উত্তম দেওয়ান মানি: আধুনিক চাঙমা গানের এক স্বতন্ত্র সুরস্রষ্টা - ইনজেব চাঙমা
‘কুধু গেলে ধনপুদি’, ‘চোত মাজ্যা জুন পহ্’রত’, ‘মোনতলা আদামর তান্যেবি’, ‘দেবান্যালোই দেবানি’, ‘বেক পিড়ে দারু আগে রেচ্চো পিড়ের দারু নেই’, ‘ন লাইজ্জ তারারে’ এবং ‘ও ভেইলক’- চাকমা সংগীতের একটি প্রজন্মের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কয়েকটি নাম। এসব গানের সুরে শুধু প্রেম, প্রকৃতি কিংবা ব্যক্তিমানুষের অনুভূতি নেই; আছে পাহাড়ের জীবন, সময়ের অভিঘাত, মানুষের বেদনা, সামাজিক বাস্তবতা ও আত্মপরিচয়ের অনুরণন। আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের ঝংকারে চাকমা ভাষার এই গানগুলো যখন নতুন প্রজন্মের শ্রোতার কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছিল, তখন তার পেছনে যে শিল্পীদের সৃষ্টিশীল শ্রম ছিল, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন উত্তম দেওয়ান মানি।
তাঁকে শুধু একজন গায়ক কিংবা গিটারবাদক হিসেবে দেখলে তাঁর শিল্পীসত্তার পূর্ণ পরিচয় পাওয়া যায় না। তিনি ছিলেন এমন এক সংগীতশিল্পী, যিনি চাঙমা ভাষা, পাহাড়ের জীবনবোধ ও আধুনিক ব্যান্ড সংগীতের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন নির্মাণের প্রয়াস নিয়েছিলেন। তাঁর সংগীতে একদিকে পাশ্চাত্য সংগীতের প্রভাব, অন্যদিকে পাহাড়ের নিজস্ব সুর, ভাষা ও জীবন-অভিজ্ঞতা, এই দুই ধারার মেলবন্ধন ঘটেছিল।
উত্তম দেওয়ান মানি ১৯৫৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন চুনিলাল দেওয়ান এবং মাতা মালতী দেওয়ান। তাঁরা ছিলেন তিন ভাই ও এক বোন। পারিবারিক জীবনের এই পরিমণ্ডলেই তাঁর শৈশব ও কৈশোরের দিনগুলো কেটেছে।
তাঁর শৈশবের বিস্তারিত তথ্য এখনো পর্যাপ্তভাবে নথিবদ্ধ হয়নি। তবে পরবর্তী জীবনের সংগীতচর্চা থেকে অনুমান করা যায়, কৈশোর থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে পাশ্চাত্য সংগীত তাঁকে টানত। সেই সময়ে পাহাড়ি জনপদে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র কিংবা পশ্চিমা সংগীতের চর্চা আজকের মতো সহজলভ্য ছিল না। নিজের আগ্রহ, শ্রবণ, অনুশীলন ও নিরলস সাধনার মধ্য দিয়েই তিনি গিটার বাজানো, গান করা এবং সুর নির্মাণের দক্ষতা অর্জন করেন।
গিটারের পাশাপাশি মাউথ অর্গানেও তিনি ছিলেন পারদর্শী। তাঁর সমসাময়িকদের স্মৃতিতে এই বাদ্যযন্ত্রে তাঁর দক্ষতার কথা বিশেষভাবে উঠে আসে। সংগীতের প্রতি এই গভীর অনুরাগ ও আত্মনিবেদনই ধীরে ধীরে তাঁকে পাহাড়ের আধুনিক সংগীতজগতের পরিচিত মুখে পরিণত করে।
উত্তম দেওয়ান মানির সংগীতজীবনের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে উচ্চারিত হয় ‘গেংখুলি’ ব্যান্ডের নাম। তিনি ছিলেন এই ব্যান্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং দক্ষ গিটারবাদক। গেংখুলির সংগীত পাহাড়ের তরুণ প্রজন্মের কাছে ছিল এক নতুন অভিজ্ঞতা। প্রচলিত চাকমা গানের ভাষা, আবেগ ও সুরের নিজস্বতাকে আধুনিক গিটার, ব্যান্ডের বাদ্যযন্ত্র এবং পাশ্চাত্য সংগীতের রীতির সঙ্গে মিলিয়ে পরিবেশনের মধ্য দিয়ে তাঁরা একটি নতুন সংগীতভাষা নির্মাণের চেষ্টা করেছিলেন। উত্তম দেওয়ান মানি ছিলেন সেই পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তাঁর গিটার কেবল সহায়ক বাদ্যযন্ত্র ছিল না; অনেক সময় গিটারের সুরই গানের আবহ নির্মাণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠত। মাউথ অর্গানের ব্যবহার তাঁর পরিবেশনায় যোগ করত আরও একটি স্বতন্ত্র মাত্রা। ফলে চাকমা গানের পরিচিত আবেগ ও জীবনবোধ নতুন বাদ্যভাষায় শ্রোতার কাছে পৌঁছাত। এই সমন্বয়ের মধ্যেই তাঁর শিল্পীসত্তার একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য নিহিত ছিল, শেকড়কে অস্বীকার না করে আধুনিকতার সঙ্গে তার সংলাপ তৈরি করা।
উত্তম দেওয়ান মানির সঙ্গে সম্পৃক্ত গানগুলোর বিষয়বৈচিত্র্য ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর সংগীতের ভেতরে যেমন ছিল প্রেম, প্রকৃতি, সম্পর্ক ও ব্যক্তিমানুষের অনুভূতি, তেমনি ছিল পাহাড়ের সামাজিক বাস্তবতা ও মানুষের জীবনসংগ্রামের প্রতিফলন।
‘কুধু গেলে ধনপুদি’, ‘চোত মাজ্যা জুন পহ্’রত’, ‘মোনতলা আদামর তান্যেবি’, ‘দেবান্যালোই দেবানি’- এসব গান চাকমা সংগীতের শ্রোতাদের স্মৃতিতে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ‘বেক পিড়ে দারু আগে রেচ্চো পিড়ের দারু নেই’, ‘ন লাইজ্জ তারারে’ কিংবা ‘ও ভেইলগ’-এর মতো গান তাঁর সংগীতের জীবনঘনিষ্ঠ ও সামাজিক দিকটিও সামনে আনে।
তাঁর গানকে তাই কেবল বিনোদনের গান হিসেবে দেখলে তার ব্যাপ্তি ধরা পড়ে না। গান ছিল তাঁর কাছে জীবনকে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম। পাহাড়ের মানুষের সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা, প্রত্যাশা, হতাশা, সম্পর্ক, সামাজিক টানাপোড়েন এবং সময়ের পরিবর্তন, এসবই তাঁর সংগীতের অনুভবের ভেতর জায়গা করে নিয়েছিল।
উত্তম দেওয়ান মানিকে অনেকেই একজন প্রতিবাদী শিল্পী হিসেবে স্মরণ করেন। তাঁর প্রতিবাদ ছিল মূলত গানের ভাষায়। পাহাড়ের মানুষের বঞ্চনা, অধিকার, সামাজিক বাস্তবতা ও অস্তিত্বের প্রশ্ন তাঁর সংগীতে বিভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
তবে তাঁর শিল্পীসত্তাকে শুধু রাজনৈতিক প্রতিবাদের পরিসরে সীমাবদ্ধ করলে তাঁর সৃষ্টির মানবিক ব্যাপ্তি সংকুচিত হয়ে যায়। তাঁর গানের অন্তর্গত সুরে ছিল মানুষের প্রতি মমতা এবং সমাজের প্রতি দায়বোধ। অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নের পাশাপাশি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তাও তাঁর সংগীতের অনুভবে প্রতিফলিত হয়েছে। এই কারণেই তাঁর গান একই সঙ্গে হয়ে উঠেছিল অনুভূতির, প্রতিবাদের এবং মানবিকতার ভাষা।
চাকমা সংগীতের ইতিহাসে উত্তম দেওয়ান মানির গুরুত্বের একটি বিশেষ জায়গা হলো, তিনি ঐতিহ্যবাহী সংগীতের আবেগকে আধুনিক সংগীতের কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
একটি জাতির সংগীত তার ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আধুনিকতার প্রবাহে সেই সংগীতকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হলে সময়ের নতুন বাদ্যভাষার সঙ্গেও তার কথোপকথন প্রয়োজন। উত্তম দেওয়ান মানির সংগীতচর্চায় সেই পরিবর্তনের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত দেখা যায়।
তিনি পাশ্চাত্য সংগীতের প্রভাব গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু নিজের ভাষা ও সাংস্কৃতিক শেকড়কে পরিত্যাগ করেননি। বরং গিটার ও মাউথ অর্গানের মতো আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে চাকমা ভাষার গানকে যুক্ত করে দেখিয়েছিলেন, আধুনিকতা গ্রহণ মানেই শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয়।
শিল্পীর জীবনের একটি দিক থাকে মঞ্চের আলোয়, আর অন্য দিকটি থাকে ঘরের নীরবতায়। উত্তম দেওয়ান মানির জীবনেও সংগীতের পাশাপাশি ছিল পারিবারিক সম্পর্ক ও দায়িত্বের নিজস্ব জগৎ।
তাঁর স্ত্রী ছিলেন রিমা দেওয়ান। তাঁদের একমাত্র সন্তান অরিত্র দেওয়ান, যিনি ‘মনসুন’ নামে পরিচিত। শিল্পীর ব্যস্ত সংগীতজীবনের অন্তরালে এই পরিবারই ছিল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের আপন আশ্রয়।
একজন শিল্পীর সৃষ্টিশীল জীবনকে কেবল মঞ্চ, গান ও জনপ্রিয়তার বিচারে দেখা যায় না। তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিবার, সম্পর্ক, দায়িত্ব, আনন্দ-বেদনা এবং দীর্ঘ জীবনের নানা অপ্রকাশিত অধ্যায়। উত্তম দেওয়ান মানির ক্ষেত্রেও তাঁর সংগীতজীবনের পাশাপাশি পারিবারিক জীবন তাঁর মানবিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
উত্তম দেওয়ান মানির সংগীতের মূল্যায়নে তাঁর সমসাময়িকদের স্মৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা তাঁর সঙ্গে গান করেছেন, তাঁকে মঞ্চে দেখেছেন কিংবা তাঁর বাদ্যযন্ত্রের দক্ষতা কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন, তাঁদের স্মৃতিতে তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার একজন শিল্পী। বিশেষ করে গিটার ও মাউথ অর্গানে তাঁর দক্ষতা তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছিল। তাঁর সংগীতচর্চা ছিল দীর্ঘদিনের সাধনা, শ্রবণ ও ব্যক্তিগত নিষ্ঠার ফল।
একটি সময়ের তরুণ প্রজন্মের কাছে গেংখুলির গান ছিল চাঙমা ভাষায় আধুনিক সংগীতের এক নতুন দরজা। সেই দরজা দিয়ে যে প্রজন্ম চাঙমা গানের সঙ্গে নতুনভাবে পরিচিত হয়েছিল, তাদের স্মৃতিতে উত্তম দেওয়ান মানির কণ্ঠ, গিটার ও মাউথ অর্গানের সুর আজও অম্লান।
একজন শিল্পীর উত্তরাধিকার শুধু তাঁর গাওয়া গান কিংবা বাজানো বাদ্যযন্ত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাঁর সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার হলো, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তৈরি করে যাওয়া একটি সম্ভাবনার পথ। উত্তম দেওয়ান মানির সংগীত সেই অর্থে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেখিয়েছেন, নিজের ভাষায় আধুনিক সংগীত নির্মাণ সম্ভব; পাহাড়ের নিজস্ব জীবনবোধকে ব্যান্ড সংগীত ও পাশ্চাত্য বাদ্যভাষার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব; এবং গান একই সঙ্গে আনন্দ, অনুভূতি ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যম হতে পারে।
তাঁর সংগীত তাই শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ের জনপ্রিয়তার স্মারক নয়; এটি আধুনিক চাকমা সংগীতের বিবর্তনেরও একটি অংশ। তাঁর গান, পরিবেশনা ও গেংখুলির সংগীতচর্চা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও অনুসন্ধান ও গবেষণা হলে পাহাড়ের আধুনিক সংগীতের বিকাশ, ব্যান্ড সংস্কৃতির উত্থান এবং চাঙমা ভাষার জনপ্রিয় সংগীতের ইতিহাস সম্পর্কে আরও অনেক অজানা তথ্য সামনে আসতে পারে।
২০২৬ সালের ১৭ জুলাই উত্তম দেওয়ান মানির জীবনাবসান ঘটে। তাঁর মৃত্যুতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। সহশিল্পী, সমসাময়িক ও সংগীতপ্রেমীদের স্মৃতিতে তিনি থেকে যান একজন দক্ষ গিটারবাদক, মাউথ অর্গানবাদক, গায়ক এবং বহুমুখী সৃষ্টিশীল শিল্পী হিসেবে।
তাঁর চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে একটি প্রজন্মের সংগীতস্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একজন শিল্পীর জীবনের অবসান ঘটেছে। কিন্তু শিল্পীর জীবন যেখানে থেমে যায়, সেখান থেকেই তাঁর সৃষ্টির দীর্ঘ যাত্রা শুরু হয়।
পাহাড়ের সংগীতের ইতিহাসে কিছু নাম সময়ের সঙ্গে ম্লান হয়ে যায়; আবার কিছু নাম গান হয়ে ফিরে আসে। উত্তম দেওয়ান মানি সেই দ্বিতীয় ধারার শিল্পী। তাঁর গিটারের তারে যে সময় কথা বলেছিল, সেই সময় আজ ইতিহাসের অংশ। তাঁর কণ্ঠে যে পাহাড় গান গেয়েছিল, সেই পাহাড়ের স্মৃতি তাঁর গান বহন করে চলবে।
উত্তম দেওয়ান মানি তাই কেবল গেংখুলি ব্যান্ডের একজন গিটারবাদক নন; আধুনিক চাঙমা গানের ইতিহাসে তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। তাঁর সংগীতে পাহাড়ের মানুষের জীবন কথা বলেছে, কখনো প্রেমের ভাষায়, কখনো প্রকৃতির মুগ্ধতায়, কখনো বেদনার স্বরে, আবার কখনো প্রতিবাদের উচ্চারণে। মানুষ চলে যায়। সময় বদলায়। বাদ্যযন্ত্র বদলে যায়। কিন্তু কোনো শিল্পী যদি তাঁর সময়ের হৃদস্পন্দনকে সুরে ধারণ করতে পারেন, তাঁর গান থেকে যায় মানুষের সুখে মুখে।
উত্তম দেওয়ান মানির গানও তেমনি থেকে যাবে, জুম পাহাড়ের বাতাসে, মানুষের কণ্ঠে এবং এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের স্মৃতির ভেতর। সুর থেমে যায়, শিল্পী চলে যান; কিন্তু সত্যিকারের গান কখনো মরে না। উত্তম দেওয়ান মানির গানও তাই তাঁর জীবন অতিক্রম করে পাহাড়ের সাংস্কৃতিক স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে।
তথ্যসূত্র: আইপিনিউজ বিডি, সুজন দেওয়ান গুরিং। সহযোগিতায়: সুব্রত চাঙমা, চাঙমা রাজবাড়ি।
বি.দ্র.: লেখাটিতে তথ্যগত অসংগতি, অনিচ্ছাকৃত ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকতে পারে। কোনো কোনো বক্তব্য আপনার জানা তথ্য বা মতের সঙ্গে নাও মিলতে পারে। তাই লেখাটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে না দেখে, নিজস্ব জ্ঞান ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের আলোকে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করার অনুরোধ রইল।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন