পোস্টগুলি

পীরেন স্নাল : মধুপুর ইকোপার্ক বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ

ছবি
পীরেন স্নাল। ছবি : সংগৃহীত ‘‘পাখির স্বভাব পাখির মতো উড়বে বলে বন পাহাড়ে উড়ে ঘুরে গাইবে বলে লাল সে মাটির গন্ধ বুকে পুষবে বলে সবুজ মায়ার বাঁধন অটুট রাখবে বলে শাল বৃক্ষের মতোন সিনা টান করে সে মানুষ হয়ে বাঁচতে পীরেন জান দিয়েছে।’’ পীরেন স্নালকে নিয়ে গানের দল মাদলের গাওয়া এই গানে ফুটে উঠেছে স্বাধীন সংগ্রামী চেতনা তথা তাঁর মহান আত্নবলিদানের কথা। কে এই পীরেন স্নাল? কি তার অবদান? কেন তাকে আত্নবলিদান দিতে হল? জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষা, আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার লড়াইকে শাণিত করতে এইসব নতুন করে ভাবতে হবে। পীরেন স্নাল। মধুপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিপ্লবী এক নাম। আজকের ইকো-পার্কহীন মধুপুর গড়ায় যার অবদান অসামান্য। তাঁর অবদানকে স্বীকার করেই মধুপুরের অধিকার রক্ষার আন্দোলন এগিয়ে নিতে হবে। টাঙ্গাইলের মধুপুর গারো, কোচ, বর্মণ, মান্দাই জাতিসত্তার আদি বসতি। ...

শিলুন্যা আদামত চাঙমা লেঘা শেঘানা পোইদ্যানে এক্কো তেম্মাঙ খলা অই যিয়ে:

ছবি
  সুনানু সুকেশ চাঙমা , সাবেক্কং এওজি, চাঙমা সাহিত্য : সাবেক্কং নান্যাচরর সাবেক্কং ইউনিয়ন শিলুন্যে নাঙে আদামত এচ্যে চাঙমা লেঘা শেঘানা পোইদ্যানে আদামর মাস্টর আহ্ মুরব্বীদাঘিলোই এক্কো তেম্মাঙ খলা অই যিয়্যা। তেম্মাঙ খলাবো কধা পুচ্চোনিত এল’ চাঙমা সাহিত্য বাহ্ পত্রিকা সাবেক্কঙ ইউনিয়নর এওজি সুনানু সুকেশ চাঙমাদাঘি।মুলুক গর্বা ইজেবে এলাক্ আদামর্ প্রাইমারি স্কুলর হেড মাস্টর সুনানু সজীব চাঙমাদাঘি আহ্ ইউনিসেফ স্কুলর মাস্টর - সুনানু জমায়া চাঙমা আহ্ সুনানু রেমি চাঙমাদাঘি। দাঙর গর্বা ইজেবে আদামর কার্বারি সুনানু অনুনয় চাঙমাদাঘি থেবার আওচ গরলেয়্য থেই নপারে। তেম্মাঙ্ খলাবোর খলানানু ইজেবে আজিল এলঅ’ চাঙমা সাহিত্য বাহ্ - নান্যাচর ধেলা ভান্ডালি কাবিদ্যাঙ সুনানু কাহিনী চাঙমাদাঘি। তেয়্য এ খলাবোত খলানানু। আর’ আজিল এলাক্ আদামর মুরোব্বীলক্ আহ্ আদামর গাবুজ্যালক্। তেম্মাঙ খলাবোত বেগে মনত্তুন ছাগি তুলি কলাক “চাঙমা লেঘা, জাদর লেঘা শিঘানা সাতকাম। খলানানু কাহিনী চাঙমাদাঘি কলাক ," করোনা দঙ্গাপির...

গুইমারার হাফছড়ি ইউনিয়নের পক্ষীমুড়ো এলাকায় নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপনের পাঁয়তারা

ছবি
সেনাক্যাম্প স্থাপন করার জন্য জায়গাটি বাঁশ দিয়ে ঘেরা দেওয়া হয়েছেখাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের অন্তর্গত পক্ষীমুড়ো এলাকার হাতিমুড়ো নামক স্থানে পাহাড়িদের জায়গা জবরদখল করে নতুন একটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের পাঁয়তারা চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। উক্ত জায়গাটি আগে মহালছড়ি উপজেলাধীন ছিল। বর্তমানে গুইমারা উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। জানা গেছে, উক্ত জায়গায় ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ২৮ - ৩০ জুন ২০২০ তিনদিন ধরে মহালছড়ি জোন থেকে একদল সেনা সদস্য সেখানে অবস্থান করে। এ সময় তারা পার্শ্ববর্তী গ্রামের কয়েকজন কার্বারীকে ডেকে নিয়ে ওই স্থানে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলে জানায় এবং জঙ্গল সাফ করা ও মাটি কেটে সমান করার নির্দেশ দেয়। এছাড়া ওই জায়গায় কেউ যেতে পারবে না, এমনকি আশে-পাশে গরুও চরাতে পারবে না বলে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। বর্তমানে ওই জায়গাটি চারপাশে বাঁশ দিয়ে ঘেরা দেওয়া হয়েছে। টাঙানো হয়েছে লাল পতাকাস্থানীয়রা পাহাড়িরা এ প্রতিবেদককে জানান, যে জায়গায় ক্যাম্প স্থাপনের পাঁয়তারা চলছে ওই জায়গায় কয়েক বছর আগে তারা একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং টিলার মাটি কেট...