পোস্টগুলি

"পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন-১৯০০": নিকোলাস চাকমা

ছবি
  "পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন-১৯০০" চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট (পার্বত্য চট্টগ্রাম) রেগুলেশন ১৯০০ এখনো কার্যকর একটি আইন। এ রেগুলেশনটির কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ২০১৪ সালে ও ২০১৬ সালে পৃথক দুই মামলার রায় দেয় সুপ্রীম কোর্টের পুর্ণ বেঞ্চ। কিন্তু এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে সুপ্রীম কোর্টে রিভিউ করেছেন মোহাম্মদ আব্দুর মালেক ও আব্দুল আব্দিল আজিজ আখন্দ নামে খাগড়াছড়ির দুই বাসিন্দা। আইনজ্ঞরা বলছেন, এ রিভিউ সরকারের পক্ষের রায়ের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। সে হিসেবে সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা এটর্নী জেনারেল রিভিউকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান থাকার কথা। কিন্তু এটর্নী জেনারেল তা না করে বরং রিভিউকে সমর্থন করে রায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন শব্দ, বাক্য, অনুচ্ছেদ বাদ দিয়ে হলফনামা আকারে সুপ্রীম কোর্টে দাখিল করেছেন। যা এক প্রকার রাষ্ট্রের রায়ের বিরোধীতার সামিল। এটর্নী জেনারেলের এমন ভূমিকায় উদ্বিগ্ন পাহাড়ের জনগণ। এ রিভিউ পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী ও স্থায়ী বাসীন্দাদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন তারা। এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য তিন পার্বত্য (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবা...

কল্পনা চাকমা অপহরণ: ২৮ বছর পর মামলা খারিজ

ছবি
প্রতিনিধি, রাঙামাটি, দৈনিক প্রথম আলো দীর্ঘ ২৮ বছর পর বহুল আলোচিত হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলাটি শেষ হয়েছে। আদালত পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বাদীর নারাজি কল্পনা চাকমা আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটি অবসানের আদেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটির জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা বেগম মুক্তা এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশের মাধ্যমে কল্পনা চাকমা অপহৃত হলেও কে বা কারা অপহরণ করেছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনই বহাল থাকছে। প্রতিবেদনে কারও দায় পাওয়া না যাওয়ায় ২৮ বছর আগের মামলাটির অবসান হচ্ছে। তবে মামলার বাদী কল্পনার চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা আদালতের এ আদেশে ক্ষুব্ধ। তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন। মামলার আইনজীবী জুয়েল দেওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল মামলার শুনানিতে বাদীর বক্তব্যও শোনেন আদালত। পরে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বাদীর নারাজি আবেদন প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবেদন নথিভুক্ত করেন। এর মাধ্যমে ২৮ বছর চলার পর মামলাটি সমাপ্তি ঘটেছে। তিনি বলেন, 'পুলিশ সুপারের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকৃত আসামিদের নাম উল্লেখ না করে সন্দেহ...

‘চীনে বিক্রি পাহাড়ি তরুণীরা’ বিবিসি বাংলা

ছবি
  ‘চীনে বিক্রি পাহাড়ি তরুণীরা’ ৫ ঘন্টা আগে নারী পাচার নিয়ে আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘ চীনে বিক্রি পাহাড়ি তরুণীরা ’ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চীনে এক সন্তান নীতির মারপ্যাঁচে পড়ে দেশটিতে এখন নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা অনেক বেশি। অনেক পুরুষ বিয়ের জন্য নারী পাচ্ছেন না। বাংলাদেশের পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে চীনাদের চেহারার মিল থাকায়, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাচারকারী চক্র উন্নত জীবনযাপনের লোভ দেখিয়ে পাহাড়ি পরিবারগুলোকে রাজি করাচ্ছে। এরপর তরুণী-কিশোরীদের পাচার করা হচ্ছে চীনে। এ কাজে সুবিধার জন্য অনেক সময় এ দেশেই চীনাদের সঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বা বিয়ের জাল কাগজ তৈরি করা হচ্ছে। পত্রিকাটি সূত্রের বরাতে বলছে, এভাবে চক্রের সদস্যরা গত সাত বছরে আট হাজারের বেশি কিশোরী-তরুণীকে চীনে পাচার করেছে। তাদের কাউকে কাউকে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। আবার অনেককে বাসায় আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। জীবন বাঁচাতে কেউ কেউ পালিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে। এ বিষয়ে চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, চীনে নারী পাচারের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে ...

পার্বত্য চট্টগ্রাম: বাংলাদেশ নেশন-বিল্ডিং এর সমস্যা নয় কি? - Anurug Chakma

ছবি
  রাষ্ট্র কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর ব্যাংক ডাকাতি বুঝে। কিন্ত সন্ত্রাস দমনের নামে গণগ্রেপ্তার, Illegitimate use of force, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, এসব কিছুই বুঝতে চায় না। রাষ্ট্রযন্ত্র রাষ্ট্রদ্রোহ বুঝে কিন্ত গায়ের জোরে সংখ্যাগুরুর জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দেওয়া এবং পাহাড়িদের আইডেন্টিটি ক্রাইসিসকে বুঝতে চায় না। রাষ্ট্র অসাম্প্রদায়িক দাবি করতে চায়। কিন্ত পাহাড় থেকে সমতল কোথাও আদিবাসী আছে বলে স্বীকার করতে চায় না। রাষ্ট্র মিলিটারাইজেশন এবং এথনিক ক্লিনজিং (জাতিগত নিশ্চিহ্নকরণ) বুঝতে চায় না। বরং রাষ্ট্রের প্রবল আগ্রাসনের মুখে পাহাড়িদের নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়ায়কে রাষ্ট্র দেশদ্রোহ বলতে চায়। রাষ্ট্র পাহাড়ে ইন্সারজেন্সি দেখতে পায়। কিন্ত পাহাড়িদেরকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য ডেমোগ্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং বুঝতে চায় না। সীমান্ত সড়ক, পর্যটন ব্যবসা করাটাকে রাষ্ট্র অর্থনৈতিক উন্নয়ন মনে করে। কিন্ত উন্নয়নের নামে আগ্রাসন, পাহাড়িদেরকে উচ্ছেদ করা যে বৈধ নয় সেটা বুঝতে চায় না। জনগণ যেমন, রাষ্ট্রও তেমন। এজন্য এদেশের সংখ্যাগুরুদের মধ্যে অনেকে নিজেদের বেলায় স্বাধীনতা চাইতে পারে, কিন্ত অন্যের পরাধীনতা টি...

বিজু নিয়ে আলাপ করলেই লোগাংয়ের কথা মনে পড়ে

ছবি
  বিজু (বা বিঝু) উদযাপনে আমাদের সময় আড়ম্বর এতো হতো না। আমরা বাড়ী বাড়ী যেতাম, পাজন খেতাম। চৈত্র সংক্রান্তিতে সবজি একটা আমাদের ঘরেও হতো, অনুমান করি অনেক বাঙালীর ঘরেই হয়, কিন্তু রাঙামাটিতে চাকমা পাজন যেটা আমাদের ঘরের সবজিটা ঠিক সেটার মতো নয়। একশ রকমের উদ্ভিতজাত ফল, মুল, ফুল, লতা পাতা মিশিয়ে পাজন হয়। সবার ঘরে একরকম স্বাদ হয় না। উপাদান ভেদে বা রান্নার স্টাইলের কারণে একেক রকম স্বাদ হয় একেক ঘরে, কিন্তু সুস্বাদু হয় সবার ঘরেই। বছরের এই তারিখটা, এই দিনের আবহাওয়া এই সবকিছু মিলিয়ে পাজন আর আমাদের শরীরের মধ্যে যে সমীকরণ হয়, সেইটাই বৈশিষ্ট্য। এখনকার মতো মেলা, কনসার্ট বা এইরকম অন্য কোন বিশেষ গণ-আয়োজন এগুলি হতো না। কারো কারো বাসায় পার্টির মতো হতো। আমাদের উদযাপন ছিল ঐ যে, সকলের ঘরে ঘরে গিয়ে খাওয়া, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া, কিঞ্চিৎ পান করা এইসব। শুধু যে পাজন খেতে দিতো লোকে সেটা নয়, সাথে নানাপ্রকার সুস্বাদু খাবারও থাকতো। ভারি কোন খাবার সাধারণত পরিবেশন করা হতো না।কোন কোন বাড়ীতে ভাত হয়তো দিত সাথে, পোলাও কোরমা এইসব খাবার বিজুর সাথে যুক্ত ছিল না। পাজনের মধ্যে অনিবার্যভাবে কাঁঠাল তো থাকবেই, তীব্র স্বাদে...

চাঙমা র’/মাত: ইনজেব চাঙমা

ছবি
  ১ . কঙাত্যা - মাথা নোয়ানো। ২ . কঙাত্যা নাদা - গণিত টিক চিহ্ন। ৩ . কচ্যা - কৈশোর , পূর্ণ যৌবনের পূর্বাবস্থা ( কচ্যে ) । ৪ . কজ্যা - ঝগড়া , বিবাদ , খড়ের স্তুপ ৫ . কজ্যাদাদাল ( কাঙকাঙ্যে )- - ঝগড়াটে , ঝগড়াবাজ। ৬ . কবাল্যা - ভাগ্যবান। ৭ . কাক্কাবাচ্যা - কর্কশ শব্দ , রসহীন। ৮ . কাজ্যা - ধানের গোলা। ৯ . কাত্যা - সুতার ক্ষেত্রে কাটা ১০ . কারাসত্যা - সহজে ১১ .   কিইয়ে পিরে গরানা - গড়িমসি করা , অনিচ্ছা দেখানো। ১২ .   কিরব্যা - আদর ১৩ . কুত্যা - কাটা অবস্থা ১৪ . কুপ্যে - প্রোথিত , তীক্ষ è চাহনি ১৫ . কুলুক মাজ্যা - শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ১৬ . কুল্যং - বেতের ঝুড়ি। ১৭ . কেচ্যাবন - কাচবন। ১৮ . খচখচ্যা - খসখসে , অমসৃন। ১৯ . খাচ্যত - স্বভাব , চরিত্র ২০ . খাইদ্যে মিধে - গুড় , আখের গুড়। ২১ . খাদ্য - অনুনয় বিনয় ২২ . কিল্যা - সমস্তরের আত্মীয়। ২৩ . খুলখুল্যা - ফাঁপা। ২৪ . খাক্খন্যা - স্বল্প সময়ে ২৫ . খুল্যা ঝারা - সর্বশেষ , শেষ সম্বল। ২৬ . খেল্যামেল্যা - ঠাট্টা , মস্করা ২৭ . খেত্যালি - উৎসাহি কৃষ...