সোনার চাকচিক্যে অন্ধ বিবেক, অন্ধকারে তরুণের ভবিষ্যৎ - ইনজেব চাঙমা
শিক্ষার্থী - ঝর্ণা চাঙমা গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ একটি প্রশ্ন তুলেছিলাম, “শিশুর হাতে রাজনীতির নামে বিদ্বেষ তুলে দিচ্ছি না তো?” আজকের ঘটনাপ্রবাহ সেই প্রশ্নকে আরও তীক্ষ্ণ করেছে। মুক্তির নামে আর কত তরুণের স্বপ্ন বলি হবে, কত শিশুর মনে জন্ম নেবে বিদ্বেষ? ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গুইমারার রামেসু বাজারসংলগ্ন এলাকায় নিহত আক্রই, আথুই ও থৈইচিং মারমার স্মরণে ২০২৬ সালের একই দিনে শোক ও শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ স্মৃতি সংসদ ও ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা হয়। সংগঠন দুটি ইউপিডিএফের পরিচালনাধীন বলে পরিচিত। নিহতদের স্মরণ ও ন্যায়বিচারের দাবি মানবিক। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে সন্তু লারমার কুশপুত্তলিকা পোড়ানো এবং মিছিলের সামনের সারিতে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি আমাকে ভাবিয়েছে। প্রতিবাদ মানুষের অধিকার; কিন্তু সেই প্রতিবাদের ভাষা যদি শিশুদের মনে ঘৃণার বীজ বপন করে, তবে তার পরিণতি কী হবে? যে শিশুর হাতে বই-কলম থাকার কথা, তার হাতে বিদ্বেষের মশাল তুলে দিয়ে আমরা কেমন ভবিষ্যৎ নির্মাণ করছি? গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬-এ ঝর্ণা চাকমার একটি ভিডিও দেখলাম। মাচালং হাইস্কুলে...