পোস্টগুলি

পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের নামে জনগণের বিরুদ্ধে রাজনীতি- ইনজেব চাঙমা

ছবি
  পূর্ণস্বায়ত্তশাসন, শব্দটি একসময় অনেকের কাছে আশার প্রতীক ছিল। মনে হতো, এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের সংগ্রাম। বিশ্বাস ছিল, যারা এই দাবি তোলে, তারা পার্বত্য চুক্তির সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে জনগণের জন্য নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনার দরজা খুলতে চায়। কিন্তু আজ প্রশ্ন একটাই, এই পূর্ণস্বায়ত্তশাসন কি আদৌ জনগণের জন্য, নাকি জনগণের বিরুদ্ধেই পরিচালিত একটি রাজনীতি? ২০২২ সালের ৯ জুন দুধুকছড়ার ঘটনা সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দেয়। একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা মেজর মোঃ এমদাদুল ইসলামের হাতে দাবিনামা তুলে দেওয়া কোনো রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, এটি প্রকাশ্য চাপ প্রয়োগ। সেদিনই বোঝা গিয়েছিল, পূর্ণস্বায়ত্তশাসন এখানে নীতির বিষয় নয়, এটি ভয় দেখানোর একটি কৌশল। এরপর থেকে দৃশ্যপট আরও নগ্ন হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধারাবাহিক অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী, কবি–সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সরকারি চাকরিজীবী, যারা কেউই অস্ত্রধারী নন, কেউই ক্ষমতাবান নন, শুধু ভিন্নমত পোষণ করেন। মতের অমিল মানেই দেশদ্রোহী, শত্রু, দালাল, কিংবা “জনবিরোধী”। এই রাজনীতিতে যুক্তির কোনো স্থান নেই, আছে শুধু লেব...

চাকমা বর্ণমালা: ঐতিহাসিক বিকাশ, বর্ণসংখ্যা বিতর্ক ও আধুনিক মান্যতা- ইনজেব চাঙমা

ছবি
ভূমিকা চাকমা জনগোষ্ঠীর ভাষা ও বর্ণমালা দক্ষিণ এশিয়ার আদিবাসী ভাষাতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভাষার লিখিত রূপ কোনো জাতির সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা , ধর্মীয় চর্চা ও জ্ঞানসংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। চাকমা ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে — এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য হলেও , বর্ণসংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ বিদ্যমান। এই প্রবন্ধে চাকমা বর্ণমালার সংখ্যা সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিতর্ক , ধর্মীয় ও সাহিত্যিক প্রেক্ষাপট এবং আধুনিক কালে এর মান্যতা ও প্রযুক্তিগত বিকাশ আলোচনা করা হয়েছে। চাকমা বর্ণমালার সংখ্যা : গবেষণাগত মতভেদ চাকমা বর্ণমালার সংখ্যা নির্ধারণে বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন গবেষণা পাওয়া যায়। ভাষাবিদ George Abraham Grierson তার বহুল আলোচিত গবেষণাগ্রন্থ Linguistic Survey of India - এ চাকমা ভাষার ৩৩টি বর্ণমালা র উল্লেখ করেন। ¹ পরবর্তীকালে সতীশ চন্দ্র ঘোষ চাকমা জাতি গ্রন্থে ৩৭টি বর্ণমালা র কথা উল্লেখ করেন। ² আবার নোয়ারাম চাকমা তার পাঠ্যবই চাকমার বর্ণমালার...

পাহাড়ি রাজনীতির বাঁক বদল: দীপেন দেওয়ানের মন্ত্রিত্ব ও সমকালীন সংকট- ইনজেব চাঙমা

ছবি
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূ-রাজনীতি ও ক্ষমতার সমীকরণ বরাবরই জটিল ও বহুমাত্রিক। এই সমীকরণের সাম্প্রতিকতম অধ্যায়ে যুক্ত হয়েছে এক নতুন নাটকীয়তা। রাঙামাটি (২৯৯) আসনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের গুঞ্জন এখন চায়ের কাপ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে তুমুল ঝড় তুলেছে। আপাতদৃষ্টিতে একে ‘শারীরিক অসুস্থতাজনিত’ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখানো হলেও, এর নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা রাজনৈতিক চাপ, আদর্শিক দ্বন্দ্ব এবং ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত জটিলতা এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়। দীপেন দেওয়ানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বেশ সুদৃঢ়। তাঁর পিতা সুবিমল দেওয়ান ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপজাতীয় বিষয়ক উপদেষ্টা। পারিবারিক এই রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় দীপেন দেওয়ান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনী ফলাফল ছিল অভূতপূর্ব। রাঙামাটির ২১৩টি কেন্দ্রে তিনি মোট ২ লাখ ৫৯ হাজার ৯৮০ ভোট পেয়ে ...

𑄌𑄋𑄴𑄟 𑄎𑄖𑄴: 𑄝𑄨𑄎𑄧𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄮𑄟𑄴𑄝 𑄃 𑄃𑄨𑄢𑄪𑄇𑄴 𑄛𑄳𑄢𑄧𑄖𑄨𑄢𑄮𑄙𑄴 𑄃𑄨𑄚𑄴𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟

ছবি
“𑄥𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄉𑄝𑄪𑄢𑄨 𑄝𑄧 𑄇𑄘𑄨 𑄥𑄨𑄙𑄪𑄥𑄨𑄠 𑄟𑄚𑄪𑄌𑄴𑄍𑄮𑄚𑄬 𑄃𑄧𑄎𑄘𑄨𑅁” “𑄛𑄧𑄢𑄴𑄝𑄮𑄠 𑄛𑄧𑄕𑄴𑄓𑄨𑄇𑄴 𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄡𑄬 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄖𑄴 𑄗𑄬𑄘𑄪𑄁 𑄚𑄧𑄠𑄴 𑄥𑄰𑄚𑄳𑄠𑄧𑄉𑄧𑄚𑄴 𑄥𑄬 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄖𑄴𑅁” 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄙𑄚𑄨 𑄝𑄚 𑄟𑄪 𑄟𑄨𑄙𑄬 𑄚𑄧𑄁, 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄎𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄝𑄮𑄟𑄴𑄝𑅁 𑄃𑄬 𑄇𑄧𑄝𑄨𑄘𑄳𑄠𑄃𑄪𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄧𑄖𑄴𑄨𑄇𑄴 𑄟𑄖𑄴 𑄇𑄮𑄃𑄨 𑄘𑄬- 𑄌𑄋𑄴𑄟𑄃𑄪𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄧𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄥𑄨𑄇𑄴𑄈𑄨𑄖𑄴, 𑄜𑄢𑄧𑄇𑄴 𑄃 𑄃𑄧𑄥𑄨𑄝𑄨𑄣𑄴 𑄚𑄧 𑄃𑄬𑄣𑄇𑄴𑅁 𑄥𑄪𑄣𑄴𑄖𑄚𑄨 𑄃 𑄟𑄮𑄉𑄧𑄣𑄴 𑄡𑄪𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄊𑄪𑄢𑄧𑄊𑄪𑄎𑄳𑄠𑄬𑄖𑄴𑄠𑄳𑄠𑄧 𑄖𑄢 𑄥𑄧𑄟𑄌𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄧 𑄉𑄳𑄠𑄬𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄛𑄳𑄦𑄧𑄢𑄬 𑄛𑄮𑄖𑄧𑄛𑄮𑄖𑄳𑄠, 𑄥𑄨𑄝𑄨𑄣𑄧 𑄞𑄨𑄘𑄨𑄢𑄬, 𑄥𑄧𑄞𑄳𑄠𑄧𑄖𑄢𑄴 𑄘𑄮𑄇𑄴𑄙𑄮𑄇𑄳𑄠𑅁 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄃𑄬𑄣𑄧 𑄛𑄧𑄕𑄴𑄓𑄨𑄘𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄨𑄇𑄴𑄈𑄬 𑄊𑄧𑄢𑄴, 𑄃𑄬𑄣𑄧 𑄥𑄰𑄚𑄳𑄠𑄧 𑄖𑄧𑄎𑄨𑄟𑄴𑄛𑄪𑄢𑄴, 𑄃𑄬𑄣𑄧 𑄥𑄥𑄧𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄢𑄨𑄘𑄨𑄥𑄪𑄙𑄮𑄟𑄴𑅁 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄬 𑄢𑄧𑄈𑄳𑄠𑄬 𑄉𑄧𑄢𑄚 𑄗𑄪𑄟𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄎𑄧𑄖𑄴 𑄖𑄢 𑄦𑄖𑄳𑄠𑄢𑄴 𑄙𑄧𑄌𑄴𑄍𑄮𑄚𑄴, 𑄘𑄬𑄌𑄴 𑄎𑄧𑄠𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄮𑄚𑄴 𑄃...

𑄟𑄮𑄚𑄴 𑄟𑄪𑄢𑄴 𑄍𑄧𑄢 𑄉𑄋𑄴 𑄍𑄨𑄢𑄨 𑄟𑄳𑄠𑄢𑄗𑄧𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄐𑄴𑄌𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄮𑄖𑄧𑄛𑄮𑄖𑄳𑄠 𑄞𑄣𑄬𑄘𑄨 𑄌𑄧𑄑𑄴𑄧𑄉𑄳𑄢𑄟𑄴 𑄝𑄨𑄌𑄴𑄧𑄝𑄨𑄘𑄳𑄠𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟

ছবি
𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟 𑄛𑄢𑄴𑄝𑄧𑄖𑄳𑄠𑄧 𑄎𑄬𑄣 𑄟𑄮𑄚𑄴 𑄟𑄪𑄢𑄧 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄨 𑄃𑄬𑄥𑄳𑄠𑄬 𑄘𑄧𑄋𑄬 𑄚𑄧 𑄛𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄟𑄧𑄚𑄧𑄝𑄧𑄣𑄴, 𑄃𑄉𑄗𑄳𑄠 𑄈𑄘𑄪𑄚𑄨 𑄃 𑄥𑄧𑄝𑄧𑄚𑄚𑄨𑄢𑄬 𑄥𑄧𑄟𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄳𑄠𑄢𑄗𑄧𑄚𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄮𑄚𑄧𑄖𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄧 𑄞𑄬𑄘𑄟𑄴 𑄘𑄧𑄢𑄧𑄟𑄧𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄬 𑄃𑄘𑄨𑄝𑄥𑄩 𑄛𑄧𑄢𑄴𑄝𑄮𑄠 𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟𑅁 𑄖𑄬 𑄌𑄧𑄑𑄴𑄧𑄉𑄳𑄢𑄟𑄴 𑄝𑄨𑄌𑄴𑄧𑄝𑄨𑄘𑄳𑄠𑄣𑄧𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄬 Dramatics Department (𑄸𑄶𑄷𑄼–𑄷𑄽 𑄥𑄬𑄥𑄧𑄚𑄴)-𑄃𑄬 𑄛𑄮𑄃𑄨𑄚𑄋𑄨 𑄛𑄧𑄢𑄴𑄝𑄮𑄠𑅁 𑄟𑄪𑄢𑄪𑄣𑄳𑄠 𑄌𑄉𑄣𑄖𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄧 𑄎𑄪 𑄚𑄧 𑄛𑄚𑄢𑄴 𑄟𑄠𑄬𑄌𑄨𑄁 𑄟𑄢𑄴𑄟 𑄦𑄙𑄚 𑄃𑄪𑄌𑄴𑄮 𑄚𑄧 𑄃𑄬𑄣𑄧𑅁 𑄚𑄨𑄢𑄨𑄝𑄨𑄣𑄨 𑄟𑄪𑄢𑄪𑄣𑄳𑄠 𑄎𑄨𑄁𑄇𑄚𑄨𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄘𑄬𑄏𑄧𑄢𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄘𑄋𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄳𑄠𑄢𑄗𑄧𑄚𑄴 𑄟𑄧𑄐𑄴𑄌𑄧𑄖𑄴 𑄃𑄪𑄘𑄚, 𑄃𑄬 𑄣𑄟𑄴𑄝 𑄡𑄖𑄳𑄢 𑄖𑄢𑄴 𑄃𑄧𑄚𑄴𑄥𑄪𑄢𑄴 𑄣𑄢𑄬𑄃𑄨 𑄉𑄧𑄢 𑄛𑄧𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄚𑄚𑄚𑄴 𑄇𑄪𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄟𑄙𑄚𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄖𑄬 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄃𑄪𑄉𑄪𑄢𑄬 𑄝𑄨𑄌𑄳𑄠𑄬𑄌𑄴 𑄃 𑄚𑄨𑄦𑄣𑄴𑄏𑄨 𑄈𑄘𑄪𑄚𑄨 𑄝𑄧𑄣𑄬 𑄖𑄬 𑄛𑄳𑄢𑄧𑄟𑄚𑄴 𑄉𑄧𑄌𑄴𑄍𑄬, 𑄟𑄧𑄚...

পাহাড়ে ধর্ষণ ও বিচারহীনতা: রাষ্ট্র কি শুনছে? ইনজেব চাঙমা

ছবি
  ২৩ মে, ২০২৬। বান্দরবানের থানচি উপজেলা সদরের বুক চিরে বেরিয়ে এলো আর্তনাদ—পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ। পরদিন ২৪ মে, পুলিশের জালে ধরা পড়ল ষোলো বছরের এক কিশোর। ঘটনা মর্মান্তিক, নিঃসন্দেহে। কিন্তু পাহাড়ের বাতাসে ভেসে বেড়ানো প্রশ্নটা আরও গভীর: এটি কি নিছকই একটি বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা, নাকি সবুজ পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা রক্তের দাগের আরও একটি নতুন বিন্দু? পুলিশের খাতাই সাক্ষী দিচ্ছে—২০২৫ সালেই শুধু বান্দরবানে ১১টি শিশু আর দুই গৃহবধূর সম্ভ্রম লুণ্ঠিত হয়েছে। একই বছরের ৫ মে, জুমখেতে কাজ করতে গিয়ে চিংমা খিয়াং নামের এক নারী ফিরে আসেননি আর। তার নিথর দেহ পাওয়া গিয়েছিল ঝোপের আড়ালে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমার কণ্ঠে তখনও শোনা গেছে সেই চিরচেনা বাক্য—“তদন্ত চলমান”। পাহাড় জানে, এই “চলমান” শব্দটির আড়ালে কত দীর্ঘশ্বাস, কত অন্ধকার রাত জমে থাকে। কত মামলার ফাইল ধুলোয় চাপা পড়ে, আর কত অপরাধী নতুন শিকারের খোঁজে বের হয়। এই অন্ধকারের হিসেব রেখেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত তাদের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন বলছে—এক বছরে ২৬টি ঘটনায় ৩২ জন জুম্ম নারী ও শিশু ধর্ষণ, য...

𑄃𑄪𑄖𑄴𑄨𑄛𑄪𑄖𑄴𑄨𑄢𑄴 𑄣𑄓𑄬𑄃𑄨 𑄃 𑄣𑄧𑄇𑄧𑄜𑄧𑄇𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄟𑄴- 𑄃𑄨𑄚𑄧𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄧𑄟

ছবি
𑄟𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄎𑄨𑄁𑄇𑄚𑄨 𑄦𑄙𑄚𑄴 𑄛𑄧𑄖𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄧𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄃𑄪𑄎𑄪 𑄚𑄧 𑄦𑄧𑄠𑄴𑅁 𑄃𑄟𑄨 𑄛𑄧𑄖𑄴𑄨𑄇𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄡𑄢𑄴 𑄡𑄢𑄴 𑄎𑄉𑄖𑄴 𑄗𑄬𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄞𑄉𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄟𑄚𑄨 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄝𑄢𑄴 𑄟𑄧𑄚𑄬 𑄛𑄧𑄢𑄚𑄬 𑄌𑄬𑄢𑄬𑄌𑄧𑄖 𑄉𑄧𑄢𑄨𑄢𑄴𑅁 𑄇𑄧𑄚𑄴 𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄃𑄮𑄌𑄴 𑄉𑄧𑄢𑄨 𑄝𑄧𑄎𑄧𑄁 𑄝 𑄞𑄪𑄣𑄴 𑄚𑄧 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄚𑄴, 𑄚𑄧 𑄉𑄧𑄢𑄧𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄚𑄧𑄎𑄧𑄚𑄬 𑄇𑄢𑄧𑄢𑄬 𑄣𑄬𑄋𑄴𑅁 𑄖𑄪𑄃𑄧 𑄎𑄨𑄁𑄇𑄚𑄨 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮𑄚𑄴 𑄃𑄧𑄘𑄴𑄞𑄪𑄖𑄴 𑄗𑄬𑄉𑄧𑄖𑄴 𑄛𑄧𑄢 𑄡𑄠𑄴, 𑄃𑄬𑄙𑄧𑄇𑄳𑄠𑄬𑄚𑄴 𑄘𑄨𑄚𑄴 𑄟𑄙𑄚𑄴𑄮 𑄟𑄪𑄠𑄮-𑄟𑄪𑄠𑄨 𑄦𑄧𑄃𑄨 𑄛𑄠𑄴 𑄥𑄨𑄠𑄮𑄖𑄴 𑄈𑄟𑄇𑄴𑄇𑄠𑄴 𑄌𑄨𑄚𑄧𑄛𑄧𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄟𑄚𑄪𑄏𑄮𑄢𑄴 𑄃𑄨𑄙𑄪 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄬 𑄃𑄧𑄛𑄧𑄢𑄙𑄨 𑄃𑄧𑄙𑄬 𑄌𑄮𑄇𑄴 𑄛𑄬𑄣𑄬 𑄛𑄬𑄣𑄬 𑄢𑄨𑄚𑄨 𑄌𑄚𑅁 𑄃𑄬𑄌𑄳𑄠𑄬 𑄦𑄧𑄠𑄧𑄘𑄴 𑄟𑄧 𑄎𑄨𑄁𑄇𑄚𑄨𑄖𑄴 𑄥𑄬 𑄃𑄉𑄗𑄳𑄠 𑄛𑄧𑄢𑄨𑄇𑄴𑄈𑄬 𑄘𑄨𑄚𑄴𑅁  𑄃𑄟𑄧𑄢 𑄥𑄧𑄝𑄭 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄇𑄎𑄴 𑄇𑄧𑄢𑄧𑄍𑄨, 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄢𑄴 𑄟𑄧𑄖𑄮 𑄇𑄧𑄢𑄬 𑄥𑄧𑄖𑄧𑄖𑄢𑄴 𑄥𑄗𑄬 𑄛𑄧𑄗𑄴 𑄌𑄧𑄣𑄧𑄍𑄨𑅁 𑄛𑄳𑄢𑄧𑄖𑄳𑄠𑄬𑄇𑄬𑄃𑄨 𑄚𑄨𑄎𑄴 ?...

অধিকারের লড়াই ও সম্পর্কের দায়বদ্ধতা- ইনজেব চাঙমা

ছবি
মানবজীবনের পথচলা কখনো মসৃণ সরলরেখায় হয় না। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থানে দাঁড়িয়ে নিজের দায়িত্বটুকু পালন করার আপ্রাণ চেষ্টা করি। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে না, কেউ কাউকে আঘাত করতে চায় না। তবুও জীবনের কোনো এক অদ্ভুত মোড়ে এসে আমাদের এমন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে অবলীলাক্রমেই চেনা মানুষগুলোর সামনে নিজেকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে মায়াবদ্ধ মনে হয়। আজ হয়তো আমার জীবনের সেই কঠিন পরীক্ষার দিন। বর্তমানে 'বর্গা শিক্ষক' শব্দবন্ধটি অনেকের বুকেই এক নীরব বেদনার জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আজ সবার মনেই এক গভীর দুঃখ ও হাহাকার বিরাজমান। শিক্ষকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি আত্মিক বন্ধন ও সামাজিক মেরুদণ্ড। যখন সেই মেরুদণ্ডে আঘাত লাগে বা কোনো টানাপোড়েন তৈরি হয়, তখন হৃদয়ের রক্তক্ষরণ হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই দুঃখ কোনো একক ব্যক্তির নয়, এটি আমাদের সামষ্টিক চেতনার এক গভীর ক্ষত। আমরা সবাই নিজের নিজের কাজ করছি, নিজের মতো করে সততার সাথে পথ চলছি। প্রত্যেকেই নিজ নিজ নিয়তি ও কর্তব্যের জালে বন্দি। কিন্তু নিয়তির পরিহাস এমনই যে, মাঝেমধ্যে নিজের হক বা দায়িত্ব পালন করতে গিয়েও অন্যের চোখে অনিচ্ছাকৃতভা...

পার্বত্য চট্টগ্রামের মনস্তাত্ত্বিক মুক্তির সংগ্রাম- ইনজেব চাঙমা

ছবি
  একটি সভ্য সমাজের শ্রেষ্ঠতম মানদণ্ড হলো তার পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও নিঃস্বার্থ পরোপকারিতা। বর্তমান সময়ে একঝাঁক তরুণের নিঃস্বার্থ কর্মকাণ্ডে সেই সভ্যতারই প্রতিফলন ঘটছে। কারও পারিবারিক অসুস্থতায় রক্তের জোগান দেওয়া, অর্থসংকটে পড়া শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব নেওয়া, কিংবা অগ্নিকাণ্ডে গৃহহীন পরিবারের মাথার ওপর নতুন ছাদ তৈরি করে দেওয়া—এই সবকিছুই এক পরম মানবিক সংস্কৃতির অংশ। আশার কথা হলো, এই পরার্থপরতা কোনো ধার করা সংস্কৃতি নয়; এটি আবহমান কাল ধরে আমাদের চাকমা সমাজের নিজস্ব ঐতিহ্যের মধ্যেই বিদ্যমান ছিল। কিন্তু বাহ্যিক সমাজ ও সংস্কৃতির এত অগ্রগতির পরও, একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও আমরা কি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পেরেছি? গভীর অবলোকন বলে, বাহ্যিক আধুনিকতার আড়ালে আজও আমরা সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতার এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে বন্দি রয়ে গেছি।   ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, একসময় সামন্ততান্ত্রিক সমাজে সাধারণ মানুষের জন্য শিক্ষা ছিল এক দুর্লভ অধিকার। তৎকালীন দেওয়ানদের অন্ধ অনুকম্পা ও অনুমতি ছাড়া সাধারণ ঘরের সন্তানের শিক্ষালাভের কোনো সুযোগ ছিল না। শিক্ষার আলোকে প্রদীপ না ভেবে, নিজেদের ক্ষমতা টিক...

ঐতিহ্যের দর্পণে অধিকারের জয়গান- ইনজেব চাঙমা

ছবি
হৃদয়ের ঔদার্য আর সত্যের আলোয় যিনি প্রদীপ্ত, ক্ষমতার উচ্চাসনে বসেও তিনি মাটির মানুষকে ভুলে যান না। বর্তমান জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার, প্রাজ্ঞ আইনবিদ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সম্প্রতি তাঁর নির্বাচনী এলাকার আদিবাসী অধ্যুষিত জনপদে পা রেখে তেমন এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। সবুজ পাহাড় আর অরণ্যঘেরা সেই জনপদের প্রান্তিক মানুষের দুঃখ-দুর্দশা স্বচক্ষে অবলোকনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত হলো এক মহাসত্যের বাণী। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রাচীন গৌরব ও বর্তমান বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেন: "প্রকৃতপক্ষে ওরাই এই মাটির আদি সন্তান, আদিবাসিন্দা। আজ অবহেলা আর তাচ্ছিল্যে অনেকে ওদের 'ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' বলে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু আমি বলি—ওরা ক্ষুদ্র নয়, ওরা হৃদয়ে ও ঐতিহ্যে অনেক বড়। মানবসভ্যতার ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যাবে, এই অঞ্চলে ওদেরই প্রথম পদাচারণা ঘটেছিল। সেই অমোঘ সত্যের আলোকেই আমি ওদের আদিবাসী বলি।" আদিবাসীদের উন্নত জীবনবোধের প্রশংসা করে এবং আত্মোপলব্ধির এক বেদনাকাতর স্বরে ডেপুটি স্পিকার আরও যোগ করেন, "সংখ্যায় ওরা হয়তো আজ সংখ্যালঘু,...

পাহাড়ের দীর্ঘশ্বাস - ইনজেব চাঙমা

ছবি
  পাহাড়ের অরণ্য যখন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে, তখন তার নিস্তব্ধতার গভীরে লুকিয়ে থাকে দশকের পর দশক ধরে জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। ১৯৭১ থেকে ১৯৯৭—এই দীর্ঘ ছাব্বিশটি বছর পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের জন্য কেবল একটি কালপঞ্জি ছিল না। তা ছিল এক অস্তিত্বহীনতার কালখণ্ড। যে মাটিতে জুম্ম জন্ম, সেই মাটিই তার জন্য হয়ে উঠেছিল এক নির্মম বধ্যভূমি আর সন্দেহের কণ্টকশয্যা। সে সময় পাহাড়ের ঢালে কোনো জুম্ম যুবকের লম্বা চুল কিংবা অঙ্গে সবুজ শার্ট থাকাটাই ছিল অপরাধের পরোয়ানা। পোশাক আর অবয়ব দেখে মানুষকে ‘সন্ত্রাসী’ তকমা দেওয়ার সেই একপাক্ষিক বিচার ব্যবস্থা মানবিকতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল। সাধারণ জীবনযাপনের অতি সামান্য উপকরণও হয়ে উঠত রাষ্ট্রীয় সন্দেহের বীজ। দশ কেজি চাল কিংবা একটি লাক্স সাবান কিনলেই জুটত ‘সন্ত্রাসী বাজার’ অথবা ‘শান্তিবাহিনীর গোপন রসদ’ সরবরাহের অভিযোগ। হাটে গিয়ে সদাই করাও ছিল এক অগ্নিপরীক্ষা। এই সন্দেহের আবর্তে পিষ্ট হয়ে কত প্রাণ অকালে জেলের অন্ধ প্রকোষ্ঠে হারিয়ে গেছে, তার হিসাব ইতিহাসের কোনো পাতায় লেখা নেই। কোথাও গেলে কিংবা বাজারে গেলে ‘গোল ঘর’-এ নাম লেখাতে হতো। ‘গোল ঘর’ ছিল জুম্মদের জন্য এক বিভীষিকাম...

মেগা প্রকল্প নয়, আগে ন্যায্যতা- ইনজেব চাঙমা

ছবি
  গত সোমবার (১১ মে ২০২৬) খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আবারও সেই পুরোনো প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছড়ালেন—মেগা প্রকল্প, পর্যটন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগের উন্নয়ন। পাহাড়ের মানুষ এই কথাগুলো বহুবার শুনেছে। এতবার শুনেছে যে এখন আর এসব আশ্বাস উন্নয়নের বার্তা নয়—এগুলো সন্দেহের সংকেত। প্রশ্ন একটাই: এই উন্নয়ন কার জন্য? পাহাড়ের মানুষের জন্য, না পাহাড় দখলের জন্য? পাহাড়ে তথাকথিত উন্নয়নের নামে কী হয়েছে, তা পাহাড়ের প্রতিটি মানুষ জানে। রাস্তা হয়েছে—কিন্তু তাতে পাহাড়ির চলার অধিকার নেই। পর্যটন কেন্দ্র হয়েছে—কিন্তু পাহাড়ি উচ্ছেদ হয়েছে। প্রকল্প হয়েছে—কিন্তু সিদ্ধান্তে পাহাড়ির মতামত নেই। উন্নয়ন এখানে মানে হয়েছে ভূমি হারানো, বন হারানো, জীবিকা হারানো। এগুলো উন্নয়ন নয়—এগুলো পরিকল্পিত বঞ্চনা। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কোনো অনুগ্রহ ছিল না—এটি ছিল রাষ্ট্রের দায়। সেই দায় আজও রাষ্ট্র পালন করেনি। ভূমি কমিশন অকার্যকর, আঞ্চলিক পরিষদ ক্ষমতাহীন, সামরিক উপস্থিতি...

𑄌𑄋𑄴𑄟𑄃𑄪𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄞𑄧𑄝𑄨𑄌𑄴𑄮𑄖𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟𑄃𑄪𑄚𑄧𑄢𑄴 𑄦𑄙𑄧𑄖𑄴 - 𑄃𑄨𑄚𑄴𑄎𑄬𑄝𑄴 𑄌𑄋𑄴𑄟

ছবি
“𑄌𑄋𑄴𑄟𑄘𑄬𑄢𑄴 𑄞𑄧𑄝𑄨𑄥𑄳𑄠𑄧𑄖𑄴 𑄖𑄘𑄬𑄢𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄬𑄘𑄬𑄢𑄴 𑄃𑄪𑄛𑄧𑄢𑄴 𑄚𑄨𑄢𑄴𑄞𑄧𑄢𑄴 𑄇𑄧𑄢𑄴𑄝𑄬” — 𑄃𑄬 𑄝𑄨𑄎𑄧𑄇𑄧𑄢𑄴 𑄟𑄪𑄣𑄪𑄇𑄴 𑄇𑄧𑄙𑄚𑄴 𑄇𑄮𑄃𑄨𑄠𑄬 𑄌𑄋𑄴𑄟 𑄢𑄎 𑄖𑄳𑄢𑄨𑄘𑄨𑄝𑄴 𑄢𑄠𑄴 (𑄖𑄝𑄨𑄖𑄴: 𑄢𑄬𑄉 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄓𑄪𑄇𑄪𑄟𑄬𑄚𑄴𑄑𑄴 𑄞𑄨𑄓𑄨𑄃𑄮)𑅁 𑄃 𑄥𑄬 𑄇𑄧𑄙 𑄙𑄧𑄉𑄬 𑄢𑄋𑄟𑄖𑄳𑄠 𑄝𑄨𑄘𑄨𑄠𑄨𑄠𑄬 𑄃𑄬𑄟𑄴𑄛𑄨, 𑄎𑄬𑄃𑄬𑄥𑄴𑄃𑄬𑄥𑄴 𑄉𑄧𑄢 𑄇𑄧𑄟𑄨𑄖𑄨 𑄃𑄬𑄎𑄣𑄴 𑄎𑄧𑄙𑄚𑄚𑄪 𑄥𑄪𑄚𑄚𑄪 𑄃𑄪𑄥𑄖𑄧𑄚𑄴 𑄖𑄣𑄪𑄘𑄢𑄴 𑄟𑄪𑄠𑄮𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄌𑄋𑄟 𑄘𑄊𑄧 𑄇𑄧𑄙 𑄥𑄪𑄚 𑄡𑄨𑄠𑄬, "𑄦𑄏𑄧 𑄍𑄧 𑄦𑄧𑄣𑄬 𑄞𑄏𑄨𑄝𑄧𑄁 𑄇𑄪𑄢𑄮 𑄍𑄧 𑄦𑄧𑄣𑄬 𑄙𑄪𑄝𑄨𑄝𑄧𑄁𑅁” 𑄟𑄚𑄪𑄌𑄴 𑄃𑄧𑄃𑄨 𑄛𑄢𑄨𑄣𑄬 𑄝𑄎𑄨𑄝𑄧𑄁 𑄚 𑄦𑄧𑄠𑄴 𑄥𑄧𑄟𑄧𑄠𑄧𑄢𑄴 𑄉𑄧𑄋𑄢𑄬 𑄞𑄧𑄌𑄴 𑄡𑄬𑄝𑄧𑄁𑅁  𑄃𑄬 𑄘𑄨𑄠𑄚𑄴 𑄇𑄧𑄙 𑄝𑄚 𑄥𑄧𑄣 𑄚𑄧𑄠𑄴; 𑄃𑄬 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄎𑄖𑄴 𑄍𑄁𑄍𑄢 𑄣𑄪𑄉𑄬 𑄡𑄚𑄢𑄴 𑄟𑄪𑄠𑄮𑄖𑄴𑄪𑄚𑄴 𑄚𑄨𑄎𑄧 𑄟𑄚𑄴 𑄚𑄨𑄚𑄬𑄃𑄨 𑄝𑄎𑄨 𑄗𑄚 𑄥𑄧𑄝𑄧𑄖𑄴𑅁 𑄃𑄬𑄇𑄴𑄮 𑄎𑄘𑄧𑄢𑄬 𑄃𑄨𑄙𑄮𑄖𑄴 𑄖𑄪𑄣𑄨 𑄘𑄬- 𑄟𑄚𑄴𑄏𑄮𑄢𑄴 𑄘𑄧𑄠𑄬 𑄚𑄧𑄠𑄴, 𑄚𑄨𑄎𑄧𑄢𑄴 𑄥𑄬𑄘𑄟𑄬 𑄗𑄨𑄠𑄬 𑄗...