পোস্টগুলি

জাদর সেবক নোয়ারামা চাঙমা ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষীকি: নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ

ছবি
  নোয়ারাম চাঙমার অপ্রকাশিত বই “আঞ্জি” দেখাছেন সুনানু আর্য্যমিত্র চাঙমা, চাঙমা লেখক সদস্য, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- বাংলাদেশ। চানে সূর্য্যে সদর ভেই ঝু জানাঙর ভূমিত থেই।   আজ ৮ নভেম্বর ২০২২ খ্রি. ২৩ কাদি ১৪২৯ বাংলা , ২৫৬৬ বুদ্ধ বঝর , মঙ্গলবার । সুনানু নোয়ারামা চাঙমা ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষীকি উপলক্ষ্যে নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ এর পক্ষ থেকে মহান ব্যক্তিকে স্মরণ করা হয়েছে অনলাইনে মাধ্যমে। ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী অনলাইন অনুষ্ঠানে সংযুক্ত থেকে মূল্যবান বক্তব্য রেখেছেন চাকমা লেখক সদস্য, সাবাঙ্গি , জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড - বাংলাদেশ ও চাকমা ভাষা গবেষক, ঔপন্যাসিক   সুনানু আর্য্যমিত্র চাকমা ও নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সুনানু ইনজেব চাঙমা। নোয়ারাম চাকমা জীবনি পাঠ করেন সুনানু রিয়াজ জ্যোতি চাঙমা, নোয়ারাম চাকমাকে নিয়ে কবিতা পাঠ করেন সুনানু সুচিন্তা চাকমা প্রমুখ। নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পাঠ করেন সুনানু অপনিকা চাঙমা। বক্তারা বলেন, নোয়ারাম চাকমা এমন একটি ব্যক্তি যিনি নিবেদিত প্রাণ হয়ে চাকমা ভাষা, ব...

৩৩ বছর পর এম এন লারমার জন্য সংসদে শোক

ছবি
  ৩৩ বছর পর এম এন লারমার জন্য সংসদে শোক মৃত্যুর ৩৩ পর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা ও সাবেক সাংসদ মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ওপর শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদ। আজ রোববার দশম জাতীয় সংসদে দ্বাদশ অধিবেশনের প্রথম দিনের বৈঠকের শুরুতে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করলে তা গৃহীত হয়। শোকপ্রস্তাবে বলা হয়েছে, মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা (এম এন লারমা) ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার খেদারছড়ার থুম এলাকায় ‘বিভেদপন্থী গিরি-প্রকাশ-দেবেন-পলাশ চক্র’ নামের একটি সশস্ত্র গ্রুপের আক্রমণে নিহত হন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর। স্বতন্ত্র হিসেবে তিনি ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের এবং ১৯৭৩ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র সাংসদ নির্বাচিত হন। এম এন লারমা জনসংহতির বর্তমান নেতা সন্তু লারমার বড় ভাই। ৩৩ বছরে পরে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করার কারণ সম্পর্কে সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার পরিচালক মোতাহের হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রেওয়াজ অনুযায়ী কোনো সাংসদ মারা গেলে তা সংসদের পরের অধিবেশনের প্রথম দিনে শোকপ্রস্তাব আকারে গ্রহণ করা হয়। কিন...

আমি চাঙমা সাহিত্য বাহ্’ত্তুন পদত্যাগ ন’ গরি, গচ্ছেই দেবপ্রিয় সাহিত্য বাহ্’ত্তুন সুনানু ইনজেব চাঙমা

ছবি
যে লাম্বা ১৮ বঝর ধুরি চাঙমা লেঘা শেঘানা কামান এগাচিত্তে এগামনে নিআলচি গরি যার তে অহ্’ল সুনানু ইনজেব চাঙমা। তার জনম ১৯ ডিসেম্বর ১৯৮১ খ্রি. বাজেইছড়া ২৯ নং ছোট মেরুং মুউজ চাঙমা সার্কেলত। চাঙমা লেঘা শেঘানা সমারে চাঙমা সাহিত্য পত্রিকা, হিল চাদিগাং, জুম চাব, মেদিনি আ জুম নাঙে ম্যাগাজিন কাবিদ্যাঙ গচ্ছে। তাত্তুন চাঙমা সাহিত্য পত্রিকা “চাদি” এ এজাল কাবিদ্যাঙ সুনানু বর্ষা চাঙমা আ সুনানু ধর্ম বিকাশ চাঙমাদাঘি মুঝুঙ’ পুজোর জোপ লুয়ন।   চাদি: সিঝি বেন্যা মাধান আ ঝু ঝু। ইনজেব: তমারেও সিঝি বেন্যা মাধান আ অতালিয়ে কোচপানা।   চাদি: কেঝান আঘচ দা? ইনজেব: গাউলি গম আঘং।  চাদি: চাঙমা সাহিত্য, ভাচ আ ওক্কোর নিনেই যে কাম গরর কেঝানচলের? ইনজেব: খুপ গম চলের। কিত্তে? ইরুক পিড়িউন ঘুমত্তুন জাগিলাক। তারা আজার দুগর সেরে সেরে নিজ’ গধেল কিঝু অপুরন থানার পরও জাদত্যাই লেঙে লেঙে, ফোবে ফোবে কাম গরি যাদন।  চাদি: চাঙমা লেঘা শিঘানা চিদেয়ান কেনে সমেল? ইনজেব: আচ্ছা, দোল এক্কান পুজোর। এ কধা কদ’ যেলে পল্যা পিচ্ছে ফিরি চেই পেবং। সে ১৮৬০ সালত ব্রিটিঝে পার্বত্য চট্টগ্রামান দঙল গরানা পর চন্দ্রঘোনা বোর্ডিং ইক্কুল নাঙে এ...

চাঙমা গান- সাত্তো: সুনানু ইনজেব চাঙমা

ছবি
 ১ স্বাক্ষি থেব’ বিজগত যুক যুক ধরি তোমা নাঙ স্বাক্ষি থেব’ বিজগত তোমা গুনে আন্ধার রেত ফুদি গেল’ পহ্’র। মা-বোন মেয়্যা বেক ছারি লাম্মো জাত ভিলি ফেলে যেয়ো ঘর ঝাগে ঝাগে সুর গরি। সুক কি জিনিচ ন’ পেলা ন’ দ’ চিনিলা ঝারে ঝারে ঘুরিলা রোত পুরি ঝরত ভিজি। পরান দিলা আমাত্যাই জুম্ম জাদত্যাই পিড়ির পর পিড়ি বাজি থেবা তুমি জুম্ম জাদ’ ইধু। ২ আমাহ্ত্যাই যারা আমাহ্ত্যাই যারা ফেলাদন ঘাম তারারে দ্যুঙর মুই ঝু ঝু মা-ভোন, বাপ -ভেই জাদর চিদেই নহ্ পাদন তারা ঘুম। পথ দেঘে দিয়্যা যে আমাহ্’রে ঝু দ্যুঙর লারমারে বর মাগঙর দিবাত্যাই আমাহ্’রে তা তেজআন। লারমা নীতিআন ধরিনেই গাভুজ্যা পুঅ/ছা মিলিনেই ঘাম পুজিবার সময় নেই কোজে যাদন রান। আতলাক বন্দার এক্কান ইমে সরান পেবার লাড়েই ন’ খেমিবং কন’ জন থাক্কে পরানান। ৩ সমক খেই সমক খেই উজেবং মুঝুঙে মরন আমি ন’ দরেবং আর কয়দিন গায়সুয়েবং ভারি বেচ গত্তন। তাগল কুরোল জাদি চ’ মুঝুঙত যিয়ান সিয়ান ল’ শুন’ ভেই-ভোন লক মা-ভোন কানদন। পিত ন’ লামিবং কন’ জন জীবন যেক্কে গোচ্ছেই পন শুনি থাগ’ দাগি কধন মা-বোন ঝাবাদন। নহ্ বাজিবং কিঙুরি মুরি জুনি ন’ পারি উজে এজ’ ধারাদিঘলি জম্ম জনগণ। ৪ যেই যেই যেই যেই যেই যেই ...

ধনপুদির আল্যাঙ

ছবি
  ধনপুদির আল্যাঙ বা-রা বেগে বানান্দৈ বাজার গোরি আন্যন্দৈ পোহ্’ত্যা দগল্য মোনবগা কেল্যা যেবাক  জুম কাবা। তেম্মাং যেক্কে ফুরেল ধন্নুয়া রাধারে দাগিল। বরগি সুদ’ তুম গোচ্যা বোচ্যন ইজরত জুন পোরজ্য। পুগ’ কেত্যা চানন্দি মুয়োমুয়ি বোচ্যান্দি উত্তে চানান পুগেদি দোল অইয়েদে পহ্’রেদি। জুন’ পহ্’র রেদোমায় কোচ্যা মাদানান ভাঝি যায়। ফুল’ বিজন বিজিনে কধা কধন দ্বিজনে। বোচ্যে ধন্নুয়া সাজিপের দাদা রাধারে বিজি দের। দেব’ ধর্ম মানিচ্ছোই সচ্চেক তাগলক লোই দিচ্ছোই। ফুল’ গামছার বেইন গরং সাত আঙুল্যা খেংগরং। মিদিঙ্যা বাঝর লোই দিবে। ধুমো উজু  থোই দিবে। ফুনি শলা কাবি দিচ হ্্েইল সাম্মুয়া  বুনি দিচ। পার্বুয়া বাঝর দিপ্যাবুয়া ব’ কাদি  লোই দিবে শুল’বুয়া । রেদোত লামের জুন’ পহ্’র শুনিচ দাদু হ্ােচ্ছান  মর। ঝাগে জুনি উরি যার ফুল’ খাদি বুনিবার। বাগে থেগে গাং যেব। জনমত্যে নাঙ থেব’। খোল্যা মেলি পান খেলু’ রাধামনে খাম খেল’। জুন’ পহ্’রান ফুরেই যার কধা ভূয়া ন’ ফুরার। নানান কধা কোই লাক জেরে দ্বিজনে ঘুম গেলাক।

রাধামন ধনপুদির জন্ম

ছবি
  রাধামন ধনপুদির জন্ম সেক্থে  দিন মাধান যেজান্যা মনদি শুন’ কং কেঝান্যা। ঝুরি পরে রেই গুলা দেবায় গরেহ্ মেগুলা। দ্যা ধোরিব’ রেত্তো ঝর ভাদে পানিয়ে পোত্তি ঘর। পিজি ছরা থুপ ভান্দি সেকথে মিলা মদ্দর সুক শান্দি। খালে নালে ঘাত্তানি দেঝত উন নেই ভাত পানি। ধুধুক  বেইয়া তেত্রেতুক পরানি দিন মাধান সত্যযুক। ঘরত বান্যা এল সুক লাগত নহ্ পান কন’ দুক। ছরা ছরিত মাছ ইজা সেকথে সুদা মন পাচ্চিগা। ধানে তুলি বয় ঝারি তেঙ্গাত  ধান পেধ’ দচ আরি। মুখত ভাজেইয়া পুদি পুদি অশ^ পুদি লোই ক’ পুদি। জয়মংগল খীজা মেনগা এলাক তারাহ্ কন’ জাগা? পানিত ন’ এল’ খজাত্তি চম্পক নগরত বজথি। সপ্পান  পুরা তারাহ্ মন মেনগা গর্ভে ওল রাধামন। বঝর চেরেক যায় বিদি গর্ভিদা অহ্’লগোই ক’ পুদি। দিনে মাহ্’ঝে পুরা ওল অঝা খজা চলাবাপ ধরা পোল। ভাত পানি খেই লল’ গোই খিজাখিজ্যা লর দিলো গোই। ফোবেই ফোবেই তে যেইয়ে, চিদ্রসুখী অঝাওে লাক পেইয়ে। ঘর পেজাঙত  বোই আঘে চিত্রসুখী নেক ছয় যুগে। মাঘ’ শেঝত পরের ঈন মোক ইর নদের কন দিন। চলাবাবে বুঝেই নায় ছয় যুগ মনান ধরি নায়। নজর এক তেঙা দি পেল রাজি ছয় যুগে অহ্ই গেল। চালোন পানি ঘনাত্যা ঝিয়্যঘর’ নাদিন সমাজ্...

“মা, মরোক, বাপ মরোক কাল পরানে খা গরোক” - ইনজেব চাঙমা

ছবি
কধা আঘে- “মা, মরোক, বাপ মরোক কাল পরানে খা গরোক” এ কধা মজিম ম’ মল্লে, জেত্তা, জেদেঙা, ভেই, ভোচ, বরঙা, মত্যালা, মল্লে শোওর, জেদেঙা শুরি মরানা পরও তারার কন’ সাপ্তাক্রিয়া, দাহক্রিয়া মিলানা জু ন’ অহ্’য়। শেজে লগর সমারি মরি যানার পরও, আজার অনটনর সেরে বেগর সেপবত্তালোই কাম গরি যাঙর। “মা, মরোক, বাপ মরোক কাল পরানে খা গরোক” অর্থাৎ মা-বাপ মরিলেও পরান বাজেবাত্তে খা পরিব। তত্তুন বাজা পরিব’। জিংকানিত ইয়ান বুঝি এলুং- আমি যে বাজি আঘি ইয়ান বাজানা নয়। পিত্তিমিত গধেল গধেল পরান বলা বাজি আঘন। মাত্তর, জাত ইজেবে, চাঙমা জাত ইজেবে বাজদে জেনেই যে আরাং আধিগার দরগার সিয়ান নেই। আর বেচ দিন দিন আগাচুজো অই এযের। এ অক্তত মর ইমে ঘর সংসার যিধু যেব’ যোক আমা জাদর শিঙোর দরমর গরা পরিব। আমা জিংকানিয়ানি দ’ আহ্’লেয় যেল’। মুজুঙে যে পিরিহ্‌উন উদদন, এত্তন, এবাক তারা যেন নিজ’ ভাঝে, মন কধা কোই পারন, নিজ’ ওক্কোরে গান, গল্প, উপন্যাস, কিত্তে লেঘি পারন যে জু অহ্’য় মর এ ঘাম ঝরানাত, মর এ সময় দেনাত। ইয়ান মর সবন।

বর্তমানে আদিবাসীরা খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেনঃ ফজলে হোসেন বাদশা

ছবি
  ১৮ আগস্ট ২০২২, ঢাকা: ঢাকায় ‘আদিবাসী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার ও সুরক্ষা’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আহ্বায়ক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেছেন, বর্তমানে সমতল ও পাহাড়ের আদিবাসীরা খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তারা সবক্ষেত্রে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তাদেরকে নিজ ভূমি থেকেও উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে তারা আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে বাধ্য হচ্ছেন। গতকাল ১৭ আগস্ট ২০২২ সিরডাপ মিলনায়তনে রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কালেক্টিভ (আরডিসি) ও ইউএনডিপির হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রাম আয়োজিত উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলে হোসেন বাদশা এমপি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও আরডিসির চেয়ারপার্সন মেসবাহ কামাল। মূল প্রবন্ধের উপর আরো আলোচনা করেন প্রতিথযশা নাট্যকার ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ, দৈনিক সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ, আদিবাসী ব...

রাবিপ্রবি’র প্রথম ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা’র প্রয়াণ

ছবি
হিলর পচ্জন নিউজ ডেক্স(রাখাবা):   পাহাড়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম  উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা মারা গেছেন। আজ বুধবার সকাল ৮ টার দিকে খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে পাহাড়ে। প্রয়াত প্রদানেন্দুর পারিবারিক সূত্র জানায়,  গত ৬ দিন আগে ডায়রিয়া জনিত অসুখে তিনি খাগড়াছড়ির একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসায় বেশ সুস্থও হচ্ছিলেন। পরে তাকে খাগড়াছড়ি হাসপাতালে নেয়া হয়। খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেন। গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রদানেন্দুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করে। কিন্তু জেলায় শীর্ষ পর্যায়ের জনপ্রতিনিধির অনুরোধে তাকে খাগড়াছড়িতে চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়।  কিন্তু মঙ্গলবার তাঁর হঠাৎ সুগার ও অক্সিজেন লেভেল কমে যায়।  এক পর্যায়ে বুধবার সকাল ৮ টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। প্রদানেন্দুর মরদেহ হাসপাতাল থেকে খাগড়াছড়ি শহরের খবং পড়িয়ায় নেওয়া হয়েছে এবং সেখানেই তার শেকৃত্য সম্পন্ন করা হবে বলে  জান...