বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

ঐতিহাসিক সূত্রে ১৬ শতকে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের অবস্থান - সুগত চাকমা

সুগত চাকমা
চাকমাদের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে আমরা প্রথমে পোর্তুগীজ ঐতিহাসিক জোয়াও-দ্যা-ব্যারোস থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাই। ব্যারোস ১৬-শতকের প্রথমার্ধে তাঁর আঁকা একটি মানচিত্রে তিনি এতদঞ্চলে চাকমাদের বসতি-অবস্থান চিহ্নিত করেছিলেন। ব্যারোস চাকমাদের অঞ্চলের নাম 'ডেসক্রিপকাও রেইনো দ্যা বেঙ্গলা' নামক মানচিত্রে Chacomas 'চাকোমাস' লিখেছিলেন। [De Barros's map: Descripcao do Reino de Bengala. DA ASIA DE BRROS. LISBOA No. Regio Officina Typogracica Anno MDCCLXXVII.S এবং Dr. A. Karim's an article in JASP, (1963), Vol. VIII, No2. দ্র] ([De Barros এর মানচিত্র: Descripcao do Reino de Bengala. ডিএ এশিয়া ডি ব্রোস। LISBOA No. Regio Officina Typogracica Anno MDCCLXXVII.S এবং ডাঃ . করিমের JASP, (1963), Vol. অষ্টম, নং 2 দ্র.]) এই মানচিত্রটি Baptista Lavanha ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে সম্পাদনা করেছিলেন। তৎপরে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষের বৌদ্ধধর্মের ইতিহাস বিষয়ে বই লিখতে গিয়ে তিব্বতী ঐতিহাসিক লামা তারানাথ এতদঞ্চলের 'চাকমা' নামটিকে গুরুত্ব দিয়ে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। Dr. Heinz Bechart, 1971. এবং Chimpa Lama and Dr. Alaka Chattopadhyaya, 1980] উল্লেখ্য যে উল্লেখিত তথ্যটি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশিষ্ট পন্ডিত মি. অশোক কুমার দেওয়ান (সাবেক ডাইরেক্টর, ট্রাইব্যাল কালচারাল ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি) ১৯৮৩ সালে আবিষ্কার করেছিলেন চাকমা রাজা চন্দন খানের তৈন খান উপাধি গ্রহণ ও রাজা জলীল খানের সাথে মোগলদের সম্পর্ক চাকমাদের অষ্টাদশ শতকের কয়েকজন রাজা সম্পর্কে মোগলদের রেকর্ডপত্র থেকেও জানা যায়। ১৭১১ সালের চাকমাদের রাজা চন্দন খান সম্পর্কে Dr. A. M. Sersjuddin মোগলদের রেকর্ডপত্র থেকে উল্লেখ করেছেন, "It was in 1711 A.C./1073 Maghi Era one Chandan Khan was elected as the first Raja by the suffrages of hill people. His appointment was confirmed by the king of Arakan. Chandan Khan took the title of "Ten Khan', his tein or place of residence being to the south of the hills of Joom Bungo." [1971:52] ("এটি ছিল 1711 খ্রিস্টাব্দে/1073 মাঘী যুগে এক চন্দন খান পাহাড়ী জনগণের ভোটাধিকার দ্বারা প্রথম রাজা হিসাবে নির্বাচিত হন। তার নিয়োগ আরাকানের রাজা দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছিল। চন্দন খান "দশ খান" উপাধি গ্রহণ করেছিলেন, তার টাইন বা বসবাসের স্থান জুম বুঙ্গো পাহাড়ের দক্ষিণে।" [1971:52]) উপরোক্ত তথ্যটি থেকে জানা যাচ্ছে যে, রাজা চন্দন খানের রাজধানী পার্বত্য চট্টগ্রামের দক্ষিণাংশে তইন এলাকায় ছিল। সেখান থেকে তাঁর অধীনস্থ প্রজারা শাসিত হতো। রাজা চন্দন খান এর পরবর্তী রাজা রত্তন খান (১৭১২) ও কাতুয়া (১৭১৩), এর পরে চাকমা রাজা জলীল খান/জালাল খান পাহাড়ি লোকদের সাথে সমতলের ব্যাপারীদেরকে কতগুলি পণ্যের ব্যপারে বাণিজ্য করার অনুমতি দানের জন্য তৎকালীন চট্টগ্রামস্থ মোগল কর্তৃপক্ষকে ১৭১৫ সালে ১১ মণ কার্পাস/তুলা বাণিজ্য শুল্ক হিসেবে দিয়ে প্রথমবারের মত মোগলদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে এটাই মোগলদের সাথে চাকমারাজাদের প্রথম সম্পর্ক স্থাপন বলে জানা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীকালে যা ঘটেছিল সে সম্পর্কে বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ প্রফেসর, Dr. A.M. Serajuddin (1971) মোগলদের রেকর্ডপত্র থেকে নিম্নভাবে উল্লেখ করেছেন, "The tribute paid to the Mughul Government came to be designated as Kapasmahal... But in 1724 A.C. / 1086 M. S. on Jalal Khan's refusal to pay the tribute, he was attacked by the Mughul Dewan Kishan Chand, his abode was destroyed and he himself was put to flight to Arakan where he afterwards died." ("মুঘল সরকারকে যে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়েছিল তা কাপাসমহল হিসাবে মনোনীত হয়েছিল... কিন্তু 1724 খ্রিস্টাব্দে / 1086 সালে জালাল খানের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে অস্বীকার করায়, তিনি মুঘল দেওয়ান কিষাণ চাঁদ দ্বারা আক্রান্ত হন, তার আবাস ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনি নিজেই তাকে আরাকানে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে পরে তিনি মারা যান।")

মোগল আমলে চাকমা রাজা সেরমুস্ত খানের রাজ্যসীমা এবং চেঙী অববাহিকায় চাকমাদের তৎকালীন অবস্থা ইংরেজদের রেকর্ডপত্র থেকে জানা যায় যে, ১৭৩৭ খ্রিস্টাব্দে চাকমারাজা সেরমুক্ত খানের রাজ্যসীমা উত্তরের ফেনী নদী থেকে দক্ষিণে শঙ্খনদীর মধ্যভাগ পর্যন্ত এবং পশ্চিমের চট্টগ্রাম জেলার নিজামপুর রাস্তা থেকে পূর্বদিকের কুকিরাজ্য (বর্তমান মিজোরাম) পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

১৭৯৮ সালেও এখানকার চেঙী নদীর তীরবাসীদের কথা প্রথম পার্বত্য চট্টগ্রাম সফরকারী ব্রিটিশ (স্কটিশ) অফিসার . ফ্রান্সিস হেমিল্টন বুকানন লিখেছিলেন। তিনি চাকমা-ইংরেজ সংঘর্ষ (১৭৭৬-১৭৮৭) এর পরেপরেই ১৭৯৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে সফরে এসেছিলেন। তাঁর সময়ে চাকমা রাজা শেরদৌলত খান (১৭৭৬-১৭৮২) এর পৌত্র তব্বর খান তাঁর পিতা রাজা জানবক্স খানের (১৭৮২-৯৫৫) মৃত্যুর পরে রাজত্ব করছিলেন। . বুকানন তাঁর সফরকালে ২০এপ্রিল ১৭৯৮ তারিখ ডাইরীতে লিখেছিলেন, "At Nine O'clock we were opposite to the mouth of the Cheemay, or Cheengay river, which is undoubtedly that called Chingree in Mr. Rennels map.... At that time the banks of Cheemay were inhabited by Chakmas, and Taubboka resided at the place to which my man went." [Schendel 1992:110]. ("নয়টার সময় আমরা চিমে বা চেঙ্গে নদীর মুখের বিপরীতে ছিলাম, যাকে নিঃসন্দেহে মিস্টার রেনেলস ম্যাপে চিংরি বলা হয়েছে.... সেই সময়ে চিমেয়ের তীরে চাকমাদের বসবাস ছিল এবং তৌবোকা বাস করত। যে জায়গায় আমার লোক গিয়েছিল।" [শেন্ডেল 1992:110]।)

. বুকানন খাগড়াছড়ি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী চেঙী নদীর নাম 'চেঙি', 'চেঙেই' ইত্যাদি নামে লিপিবদ্ধ করেছিলেন (যা রেনেলের আঁকা একটি মানচিত্রে চেংগ্রী উল্লেখ করা হয়েছিল) একপ্রকার ছোট আকারের বিশেষ উদ্ভিদকে (যা সবজী হিসেবে খাওয়া যায়), সেটিকে চাকমা ভাষায় 'চেঙী' বা 'চেঙেই' বলে। খাগড়াছড়ি জেলায় এই নামে পানছড়ি উপজেলায় চাকমা অধ্যুষিত একটি মৌজাও আছে (২৪৩ নং চেংগী মৌজা) এবং খাগড়াছড়ি শহরের (বাজারের) পশ্চিম পাশ দিয়ে আজও চেঙী (চেংগী) নদী বয়ে চলেছে। চাকমা ভাষায় ছোটনদীকে সোরি/ছড়ি' বা 'সরা/ছড়া' বলে। আর নদীটির তীরে নল-খাগড়া বেশী জন্মায় বলে খাগড়াছড়ি নদীটিকে 'খাগড়াছড়ি' বলে। অতীতে খাগড়াছড়ি নামটির উদ্ভবও সেভাবেই হয়েছে। চাকমারা নদীকে 'গাঙ'- বলে। আর 'লো-গাঙ' এবং 'পুচগাঙ' (পুষগাঙ) মিলেই এই চেন্ডী নদীর সৃষ্টি হয়েছে। তাই খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সুদূর অতীত থেকেই চাকমাদের বসবাস ছিল বলে নানা তথ্যসূত্রে জানা যায়। অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত মিজোরামের দিক থেকে আগত কুকী নামে আখ্যায়িত (লুসাই এবং তাদের সহযোগী কিছু বর্বর) হামলাকারীদের বারংবার উপর্যুপোরি হামলার ফলে চাকমাদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এতে চাকমাদের বহু লোকজন তখন খাগড়াছড়ি অঞ্চল ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তৎসত্ত্বেও আবারও ধীরে ধীরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় চেন্ডী (চেংগী), মেইনী (মাইনী), ফেনী এ সব নদীর উপত্যকায় চাকমাদের জনবসতি, জনসংখ্যা, জুম ও অন্যান্য চাষাবাদ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছিল।

Mr. Halhed (Commissioner of Chittagong) -এর লেখা থেকে জানা যায় যে East India Company (ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি)-এর প্রাথমিক নীতি ছিল উপজাতিদের আভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। ঐতিহ্যগত ভাবে উপজাতীয় রাজা ও তদন্তন সামন্ত শ্রেণীর দলপতিরা স্ব স্ব উপজাতির সামাজিক বিচারাদির বিচার ও নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ বিষয়ে চট্টগ্রামের কালেক্টর -কে গভর্নমেন্ট থেকে পত্রযোগে জানানো হয়েছিল, "...in 1829 Mr.Halhed, the Commissioner of Chittagong) stated that the hill tribes were not British subject, but merely Tributaries and that we recognised no right on our part to interfere with their internal arrangement." [ W.W. Hunter, Statistical Account of Bengal, vol vi, p. 22]. ("...1829 সালে চট্টগ্রামের কমিশনার জনাব হালহেদ) বলেছিলেন যে পাহাড়ি উপজাতিরা ব্রিটিশ প্রজা নয়, শুধুমাত্র উপনদী এবং তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার আমরা স্বীকার করি না।" [ W.W. হান্টার, বাংলার পরিসংখ্যানগত হিসাব, ​​vol vi, p. 22])  ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের কমিশনার মি. হ্যালহেড এই বিবৃতিটি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন যে "পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা ব্রিটিশদের প্রজা নয়, করদাতা মাত্র এবং তাদের অভ্যন্তরীন ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার আমাদের নেই।" (W.W. Hunter: Statistical Account of Bengal, Vol VI, p.2). ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে চাকমা রাজা ধরমবক্স খান (১৮১২-১৮৩২ খ্রি) পরলোক গমন করেন এবং তাঁর প্রথমা মহিষী রাণী কালিন্দী চাকমা সমাজের নেতৃত্ব দিতে থাকেন। তার সম্পর্কে লেখা হয়েছে যে, Her right to rule the subjects was recognized by the British authority in 1844 A.D., and after reigning several years she died in 1873 A.D.( প্রজাদের শাসন করার তার অধিকার 1844 খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ দ্বারা স্বীকৃত হয় এবং বেশ কয়েক বছর রাজত্ব করার পর 1873 খ্রিস্টাব্দে তিনি মারা যান।) তাঁর রাজত্ব কালে (১৮৪৪-৭৩ খ্রি) তিনি তাঁর রাজ্যে কতকগুলি নতুন নতুন মনুষ্যতালুক সৃষ্টি করে "ভালুকদার" নামে পদ সৃষ্টির ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের বিরোধীতার ফলে তাঁর ঐ উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছিল।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকে জুমচাষের অবস্থা

অতীতে চাকমাদের একমাত্র জীবিকাই ছিল ঐতিহ্যবাহী জুমচাষ। অতীতে জুম চাষ করে জুমে পর্যাপ্ত ধান, তুলা, তিল ও অন্যান্য ফসল এবং শাকসবজি পাওয়া যেত। "১৮৬০ সালের পর থেকে উনিশ শতকের শেষ এবং বিশ শতকের প্রথম ভাগ পর্যস্থ জুম চাষের ফলন মোটামুটি অপরিবর্তিত ছিল। এই সময়ের একজন জেলা প্রশাসক আর.এইচ.এস. হাসিনসন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, তাঁর সময়ে (১৮৯৪, ১৯০৬, ১৯১১) পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবার প্রতি জুমচাষের পরিমাণ ছিল মাত্র ২ একর। এই পরিমাণ জুমের তখন প্রায় ৫০ মণ ধান ও ১০ মণ তুলা উৎপাদিত হত।" [অধ্যাপক অমরেন্দ্র লাল খীসাঃ ১৯৮২।। বলা বাহুল্য যে তখন চাকমারা খাদ্যশস্যের ক্ষেত্রে স্বয়ং সম্পূর্ণ ছিল। জুমে উৎপাদিত প্রচুর তুলা বা কার্পাস দিয়ে চাকমা মহিলারা প্রায় সকলেই নিজেদের ব্যবহার্য কাপড়-চোপড় বা পোশাক-পরিচ্ছদ নিজস্ব কোমরতাঁত 'বেইন' দ্বারা বুনে তৈরি করতো। আর পুরুষদের ব্যবহার্য কাপড়ও তৈরি করে দিত। এক কথায় তারা তখন খাওয়া, পরার তেমন অভাব বোধ করেনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে এখনও দীঘিনালা উপজেলায় উক্ত ডেপুটি কমিশনার হাসিনসনের নামে হাসিনসনপুর নামক জায়গা রয়েছে।



[1] খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার চাকমাদের আর্থসামাজিক অবস্থা: সুগত চাকমা



[i] সুগত চাকমা একজন বিশিষ্ট গবেষক, লেখক এবং গীতিকার। পার্বত্য চট্টগ্রামে আধুনিক সাহিত্য বিকাশে তাঁর অবদান অসীম। ১৯৭৬ খ্রিঃ তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্স বিষয়ে এম.এস.সি ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ২০০২ খ্রিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে "পার্বত্য চট্টগ্রামের ভাষা উপভাষার শ্রেণীকরণ" বিষয় নিয়ে গবেষণা কাজ সম্পাদন করে এম.ফি ডিগ্রী অর্জন করেন।

১৯৭৮ খ্রিঃ তিনি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (বর্তমান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট) রাঙ্গামাটিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করে ২০০৯ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে একই ইনস্টিটিউটের পরিচালক (ভাঃ) পদে অধিষ্ঠিত থেকে অবসর গ্রহণ করেন। সাউথ-ইস্ট এশিয়ার দেশসমূহের Indigenous handicrafts সামগ্রীর উপর থাইল্যান্ডের আয়ুথিয়া' অনুষ্ঠিত UNESCO AWARD OF EXCELLENCE ২০০৮ কর্মশালায় UNDP-CHTDF এর প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ২০০৮ খ্রিঃ সেপ্টেম্বর মাসে থাইল্যান্ড এবং একই বছর ডিসেম্বর মাসে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে ইউরোপীয়ান এবং এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে Promoting and Preservation of Cultural diversity এবং ASEM কনফারেন্সে UNDP-CHTDF এর প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর রচিত সম্পাদিত অনেকগুলো বই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বইয়ের নাম হচ্ছে:

 

1. চাঙমা-বাঙলা কধাতারা (চাকমা-বাংলা অভিধান), ১৯৭৩, জুভাপ্রদ, রাঙ্গামাটি।

2. রংধং (চাকমা কবিতার বই), জুমিয়া ভাষ্য প্রচার দপ্তর, ১৯৭৮, রাঙ্গামাটি।

3. চাকমা পরিচিতি, বরগাঙ পাবলিকেশন্স, ১৯৮৩, রাঙ্গামাটি।

4. বাংলাদেশের উপজাতি, বাংলা একাডেমী, ১৯৮৫, ঢাকা।

5. পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় ভাষা, .সা. ১৯৮৮, রাঙ্গামাটি।

6. চাকমা রূপকথা, বাংলাদেশ শিল্প একাডেমী, ১৯৯৫, ঢাকা।

7. চাকমা ঢাক ইতিহাস আলোচনা, .সা., ২০০০, রাঙ্গামাটি।

8. বাংলাদেশের উপজাতি আদিবাসীদের সমাজ, সংস্কৃতি আচার-ব্যবহার, নওরোজ কিতাবিস্তান, ১ম সংস্করণ-২০০০, ২য় সংস্করণ-২০০২, ঢাকা।

9. বাংলাদেশের চাকমা ভাষা সাহিত্য, .সা. ২০০২, রাঙ্গামাটি।

10. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সামাজিক প্রথা রীতিনীতি চাকমা মারমা ত্রিপুরা, ক্ষু.নৃ.সা., ২০১১, খাগড়াছড়ি।

11. খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার চাকমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, কেএনএসআই, খাগড়াছড়ি, ২০১৯ খ্রি.

 

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা: মঙ্গল কুমার চাকমা

 

ছাত্রদের কোটা সংস্কার তথা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের পতন ঘটেছে এবং অত:পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের মূল স্পিরিট ছিল বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার। স্বভাবতই অন্যান্য দায়িত্বের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্র ব্যবস্থার আমূল সংস্কার।

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যে কোন বৈষম্যের অন্যতম নির্মম শিকার হয়ে থাকে দেশের পিছিয়ে পড়া দুর্বল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া সমতল ও পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীও তার ব্যতিক্রম নয়। বিশেষ করে আদিবাসী জুম্ম জনগণের উপর দশকের পর দশক ধরে চলমান বৈষম্যের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে ষাট দশক থেকে গণআন্দোলন সংঘটিত হয়ে আসছে। সেই আন্দোলনের ফসল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান তথা জুম্ম জনগণের উপর বিদ্যমান বৈষম্য ও বঞ্চনার অবসানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার চুক্তির কিছু বিষয় বাস্তবায়ন করলেও চুক্তির মৌলিক বিষয়সহ দুই-তৃতীয়াংশ ধারা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। ফলে অন্যান্যের মধ্যে যেসব বিষয়সমূহ অবাস্তবায়িত থেকে যায় সেগুলো হলো– পার্বত্য চট্টগ্রামকে উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণের জন্য আইনী ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা; পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশেষ শাসনব্যবস্থার অধীনে প্রতিষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের নিকট সাধারণ প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা, পুলিশ, ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, বন ও পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ইত্যাদি ন্যস্ত করা এবং নির্বাচন বিধিমালা ও ভোটার তালিকা বিধিমালা প্রণয়ন ও স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ পূর্বক এসব পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা; পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে পার্বত্য পুলিশ বাহিনী গঠন করা; ভূমি কমিশনের মাধ্যমে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি করে জুম্মদের বেহাত হওয়া জায়গা-জমি ফেরত দেয়া এবং এলক্ষ্যে ভূমি কমিশনের বিধিমা

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴: 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄞𑄌𑄴 𑄃 𑄢𑄨𑄘𑄨𑄥𑄪𑄙𑄮𑄟𑄴 𑄢𑄧𑄈𑄳𑄠𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄦𑄙𑄚 𑄃𑄨𑄚𑄧𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟

𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄞𑄌𑄴 𑄃 𑄝𑄧𑄢𑄴𑄕𑄧𑄟𑄣 𑄇𑄨𑄗𑄳𑄠𑄭 𑄃𑄧𑄖𑄣𑄨𑄠𑄬 𑄇𑄮𑄌𑄧𑄛𑄚 𑄃 𑄢𑄨𑄘𑄨𑄥𑄪𑄙𑄮𑄟𑄴 𑄙𑄧𑄢𑄨 𑄢𑄊𑄚 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄨𑄟𑄬 𑄚𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄸𑄶𑄶𑄺 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄙𑄧𑄢𑄨 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄢𑄪𑄁𑄈𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄬𑄢𑄬 𑄥𑄬𑄢𑄬 𑄣𑄟𑄴𑄝 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄛𑄧𑄖𑄴 𑄦𑄙𑄚 𑄃𑄢𑄧𑄇𑄚𑄨 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄌𑄧𑄁𑄢𑄍𑄧𑄢𑄨 𑄦𑄭 𑄃𑄨𑄇𑄴𑄪𑄣𑄴 𑄛𑄧𑄣𑄳𑄠 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄣𑄬𑄊 𑄥𑄨𑄊𑄚 𑄇𑄮𑄢𑄴𑄥𑄧 𑄌𑄣𑄪 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄁𑅁 𑄃𑄬 𑄇𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄙𑄢𑄟𑄧𑄎𑄨𑄟𑄴 𑄸𑄶𑄶𑄺-𑄸𑄶𑄶𑄻 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄎𑄬𑄃𑄨 𑄍𑄧𑄓 𑄝𑄬𑄥𑄧𑄢𑄧𑄇𑄢𑄨 𑄛𑄳𑄢𑄭𑄟𑄢𑄨 𑄃𑄨𑄇𑄴𑄪𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄘𑄨𑄝𑄬 𑄇𑄮𑄢𑄴𑄥𑄧 𑄦𑄖𑄴 𑄘𑄪𑄠𑄮𑄁𑅁 𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴, 𑄃𑄐𑄴𑄌𑄧𑄣𑄨𑄇𑄴 𑄢𑄎𑄧𑄚𑄩𑄖𑄴 𑄝𑄧 𑄉𑄧𑄟𑄴 𑄚𑄧 𑄗𑄚𑄢𑄴 𑄃 𑄃𑄮𑄠𑄚𑄴 𑄃𑄨𑄣𑄬𑄞𑄬𑄚𑄴 𑄥𑄚𑄴 𑄇𑄪 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄟𑄙𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬 𑄇𑄟𑄚𑄴 𑄝𑄧𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄡𑄠𑄴𑅁

𑄸𑄶𑄶𑄽 𑄥𑄣𑄴 𑄷𑄺 𑄜𑄬𑄝𑄳𑄢𑄪𑄠𑄢𑄨 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄛𑄨𑄓𑄨𑄃𑄬𑄜𑄴 𑄃 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄥𑄮𑄢 𑄟𑄬𑄃𑄨𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄣𑄬𑄁 𑄦𑄧𑄣𑄬 𑄈𑄉𑄢𑄍𑄧𑄓𑄨-𑄌𑄨𑄑𑄉𑄋𑄴 𑄼 𑄟𑄌𑄴 𑄌𑄨𑄇𑄨𑄖𑄴𑄥𑄳𑄠𑄖𑄴 𑄗𑄚𑄢𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄧 𑄝𑄮𑄚𑄴 𑄊𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄦𑄴 𑄝𑄚𑄧𑄁𑅁 𑄖𑄢 𑄈𑄉𑄢𑄍𑄧𑄓𑄨 𑄇𑄪𑄘𑄪𑄇𑄧𑄍𑄧𑄢𑄨𑄖𑄴 𑄗𑄚𑄴𑅁 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄝𑄮𑄃𑄨 𑄚𑄧 𑄗𑄬𑄃𑄨 𑄇𑄧𑄠𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄛𑄪𑄃𑄧 𑄛𑄧𑄢𑄚 𑄃𑄢𑄧𑄇𑄚𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄁𑅁 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄖𑄢𑄢𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄣𑄬𑄊 𑄥𑄬𑄊𑄁𑅁 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄞𑄋 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄧𑄝𑄮 𑄇𑄘𑄚 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄎𑄚𑄴𑄘𑄨 𑄟𑄪𑄢𑄮𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄠𑄧𑄁𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄃𑄟 𑄃𑄘𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄧𑄎𑄨𑄟𑄬 𑄷 𑄊𑄧𑄚𑄴𑄘 𑄦𑄙𑄚 𑄛𑄧𑄙𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄎𑄚𑄴𑄘𑄨𑄟𑄪𑄢𑄮 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄚𑄋𑄴 𑄇𑄧𑄢𑄮𑄃𑄨𑄖𑄧𑄣𑄨𑅁 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄸𑄶𑄶𑄾, 𑄿 𑄥𑄣𑄴 𑄝𑄚 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄣𑄇𑄴𑄬 𑄾 𑄦𑄎𑄢𑄴 𑄖𑄬𑄋𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄛𑄳𑄢𑄭𑄞𑄬𑄑𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄬 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄖𑄮𑄢𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄛𑄧𑄣𑄳𑄠 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄧𑄝𑄮 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄉𑄠𑄴 𑄗𑄬𑄣𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄸𑄶𑄶𑄿 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄟𑄧 𑄣𑄧𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄨𑄝𑄮 𑄡𑄠𑄴𑅁 𑄖𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄛𑄉𑄧𑄣 𑄟𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄛𑄢𑄖𑄴 𑄑𑄬𑄃𑄪𑄥𑄧𑄚𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄬𑅁 𑄥𑄬 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄇𑄘𑄚 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄖𑄢 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴 𑄊𑄧𑄢𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄬𑄉𑄨 𑄃 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄠𑄧𑄚𑄴𑅁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄥𑄨𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄥𑄨𑄝𑄧𑄋𑄴𑄉𑄧 𑄛𑄢𑄖𑄴 𑄑𑄬𑄃𑄪𑄥𑄧𑄚𑄨𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄡𑄁𑅁 𑄸𑄻 𑄦𑄎𑄢𑄴 𑄖𑄬𑄋 𑄃𑄬𑄇𑄴 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄬 𑄛𑄁𑅁 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄌𑄬𑄃𑄨𑄢𑄧𑄝𑄮 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄮𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄇𑄘𑄚 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄸𑄶𑄷𑄷 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄘𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄜𑄨𑄢𑄨 𑄃𑄬𑄠𑄧𑄁𑅁 𑄟𑄧 𑄥𑄧𑄠𑄮𑄢𑄧𑄝𑄮 𑄥𑄪𑄥𑄩𑄣𑄴 𑄎𑄩𑄝𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 (𑄦𑄬𑄓𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄸𑄿 𑄚𑄧𑄁 𑄍𑄮𑄑𑄧𑄟𑄬𑄢𑄪𑄁 𑄟𑄪𑄃𑄨𑄎𑄴) 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄃 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄜𑄨𑄓𑄨𑄃𑄬𑄜𑄧𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄇𑄧𑄙𑄝𑄖𑄴𑄖 𑄇𑄮𑄃𑄨 𑄃𑄘𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄜𑄨𑄢𑄨 𑄃𑄬𑄠𑄚𑅁 𑄃𑄨𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄡𑄧𑄘𑄧𑄝𑄧𑄘𑄬 𑄣𑄬𑄁𑅁 𑄦𑄙𑄧𑄖𑄴 𑄣𑄪𑄉𑄨𑄇𑄴 𑄝𑄘𑄬 𑄇𑄧𑄚𑄴 𑄇𑄨𑄗𑄳𑄠 𑄡𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄥𑄬𑄘𑄟𑄴 𑄚𑄬𑄃𑄨𑅁 𑄛𑄧𑄎𑄳𑄠𑄬 𑄛𑄧𑄎𑄳𑄠𑄬 𑄚𑄪𑄃𑄧 𑄥𑄧𑄝𑄧𑄚𑄴 𑄝𑄪𑄚𑄧𑄁𑅁
𑄃𑄘𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄜𑄨𑄢𑄨 𑄃𑄬𑄣𑄬 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄟𑄴 𑄛𑄳𑄢𑄭𑄞𑄬𑄑𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄚𑅁 𑄥𑄬 𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄹𑄸 𑄦𑄎𑄢𑄴 𑄖𑄬𑄋𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄛𑄪𑄢𑄮 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄝𑄧𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄳𑄢𑄭𑄞𑄬𑄑𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄚 𑄃𑄢𑄧𑄇𑄚𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄁𑅁 𑄃𑄬 𑄛𑄳𑄢𑄭𑄞𑄬𑄑𑄴 𑄛𑄪𑄃𑄧/𑄏𑄨𑄃𑄪𑄚𑄬 𑄥𑄛𑄴𑄖𑄠𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄣𑄬𑄊, 𑄝𑄧𑄇𑄴𑄖𑄧𑄝𑄳𑄠𑄧 𑄘𑄬𑄚, 𑄥𑄳𑄢𑄪𑄖𑄧𑄣𑄨𑄛𑄨 𑄥𑄪𑄟𑄪𑄖𑄴𑄧 𑄚𑄚𑄚𑄴 𑄇𑄨𑄏𑄪 𑄥𑄬𑄊𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄌𑄁𑅁 𑄸𑄶𑄷𑄶 𑄥𑄣𑄴 𑄃𑄬𑄜𑄧𑄃𑄬𑄟𑄴 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄥𑄪𑄚𑄨𑄣𑄪𑄁 𑄝𑄁𑄣𑄘𑄬𑄌𑄴 𑄥𑄧𑄢𑄧𑄇𑄢𑄬 𑄃𑄚𑄴𑄖𑄧𑄢𑄴𑄎𑄖𑄨𑄇𑄴 𑄟𑄖𑄳𑄢𑄨𑄞𑄥 𑄃𑄨𑄚𑄧𑄥𑄴𑄑𑄨𑄑𑄨𑄃𑄪𑄑𑄴 𑄜𑄁𑄜𑄧𑄉𑄧𑄘𑄋𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄬𑄢𑄴𑅁 𑄃𑄬 𑄜𑄧𑄉𑄧𑄘𑄋𑄨 𑄈𑄧𑄣𑄝𑄮𑄖𑄴 𑄢𑄎𑄧𑄘𑄉𑄨 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄸𑄶𑄷𑄺 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄙𑄧𑄢𑄨 𑄟 𑄞𑄌𑄴𑄍𑄮𑄃𑄨 𑄃𑄨𑄇𑄴𑄪𑄣𑄴 𑄣𑄬𑄊 𑄥𑄨𑄊𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄞𑄴𑅁 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄥𑄪𑄚𑄨 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄗𑄨𑄇𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄮𑄁, 𑄞𑄖𑄴 𑄟𑄧𑄎 𑄛𑄪𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄚𑄨 𑄃𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄣𑄬𑄊 𑄥𑄬𑄊𑄚 𑄘𑄮𑄣𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄈𑄬𑄚𑄴𑅁 𑄃𑄬𑄢𑄴 𑄃𑄉𑄬𑄘𑄨 𑄥𑄬𑄊𑄬𑄣𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄟𑄚𑄪𑄌𑄴𑄍𑄪𑄚𑄬 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄴 𑄃𑄟𑄧𑄣𑄴 𑄚𑄧 𑄘𑄮𑄚𑄴𑅁 𑄃 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄝𑄉𑄚𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄧𑄚 (𑄝𑄬𑄣𑄴, 𑄟𑄣𑄧𑄖, 𑄇𑄧𑄣) 𑄦𑄖𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄡𑄬𑄚𑄴 𑄇𑄟𑄴 𑄉𑄧𑄖𑄴𑄬 𑄎𑄪 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁
𑄸𑄶𑄷𑄺 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄃𑄨 𑄃𑄘𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄧 𑄈𑄢𑄛𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄈𑄢𑄛𑄴 𑄦𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄟𑄧 𑄎𑄬𑄖𑄴𑄖 𑄥𑄧𑄢𑄧𑄣𑄴 𑄇𑄪𑄟𑄢𑄴, 𑄎𑄬𑄖𑄴𑄖𑄇𑄪𑄖𑄴 𑄞𑄬𑄃𑄨 𑄟𑄧𑄚𑄴𑄑𑄪 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄃 𑄞𑄬𑄃𑄨𑄛𑄪𑄖𑄴 𑄢𑄨𑄛𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟𑄘𑄊𑄨 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄘𑄧𑄣𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄢𑄬𑄖𑄴 𑄥𑄧𑄁𑄞𑄉𑄧𑄖𑄴 𑄙𑄧𑄢𑄨 𑄚𑄨𑄣𑄇𑄴𑅁 𑄙𑄪𑄢𑄨 𑄚𑄨𑄣𑄴 𑄢𑄎𑄨𑄝𑄴 𑄝𑄝𑄪𑅁 𑄛𑄳𑄢𑄩𑄖𑄨 𑄈𑄨𑄥 𑄘 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄛𑄧𑄢𑄟𑄧𑄢𑄴𑄥𑄧 𑄘𑄨𑄣𑄴, 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 𑄗𑄬𑄝𑄢𑄴𑅁 𑄘𑄨𑄚𑄴𑄮 𑄞𑄢𑄨 𑄝𑄬𑄐𑄴𑄎𑄪𑄇𑄴𑅁 𑄸𑄶𑄷𑄺 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄖 𑄥𑄧𑄣𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄸𑄶𑄷𑄶 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄟𑄧 𑄣𑄧𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄨𑄝𑄮 𑄎𑄉 𑄇𑄨𑄚𑄨 𑄊𑄧𑄢𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄳𑄠 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴𑅁
𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄢𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄉𑄧𑄟𑄬 𑄗𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄎𑄪 𑄚𑄬𑄃𑄨𑅁 𑄢𑄎𑄨𑄝𑄴 𑄝𑄝𑄪 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄉𑄳𑄢𑄟𑄩𑄚𑄴 𑄚𑄧𑄟𑄴𑄝𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄘𑄬𑅁 𑄢𑄨𑄥𑄨𑄞𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄚𑄧 𑄖𑄋𑄧𑄢𑄧𑄁𑅁 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄝𑄳𑄠𑄇𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄬 𑄥𑄧𑄁𑄠𑄮𑄉𑄴 𑄚𑄬𑄃𑄨𑅁 𑄗𑄨𑄇𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄥𑄛𑄴𑄖 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄖𑄬 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄖𑄢𑄧𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄘𑄬𑄊 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄝𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄌𑄧𑄁𑄓𑄍𑄧𑄓𑄨 𑄦𑄬𑄓𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄛𑄢𑄖𑄴 𑄟𑄧 𑄥𑄮𑄠𑄧𑄚𑄴𑄘𑄨𑄝𑄮 𑄊𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄡𑄬𑄚𑄬 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄜𑄬𑄣𑄪𑄁 𑄃𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄢𑄘𑄧𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄡 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄝𑄴𑅁 𑄝𑄧𑄢𑄘𑄧𑄟𑄴 𑄡𑄬𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄴 𑄌𑄟𑄨𑄚𑄨𑄍𑄧𑄢𑄖𑄴, 𑄌𑄟𑄨𑄚𑄨 𑄍𑄧𑄢𑄖𑄴 𑄡𑄘𑄬 𑄡𑄘𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄴 𑄈𑄟𑄢𑄧𑄛𑄢𑄖𑄴 𑄡𑄚𑅁 𑄇𑄚𑄴 𑄛𑄘 𑄢𑄮𑄖𑄴𑅁 𑄊𑄟𑄴 𑄗𑄬𑄛𑄴 𑄗𑄬𑄛𑄴 𑄎𑄪𑄢𑄨 𑄛𑄧𑄢𑄬𑄢𑄴𑅁 𑄹 𑄊𑄧𑄚𑄴𑄘 𑄦𑄙𑄚 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄬𑄎𑄬 𑄌𑄟𑄨𑄚𑄨 𑄍𑄧𑄢 𑄇𑄢𑄧𑄝𑄎𑄳𑄠 𑄊𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄡𑄚 𑄦𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄟𑄧𑄚𑄴 𑄇𑄪𑄇𑄧𑄙 𑄥𑄪𑄚 𑄦𑄧𑄠𑄬, 𑄝𑄝𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄌𑄮𑄊𑄴 𑄛𑄚𑄨 𑄜𑄬𑄣𑄳𑄠𑅁 𑄼 𑄟𑄌𑄴 𑄊𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄚𑄴𑄙𑄨 𑄃 𑄻𑄶 𑄦𑄎𑄢𑄴 𑄖𑄬𑄋 𑄎𑄪𑄢𑄨𑄟𑄚𑄴 𑄘𑄨 𑄃𑄢𑄴 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴 𑄜𑄨𑄢𑄨 𑄃𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄃𑄘𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄗𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄣𑄴 𑄚𑄬𑄃𑄨𑅁 𑄝𑄉𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄚 𑄃𑄢𑄴 𑄚𑄧 𑄦𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄝𑄚 𑄣𑄨𑄌𑄪 𑄃 𑄟𑄣𑄧𑄖 𑄝𑄉𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄬 𑄈𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠 𑄟𑄚𑄪𑄌𑄴 𑄚𑄧 𑄗𑄚𑄢𑄴 𑄝𑄉𑄚𑄚𑄨 𑄞𑄬𑄃𑄨𑄣𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄚𑄧 𑄛𑄢𑄚 𑄃𑄢𑄴 𑄖𑄬𑄋 𑄢𑄙𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄣𑄪𑄁𑅁
𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄬 𑄗𑄨𑄇𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄁 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄣𑄬𑄊 𑄥𑄬𑄊𑄚 𑄇𑄟𑄴 𑄃𑄢𑄧𑄇𑄚𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄟𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄨𑄃𑄮𑄟𑄳𑄠𑅁 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄝𑄪𑄇𑄴 𑄌𑄨𑄘𑄬 𑄃𑄧𑄚𑄧𑄥𑄪𑄢𑄴𑅁 𑄇𑄧𑄇𑄴𑄬 𑄇𑄨 𑄦𑄧𑄠𑄴, 𑄖𑄢𑄧𑄛𑄧𑄢𑄧𑄃𑄮 𑄚𑄚𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄚𑄧𑄖𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄬𑄢𑄬 𑄥𑄬𑄢𑄬 𑄇𑄟𑄚𑄴 𑄌𑄣𑄬 𑄚𑄬𑄠 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄝𑄴 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄨𑄟𑄬𑅁 𑄟𑄧𑄚𑄴 𑄡𑄬 𑄘𑄪𑄇𑄴 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄝𑄪𑄇𑄴 𑄍𑄨𑄢𑄨 𑄘𑄬𑄊𑄬𑄣𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄖𑄨𑄢𑄮𑄌𑄴 𑄚𑄧 𑄟𑄧𑄢𑄬𑅁
𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄣𑄬𑄊 𑄥𑄬𑄊𑄚 𑄇𑄟𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄚 𑄞𑄣𑄧𑄇𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄌𑄨𑄚𑄧𑄛𑄧𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄦𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄸𑄶𑄷𑄿 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄬𑄣𑄬𑄝𑄝𑄪 𑄷 𑄣𑄇𑄴 𑄖𑄬𑄋 𑄃𑄬𑄎𑄣𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄖𑄢𑄴 𑄃𑄬 𑄃𑄬𑄎𑄣𑄴 𑄘𑄬𑄚 𑄢𑄎𑄨𑄝𑄴 𑄝𑄝𑄪 𑄃𑄢𑄴 𑄖𑄧𑄌𑄳𑄠 𑄚𑄧 𑄣𑄉𑄠𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄬𑅁 𑄢𑄎𑄨𑄝𑄴 𑄝𑄝𑄪𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄖𑄧𑄌𑄳𑄠 𑄚𑄧 𑄈𑄚𑄴 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬𑄚𑄴 𑄟𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄚𑄬𑄃𑄨𑅁 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄟𑄬𑄢𑄪𑄁 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄴 𑄘𑄧𑄉𑄨𑄚𑄴 𑄌𑄉𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄧𑄟𑄧𑄦𑄧𑄘𑄴 𑄝𑄬𑄌𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄬 𑄢𑄎𑄨𑄝𑄴 𑄝𑄝𑄪𑅁
𑄥𑄬 𑄃𑄬𑄎𑄣𑄴 𑄛𑄬𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄝𑄪𑄉𑄴 𑄛𑄘 𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄦𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄌𑄨𑄘𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄚𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄡𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄞𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨 𑄃𑄢𑄧𑄇𑄚𑄨 𑄦𑄧𑄠𑄬 𑄃𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄚𑄋𑄴 𑄘𑄨𑄝𑄢𑄴 𑄟𑄧𑄐𑄴𑄎𑄪𑄇𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄁𑅁 𑄡𑄬𑄟𑄬𑄚𑄴 𑄌𑄨𑄘𑄬 𑄖𑄬𑄟𑄬𑄚𑄴 𑄇𑄟𑄴𑅁 𑄘𑄬𑄢𑄨 𑄚𑄧 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄛𑄧𑄣𑄳𑄠 𑄎𑄬𑄣 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄥𑄧𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄝𑄋𑄴𑄉𑄨 𑄥𑄪𑄚𑄚𑄪 𑄥𑄧𑄖𑄧𑄢𑄫𑄛 𑄌𑄋𑄧𑄟𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄥𑄧𑄣 𑄌𑄁𑅁 𑄖 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄇𑄧𑄙 𑄟𑄬𑄣𑄨 𑄖𑄬 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄪𑄚𑄧𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄥𑄧𑄣 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄝𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄃𑄨𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄎𑄧𑄙𑄚𑄚𑄪 𑄥𑄪𑄚𑄚𑄪 𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟𑄭𑄙𑄪 𑄇𑄧𑄙 𑄟𑄬𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄖𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇 𑄝𑄨𑄎𑄨𑄝𑄎𑄁 𑄉𑄧𑄢𑄚 𑄃𑄢𑄴 𑄇𑄟𑄚𑄴 𑄚𑄧 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄪𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄞𑄨𑄘𑄨𑄢𑄬 𑄃𑄧𑄚𑄧𑄥𑄪𑄢𑄴 𑄉𑄬𑄖𑄧𑄉𑄬𑄘𑄳𑄠𑄠𑄴𑅁 𑄇𑄬𑄚𑄬 𑄇𑄨 𑄉𑄧𑄢 𑄡𑄠𑄴 𑄞𑄝𑄧𑄁𑅁
𑄌𑄘𑄬 𑄌𑄘𑄬 𑄟𑄧 𑄟𑄙𑄃𑄪𑄉𑄪𑄢𑄬 𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄮𑄃𑄨𑄠𑄬𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄦𑄪𑄖𑄴 𑄉𑄧𑄋𑄬 𑄉𑄬𑄣𑄴𑅁 𑄣𑄧𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄨 𑄦𑄎𑄬𑄣𑄪𑄁 𑄷𑄺 𑄜𑄬𑄝𑄳𑄢𑄪𑄠𑄢𑄨 𑄸𑄶𑄸𑄶 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄇𑄧𑄢𑄮𑄚 𑄃𑄬𑄣𑄴 𑄛𑄨𑄖𑄴𑄨𑄟𑄨 𑄝𑄪𑄉𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄖𑄢𑄧𑄛𑄧𑄢𑄧𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄃𑄟 𑄇𑄟𑄚𑄨 𑄟𑄧𑄦𑄴 𑄚𑄧 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄇𑄟𑄴 𑄌𑄧𑄣𑄨 𑄡𑄢𑄴𑅁 𑄸𑄶𑄸𑄸 𑄥𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄨𑄏𑄪 𑄇𑄠𑄴 𑄇𑄪𑄠𑄬 𑄣𑄪𑄟𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄃𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄚𑄪𑄃𑄧 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄘𑄢𑄬 𑄃𑄨𑄙𑄮𑄖𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄨 𑄘𑄨𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄖𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄟𑄧𑄎𑄨𑄟𑄴 𑄇𑄧𑄝𑄈𑄣𑄩 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴𑄬𑄢𑄬 𑄟𑄘𑄬𑄃𑄨 𑄷𑄽 𑄃𑄬𑄛𑄳𑄢𑄨𑄣𑄴 𑄸𑄶𑄸𑄸 𑄈𑄳𑄢𑄨. 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘, 𑄣𑄨𑄑𑄧𑄚𑄴 𑄃 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄥𑄭𑄚𑄧𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧𑄖𑄴𑄖𑄚𑄨 𑄘𑄨𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴, 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 – 𑄝𑄝𑄪𑄍𑄧𑄓 𑄢𑄮𑄓𑄴 𑄃 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 – 𑄝𑄊𑄭𑄍𑄧𑄓𑄨 𑄃𑄪𑄛𑄧𑄎𑄬𑄣 𑄘𑄧𑄞𑄧𑄘 𑄛𑄧𑄖𑄴𑄖𑄚𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧 𑄘𑄬𑄚 𑄖𑄨𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧𑄖𑄴𑄖𑄚𑄨 𑄃𑄨𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄣𑄟𑄬 𑄚𑄬𑄠, 𑄻 𑄟𑄨𑄚𑄨𑄘𑄬𑅁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄃𑄟𑄧𑄇𑄴! 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄥𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄈𑄉𑄢 𑄍𑄧𑄓𑄨 𑄎𑄬𑄣 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄥𑄧𑄘𑄧𑄖𑄴 𑄑𑄨𑄑𑄧𑄚𑄴 𑄘 𑄃𑄨𑄘𑄪 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄇𑄟𑄧𑄖𑄳𑄠𑄭 𑄡𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄛𑄧𑄢𑄬 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘𑄢𑄬 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄎𑄚𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁
𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄖𑄮𑄢𑄬 𑄡𑄢𑄴, 𑄃𑄧𑄚𑄧𑄥𑄪𑄢𑄴 𑄞𑄝𑄧𑄁 𑄇𑄬𑄚𑄬 𑄇𑄨 𑄉𑄧𑄢 𑄡𑄠𑄴𑅁 𑄖𑄢𑄧𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄠𑄬𑄇𑄴 𑄟𑄥𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄬 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄧𑄢𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄪𑄁, 𑄖𑄪𑄟𑄨 𑄟𑄧𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄬 𑄃𑄧𑄙𑄨𑄝𑄬𑄥𑄧𑄚𑄴 𑄘𑄊𑄨 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄥𑄨𑄢𑄧𑄇𑄝 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄬 𑄛𑄢 𑄡𑄬𑄝𑄴𑅁 𑄃𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄖𑄧 𑄚𑄋𑄚𑄧𑄃𑄮 𑄗𑄬𑄝𑄴𑅁 𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴, 𑄦𑄬𑄘𑄮 𑄇𑄨𑄠𑄬𑄖𑄴 𑄇𑄪𑄉𑄪𑄢𑄬 𑄝𑄪𑄉𑄚 𑄝𑄘𑄬 𑄇𑄨 𑄃𑄊𑄬𑅁 𑄖𑄢 𑄘𑄧 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄬 𑄚𑄧 𑄎𑄨𑄚𑄧𑄚𑄴𑅁 𑄟𑄧𑄚𑄬 𑄟𑄧𑄚𑄬 𑄞𑄝𑄧𑄋𑄴 𑄇𑄨 𑄉𑄧𑄢 𑄡𑄠𑄴𑅁 𑄟𑄨𑄑𑄨𑄁 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄥𑄨𑄢𑄧𑄇𑄝 𑄉𑄧𑄢 𑄡𑄠𑄴 𑄚𑄬𑄚? 𑄗𑄨𑄇𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄪𑄁, 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄝𑄚 𑄥𑄨𑄠𑄚𑄧𑄘𑄮𑄃𑄨 𑄟𑄨𑄑𑄨𑄁 𑄘𑄉𑄨𑄣𑄬 𑄚𑄧’ 𑄃𑄬𑄝𑄇𑄴𑅁 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄝𑄧𑄃𑄨 𑄟𑄬𑄣 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄛𑄢 𑄡𑄠𑄴 𑄚𑄬𑄚 𑄞𑄝𑄧𑄘𑄬 𑄃𑄧𑄣𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄝𑄧𑄃𑄨 𑄟𑄬𑄣𑅁 𑄃𑄪𑄘𑄴𑄬𑄥𑄳𑄠𑄧 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴, 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄙𑄨𑄝𑄬𑄥𑄧𑄚𑄴 𑄣𑄬𑄊𑄨 𑄦𑄣𑄧𑄝𑄨𑄘𑄬𑄚𑄴 𑄇𑄮𑄃𑄨 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄣𑄧𑄝𑄧𑄁𑅁 𑄖𑄧𑄝𑄬 𑄃𑄬 𑄝𑄧𑄃𑄨𑄟𑄬𑄣 𑄉𑄧𑄢𑄚 𑄃𑄢𑄳𑄠𑄴𑄧𑄟𑄨𑄖𑄳𑄢𑄧 𑄘𑄢𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄣𑄴 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠𑅁 𑄖𑄬𑄃𑄮 𑄛𑄧𑄣𑄳𑄠 𑄇𑄧𑄙 𑄟𑄬𑄣𑄳𑄠𑅁 𑄖 𑄟𑄪𑄠𑄮𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄟𑄪𑄚𑄨 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄘𑄴𑄝𑄨𑄉𑄪𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄧𑄝𑄧𑄣𑄴 𑄝𑄢𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄖𑄨𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄝𑄧𑄃𑄨 𑄟𑄬𑄣 𑄜𑄬𑄣𑄬𑄣𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄝𑄁𑄣𑄘𑄬𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄧𑄣𑄳𑄠 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄝𑄧𑄃𑄨 𑄟𑄬𑄣𑅁 𑄸𑄶 𑄜𑄬𑄝𑄳𑄢𑄪𑄠𑄢𑄨 𑄜𑄁𑄜𑄧𑄉𑄧𑄘𑄋𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄬 𑄃𑄢𑄳𑄠𑄴𑄧 𑄟𑄨𑄖𑄳𑄢𑄧 𑄘 𑄃 𑄚𑄧𑄇𑄧𑄝𑄌𑄳𑄠 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄝 𑄃𑄬𑄣𑄴 𑄟𑄧𑄗𑄪𑄢 𑄝𑄨𑄇𑄥𑄴 𑄘𑅁
𑄟𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴, 𑄡𑄢 𑄟𑄬𑄣𑄖𑄴 𑄝𑄧𑄣𑄚𑄳𑄠 𑄘𑄨𑄣𑄧𑄁 𑄖𑄢 𑄚𑄧’ 𑄃𑄬𑄠𑄚 𑄃𑄟𑄢𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄘𑄪𑄇𑄴 𑄞𑄢𑄨 𑄡𑄬𑄣𑄴𑅁 𑄃𑄟𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄝𑄚 𑄡𑄬 𑄃𑄧𑄙𑄨𑄝𑄬𑄥𑄧𑄚𑄴 𑄃 𑄥𑄨𑄢𑄧𑄇𑄝 𑄦𑄧𑄠𑄬 𑄥𑄬 𑄇𑄉𑄮𑄌𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄬𑄢𑄴𑅁 𑄸 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄣𑄧𑄝𑄖𑄳𑄠 𑄡𑄬𑄚𑄬 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄚𑄧 𑄘𑄬𑅁 𑄃𑄊𑄬 𑄟𑄚𑄧𑄌𑄳𑄠 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄬 𑄖𑄬 𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄃𑄟𑄨 𑄥𑄬𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄥𑄪𑄣𑄮𑄇𑄧𑄥𑄧𑄥𑄩 𑄘𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄝𑄧𑄑𑄧𑄖𑄧𑄣 𑄝𑄎𑄢𑄴 𑄙𑄧𑄢𑄴𑄟𑄧 𑄎𑄳𑄠𑄮𑄖𑄨 𑄘 𑄝𑄮𑄚𑄴𑄮 𑄘𑄮𑄉𑄚𑄴 𑄟𑄪𑄏𑄪𑄋𑄬 𑄃𑄬𑄉𑄧𑄖𑄴𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄹 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄾 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄸𑄶𑄸𑄼 𑄝𑄝𑄪𑄍𑄧𑄓𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄊𑄧𑄢𑄬 𑄊𑄧𑄢𑄬 𑄡𑄬𑄃𑄨 𑄡𑄬𑄃𑄨 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄨𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄝𑄬𑄇𑄴𑄪𑄚𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄟𑄧𑄖𑄴 𑄘𑄮𑄣𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄇𑄟𑄴 𑄃𑄧𑄢𑄴𑅁 𑄝𑄬𑄇𑄴𑄪𑄚𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄢𑄴𑄗𑄖𑄴 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 𑄟𑄪𑄣𑄪𑄇𑄴 𑄟𑄪𑄣𑄪𑄇𑄴 𑄦𑄬𑄓𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴, 𑄇𑄢𑄧𑄝𑄢𑄨, 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴, 𑄟𑄬𑄟𑄴𑄝𑄢𑄴, 𑄃𑄧𑄝𑄴: 𑄌𑄉𑄪𑄢𑄨𑄝𑄧𑄣, 𑄟𑄌𑄧𑄖𑄧𑄢𑄴, 𑄛𑄧𑄢𑄴𑄝𑄮𑄠, 𑄇𑄧𑄝𑄨, 𑄥𑄦𑄨𑄖𑄳𑄠𑄨𑄇𑄴 𑄥𑄪𑄟𑄪𑄖𑄴𑄧 𑄻𑄶 𑄎𑄧𑄚𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄃𑄨𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄃𑄨𑄙𑄪 𑄡𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄇𑄨𑄖𑄴𑄬 𑄡𑄬 𑄎𑄉𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄢 𑄦𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄨𑄝𑄬 𑄇𑄧𑄝𑄈𑄣𑄩 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟𑅁 𑄥𑄬𑄚𑄬 𑄖𑄢𑄬 𑄈𑄧𑄣𑄚𑄚𑄪 𑄉𑄨𑄢𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄚 𑄖 𑄚𑄋𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠 𑄦𑄧𑄠𑄬𑅁 𑄡𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄇𑄉𑄮𑄌𑄴𑄍𑄚𑄴 𑄚𑄬𑄉𑄬𑄣𑄬 𑄘𑄨𑄣𑄪𑄁 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄖𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄪𑄁𑄉𑄬 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄈𑄧𑄣𑄚𑄚𑄪 𑄚𑄧 𑄘𑄨𑄝𑄢𑄴𑅁 𑄃𑄧𑄚𑄳𑄠𑄧 𑄃𑄬𑄇𑄧𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄬 𑄘𑄨𑄝𑄢𑄴𑅁 𑄖𑄢𑄬 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄇𑄧𑄣𑄪𑄁, 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄚𑄧 𑄃𑄬𑄣𑄴, 𑄃𑄬𑄣𑄴 𑄝𑄬𑄇𑄴𑄪𑄚𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄨𑄣𑄬 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄘𑄨𑄟𑄴𑅁 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄣𑄬𑅁 𑄖𑄢𑄧𑄛𑄧𑄢𑄧𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄃𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄪𑄁, 𑄗𑄨𑄇𑄴 𑄃𑄊𑄬, 𑄖𑄬𑄟𑄴𑄟𑄋𑄧𑄖𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄘𑄚 𑄥𑄬 𑄥𑄭𑄚𑄴𑄮 𑄘𑄬𑅁 𑄟𑄧𑄚𑄬 𑄚𑄧 𑄇𑄧𑄠𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄘𑄠𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨𑅁
𑄷𑄶 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄜𑄨𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄨𑄏𑄪 𑄟𑄬𑄣 𑄛𑄮𑄃𑄨𑄘𑄳𑄠𑄚𑄬 𑄖𑄬𑄟𑄴𑄟𑄁𑅁 𑄖𑄬𑄟𑄴𑄟𑄋𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄬𑄇𑄴 𑄇𑄢𑄧𑄝𑄢𑄨, 𑄦𑄬𑄓𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄘𑄉𑄨𑄣𑄇𑄴𑅁 𑄃𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄧𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄎𑄪 𑄦𑄧𑄠𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄇𑄨𑄏𑄪 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄣𑄧𑄝𑄢𑄴𑅁 𑄥𑄬𑄎𑄬 𑄝𑄨𑄇𑄥𑄴 𑄦𑄬𑄓𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴𑄬 𑄃 𑄉𑄧𑄉𑄧𑄕𑄴 𑄝𑄨𑄇𑄥𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 (𑄝𑄝𑄪𑄍𑄧𑄓 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴) 𑄣𑄧𑄝𑄢𑄴 𑄡𑄬𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄞𑄬𑄎𑄣𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄞𑄬𑄎𑄣𑄴 𑄦𑄧𑄣𑄧𑄘𑄬 𑄖𑄢 𑄇𑄧𑄠𑄴 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄗𑄚𑄢𑄴 𑄖𑄢 𑄘𑄴𑄝𑄨𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄬 𑄇𑄨 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄚𑄧’ 𑄥𑄪𑄚𑄨𑄣𑄬𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄦𑄣𑄬𑄃𑄨 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄮𑄁, 𑄇𑄨𑄏𑄪 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄥𑄬𑄚𑄬 𑄖𑄢 𑄘𑄴𑄝𑄨𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄚𑄧 𑄘𑄳𑄠𑄪𑄚𑄴𑅁 𑄛𑄧𑄢𑄬𑄘𑄨 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄎𑄬𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄝𑄨𑄇𑄥𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄣𑄧𑄣𑄧𑄁𑅁
𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄡𑄘𑄬 𑄡𑄘𑄬 𑄸𑄹 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 – 𑄝𑄝𑄪𑄍𑄧𑄓 𑄃 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 – 𑄝𑄊𑄭𑄍𑄧𑄓𑄨 𑄃𑄪𑄛𑄧𑄎𑄬𑄣 𑄘𑄧𑄞𑄧𑄘 𑄛𑄧𑄖𑄴𑄗𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄖𑄨𑄚𑄴 𑄇𑄨𑄗𑄳𑄠𑄘𑄨 𑄖𑄨𑄚𑄚𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄧𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧 𑄘𑄨𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄦𑄧𑄢𑄧𑄉𑄬 𑄃 𑄝𑄁𑄣 𑄦𑄧𑄢𑄧𑄉𑄬 𑄣𑄬𑄊 𑄃𑄊𑄬 “𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴𑅁
𑄝𑄬𑄌𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄧𑄠𑄴 𑄚𑄧 𑄉𑄧𑄋𑄬𑄣𑄴𑅁 𑄢𑄬𑄖𑄴 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄥𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄢𑄬𑄖𑄴 𑄿: 𑄺𑄺 𑄟𑄨𑄚𑄨𑄖𑄴𑅁 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄚𑄠𑄨 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄚𑄧 𑄛𑄢𑄴𑅁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄖𑄢𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄚𑄧 𑄛𑄁𑅁 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄃𑄢𑄴 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘𑄢𑄬 𑄎𑄚𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄿: 𑄻𑄿 𑄟𑄨𑄚𑄨𑄘𑄬 𑄃𑄢𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄩𑄢𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄥𑄧𑄟𑄩𑄢𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄧𑄢𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄝𑄨𑄘𑄳𑄠𑄋𑄴 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 𑄗𑄚 𑄇𑄧𑄟𑄨𑄖𑄨𑅁 𑄖 𑄛𑄪𑄎𑄮𑄢𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧𑄖𑄴𑄖𑄚𑄨 𑄇𑄧𑄚𑄳𑄚 𑄇𑄧𑄣𑄴 𑄚𑄬𑄚 𑄘𑄨𑄝𑄢𑄴? 𑄖𑄬 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄠𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄳𑄚 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠𑅁 𑄇𑄧𑄟𑄴 𑄝𑄬𑄌𑄴 𑄥𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄥𑄪𑄚𑄴𑄬𑅁 𑄃𑄟𑄨 𑄡𑄬 𑄥𑄬 𑄎𑄉𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄝𑄚𑄬𑄢𑄴𑅁 𑄖𑄢𑄧𑄛𑄧𑄢𑄧𑄃𑄮 𑄖𑄧𑄌𑄳𑄠 𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄖𑄢𑄬 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄣𑄪𑄁𑅁
𑄸𑄺 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄸𑄶𑄸𑄼, 𑄝𑄬𑄚𑄳𑄠𑄟𑄙𑄚𑄴 𑄷𑄷:𑄸 𑄟𑄨𑄚𑄨𑄖𑄴𑅁 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄛𑄨𑄥𑄨𑄛𑄨 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄖𑄬 𑄟𑄧𑄢𑄬 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄜𑄨𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄡𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄃𑄚𑄴𑄘𑄌𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄪𑄁 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴𑄬 𑄇𑄧𑄢𑄧𑄟𑄴𑅁 𑄖𑄢𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄪𑄁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄃𑄬𑄖𑄴𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇 𑄘𑄬𑄢𑄨 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄛𑄢𑄬𑅁 𑄃𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄷𑄷:𑄸𑄸 𑄟𑄨𑄚𑄨𑄘𑄬𑅁 𑄡𑄘𑄨 𑄡𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄘𑄬𑄢𑄨 𑄚𑄧 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄉𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄃𑄧𑄜𑄨𑄥𑄧𑄖𑄴 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄟𑄨𑄚𑄴𑄖𑄪 𑄘𑄮𑄉𑄢𑄴 𑄟𑄪𑄏𑄪𑄋𑄬𑅁 𑄖𑄢 𑄞𑄣𑄧𑄇𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄝𑄮𑄃𑄨 𑄃𑄊𑄧𑄚𑄴𑅁 𑄇𑄣𑄙𑄧𑄚𑄴 𑄘 𑄃 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴𑄬 𑄥𑄧𑄢𑄬 𑄝𑄮𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄇𑄣𑄙𑄧𑄚𑄴 𑄘 𑄛𑄧𑄢𑄬 𑄃𑄪𑄘𑄨 𑄃𑄬𑄣𑄬 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄟𑄬𑄣𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄡 𑄝𑄬𑄃𑄨𑄎𑄴𑄮𑄖𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄛𑄢𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄢𑄴𑅁 𑄥𑄬𑄎𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄡𑄬𑄙𑄧𑄇𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄳𑄠𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄗𑄁 𑄥𑄬𑄙𑄧𑄇𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄖𑄪𑄃𑄨 𑄟𑄧 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄇𑄟𑄧𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄚𑄧’ 𑄛𑄢𑄨𑄝𑄬𑅁 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄛𑄨𑄓𑄨𑄃𑄬𑄜𑄴, 𑄎𑄬𑄃𑄬𑄥𑄧𑄃𑄬𑄥𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄣𑄮𑄃𑄨𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄧𑄖𑄴 𑄥𑄟𑄨𑄣𑄬 𑄃𑄬𑄣𑄴𑅁 𑄖𑄬 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄇𑄨 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴, 𑄖𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴……𑅁 𑄛𑄧𑄢𑄬 𑄛𑄳𑄢𑄧𑄖𑄨 𑄈𑄩𑄥 𑄘 𑄟𑄘𑄨 𑄣𑄧𑅁 𑄖𑄬 𑄇𑄧𑄠𑄴, 𑄃𑄨𑄚𑄧𑄎𑄬𑄝𑄬 𑄡𑄬 𑄇𑄟𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄬𑄢𑄴 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄇𑄧𑄟𑄴 𑄝𑄬𑄌𑄴 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄬𑄃𑄨, 𑄥𑄪𑄚𑄴𑄬𑄃𑄨𑅁 𑄥𑄬 𑄎𑄉𑄚𑄴 𑄡𑄪𑄚𑄨 𑄎𑄨𑄠 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴, 𑄦𑄘𑄨 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄡𑄠𑄴? 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 (𑄘𑄠𑄴) 𑄖𑄪𑄟𑄨 𑄣𑄧𑄝? 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄝𑄬𑄌𑄴 𑄚𑄧 𑄗𑄬𑄃𑄨 𑄊𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄃𑄬𑄖𑄴𑄬, 𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄘𑄢𑄬 𑄃𑄬 𑄊𑄧𑄘𑄧𑄚𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄮𑄃𑄨 𑄃𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄖𑄬 𑄥𑄧𑄣 𑄘𑄨𑄣𑄴, 𑄚𑄨𑄖𑄨𑄥𑄴 𑄝𑄝𑄪𑄢𑄬 𑄎𑄚𑄬𑄝𑄢𑄴𑅁
𑄊𑄧𑄢𑄧𑄖𑄴 𑄣𑄪𑄟𑄧𑄘𑄬 𑄚𑄧 𑄣𑄪𑄟𑄧𑄘𑄬 𑄘𑄴𑄝𑄨𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄟𑄚𑄪𑄌𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄇𑄴𑅁 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄚𑄮𑄑𑄨𑄥𑄴 𑄛𑄘𑄬𑄣𑄴, 𑄹:𑄹𑄶 𑄟𑄨𑄚𑄨𑄘𑄬𑅁
𑄃𑄬 𑄊𑄧𑄘𑄧𑄚𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨 𑄃 𑄟 𑄞𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄨𑄗𑄳𑄠 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄨𑄟𑄬𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄎𑄬𑄘 𑄘𑄧𑄣𑄨𑄣𑄴𑅁 𑄥𑄧𑄖𑄴 𑄝𑄙, 𑄃𑄧𑄛𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄃 𑄈𑄪𑄘𑄨 𑄟𑄪𑄏𑄪𑄋𑄴-𑄟𑄪𑄏𑄪𑄋𑄨 𑄦𑄧𑄚𑄬𑄃𑄨𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄗𑄬𑄛𑄴 𑄚𑄧’ 𑄛𑄧𑄢𑄬𑅁 𑄃𑄬 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄝𑄚 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄚𑄋𑄴 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄞𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄃 𑄢𑄨𑄘𑄨𑄥𑄪𑄙𑄮𑄟𑄧𑄣𑄠𑄴 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄏𑄢𑅁
𑄸𑄼 𑄟𑄢𑄴𑄌𑄧 𑄸𑄶𑄸𑄼𑅁 𑄥𑄧𑄁𑄥𑄴𑄇𑄢𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄜𑄨𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘 𑄥𑄪𑄟𑄪𑄖𑄴𑄧 𑄡𑄬𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄚𑄮𑄑𑄨𑄥𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄮𑄃𑄨𑄘𑄳𑄠𑄚𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄧𑄝𑄖𑄳𑄠𑅁 𑄃𑄧𑄜𑄨𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄡𑄬𑄝𑄢𑄴 𑄃𑄊𑄬 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄜𑄨𑄝𑄧𑄣𑄧𑄇𑄴 𑄃𑄧𑄣𑄧𑄁𑅁 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄧𑄢𑄬 𑄟𑄨𑄚𑄴𑄖𑄪 𑄘𑄮𑄉𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄘𑄬𑄊𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄥𑄨𑄙𑄪 𑄉𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄟𑄧𑄚𑄬 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄮𑄁 𑄖𑄬 𑄥𑄨𑄠𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄊𑄬𑅁 𑄖 𑄏𑄪 𑄎𑄚𑄬 𑄛𑄪𑄎𑄮𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄣𑄪𑄁 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄘𑄧 𑄇𑄧𑄙𑅁 𑄖𑄢 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄚𑄧𑄢𑄬𑄥𑄴 𑄝𑄝𑄪 𑄥𑄪𑄟𑄪𑄖𑄴𑄧 𑄞𑄣𑄧𑄇𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄃𑄊𑄧𑄚𑄴𑅁 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄣𑄴, 𑄖𑄧𑄢𑄬 𑄘𑄬𑄊𑄨𑄣𑄬 𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄢𑄇𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄬𑅁 𑄖𑄧𑄢𑄬 𑄛𑄧𑄖𑄴 𑄘𑄨𑄠𑄬𑄣𑄨 𑄟𑄠𑄴 𑄟𑄢𑄨𑄟𑄴𑅁 𑄟𑄪𑄃𑄨 𑄃𑄟𑄧𑄇𑄴𑅁 𑄇𑄧𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄚𑄧 𑄇𑄮𑄃𑄨 𑄃𑄧𑄜𑄨𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄡𑄬𑄣𑄪𑄁𑅁
𑄃𑄧𑄜𑄨𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄥𑄨𑄥𑄨𑄖𑄧𑄝𑄝𑄪, 𑄥𑄧𑄟𑄩𑄢𑄧𑄝𑄝𑄪 𑄃 𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄘 𑄥𑄪𑄟𑄪𑄖𑄴𑄧 𑄟𑄬𑄢𑄪𑄁 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄟𑄨𑄚, 𑄘𑄨𑄊𑄩𑄚𑄣 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄌𑄧𑄚𑄴𑄘𑄳𑄢𑄧 𑄢𑄧𑄐𑄴𑄎𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄃 𑄝𑄝𑄪𑄍𑄧𑄓 𑄃𑄨𑄃𑄪𑄚𑄨𑄠𑄧𑄚𑄴 𑄌𑄬𑄠𑄢𑄧𑄟𑄳𑄠𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄉𑄧𑄕𑄴 𑄝𑄨𑄇𑄥𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟 𑄘𑄊𑄨 𑄃𑄬𑄣𑄇𑄴𑅁 𑄇𑄧𑄙 𑄇𑄮𑄃𑄨 𑄝𑄪𑄏 𑄉𑄬𑄣𑄴, 𑄃𑄧𑄏𑄛𑄖𑄴 𑄥𑄴𑄇𑄮𑄠𑄢𑄴 𑄥𑄭𑄚𑄧𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧 𑄎𑄴𑄐𑄚𑄴 𑄞𑄋𑄨 𑄘𑄨𑄠𑄳𑄠𑅁 𑄖𑄢𑄢𑄴 𑄝𑄧𑄢𑄟𑄧𑄖𑄴- 𑄷𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄬𑄚𑄴 𑄚𑄋𑄚𑄴 𑄟𑄭𑄚𑄨 𑄢𑄨𑄥𑄮𑄢𑄴𑄑𑄧 𑄃 𑄇𑄧𑄚𑄴 𑄚𑄋𑄴 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄚𑄧 𑄛𑄢𑄬𑅁 𑄸𑅁 𑄥𑄭𑄚𑄧𑄝𑄮𑄢𑄴𑄓𑄧 𑄘𑄨𑄝𑄢𑄴 𑄃𑄉𑄬 𑄖𑄢𑄢𑄬 𑄎𑄚 𑄚𑄧 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁
𑄟𑄭𑄚𑄨 𑄢𑄨𑄥𑄮𑄢𑄴𑄑𑄧 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄇𑄚𑄴 𑄘𑄮𑄉𑄚𑄴 𑄚𑄋𑄴𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄗𑄬𑄝𑄴𑅁 𑄝𑄬𑄇𑄴𑄪𑄚𑄬 𑄡𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄥𑄭𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄣𑄇𑄴 𑄃𑄢𑄴 𑄇𑄢𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄧𑄢𑄬 𑄎𑄚𑄝𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄚𑄧 𑄚𑄧 𑄃𑄬𑄠𑄬𑄢𑄴𑅁 𑄇𑄨𑄗𑄳𑄠 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄇𑄢𑄧𑄢𑄴 𑄣𑄞𑄴 𑄚𑄬𑄃𑄨, 𑄎𑄪𑄟𑄴𑄧 𑄎𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄟𑄴, 𑄎𑄪𑄟𑄴𑄧 𑄎𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄣𑄞𑄴𑅁
𑄃𑄢𑄴 𑄝𑄪𑄏𑄧𑄘𑄬 𑄘𑄬𑄢𑄨 𑄚𑄬𑄃𑄨, 𑄖𑄢 𑄃𑄢𑄧𑄟𑄨𑄃𑄪𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄪𑄇𑄧𑄛𑄖𑄴𑄨 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄇𑄟𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄚𑄴𑅁 𑄡𑄪𑄚𑄨 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄏𑄧𑄣𑄧𑄇𑄧𑄛𑄧𑄣𑄧𑄇𑄴 𑄦𑄧𑄠𑄴, 𑄃𑄨𑄠𑄚𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄛𑄮𑄖𑄧𑄛𑄮𑄖𑄳𑄠 𑄦𑄧𑄣𑄴𑅁 𑄃𑄚𑄥𑄚𑄴𑅁 𑄥𑄬 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄬 𑄥𑄪𑄢𑄴 𑄟𑄬𑄣𑄬𑄣𑄴 𑄉𑄧𑄉𑄧𑄕𑄴 𑄝𑄨𑄇𑄥𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟𑅁 𑄈𑄧𑄝𑄧𑄢𑄴 𑄚𑄧 𑄛𑄁 𑄃𑄬 𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬𑄚𑄴 𑄘𑄪𑄣𑄧𑄙𑄧𑄢𑄨𑄠𑄳𑄠𑄣𑄮𑄃𑄨 𑄎𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄁𑄍𑄢 𑄇𑄬𑄚𑄬 𑄢𑄧𑄈𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄚?

চাকমা বর্ণমালা: ঐতিহাসিক বিকাশ, বর্ণসংখ্যা বিতর্ক ও আধুনিক মান্যতা- ইনজেব চাঙমা

ভূমিকা চাকমা জনগোষ্ঠীর ভাষা ও বর্ণমালা দক্ষিণ এশিয়ার আদিবাসী ভাষাতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভাষার লিখিত রূপ ...