পোস্টগুলি

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ১৯৯৭ এর সব ধারা সমূহঃ

ছবি
  পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ১৯৯৭ এর সব ধারা সমূহঃ =========================== পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের চলমান রাজনৈতিক সমস্যা সংকট ও অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানির অবসান ঘটিয়ে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ১৯৯৭ সাথে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেএসএস সন্তু লারমা মধ্যকার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি (পিসিজেএসএস)-এর মধ্যে সম্পাদিত ১৯৯৭-২ রা ডিসেম্বরের সম্পাদিত চুক্তির সম্পূর্ণ ধারা সমূহ । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তরফ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার অধিবাসীদের পক্ষ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নিম্নে বর্ণিত চারি খন্ড (ক, খ, গ, ঘ) সম্বলিত চুক্তিতে উপনীত হইলেন: (ক) সাধারণ ১) উভয়পক্ষ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলকে উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল হিসাবে বিবেচনা করিয়া এ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ এবং এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন অর্জন করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করিয়াছেন; ২) উভয়পক্ষ এ চুক্তির আওতায় যথাশিগগির ইহার বিভিন্ন ধারায় বিবৃত ঐক্যমত্য ও পালনীয় দায়িত্ব অ...

আজ নৃশংস নানিয়াচর গণহত্যা

ছবি
  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়াচর একটি উপজেলা। উপজেলা সদরেই নানিয়াচর বাজারটি গড়ে উঠে। ১৯৯৩ সালে ২রা নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মদের বিষাদময় ইতিহাসে নানিয়াচর গণহত্যার ঘটনা এই বিংশ শতাব্দীর অন্যতম নৃশংস সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক হত্যাকান্ডগুলোর এক নতুন সংযোজন বলা চলে। রাঙ্গামাটি থেকে ২০ মাইল উত্তরে হ্রদ বেষ্টিত নানিয়াচরের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে পানির পথে নৌযান। লঞ্চঘাটের একমাত্র যাত্রীছাউনিতে দীর্ঘদিন ধরে ৪০ ইবিআর, রাষ্ট্রীয়বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়ে পাহাড়ী বৌদ্ধ যাত্রীদের নিয়মিত তল্লাশি নামে হয়রানি-নির্যাতন চালানো হতো। এখানে কর্তব্যরত রাষ্ট্রীয়বাহিনীর সদস্যরা পাহাড়ি বৌদ্ধ নারীদের উত্যক্ত করতো দীর্ঘ দিন ধরে। ২৭শে অক্টোবর খাগড়াছড়ি গামী পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দকে আটকে রেখে হয়রানি, নির্যাতন চালানো ও নেতৃবৃন্দকে খাগড়াাছড়ি পায়ে হেটে যেতে বাধ্য করা হয়। তাই পাহাড়ি বৌদ্ধ ছাত্র সমাজ হয়রানি আটকের প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকারের দাবীতে সোচ্ছার হয় এবং বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্নভাবে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ১৭ নভেম্বর সংঘটিত এই বর্বর গণহ...

রক্তাক্ত ১০ই নভেম্বর

ছবি
সেই এক হৃদয় বিদারক, বিভীষিকাময় ঘটনা, উদ্বেলিত হৃদয়ের রক্তকণিকা খসে পড়া একটি মুহুর্ত…। অসংখ্য তারকাখচিত উদার আকাশ থেকে হঠাৎ যদি কোন উল্কাপিণ্ড খসে পড়ে মানুষের চমক লাগার মত কিছুই নয়; কিন্তু উজ্জ্বল শশীকলার আলোর বন্যায় যদি রাহুগ্রাসে হঠাৎ বিষাদের কালো ছায়া নামে তাহলে সারা দুনিয়ার মানুষ ব্যথিত ব্যাকুল ও হতচকিত না হয়ে পারে না। বিশ্বের বিভিন্ন জাতির ইতিহাসে যেমনি রয়েছে সেই অতি শোকাবহ ও বিষাদের কালো দিন, তেমনি রয়েছে আমাদেরও। জাতীয় অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে আমরাও জুম্ম জনগণ করে যাচ্ছি প্রতিবাদ, পাশবিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম আর ষড়যন্ত্র ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছি প্রতিরোধ। তাই স্বভাবতই যাবতীয় অত্যাচারী শক্তি ও ষড়যন্ত্রকারী ভণ্ডামীই হয়েছে আমাদের শত্রু। সেই ভণ্ড শত্রুদেরই বিষাক্ত নখের আঁচড়-জাতীয় ইতিহাসের সব চাইতে জঘন্যতম, ঘৃণ্যতম ১০ নভেম্বর – যা গোটা বিশ্বকে করেছে হতবাক আর জুম্ম জাতি হয়েছে সান্ত্বনাহীন ব্যথিত ও শোকাভিভূত। জুম্ম জাতির ইতিহাসে গিরি-প্রকাশ-দেবেন-পলাশ চক্র (গিরি – ভবতোষ দেওয়ান, প্রকাশ – প্রীতি কুমার চাকমা, দেবেন-দেবজ্যোতি চাকমা ও পলাশ – ত্রিভঙ্গিল দেওয়ান) ...

১০ নভেম্বর পোইদ্যানে: ঈমে Injeb Changma

ছবি
১০ নভেম্বর পোইদ্যানে:  ঈমে ও নাদিনলক! দেবাবো চোক চোক কালা পুগে উত্তুরে ঘরত এয’ ঘরত এয’ ন’ দ-র’নে-ই! বাবর লাগত ন’ প’এয? ও আজু , এচ্যে তেহ্ বল পিয়ে লাগের, গম লাগের মনত ঝর এযোক, বোইয়ের এযোক বোক আর’ ভুজোল যদক্কন ন’ উদিব পির, ন’ ফিরিবং আমি ঘরত। জীবনান বাজি থেলে কদক আর খারা খেলে পারিবা পুগে উত্তুরেদি রিনি চ’ ধুমো উড়ের মাদিত ফেল্লে কালা। দেঘিনেই মরদ’ কাবে পেদ তিলোই আন্ধার অই এযের সংসারান ইক্যে এভ’ ঝর-বোইয়ের আয় থাক্কে এয’ ঘরত ন’ খেলেয়্য আর খারা। ও আজু, ইরবান দে ফিবেক কাবা দর গরি সমে থাগ’ তুমি ঘরত জীঙকানি যুনি দিয়্যা পরে দিবং আমি এ খারাত। যদ’ দরায় তত লরাই মামা কয় বার বার এ খারা ওদি গেলে এধক্যে দোল দেচ ন’ পেবং আর। সুগর আঝায় বাহ্ বানিলং রাঙামাত্যাত ধাবা খেই চাদিগাঙত্তুন কাপ্তে গধা বানি আঝা সবনর ভুদি ধুবে দিল চিদ’ মনত্তুন। বানা পরানানিলোই উদি এলং ছিদি পরলং কোণা-কুণি সেরে সিয়ানিয়্য চোগশাল তারার কারি নেযাদন বলে বলে। সেনে, ফিরি ন’ এবং আমি ঘরত কন’ দিন পির ন’ দিলে। https://linkeei.com/post/21217_১০-নভ-ম-বর-প-ইদ-য-ন-ঈম-স-ন-ন-ইনজ-ব-চ-ঙম-ও-ন-দ-নলক-দ-ব-ব-চ-ক-চ-ক-ক-ল-প-গ-উত-ত-র-ঘ.html https://www.li...

রাষ্ট্র বলে- “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” তাহলে এটি কেন হচ্ছে? আমরা সংখ্যালুঘু বলে তাই? উভয়তো ধর্ম বলে করা হচ্ছে।

ছবি
রাষ্ট্র বলে- “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” তাহলে এটি কেন হচ্ছে? আমরা সংখ্যালুঘু বলে তাই? উভয়তো ধর্ম বলে করা হচ্ছে।