পোস্টগুলি

অবুঝ হৃদয়ে লিপিটুকু

ছবি
প্রণয় বায়ূর ন্যায় নিরাকার। ওটা স্পর্শ করা যায়না, তবে অনুভবনীয়, দেখা যায়না, কিন্তু বোঝা যায়। প্রেমিকের প্রেম -দুনিয়ার এই অনাহূত অতিথিটি বহু রূপী। সে কখনো আসে স-সাগরা পৃথিবীর স¤্রাটের বেশে, কখনও বা আওলীয়া - পীর - ফকীরের বেশে। পৃথিবীর অতি প্রাচীর এই অতিথিটি কিন্তু যে বেশেই আসুক না কেন, প্রেমিক - প্রেমিকার কাছে সে চির নতুন - চির বরণ্য। বায়ূর ন্যায় সে নিরাকার হলেও এই প্রেম – অতিথির ভক্ত জন কিন্তু পূর্ব হতে পায় তার চরণ ধ্বনি। তাই এই ঈপ্সিত জনের আগমনে পূর্বাভাসে প্রেমিক - প্রেমিকা সাজায় তাদের বরণ ডালাঃ তারপর তারা অনুভব করে কখন তাদের অলক্ষ্যে সে যেন স্থান নিয়েছে হৃদয় মাঝেঃ অর্থাৎ স্বপ্ন বাস্তবের তুলির টানে রূপ পেয়েছে। প্রেমিক একবার অবাক হয়ে দেখে, তার নয়নের মণির মাঝে স্থান পেয়েছে একখানা মুখ যাহুরপরী ন্যায় কাল্পনিক নয়, আলোছায়ার খেলা নয়অ সে খানা পরিচিত – অতি পরিচিত। এরপর তার অতি পরিচিত মুখখানা ঘুরতে ঘুরতে থমকে দাঁড়ায় চোখের সম্মুখে ও প্রেমিক অনুভব করে তার অবস্থিতি। ভেঙ্গে যায় তার স্বপ্ন। স্বপ্ন রূপ ধরে তার কল্পনা। অথাৎ শূন্য হতে সত্যেও সন্ধান পেয়ে নতু...

কোচপানা এয’ আঘে - ইনজেব চাঙমা

ছবি
দুগর পাঞ্চালি পরহ্ং দিনপত্তি,                       আমনর বুগত পারহ্ কুরিহ্ কুরিহ্। দাঙর মনবলা মানুচ দেঘঙ তিগুচ্যা ইধু, কধক আওজি তারা ম’ ইধু। তারারেয়্য দেঘঙ পত আহ্’রান             এক্কো দুগর মানেই পত্তো (সাধারণ পথিক) সান। যারা সুদোম মজিম থান তারয়্য দ’ বেগে   নিজরে আভরেয়্যন             দুগর ভাগ্য ইধু। মর অতালিয়ে মনান এধক দুগর আঙারা, যিয়োথিয়ো সাল্যেঙত মুই             তুয়ো আহ্’দং বুক কামরে কামরে। এ মেহ্’য়ে বলা চোগত হয়দ’ একজন বাজ্জে আঘে অই ভাঙা জুম’ ঘরত দুগর গধা ভাঙি যাই ধের ধেহ্’রে নাল বেই যাই দি চোগত। নানাঙ ধক, নানাঙ রঙ মানুচ নানাঙ মন, নানাঙ চেঙেরা- পিত্থিমীত লুধুংমরা গরি পরি আঘে বেক। কি আওচ আঘে তারার           ...

মা! - দাঙগু ইনজেব চাঙমা

ছবি
ছবি: সুখেন্দু চাঙমা উরগুম্যা দেবা সান ন’ মাদচ ন’ বুলর, বানা আহ্নজাবাত দাবা দি সানা ভুরবোত বজি নিগুচ নিগুচ থানর। চোক চেলে রাঙা, চুল জেধেরা কি এধক আভিল্যাচ? কবে মা? তুই আমারে। মা! মা!! ও মা!!! আমি দ’ ছাবলক অয়েই এ্যাধো শিরে মোজুরি পারি তর কি এধক কিত্তে চিদে? কবে মা? তুই আমারে। ও পুত! শুনি থাগ’ কঙ তমারে ভাঙি ম’বুগর গরেঙর কধানি, ছাবলক অইয়ো দাঙর কধা নয়- তুমি দ’ আহ্’জে ফেল্লো জাদর সাহিত্য, সংস্কৃতি আনি। ম’ ভাঝে ন’ মাদ’ ম’ আহ্’দে বুন্নে উরোন পিরোন ন’ রেন’ পর’ দরপ্পানি গম ভাব’ ইত্তুন বেচ আভিল্যাচ কি থেই পারে! মরে তুমি ভাঙি ক’। ত’ বাবা নেই, ত্যুঅ দ’- রানি পিদি জংকানিত দাঙর গল্লুং তমারে। তমা চোগত তলে ইক্যে, ঘর পাদা ধুজি নেই মাজারা তুয়ো দ’ তুমি ন’ বুঝর তুমিয়্য অই গেলা ছেত্রা। ইক্যে মুই কারে নিনেই বুক বানিম? কা আঝায় দিন তোরেম? তোমারে ভাবি থেনেই কি মুই ভুল গচ্ছোঙ? কধে চাঙ, তুমি মরে কি বুক বানি দিবা? না, মুই সন্দভাচ মাদঙর। মর দুচ, বেক মর দুচ ম’ কবাল গম অদ’ পর ভাঝে লেঘা শিঘি ন’ পেদা, সক্যে, নিজ’ ভাঝে নিজ’ অহ্’রগে সাহিত্য চচযা গরি মান, বজমান কোরেদা...

জীংকানি- দাঙগু ইনজেব চাঙমা

ছবি
জীংকানি আর’ এক্কান নাঙ কি দুক? আমল গরি ভাবঙ, আঙুল’ পাপ গনং, যোক - বিয়োক - গুন - ভাক বেক গরি চাঙ কন’ কিচ্ছুত মেলেই ন’ পারঙ। ভাবং গাচ্ছুন নিনেই, তারায়্য দ’ ম’ সান! এক খেবত ফুলে পাগোরে পেইখ’ কিজিক-কাজাগে ফাগোনর মিধে আহ্’জিয়ে সাতমাচ্যা গুর’ ধক; অনসুর বিঝু জগরা রুজি ঝরে। আর এক অক্তত? কি থাই তার? পাদা, ফুল-ফল ঝুরি যেই পিগিরে জেরেবার ব’ নেই। কি আঝায় বাজি থাই? ফাগোন চোত মাজ্যা ধাঙধাঙ্যা খরানত দাঙর আঝা সবন বুগত বানি তিগুচ্যা থাই থিয়ে। ইআনর নাঙ কি জীংকানি? যিয়েনরে নিনেই বার গরি, দি চোগত সবন বুনি নিআলঝি গরি, ঘুরঘুচ্যা বারিঝে ঝরত সে সবন সে আঝা ধংগা ভাঙি যাই, মিজি যাই ফুত্তে বালুচরত। ইআন নাঙ কি জীংকানি? নুয়ো ঝরে কোর উদে, পিত্থিমীআন এ্যাইলে সাজে গাজে গাজে ফুল ফুদোন নানাঙ পেইখ গীদ’ সুরে জাগি উদে মা মেদেনি ইআনর নাঙ জীংকানি।

দৃষ্টি অাকর্ষন ও অামার মতামত

ছবি
ছবি: ফেসবুক থেকে নেয়া Pragati Khisa ১১:৩০ টা / ২০/০৯/২০২৮ কপি করা 16 ঘণ্টা · দৃষ্টি অাকর্ষন ও অামার মতামত _------------------ এখন চাকমা সাহিত্যকে এগিয়ে নেবার সময়। চাকমা ভাষা লিখন পদ্ধতি নিয়ে নিখুঁত বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করার সময় নয়। চাকমা শব্দ কো্ষ , লিখন ও কথনের জন্য উপযোগী শব্দ বের করে অানা এখন সময়ের দাবী। পরিলক্ষিত হয় যে , এখন অনেক চাকমা শব্দ মূল উচ্চারণ হতে কবিতায় , গানে বিকৃতভাবে লেখা হচ্ছে। তৎমধ্যে একটি বহুল বিকৃত শব্দ হচ্ছে কোচপাং শব্দটি। গানে ও কবিতা এই শব্দটি অহরহ দেখা যায়। জুনি পুক্কুন অাগাজে অাগাজে উরোদন। অথচ জোনাকি পোকারা মানুষের চেয়ে বেশি উপরে তো উড়ে না , তাহলে অাকাশে অাকাশে শব্দটি ব্যবহার হবে কি করে ? ভোর হলো দোর খোল কবিতাটি চাকমা অনুবাদ করে নিজের নামে বন্দোবস্তী করে নিয়েছেন। অামাদের সাহিত্যের প্রয়োজনে অনুবাদ সাহিত্য অাসতে পারে সেটার সাথে অামি একমত। কিন্তু মূল লেখককে অপমান করার অধিকার তো কারোর নেই।সৃজনশীলতা অাইনে অপরাধ ও বটে। তাছাড়া চাকম...