পোস্টগুলি

বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ৮ দফা দাবীনামা পূরণের দাবিতে মাননীয় উপদেষ্টার সমীপে স্মারকলিপি

ছবি
  বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ৮ দফা দাবীনামা পূরণের দাবিতে মাননীয় উপদেষ্টার সমীপে স্মারকলিপি তারিখ: ২৪ আগস্ট, ২০২৪ মাননীয় উপদেষ্টা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বাংলাদেশ। বিষয়: পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্দলীয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের "সংঘাত ও বৈষম্যবিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন" -এর পক্ষ হতে ৮ দফা দাবীনামা উল্লেখপূর্বক উপদেষ্টা মহোদয়ের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান। সম্মানিত মহোদয়, প্রারম্ভে "সংঘাত ও বৈষম্যবিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন" -এর পক্ষ থেকে আপনাকে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সেই সাথে কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সাধারণ ছাত্র সমাজের গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে এক বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের সূচনা ঘটাতে গিয়ে যে সকল বীর ছাত্র-জনতা আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের সকলকে বিনম্রচিত্তে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। ছাত্র জনতার এই আন্দোলন ছিল নবদিগন্তের এক বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মানের গণ-বিপ্লব। আমরা "সংঘাত ও বৈষম্যবিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্...

উপেন্দ্র লাল চাকমার ভূমিকা[পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিবাহিনী জিয়া হত্যা মনজুর খুন: মহিউদ্দিন আহমদ]

ছবি
  উপেন্দ্র লাল চাকমার ভূমিকা [i] পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি আলোচনায় উপেন্দ্র লাল চাকমা সরকার ও শান্তিবাহিনীর মধ্যে দূতিয়ালি করেছেন বললে কম বলা হবে। তিনি অনেক ক্ষেত্রেই ছিলেন অনুঘটক। তবে তাঁর পথটি মসৃণ ছিল না। অনেক সময় তাঁকে দুপক্ষের মধ্যে ' ক্রসফায়ারে ' পড়তে হতো। সব সময় সব পক্ষের মন জুগিয়ে চলা ছিল রীতিমতো কষ্টকর। শান্তি আলোচনার সূচনাটি হয় ১৯৭৯ - ৮০ সালে , যখন চট্টগ্রামে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন মে . জে . মনজুর। পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মনজুরের দৃষ্টিভঙ্গিতে ফারাক ছিল অনেক। এর এক পর্যায়ে জিয়া ও মনজুর দুজনই নৃশংসভাবে নিহত হন। তাঁদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতির কোনো সংযোগ আছে কি না , তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। এরপর সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ১৯৮৪ সালের ২৩ জুন তিনি উপেন্দ্র লাল চাকমাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। মাত্র ছয় মাস তিনি এ ...

ইউপিডিএফ (প্রসীত) এর ঐক্যের ডাক বর্তমান সময়ে সর্বোচ্চ ধোঁকাবাজি

ছবি
  প্রিয় জুম্ম জনতা, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) পার্টির পক্ষ থেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আপনারা জানেন, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, সেটাকে কেউ কেউ আরব বসন্তের আদলে বাংলা বসন্ত আখ্যা দিয়েছেন। কিন্তু এটা ঠিক, হাসিনা সরকার পতনের পর দেশের শাসন ব্যবস্থা আংশিক মেরুদন্ডহীন হয়ে পড়েছে। দেশের সদ্য শাসন ক্ষমতা প্রহণকারী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অরাজক পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হচ্ছে। দেশের ভঙ্গুর এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে ইউপিডিএফ (প্রসীত) পাহাড়ে পার্বত্য বসন্ত আনার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। হঠাৎ করে পাহাড়ের তরুণ প্রজন্ম ছাত্র জনতাকে লেলিয়ে দিয়ে দেয়াল লিখন, প্রতিবাদী লেখা, সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী অংকনের মাধ্যমে আন্দোলনে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের এই উদ্দেশ্য দিবালোকের মতো পরিস্কার যে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যাল এর শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যা করার পর দেশের আপামর জনতা যেভাবে ফুঁসে উঠেছিল, ইউপিডিএফ (প্রসীত) একই কৌশল অবলম্বন করছে, পাহাড়ে যদি প্রশাসন কর্তৃক ছাত্র জনতার উপর মারমুখী আচরণ করে, তাহলে তারা এই ফায়দা লুঠবে শতভাগ। ...