘ বাংলাদেশ সরকার জনসংহতি সমিতির এই দাবীকে প্রত্যাখান করে। বিএলটির দাবী অনুসারে বিটিসির নিকট আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে; কিন্তু জনসংহতি সমিতি আইন...