পোস্টগুলি

চুক্তি!

ছবি
চুক্তি তুই! হিলর নুয়ো রাঙাবেল, জনম তর ২রা ডিসেম্বর ১৯৯৭ ঢুলে ডগরে নকবাচ্যা মানেইয়্য হাদে বর্মা বিষ্ণু শিব নারায়ণ বঝনে, লিঘি দিলাক ত’ ভাগ্য। হিলর গাচ্-বাজে, নানাঙ পশু-পকি্খ রিঝেং-তানঝাং, মোন-মুরি, চেঙে মিঙিনি কাজালং শঙ্খ মাতামহুরী ফেনি বগুত খুউজিয়ে তবোল বেয় যায় ত’জনম   পুরে। অধিকার নেই মানেইয়ে, লেং-আদুর পরান বলায়ে রেঙ দিলাক, উবগীদে ভরি তুলিলাক্ চিদ আরিয়ে। জুম্মউনে ধুদুক হেঙগরঙ চিঙে বেই বেই আদামে আদামে গীদে রেঙে তুলন ভরি। চাদে চাদে ২০বয়জ অলে, কারর মুহত হাজি ন ফুদেলে! বেগরে দিলে এক বুক আভিল্যাচ। চুক্তি তুই! বানা কাগজত আঘচ, কালে কালে সা ক্ষ ী অই থেবে। তরে র ক্ষে গরিবাত্তে এক ঝাক লরবো লরদন, হিলর আভা ফিরে আনিবাত্তে। নেইয়্যা নাধা দুগী মানুজর ভাগ্য বদলেবাত্তে। ২০ বজরে এয ফুল ন ফুদিলাক, মোন-মুরো তাক্কুল, রিঝেং-তানঝাং সুধো উগুম্যা দেবা সান; দরদর থরথর গরি জীংহানি গঙাদন।

ভাষা জাতীয় স্বকীয়তার প্রতীক। আর বর্ণমালা হলো তার অন্যতম ধারক ও বাহক। (চাঙমা লেখা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট বিতরন অনুষ্ঠানে বক্তারা)

ছবি
দিঘীনালা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুসময় চাঙমা বক্তব্য রাখছেন। ভাষা জাতীয় স্বকীয়তার প্রতীক। আর বর্ণমালা হলো তার অন্যতম ধারক ও বাহক। কেননা বর্ণমালার মধ্যে দিয়ে জাতীয় বুদ্ধি ও চিমত্মা-চেতনা বিকাশ ঘটে। চাকমাদের বর্ণমালা থাকার এবং বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা হওয়ার সত্বেও সে প্রাণ প্রিয় বর্ণমালা ও ভাষা চর্চা না থাকার বা না   শেখার ২০১৭ সালে মাননীয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পাঁচটির ভাষার প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিজস্ব ভাষা বই দেওয়ার সত্বেও শি ক্ষ ক/শি ক্ষি কারা পড়াতে পারছেনা। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। বলাবাহুল্য, এক সময় নিজস্ব বর্ণমালার ব্যবহার গ্রামের বৈদ্যদের তালিকশাস্ত্র ছাড়া আর কোথাও লজ্জাজনক ভাবে অনুপস্থিত। তেমনি ইদানিং, চাঙমা বর্ণমালা শি ক্ষ া বই যেখানে সেখানে পাওয়ার সত্ত্বেও এখনো পর্যমত্ম চাঙমা সুধী মহলে কাছে তার প্রভাব পরিল ক্ষি ত দেখা না গেলেও   কলেজ   ও স্কুলে ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে নিজ ভাষা ও বর্ণমালা শিখার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে আশা ব্যক্ত করেন   চাঙমা লেখা শি ক্ষ ার্থীদের সার্টিফিকেট বিতরন অনুষ্ঠানে বক্তারা। আজ সকাল ১০টায় বাবুছড়া ফেন্ডশিপ স্কুল...

ধনপুদি! ইনজেব চাঙমা চারু

ছবি
ধনপুদি! তুই এধক্যে কি বারিযে দেবাসান উরগুম্যা গরি থাচ, দ্বি চোগ পাদা এক ন গরচ রেত-দিন কি চেই আঘচ দগিন মুখ্যা ম’গরি? থেপ থেপ ঝরি পরের লো চিমচিম্যা ডুলুবাজ ধুলুগত ঘা অয়্যা জাদর কজমা বুগত; সিআন্নোই কি চিদে গরি আঘচ? ধনপুদি! তুই ন কানিচ, চিদে ন’ গরিচ, দাদা রাধামনে ফিরি এব, মা’ মেদেনী হিল চাদেগাঙরে আঘ সান ফিরি পেবং। সক্যে, চেঙে মিঙিনি কাজালং পানি নালে বাজি যেব জাদর দুগ এ্যাইল এ্যাইল তারুম বন এ্যালেব গাজে গাজে ফুল ফুদিোক ভমরা উরিবাক, পেইকে চিদ সুগে গীত শুনেবাক। ধুদুক হেঙগরঙ চিঙে র’য়ে ভরি উদিব সাজ লামিলে আজু নানু পজ্জন শুনেবাক, চিদ-মন সুগ নুয়ো বো গাঙত যেবাক। ন থেব দরদর থর থর হিলর আভা পিরিব।

এসো হে বীর জুম্ম

ছবি
এসো হে বীর জুম্ম, বীজলীর মতো ঘরের কোণে বসে থাকোনা আর সুপ্ত মতো। প্রভাত যখন এসে থাকে আধার যায় দূরে সূর্য্য উঠিলে সকলকে আলোদান করে। এসো জুম্ম বীর তোমরা জুম্ম জাতীয় প্রাণ রক্ত দিয়ে মাতৃভমির রাখিবে জাতীয় মান। সুপ্ত বীজের মতো শুয়ে থাকনা ঘরের কোণে জ্ঞানের প্রদ্বীপ জ্বালিয়ে তোমরা তাকাও মাতৃভূমির দিকে। অত্যাচারে জর্জরিত নিপিড়নে কত? নির্যাতনে অবহেলীত আছে জুম্ম জাতি যত। এসো বীর জুম্ম বীরের পরিচয় দাও, বীর বলে গর্ব করে বসে না থেকো। বাঘের বাচ্চা বাঘ হয়, হয়না তো শৃগাল, চিংড়ি বাচ্চা চিংড়ি হয় সেতো না মৃগাল। জুম্ম জাতীয় মান জুম্ম জাতীয় প্রাণ চাপা দিয়ে রাখিয়াছে বাংলার উগ্র মসুলমান। ভয় নাই ভয় নাই এসো হে, বীর জুম্ম জাতির জোয়ান, রক্তের বদলে আনি আমরা স্বাধীনতামান।

হে তরুন!

ছবি
হে তরুন! তোমরা নিশ্চয় জানো শোষণ মুক্ত আলোকজ্জ্বল কল্যাণময় ন্যায় নিষ্ঠা জীবনই জীবন; তবু কেন খাঁচায় আবদ্ধ পাখির মতো জীবনকে করেছো তিলে তিলে ক্ষয়। হে তরুন! তোমরা তো প্রাণ চাঞ্চল্যে ভরপুর অফুরন্ত প্রাণ শক্তি অধিকারী, অসত্য অন্যাকে পদদলিত করে পরাধীনতা শৃঙখল ভেঙ্গে; সত্য সুন্দর সমাজ গড়বে পৃথিবী। হে তরুন! নদীর বহমান ধারা মতো সামনে হেঁটে চলো অবিরাম, তোমরা তো পৃথিবীর অবিচল শক্তি দমে যেওনা স্থির হয়ে থেকোনা, নির্যাতীতা শোষিত জুম্ম জাতিকে দিতে হবে ত্রাণ। হে তরুন! হাজার প্রতিকলতাকে দু’পায়ে মারিয়ে দুঃসাহসিকতা সাথে দুর্জয়কে কর জয়, বিপদ সংকুল অন্ধকার পেরিয়ে জ্ঞানে মশাল জ্বালিয়ে আলোকজ্জ্বল কর চট্টলাকে। হে তরুন! তোমরা জাতির আশা ভরসা জুম্ম জাতির শক্তির মূল উৎস সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ জাতি সন্ধান দিতে তুমিও একমাত্র হাতিয়ার। (১৯৯৯খ্রিঃ ছাত্র জীবনে লেখা)

বানা চাঙমা ভাচ নয়, বাংলা দেশ অইন্যাই বাংলা ভাচআন ইরুক দিনত দাঙর উমগি মুহত আঘে- মো: আবুল হাসেম ভূইঁয়া, মাটিরাঙ্গা সার্টিফিকেট দেনাখলাবোত

ছবি
“ত্রিশতিন জাদির ভাচ পারানা এক্কান দাঙর গুন মাত্তর, বেগ আগে নিজ’ ভাচ্, নিজ’ লেঘা শিঘানা সাতকাম” এই মুলুক কধাআন মুজুঙে রাঘেই এচ্যে ৩নভেম্বর ২০১৭ই শুক্কবার বেন্যা মাধান ১০ অক্ত খাগাড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলাত বরঝালা সরকারী প্রাথমিক ইচকুলত সাঙু পাঠাগার আ চাঙমা সাহিত্য বা উদ্যোগে চাঙমা লেঘা পর্বোয়াউনরে সার্টিফিকেট দিয়্যা অয়্যা। খলাবুত নকবাচ্যা গরবা এল মোঃ আবুল হাসেম ভূইঁয়া, কমিশনার, ৭নং ওর্য়াড মাটিরাঙ্গা পৌরসভা, দাঙগু সুভাষ চাঙমা(সাঃ সম্পাদক, বাঃ আওয়ামীলীগ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা শাখা)মুলুক গরবা ইজেবে খলাবুত থেবার কধা থেলেয়্য নানাঙ অনটনে এ্যাই ন’ পারে। খলাবোত দাঙগু বিমল চাঙমা এ্যাই ন পারানা খলানানু বানা অয়্যা দাঙগু মঙ্গল কুমার চাঙমা। দাঙগু বৃষমোহন চাঙমা কধা কাবিলে খলাবো আরগানি গরা অয়। চাঙমা সাহিত্য বা আ সাঙু পাঠাগার এওজি ইজেবে খলাবোত মু দেঘা যিয়ে, দাঙগু ইনজেব চাঙমা, বিকেন চেগে আ দাঙগুবী শ্রেয়সী চাঙমা। নকবাচ্যা গরবা ইজেবে আবল হোসেমে কোইয়ে, বানা চাঙমা ভাচ নয়, বাংলা দেশ অইন্যাই বাংলা ভাচআন ইরুক দিনত দাঙর উমগি মুহত আঘে।তেহ্, বেক্কুনরে নিজ নিজ মা-ভাচ চচযা গরিবাত্তে কুজোলী গচ্চে। খলাবো...